নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • এলিজা আকবর
    • পৃথ্বীরাজ চৌহান
    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • সুমন মুরমু
    • জোসেফ হ্যারিসন
    • সাতাল
    • যাযাবর বুর্জোয়া
    • মিঠুন সিকদার শুভম
    • এম এম এইচ ভূঁইয়া
    • খাঁচা বন্দি পাখি
    • প্রসেনজিৎ কোনার
    • পৃথিবীর নাগরিক
    • এস এম এইচ রহমান

    "ও আমার জন্মভুমি তুই স্বাধীন হবি কবে ?"


    নাস্তিকদের দ্বারা সংঘটিত কোন বড় ধরণের ক্ষতি আমি এখনও দেখিনি ,কিন্তু আস্তিকরা যা করছে তাতে আমার মনেহয় যেকোনো "হুঁশ বুদ্ধি" সম্পন্ন "প্রকৃত" আস্তিকরা লজ্জায় পড়ছেন ।
    এখানে আবার নাস্তিক আর বিধর্মী দুইটা জিনিসকে কেউ মিলিয়ে মিশিয়ে একাকার করে দিয়েন না । আমি যতদূর জানি ,সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে যাদের বিশ্বাস আছে তারা আস্তিক ,যাদের নেই তারা নাস্তিক এবং নিজ ধর্ম ব্যাতিত অন্য ধর্মের লোক যেকোনো মানুষের কাছেই বিধর্মী।

    অনলাইনে শিবিরের হত্যা হুমকি- চাই অবিলম্বে গ্রেপ্তার ।


    আজ কুখ্যাত দেইল্লা রাজাকারের ফাঁসির রায় ঘোষনা করার দিন ঠিক হলে জামাত-শিবির হরতাল ডাকে সারা বাংলাদেশে । সকাল থেকেই সাধারন জনতা প্রতিরোধে মাঠে থাকলেও জামাত-শিবিরের কাউকে দেখা যায় নি রাস্তায় । সকাল গড়িয়ে দূপুর হতেই রায় আসে দেইল্লার । সংগ্রামী জনতার কাংখিত রা়- ফাঁসি ।

    ছাত্রলীগ ! একটি নরপশুর দল পেজ থেকে ইমরান এইচ সরকারকে হত্যার হুমকি ।

    ধর্ম যাবে জাদুঘরে


    এটা ইশ্টিশনে আমার প্রথম পোষ্ট । আমি ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধের পক্ষে কখনো ছিলাম না। আমি সর্বদা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ দল জামাতের রাজনীতি বন্ধের পক্ষে। আর ধর্ম রাজনীতির বিষয় না। এটা নিয়ে কেউ যদি রাজনীতি করতে চায় তবে করুক। নিজ ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা করলে নিজ ধর্মেরই অবমাননা করা হয়। গ্রহণযোগ্যতা কমে।

    দেশের প্রয়োজনে রাজনৈতিক আইন পরিবর্তন হয়। এভাবেই পরিবর্তিত হবে ধর্মীয় আইন। অবশেষে ধর্ম। আর যদি তা জাদুঘরে চলে যায় তখন দায়ী হবে একমাত্র ধর্ম ব্যবসায়ীরাই।

    বিজয় হাসি ও সুশীল সমাজ


    আজকে কি জাহানারা ইমাম আমাদেরকে দেখেছেন?????
    -->যদি দেখেন,মা এই চোখের পানি আনন্দ উচ্ছাস সব আপনার জন্য।তরুন নেতৃত্ব হতে আপনি তা গ্রহন করুন।

    আজকে কি হুমায়ুন আহমেদ স্যার তৃপ্ত??????

    -->স্যার আজকে আপনি এবং আপনার বাবার আত্মা দেখে ও শুনে তৃপ্ত হবেন।আজকে সব কিছু আপনাদের জন্য।আমাদের যত পরিশ্রম,হাসি-কান্না আছড়ে পড়ছে সব কিছু আপনাদের জন্য।

    আজকে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের অতৃপ্ত আত্মা কি শান্ত?????

    -->আপনাদের অবদান এই বাংলার প্রতিটি কোনে।আপনাদের অনেক অসমাপ্ত কাজ আমরা হাতে নিয়ে নেমেছি।দোয়া রাখবেন।আপনাদের আশীর্বাদ আমাদের মাথায় রইলো।

    মুক্তিযোদ্ধা কন্যার ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে অবাক হতবাক...


    শুধু আমি নয় পুরা বাংলা ও বাংলাদেশ আজ খুশি । দেলু নামক এক রাজাকারের ফাঁসির রায় হয়েছে । শুনেছি রাজধানীতে নাকি মিষ্টির সংকট পড়েছে । টিভি চ্যানেল, ফেসবুক ব্লগ সবখানেই এক উৎসবমুখর পরিবেশ । দেলু রাজাকারের ফাঁসি তাই আজ ‘জয় বাংলা’ময় ফেসবুক । কিন্তু এক মুক্তিযোদ্ধা কন্যার স্ট্যাটাস দেখে কিছুক্ষণের জন্য হলাম অবাক আর হতবাক ।
    মানুষের ব্যক্তিগত মতামত থাকতেই পারে । আর তাই বলে কোন মুক্তিযোদ্ধা কন্যার কাছে এরকম মন্তব্য আশা করিনি ।

    দেলু দালাল সাঈদীর ফাঁসি


    দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আনা ২০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ৫টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। ২টি অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল কোনো মন্তব্য করেনি।
    ১, ২, ৩, ৪, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৯নং অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গণহত্যা, হত্যা, গণধর্ষণ, ধর্ষণ, অপহরণ, লুটপাট ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ।
    ৫, ৯, ১২, ১৭ ও ১৮ নং অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে লেখক সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পিতা ফয়জুর রহমান ও ভাগিরথী সাহা হত্যাসহ অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ।

    একই অঙ্গে কত রূপ!!!


    কয়েকদিন আগে বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের "ত্রানকর্তা!!"(এদের কথামতো যারা না চলে তারা নাকি নাস্তিক) জামায়াত ইসলাম ঘোষনা দিল নাস্তিকদের পণ্য বর্জন করবে। অনেক ভেবেচিন্তে অবশেষে খুশিই হলাম এই ভেবে যে, এবার নাস্তিকদের আবিষ্কৃত ফেসবুক তারা বর্জন করবে; কম্পিউটার, ইন্টারনেট তারা বর্জন করবে। তাদের অনলাইনে মিথ্যাচার, ফটোশপের জ্বালা খেকে মুক্তি পাবো আমরা। কিন্তু ছাড়লো আর কই; মার্ক জুকারবার্গ, বিল গেটস নাস্তিক হলেও তাদের ওরা ছাড়তে পারলো না। কি অদ্ভুত রকমের মিথ্যাচার ! এখন ওরা বারাক ওবামার দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা চালাচ্ছে, হোয়াইট হাউজের একটা পিটিশন খুলে সেখানে নামে-বেনামে মেইল Account খুলে স্বাক্ষয় সংগ্রহ করছে। অর্থাত্‍ এই বঙ্গদেশে ওদের ইসলাম(হিংসাত্বক ইসলাম ওদের, শান্তির ইসলাম জনসাধারনের) বাঁচাতে একটা অমুসলিম রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কামনা করছে!! এই কি জামায়াত ইসলামের ইসলামী আদর্শ? দেশের কথিত নাস্তিকরা ওদের কাছে কুকুর, আর বিদেশী খৃস্টানরাও ওদের কাছে ঠাকুর !

    জোট গড়ার আগে একসময় সাঈদি সাহেব বলেছিলেন, ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম। জোট গড়ার পর সেই সাঈদিই খালেদার নেতৃত্বে পিরোজপুরে একই মঞ্চে উঠলেন! এদেশে ইসলাম কি কুরআনের নিয়মানুযায়ী চলে নাকি জামায়াতের নিয়মানুযায়ী চলে ভেবে পাই না।

    বিএনপির আর কারো কথা নাই বললাম। মির্জা সাহেবও বহুরূপী আচরনে কম যান না। কোন একসময় বলেন শাহবাগের আন্দোলন সরকারের সাজানো নাটক। আবার কয়েকদিনের ভিতরই চেহারা পাল্টিয়ে আন্দোলনকারীদের স্বাগত জানিয়ে অন্যান্য দাবি তোলার আহ্বান জানান।
    কথনো বলেন ক্ষমতায় গেলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবেন। আবার ঠিকই যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য জামায়াতের ডাকা হরতালে সমর্থন দেন।

    একই অঙ্গে এতসব রঙ্গ দেখে বলতে ইচ্ছা করে--
    একই অঙ্গে কত রূপ !!!!!

    যদি আজ দেইল্লা রাজাকারের ফাঁসী না হয়(এমনকি হলেও) !!!


    কাদের মোল্লা ৩৪৪টি খুন করে খুন প্রতি ১৫দিন কয়েদ জীবনে পুরস্কৃত হবার পর সত্যিকার অর্থে আশা থাকলেও ভরসা ভিজে চুপসে গিয়েছিল । তবে শাহবাগের গণজাগরণ এই চুপসে যাওয়া ভরসাকে ভরসা দিয়াশলাই এর মতন ই "ভিজলেও জলে" করে দিয়েছে । তারপরও পরিস্থিতি অনেক ঘোলাটে । মঞ্চ তার উপর পরিচিত মুখ ব্লগার , নিরপেক্ষ প্রতিনিধিতবকারী ধারক বাহক ও অনুসরকের আধিপত্য হারাছসে , হানিফ সাহারাকে বোতল ছুরে মারার মত জনগনের ক্ষমতার জৌলুশ হারাচ্ছে এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে সত্যিকার কার্যকারিতা ক্ষীণ হয়ে গেছে বলেও বোধ হছসে । সরকারের নীরব কামড় আর বিএনপি-জামাতের অব্যাহত চক্রান্তের থাবাকে পেরোতে হবে । "এতটা পথ এসেছি বাধা ফেলে , বাকিটা পথ

    আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শাহবাগের আন্দোলন; ইতিহাসকে ব্লগের ফ্রেমে বন্দী করার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস


    শাহবাগের আন্দোলন ইতোমধ্যেই দেশের সীমানা ছাড়িয়ে দূর পরবাসে ছড়িয়ে গেছে। শুরু হয়ে গেছে বিভিন্ন বিশ্লেষণ। কেউ এটাকে তুলনা করছে অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলন কিংবা তাহরির স্কয়ারের আন্দোলনের সাথে। কারো কারো দৃষ্টিতে এই আন্দোলন মানবতার ঝাণ্ডাকে সমুন্নত রাখার আন্দোলন। আবার কারো কাছে এই আন্দোলন সরকারী দমন-নিপীড়নকে বৈধতা দেওয়ার আন্দোলন। হঠাত করেই মনে হল আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে কিভাবে এই আন্দোলনকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে সেটা সবাইকে জানানো দরকার। বলা যায় না, ইতিহাস নিয়ে বারবার কাটাছেড়া করার যে সংস্কৃতি আমাদের রাষ্ট্রীয় জীবনে বিদ্যমান; এই পোস্ট হয়ত কিছুটা হলেও সেই সংস্কৃতির ভিত্তিমূলে আঘাত হানার

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর