নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • কাঠমোল্লা
    • মিঠুন বিশ্বাস
    • মারুফুর রহমান খান
    • দ্বিতীয়নাম

    নতুন যাত্রী

    • চয়ন অর্কিড
    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ

    কিউরিয়াস আইজু , চুদিরভাই আইজু


    আমাদের গ্রামে এক চোর ছিলো । বাট্টু চোরা । গ্রামে এমন কোনো বাড়ি ছিলো না যেটাতে সে চুরি করে নাই । ফ্রিজ টিভি থেকে শুরু করে হাড়ি পাতিল পর্যন্ত চুরি করতো সে । কুরবানীর গরু পর্যন্ত চুরি করে নিয়া গেছিলো ঈদের আগের রাতে । প্রতিদিনই কোনো না কোনো বাড়ি থেকে কিছু না কিছু খোয়া যেতো । গ্রামবাসীর প্রতিদিনের সকাল শুরু হত বাট্টু চোরাকে গালাগালি করে । কিন্তু সে যে কোথায় থাকে তা কেউই বলতে পারে না ।

    এক বর্ষার সময় । শহর থেকে মেজবান এসেছে চেয়ারম্যানের বাড়ি । পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পরে যায় চেয়ারম্যানের নাতনি । কেউ আর তুলতে নামে না । হঠাত্‍ কোথা থেকে এসে বাট্টু চোরা ডুব দিয়া তুলে আনে বাচ্চাটাকে ।

    ফ্যান্যাটিসিজম


    ফ্যান্যাটিসিজম শব্দটির অর্থ ধর্মোন্মাদনা। ধর্মোন্মাদনা কথাটি বিতর্কের জন্ম দেয়। তবে আমার কাছে বিষয়টি বিতর্কের উর্ধে! কারণ, যে বিষয়টির কোনো ভিত্তি নাই তাতে বিতর্ক করা মানে বলতে হয় কান নিয়ে গেল চিলে অবস্থা। ধর্মও ধর্মোন্মাদনাকে স্থান দেয় না। আমি প্রতিনিয়ত কিছু উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি। যেমন, ৩য় বিশ্বে সম্পদের এত প্রাচুর্য, জনসংখ্যায়ও পশ্চিমা বিশ্বের তুলনায় কয়েকগুণ; কিন্তু আমরা এত পশ্চাৎপদ কেন? এটার উত্তর জানতে আমি-আপনাকে শারলক হোমস হতে হবে না। সহজ উত্তরে বলা যায় ‘শিক্ষা’। মানসিকতার বিকাশে এই জিনিসটার বিকল্প খোঁজা পণ্ডশ্রম।

    কমিউনিস্ট ইশতেহার পরিচয়


    ইউরোপকে আতঙ্কগ্রস্থ করছে একটা ভূত-কমিউনিজমের ভূত।

    ২৪ জুন,১৮৭২।আক্ষরিক অর্থেই কমিউনিস্ট বিপ্লবের ভয়ে ইউরোপের পুঁজিপতিদের হাটু কাঁপছে।এই সময়ই প্রকাশিত হয় ঐতিহাসিক কমিউনিস্ট মেনেফেস্টো বা কমিউনিস্ট ইশতেহার।
    এ ইশতেহারকে মহামতি মার্ক্স নিজেই ঐতিহাসিক দলিল ঘোষণা করেছেন।এবং 'একে বদলাবার অধিকার নেই' বলে ঘোষণা দিয়েছেন।তাই বর্তমান আমরা ইশতেহারটির যে রূপ দেখতে পাই তা মূলত দু ভাগে বিভক্ত।প্রথম ভাগে ১৮৭২ থেকে ১৮৯৩ পর্যন্ত পাঁচটি বিভিন্ন ভাষায় এর সংস্করণ বেরুনোর প্রেক্ষাপটের ইতিহাসসম্বলিত সংক্ষিপ্ত মুখবন্ধ যার প্রথম দুটিতে মার্ক্স এর নিজেরই স্বাক্ষর ছিল এবং পরেরটি মূল ও অপরিবর্তিত অংশ।

    বেকারবৃত্তান্ত----!


    -বেকারদের কোন আকার থাকেনা অনেকটা জলের মত।জল যেমন যে পাত্রে রাখা হয় সেই আকার ধারন করে তেমনি বেকাররা ও নিজেদেরকে নিজস্ব কাজ এবং অন্যদের কাজে সমভাবে ব্যবহার করতে পারে।তাদের কোন পিছুটান থাকেনা।তাদের প্রধান কাজ হল চোখের সামনে যা পায় তা নিয়া ব্যাস্ত হয়ে পরা।

    -বেকারদের প্রেয়সী হয় খুব ধনী পরিবারের।চিন্তার বেশিরভাগ জায়গা দখল করে নেয় ধনী-রমনী।

    -বেকারদের সপ্ন দেখা মহাপাপ। কারন সপ্ন পুরন করার মত সম্বল খুব কম।

    -বেকাররা বেশিরভাগ সময় উদাসমনে আকাশপানে থাকিয়ে থাকে,আর ভাবে পিছনে ফেলে আসা সোনালী অতীতের কথা।

    শব্দার্থের ইসকুল – ১, বিষয় : গুরা ।


    আমার শ্রদ্দেয় শিক্ষক (সার্জারী বিশেষজ্ঞ) ,যার জন্মস্থান সিলেট জেলায় – তার প্রতি সন্মান জানিয়ে এবং তার কাছ থেকে লভ্য জ্ঞানের উপর নির্ভর করে এই ” গুরা ” বিষয়ক পোষ্টটি লিখছি ।
    সিলেটবাসীদের আন্চলিক উচ্চারনে –

    Horse মানে – গুরা – ( ঘোড়া )
    Turn মানে – গুরা – ( ঘুরে যাওয়া )
    Powder মানে – গুরা – ( মিহিন ধুলার ন্যায় )

    শব্দার্থ শিক্ষার এই আসরে আসুন শিখে নেই কোনটা কোন জাতের গুরা ।

    কার পাপে আজ বাংলাদেশের এই অবস্থা


    যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামাত কে নিষিদ্ধ করলে দেশের সংকট কাটবে?
    আপাত দৃষ্টিতে মনে হয়না! তবে দেখুন problem টা drill out করে, সমস্যার মূল কারণ কি? বাঙ্গালীর আবার সমূলে সমস্যার সমাধানে যাওয়ার চেষ্টা নাই, আপাতত চালাইতে পারলেই যেন সে বাঁচে। তাই এবার ড্রিল আউট করে মূল কারণ বের করে তার সমাধানের পদক্ষেপ নেয়া আবশ্যক।

    কেন মুক্তিযুদ্ধের পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির এই বাংলা আজ এমন! সরাসরি সমস্যার মূল উৎপাটন করে যা পাওয়া যায়, তাহল-
    Second Proclamation Order No. IV of 1978 এর বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদের শর্তাংশটি বিলুপ্ত হয়। এরপর থেকে ৩৮ অনুচ্ছেদটি দাঁড়ায়ঃ

    একটি অ-কবিতা


    কোরান পুড়ে, হাদিস পুড়ে
    পুড়ে মানুষের অন্ন
    তাই দেখে হাসে জঙ্গি
    ইসলাম রক্ষার জন্য।

    দেব আগুন মসজিদে
    মারব মানুষ জামাতে
    মানুষ আমার দরকার নাই
    ইসলামের হেফাযত চাই।

    সমসাময়িক বাংলাস্তান নিয়ে পাকিস্তানি কাল্পনিক ভাবনা !


    অন্ধকার ঘরে ল্যাপটপের আলোয় ভোদকার গ্লাসে চুমুক দিচ্ছেন পাকিস্তানের শীর্ষ আই এস আই কর্মকর্তা আশফাক খান। খুব আয়েশী ভঙ্গিতে একব ল্যাপটপে চোখ রাখেন মুচকি করে হাসেন এবং ভদকার গ্লাসে চুমুক দেন। একটু পর সেখানে এক ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার আই এস আই কর্মকর্তার আগমন-
    : স্যার হোয়াট আর ইউ ডুয়িং?
    : আই আম ওয়াচিং সার্কাস কাম এন্ড জয়েন মি।
    : স্যার ডাক্তার আপনাকে পরিমিত এলক্যাহোল গ্রহণ করতে বলেছিলো।
    : আজকে আমায় কিছু বলোনা ক্যাপ্টেন,আজকের দিনটার জন্য আমি চল্লিশ বছর ধরে অপেক্ষা করছি।
    : এনিথিং স্পেশাল স্যার?
    : ডোন্ট নো এবাউট ইউ বাট ফর মি ইটজ মোর দেন এনিথিং এলস।
    : স্যার খুলে বলুন।
    : ওয়াচ মাই ল্যাপটপ।

    ২৫শে মার্চ বনাম ৬ই মে


    এতক্ষণে শুরু হয়ে গেছে। খুব ভাল ভাবেই শুরু হতে দেখছি, গতকালের পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবির সম্মিলিত অভিযানকে ২৫ মার্চের ভয়াল রাতে সংঘটিত অপারেশন সার্চলাইটের সাথে তুলনা। সেটা নিয়েই কিছু যৌক্তিক কথা বলব।

    প্রথমেই যাই প্রেক্ষাপটে:

    ২৫শে মার্চের আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য বলা যায়, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ। সেখানে তিনি কিন্তু, আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন নি। কেন দেন নি? কারণ, এর অর্থই হচ্ছে পাকিস্তানী মিলিটারির হাতে একটা ইস্যু তুলে দেয়া হবে। বঙ্গবন্ধু তা করেন নি।

    ম্যাংগো পিপল শুড নো!!!!


    মানুষ যদি চোঁখে কাপড় বাঁধে,সে স্বভাবিকভাবেই কিছু দেখতে পাবেনা। কিন্তু নিজের তৈরী এই অন্ধকারে থেকে মানুষগুলো খুব সহজেই বেরিয়ে আসতে পারে। চোখের বাধন নিজের দুই হাত দিয়ে খুলে নিলেই হয়!!! কিন্তু যদি ব্যাপারটা এমন হয় সেই মানুষগুলোর হাতদুটিও বাঁধা তাহলে কিন্তু নিজেকে উদ্ধার করা নিজের পক্ষে সম্ভব না। কিন্তু আজকাল দেখা যাচ্ছে চোখ বাঁধা থাকার দরকার হয়না!!!

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর