নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • কুরুৎআলা পাবলিক
    • এন্টারকটিকায় পড়ছি
    • গোলাম সারওয়ার

    নতুন যাত্রী

    • অনিক চক্রবর্তী
    • অনুভব রিজওয়ান
    • মোমিন মাহদী
    • নাঈম উদ্দীন
    • সাইফ উদ্দীন
    • সংগ্রামী আমি
    • মোঃ নাহিদ হোসোইন
    • পাপেন ত্রিপুরা
    • মোঃ রেফায়েত উল্ল্যাহ
    • রজন্ত মিত্র

    শহীদ রূমি স্কোয়াড ও আমাদের মুক্তিযুদ্ধ গবেষকদের কথা


    অনেক শুনছি, অনেক মানছি। তাদের মুক্তিযুদ্ধের গবেষক হিসেবে স্যালুট করছি। তারা যখন বলে, সাম্যবাদ বাতিল মাল-তখন তাদের কথা মাইনা নিছি। আবার যখন ছাত্র ইউনিয়নের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করার আহবানের কথা বলে, তখন অবাক হইলেও মাইনা নিছি। কারণ তারা মুক্তিযুদ্ধের গবেষক। ফেলানির মৃত্যুতে তাদের যেমন কেবল করুণা হয়, মালালা গুলি খেলে তাদের সেইটাও হয়না। কারণ, মালালা কোন কিশোরী নয়, সে পাকিস্তানী।বিশ্বজিতের হত্যাকারীরা কোন দলের এইটা তাদের কাছে মুখ্য নয়, তারা কোন সময় জামাত-শিবিরের সংস্পর্শে ছিল কিনা এইটাই মুখ্য- আমরা মাইনা নিই। কারণ তারাই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত গবেষক। জগন্নাথে বর্ধিত ব

    আজকে আমার জন্মদিন


    আজকে আমার জন্মদিন। আজ থেকে আঠারো বছর আগের কোনো এক বৃষ্টির রাতে, বলা নেই কওয়া নেই, অনেকটা হুট করেই জন্ম নিয়ে ফেললাম। রাতের বেলা ওয়া ওয়া কান্নার আওয়াজ শুনে আশে-পাশের প্রতিবেশিরা আমাদের বাড়িতে এসে দেখে, বাড়িতে আনন্দের খই ফুটছে। বাড়ির প্রথম ছেলেসন্তান জন্মের খবর পেয়ে আমার মায়ের মতে দুনিয়ার সবাই খুশি। জন্মের প্রায় দের সপ্তাহ পর নিজ সন্তানের জন্মের খবর পেয়ে আমার বাবা খুশি হলেন, সুদূর দুবাই থেকে। তারপর এক এক করে কেটে গেছে আঠারোটি বছর। জীবনের আঠারোটি বছর যে হেলায় খেলায় কাটিয়ে দিতে পারলাম, এতে আমি মহা খুশি। জন্মের পরপর যদি মরে যেতাম? অথবা মায়ের পেট থেকেই মরা হয়ে বের হতাম?

    রঙ, আমি, তুমি ও তোমরা


    রাজপথ হৃদয় কতবার
    রাঙ্গিয়েছি আল্পনায়
    লাল দিয়ে সাজিয়েছি ফুল
    প্রথম যেবার দিয়েছিলে প্রেম
    সোনারং ঘুরিফের এলো
    পরাবাস্তব মাতাল নেশায়
    এরপর হলুদ করে এসেছিল
    দুরত্বের প্রগাঢ় দীর্ঘশ্বাস
    এরপর ক্রমে নীল হতে থাকে
    তোমাকে হারাবার ক্ষণ

    মাহমুদুরনামা


    শুরু হয়ে গেলো মাহমুদুরনামার পরবর্তি পর্ব। এ পর্বের ভিলেইন বানানো হয়েছে আনিসুল হককে। http://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/03/28/193981
    আহারে বেচারা। কেন যে শাহবাগের আন্দোলনকে সমর্থন দিতে গিয়েছিলো, আর কেনইবা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে রাজাকারদের বিপক্ষে কথা বলতে গিয়েছিলো। নইলে এতদিন পূর্বের লেখায় আজ কেনো মাহমুদুরের আলগা ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগবে।
    =>>প্রখমেই মাহমুদুর প্রমান করতে চেয়েছেন যে আনিসুল হক আঘাত দিয়েছেন তার ধর্মানুভূতিতে।

    হাইকুঃ এক অনন্য অনুকাব্যের নাম


    জাপানী ভাষায় হাইকু লেখার ধরন সহজ। কিন্তু অন্য ভাষার জন্য ঐ নিয়ম সামান্য ভিন্ন। বিদেশী ভাষায় হাইকু লেখার ধরন সম্বন্ধে একেক জনের একেক রকম মতামত। যেকোন কিছু হাইকু কবিতার বিষয় হতে পারে। সাধারন মানুষের অজানা এবং উপলব্ধির বাইরের বিষয়ে হাইকু খুব কমই আছে। কিছু দুর্দান্ত কবিতায় দৈনন্দিন জীবনের ঘটনা এমন আকর্ষনীয় এবং সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে পাঠকরা সহজেই চমৎকৃত হবেন। হাইকু সম্পর্কে নতুন ভাবে কিছু বলতে চাইনা কারন এ সম্পর্কে বোদ্ধা অনেক।

    ফালতু, পুরাই ফালতু!


    সাহাইয্য চাইঃ সুপ্রিয় ব্লগারস, আপনারা কেউ কি টেলিটক ফ্ল্যাশ মডেমের মডেল জানেন?

    দালালী না রাজপথ, আপোষ না সংগ্রাম।


    শিরোনামটা খুব চেনা বর্তমান সময়ের সকলের। সারাদেশেই এই শ্লোগানগুলো অন্যান্য শ্লোগানের সাথে ভালোই চলছে। আর সেখানে তাল মেলাচ্ছেন সকলেই। কিন্তু বাস্তবে তার চিত্র দেখছি সম্পূর্ণ উল্টো। শ্লোগানে যখন বলা হয় "দালালী না রাজপথ" তখন সকলেই সমস্বরে প্রতিউত্তরে বলে উঠেন "রাজপথ, রাজপথ", যখন বলা হয় "আপোষ না সংগ্রাম" তখন বলা হয় "সংগ্রাম সংগ্রাম" অথচ আমরা দেখতে পারছি ঠিক তার উল্টো।

    উৎসবে আমি


    সেমাই খাইতে ভালো লাগে নাহ।ঘরে গেলে এখনো সেমাই দিলে খাই নাহ।কিন্তু,ঈদের সময় পাশের বাসার আন্টির সেমাই খাইতে কোন ঈদ মিস গেছে জানি নাহ।ধর্মে গরুর মাংস জায়েজ নাহ।আন্টির রান্না ঘরে বসে বসে ছোট বেলায় কোরবানি ঈদে রুটি সেকতাম।হুজুর অতিথি আসলে তাদের সাথে মিলে আপ্যায়ন করতাম।নিজের মা-বাবা মানা করা তো দূরে থাক।তিন দিন বাসাই আসতাম নাহ।আন্টিরা বাইরে বেড়াতে গেলে নিজেদের আত্মীয়দের পরিচয় দিতো আমার ছেলে।

    হারানো বিজ্ঞপ্তি : খুঁজে দেন


    নাম : প্রীতিলতা মজুমদার
    বয়স : দশ বছর
    উচ্চতা : সাড়ে তিন ফিটের মত
    গায়ের রং : ফর্সা
    চেহারা : আমার দেখা বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর মেয়ে। আর সারা বিশ্বের ভিতর তার অবস্থান দ্বিতীয়। ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা প্রথম।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর