নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • কাঠমোল্লা
    • মিঠুন বিশ্বাস
    • মারুফুর রহমান খান
    • দ্বিতীয়নাম

    নতুন যাত্রী

    • চয়ন অর্কিড
    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ

    হেফাজতি কর্মকাণ্ড এবং ...


    ৫ তারিখে আমরা সবাই নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করলাম ধর্মীয় উন্মাদনার আরেক কলংকময় নারকীয় তাণ্ডব। দেখলাম একটি স্বাধীনদেশে ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজপথ দখল করে আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে বিদ্রোহী কার্যক্রম। দেখলাম ধর্মীয় অনুভুতিকে পুজি করে রাস্তায় রাস্তায় আগুন, মসজিদের ভিতরে আগুন। অবশ্যই এটি স্বাধীন জাতীর জন্য কলংকময় একটি অধ্যায়।

    যাই হোক বর্তমান সরকারের দ্রুত ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের কারনে ধর্মীয় উন্মাদেরা ঢাকা ছেড়েছে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে ওরা নারায়ণগঞ্জ ও চিটাগাং শহরে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের প্রতিরোধের নামে বৃথা আস্ফালন। আমার ধারনা বেকুবেরা এখান থেকেও পিছু হটবে।

    অই ছেমরি তোর মাথার কাপড় কই? এবং যেখানেই হেফাজত সেখানেই ঠ্যাঙ্গানি


    ৫ই মে হেফজতে ইসলামির মিশন ছিল মতিঝিলের শাপলাচত্বর দখল করে থাকার। ততক্ষন, যতক্ষন না পর্যন্ত সরকার তাদের ১৩ দফা দাবী মেনে না নেয়। হেফজতিরা একরাতে পুরা মতিঝিলের চেহারাই বদলে দিয়েছে। তাদের সহিংসতায় মতিঝিল এলাকা পরিনত হয়েছিল ভুতুড়ে নগরীতে। এর চেয়েও ভয়ংকর কাজ তারা করেছে তা হলো,তারা নারীর সামাজিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। ওইদিন অফিসে আসার পথে তেজগাও ট্রাক টার্মিনাল পার হতে কিছু সাধারন লোকই আমার দিকে সেদিন ছুড়ে দিলো, অই ছেমড়ি তোর মাথার কাপড় কই?

    হুশিয়ার পূবের মানুষ


    পাকপুর বড় গ্রাম। যথেষ্টই বড়। নানান জাতের মানুষের বাস এই গ্রামে। গ্রামের পশ্চিম দিকটা বর্ধিষ্ণু এলাকা। হাটবাজার, স্কুল কলেজ, ব্যবসা বাণিজ্যে পশ্চিম পাড়া উঁচু জাত। উঁচু হলে যা হয়, ওদের নাকও উঁচু। "আমরাই সেরা" এমন ভাবনা ওদের আছে।
    পূর্বপাড়া ক্ষয়িষ্ণু। কিছু তাঁত আর কৃষি দিয়েই ওদের দিন চলে। পূবেদের আবার মাথাগুনতি লোকও বেশী।

    আমরা বরং পাকপুর এর এতো ঘটনা পরিক্রমায় না যাই। এরচেয়ে ভালো পূর্ব পাড়ায় ঘটনা সাজাই।

    একদিন পূর্বপাড়া বলল আমরা আর পাকপুরের সাথে থাকবনা। আমাদের মহল্লা আমরাই চালাব। পশ্চিমের ওরা চোখ লাল করলো। পুবের ওরা বলল "চোখ লাল করিসনে বাঁদর। তোদের লাল চোখে আমরা পিসাব করি"।

    পুলিশানুভূতি


    ঝটপট ইউনিফর্ম পইড়া, একটা গুল্লিফ সিগ্রেট ধরায়া,শটগানটা কান্ধে ঝুলায়া মেসমেট কন্সটেবল আক্রমের হাতে নিজের ক্যাম্রাওয়ালা চাইনিজ মুবাইলটা দিল কন্সটেবল খসরু! তাড়াতাড়ি ফেবুতে এইরকম সেক্সি ছবি ছাড়তে অইবো! যে মিশনে রাইতে নামতাছে!! ২ কুটি মানুষ মাইরা গুম করতে অইবো ১ ঘন্টার মধ্যে!! পাব্লিকে বেশি প্যাচাল পাড়তাছে! একদিকে আস্তিকদের ফালাফালি! একদিকে নাস্তিকদের ফালাফালি! খাড়া আইজ রাইতে বাংলাদেশ পুলিশ ফুর্স সবকয়ডারে ফালায়া দিবো! সবার মুবাইলে ম্যাসেজ চইলা আইলো, "গড়ের মাঠে জড়ো হ সব পুলিশ! ৫ মিনিটের মধ্যে! মুখে দাড়ি থাকলে সেইডারে সিরাম আস্তিক মনে কইরা গুলি চালাবি!

    "সুব্রত শুভ" নামের একজন প্রজন্ম-যোদ্ধার জন্মদিনে---!!


    রাজাকারের দালাল মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করার একদিন পার হতে না হতেই ২৪ ঘন্টার মধ্যে মুক্তির জন্য লাগাতার হরতাল-কঠোর কর্মসূচী দিতে বালছাল বিএফইউেজ,ডিইউজে,নেজামী ইসলামীর মত কত সংগঠনের উদয় হয়েছিল।আর যখন দেশের পক্ষে,স্বাধীনতার পক্ষে,দেশকে রাজাকার আর দালাল মুক্ত করার জন্য সুব্রত শুভ,বিপ্লব ভাই আর রাসেল ভাইেয়র মত দেশ প্রেমিকরা ব্লগ আর ফেসবুকে লেখার জন্য গ্রেফতার হয়েছিল তখন কঠোর কমর্মসূচী দেয়ার মত আমরা কলম সৈনিরকরা ছাড়া কেউ ছিলনা প্রতিবাদ করার মত কেউ ছিলনা।সত্যের পক্ষে,স্বাধীনতার পক্ষে আর দেশকে সাম্প্রদায়িক মুক্ত করতে লিখেছিল বলে আজ সুব্রত শুভ জাতির কাছে নাস্তিক।কি অপরাধ ছিল তার, কোন স্ক

    ভাই তুই ফিরে আয়!ভাই তুই ফিরে আয়।


    ভাই ও বন্ধুগণ,আমরা কার স্বার্থে একের পর এক অভিনব দোহাই আর কলুষিত প্লাটফর্ম দাড় করিয়ে নিজেকে উৎসর্গ করছি!কি লাভ হচ্ছে আমাদের,আমাদের স্বজনের?কতো সহজেই আজকাল আমরা লাশ হয়ে যাই,কিন্ত এ লাশের বোঝা যে কতো ভারী তা জানে কেবল নিকটজন। কেন আমরা অন্যের ইশারায় নেচে নেচে নিজেকে বিলুপ্ত করার নির্মম খেলায় মেতেছি?
    আজ তুমি ভেবে দেখো,তুমি যদি গুলি চালাও তুমি কার বুকে গুলি চালালে?আজ যদি তুমি আহত হও তুমি কে আহত হলে?
    আমি তোমার ভাই,তুমিও আমার ভাই!আমাদের অবিচ্ছেদ্য বাঙালী পরিচয়ের বন্ধন!
    আর মৃত্যু ভালো লাগেনা,আর ভালো লাগেনা ধ্বংস!
    তুমি আমি যদি মরে যাই,কি হবে ওই রাজনৈতিক সমবেদনা দিয়ে?

    এসো নিজে নিজে অঙ্ক শিখি - হেপাজতি লাশ গুমের আমল নামা


    দুই দিন ধইরা ম্যাতকার হুনতাছি সরকার ২৫০০ লাশ গুম করছে ৩০০০ লাশ গুম করছে। নিন্দুকেরা বলা শুরু করছে যেই ৩০০০ মরসে বইলা বেবানি পার্টি দাবী করতাছে ওই ৩০০০ কি এতিম আছিল? আল্লাহ্র দুনিয়াতে কি তাঁদের জন্য চিক্কুর পারার মতো কেউ ছিলোনা?

    সুন্দরবনকে ভুলে যাবেন না


    গত ২০ এপ্রিল বিদ্যুৎ ভবনে বসে সরকার চূড়ান্ত করে ফেলল সুন্দরবন ধ্বংসের রূপরেখা। সাধারণ জনগণের বিরোধিতা, পরিবেশবিদদের আপত্তি এবং আর্থিকভাবে দেশের ক্ষতির আশঙ্কাকে এড়িয়ে এইদিন সরকার তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সুন্দরবন ধ্বংসের সব আয়োজন শেষ করল। আমরা এর বিরোধিতা করে মুখ খুলতে না খুলতে জাতীয় জীবনে নেমে এলো ভয়ঙ্কর অশনি। সাভার ট্র্যাজেডিতে নিহত হাজারো শ্রমিককে উদ্ধারে ছুটে গেলাম আমরা। এক রকম চাপা পড়ে গেল সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন।

    সরকার আপনারে খোলা চিঠি।


    বরাবর,
    গনপ্রজাতান্ত্রীক বাংলাদেশ সরকার
    ঢাকা, বাংলাদেশ।
    বিষয়ঃ বাবু্নগরীর পাছায় উট পাখির ডিম দিবার আকুল আবেদন।
    জনাব,

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর