নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • কুরুৎআলা পাবলিক
    • এন্টারকটিকায় পড়ছি
    • গোলাম সারওয়ার

    নতুন যাত্রী

    • অনিক চক্রবর্তী
    • অনুভব রিজওয়ান
    • মোমিন মাহদী
    • নাঈম উদ্দীন
    • সাইফ উদ্দীন
    • সংগ্রামী আমি
    • মোঃ নাহিদ হোসোইন
    • পাপেন ত্রিপুরা
    • মোঃ রেফায়েত উল্ল্যাহ
    • রজন্ত মিত্র

    রঙ ছড়ানো হোলি এবং পুরান ঢাকার দোল পূর্নিমা


    মানুষের মনে কত রঙ যদি দেখতে চান তাহলে দোল পুর্নিমায় যেতে হবে পুরান ঢাকায়। একে অপরকে রঙ মাখিয়ে পালন করা হয় এই উৎসব । যাকে বলে দোল খেলা বা হোলি খেলা।আজ দোল পূর্নিমা। পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার এবং লক্ষ্মীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় জাকজমকভাবে এই উৎসব পালিত হয়েছে।

    দিনের প্রথম ভাগে রং দিয়ে ভরিয়ে ফেলা হয় সব এলাকা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রায় সবাই একে অন্যের গায়ে রঙ মেখে চেহারাই বদলে ফেলেন। শুধু পুরান ঢাকা নয় সারা দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এইদিনে রঙ খেলার উৎসবে মাতেন।

    আপনার এগিয়ে যান, আমরা আছি আপনাদের পাশে


    ভোর ৫টা ১৯ মিনিট
    ক্রিং.. ক্রিং...
    হ্যালো বলতেই অপরপ্রান্ত থেকে...
    আপনি কি তন্ময়..?
    জ্বী..
    আপনি কে বলছেন প্লীজ...
    তন্ময় ভাই, ফেইসবুক থেকে আপনার নাম্বারটা সংগ্রহ করে ফোন করেছি আপনাকে ও আপনার বন্ধুদের ধন‌্যবাদ জানানোর জন্য...
    দীর্ঘ ৪২ ধরে বুকে লালন করা কষ্টগুলো আপনাদের মাধ্যমে শেয়ার করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে...
    ৭৫ এর পর দেশেটা চলে গিয়েছিলো পুরোনো শকুনদের হাতে...
    আজ আপনারা গণজাগরন তৈরি করে দেশ কে ও দেশের মানুষ কে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আবার স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছেন বলে এ জাতি আপনাদের নামও শহীদ'দের নামের মত চিরদিন মনে রাখবে...
    ধন্যবাদ

    স্মৃতি থেকে মুছে ফেলা যাবতীয় পাপ


    ১.

    তপ্ত রৌদ্রমাখা একটি পূর্নদৈর্ঘ্য দুপুরের শূণ্যতা মাথায় নিয়ে হাঁটি। অনেক আগে, মনে পড়ে, এক বিষণ্ন কোমল ম্লান বালিকার মেঘরঙ আঁচলে ছাঁকা এক আঁজলা লেবুজলে আজন্মের তৃষ্ণা মিটিয়েছিলাম। সেই জলে ডুবে কসম মরে যেতে ইচ্ছে হয় এখন।

    ২.

    ইঙ্গ-মার্কিন জোটকে বাংলাদেশ আক্রমনে ব্যর্থ আহবান জানিয়ে হতাশ খালেদা জিয়ার সেনা আহবান আর আমাদের করনীয়


    বছর খানেক আগেও বি এন পি কোনো আন্দোলন কর্মসুচী বা হরতাল দিলেই আওয়ামী লীগ তাকে যুদ্ধাপরাধী বাঁচানোর আন্দোলন বলে আভিহিত করতো। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠাসহ অন্যান্য চলমান ইস্যুগুলো নিয়ে বিএনপি আন্দোলন করছিল। কিন্ত আওয়ামী লীগ সরকার একে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর আন্দোলন বলে আখ্যায়িত করায় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করতো বিরোধীদলের যে কোনো ন্যায্য আন্দোলনকে যুদ্ধাপরাধী বাঁচানোর আন্দোলন বলে সরকার তাকে নস্যাত করতে চাচ্ছে!

    আমজনতা বলছি


    শুনলাম শহীদ রুমি স্কোয়াড জামাত শিবির নিষিদ্ধের দাবীতে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে আমরণ অনশন কর্মসূচীতে গেছে।এক শাহবাগে এখন দুইটা মঞ্চ।দুইটা মঞ্চ দাঁড়ানো মানেই এক মঞ্চের সাথে আরেক মঞ্চের যাচ্ছেনা। তাই আমরা আমজনতা বিপদে আছি! কোন মঞ্চে যাব!দুটো মঞ্চইতো জামাত শিবির বিরোধী।এদিকে আল্লামা শফির হেফাজতে ইসলামও নাকি লীগের থেকে বেশি জামাতবিরোধী!এতো গেল জনগণ,সরকার কোন মঞ্চে অবস্থান করছে?

    আমি শহীদ রুমীর একজন উত্তরসুরী , শহীদ রুমী স্কোয়াডের একজন সদস্য ।


    প্রথম থেকেই আমাদের যেকোন কাজে অনেক অনেক বাধা আসছিল , আমাদের মধ্যেই অনেকেই ভয় পাচ্ছিলাম দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নিতে । কিন্তু তখনই নিলয় ভাই বলেছিল আমাদের নামই রিফলেক্ট করে আমরা কেমন । আমরাই হলাম শহীদ রুমীর উত্তরসুরী আর জাহানারা ইমাম এর সন্তান । শহীদ রুমী যেমন তার জীবনের শেষ দিন অব্দি দেশের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন , আমাদের শপথনামাতেও আছে সেই চেতনা ।

    গালিবিধান


    চিন্তা করছি একটি ‘বাংলা গালি অভিধান’ বের করব।

    হয়েছে কি , সেদিন বাতিঘরে কিডস কর্ণারের পাশে দেখলাম একটা বই , নাম , ‘Slang meanings’ .

    ভাবলাম বাংলাতেও এমন কিছু থাকবে । পুরো বাতিঘর তন্নতন্ন করে খোজ দ্যা সার্চ করলাম , তেমন কিছু পেলাম না । রিসিপশনিস্টদের জিজ্ঞেস করতেও লজ্জা লাগছিলো । দুই – তিনদিন আগে সাকিবকে নিয়ে আবার গিয়েছিলাম । প্ল্যান ছিলো ওকে দিয়ে জিজ্ঞেস করাবো Biggrin কিন্তু দেখলাম তখন ঐ ইংরেজি বইটাও আর নেই ।

    অগত্যা ব্যপারটা নিয়ে সিরিয়াস চিন্তা – ভাবনা শুরু করলাম । আর আশ্চর্য সব বিষয় ধরা পড়ল !

    শাহবাগ আন্দোলন !!! কয়েকটি জরুরি সাধারণ বিবেচনা...


    'জনগণ'ই 'জনগণে'র শক্তি, 'জনগণ' ছাড়া 'জনগণের' আর কোন বন্ধু নাই।
    'জনগণের সংগঠন' ছাড়া 'জনগণে'র মুক্তি নাই।

    ১... ৭১' সালেও জনগণই জনগণের শক্তি ছিল, আর শত্রু ছিল 'শত্রুর সাথে আঁতাতকারী' বেঈমানেরা। আজ ২০১৩ সালেও আমাদের নির্ভর করতে হবে জনগণের ওপরই,আর প্রত্যাখ্যান করতে হবে আঁতাতকারীদের।

    ২... আন্দোলন ছোট থেকে বড় হয়, অসংগঠিত থেকে সংগঠিত হয়, হাল্কা থেকে তীব্র হয়, তীব্র থেকে তীব্রতর হয়... এটাই সাধারণ নীতি। এই নীতির বিপরীতে কোন আন্দোলন হয় না, সেটা হয় 'আন্দোলন আন্দোলন খেলা'। যে নেতৃত্ব আন্দোলনকে শুকিয়ে মারার পথে ধাবিত করে, বুঝতে হবে তারা সঠিক কিংবা যোগ্য ডিরেক্টর নয়।

    শুনে নাও মহাকাল


    এই দেহ কখনো সীমানা চেনে না
    এই আত্না কখনো বাধন মানে না
    এই চোখ আর অশ্রু খোঁজে না
    এই নিঃশ্বাস কভু ভারি হয় না।

    শত আঘাতে কাবু হয় না চাহনি
    দূর হতে আমি তারই তোপধ্বনি শুনি
    নিষ্পলক চোখে প্রতিশোধের স্বপ্ন বুনি
    হুশিয়ার যত রক্তপিপাসু হায়েনা আর খুনি।

    আজ শুধু শত্রু হননের দৃঢ় প্রত্যয়
    মিশে গেছে আধারে যত আছে ভয়
    শপথে শপথে করেছি হায়েনাদের ক্ষয়
    হবেই হবে আমাদের নিশ্চিত বিজয়।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর