নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • লিটমাইসোলজিক
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • কাঠমোল্লা
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • জহিরুল ইসলাম
    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • আদি মানব
    • নগরবালক
    • মানিকুজ্জামান
    • একরামুল হক
    • আব্দুর রহমান ইমন
    • ইমরান হোসেন মনা
    • আবু উষা
    • জনৈক জুম্ম
    • ফরিদ আলম
    • নিহত নক্ষত্র

    The creativity of কাজের বুয়া of Dhaka city


    ঢাকা শহরে যারা Bachelor, মেসবাড়িতে ভাড়া থাকেন কিংবা খাওয়া-দাওয়া করেন Family-র বাইরে তাদের সবারই কম-বেশি অভিজ্ঞতা আছে সেইসব খালাদের ব্যাপারে যারা মেসগুলোতে রান্না করেন। সময় বাঁচানোর স্বার্থে তারা এমন সব খাবারের Item তৈরি করে থাকেন যা সিদ্দিকা কবির কিংবা টমি মিয়া কোনদিন কল্পনাও করতে পারবেন না। সময় বাঁচানোর এই তাড়নার সাথে আর্থিক ব্যাপার জড়িত। কেননা এক সাথে একাধিক বাসায় তারা রান্না করে থাকেন। এই তাড়াহুড়া করার কারনে তারা রান্নার জগতে যেসব বিপ্লব সাধন করেছেন এবং সেই বিপ্লবের যেসব ফলাফল আমি নিজের উপর প্রয়োগ হতে দেখেছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আমি নিশ্চিত, আপনাদের অভিজ্ঞতাও এই ব্যাপারে কম নয়।

    সাঈদির চন্দ্র বিজয়


    ইহা একটি ১৮+ ছড়া
    "সাঈদি হুজুর চান্দে গেছে সঙ্গে নিয়ে মেশিনখান
    নাতনি পাড়ায় কান্নার রোল নানা তাদের খাবেনা পান।
    লইট্টা ফিসও পড়ে আছে হলনা খাওয়া সেই দুঃখে
    টেবিলখানা পড়ে আছে বিমর্ষমনে নিজ কক্ষে।
    চাঁদের খুশি বাঁধ ভেঙ্গেছে চাঁদের বুড়ি মহাখুশি
    খুশিতে সে পাগল হয়ে দিয়ে দিল নিজ পুশি।
    সাড়ে সাত ইঞ্চি মেশিন বুড়ির করল কাহিল অবস্থা
    হুজুর বলল চলবে মেশিন যথাতথা করছি তাহার ব্যবস্থা।"

    মৃত্যুর অপেক্ষা


    হো শুরুতে প্রচুর দর্শক শ্রোতা এসেছিলেন। এখন তেনারা নাই। তেনারা যেখান থেকে এসেছিলেন সেখানেই ফিরে গেছেন। যারা মাথায় "ফাসি চাই" ব্যাজ লাগিয়ে ঘুরাঘুরি করেছেন, ছবি তুলেছেন, সেই ছবি ফেসবুকে দিয়ে ব্যাপক লাইক কুড়িয়েছেন। তেনারা এখন আবার মুখরুচক প্রাপাগান্ডায় মনোনিবেশ করেছে। যারা চুপচাপ থেকে খেলা দেখার কায়দায় দেখছিলেন এখন তেনারা বেশ কুমন্ত্রনা দিচ্ছেন। যে চুশিলরা একসময় ধর্মের বাইরে মানবতার কচলাকচলি করে টিভি পর্দা ছিড়ে ফেলেছিলেন তেনারা এখন নাস্তিক আস্তিক নিয়ে বেশ মজা নিচ্ছেন।

    প্রজন্মের মোমবাতি জ্বলে উঠুক দুপুরের তপ্ত সূর্য হয়ে


    "আমরা সংঘাত চাই না।তবে তারা (বিএনপি-জামাত) মার দেবে,আমরা বসে বসে দেখব,এত দুর্বল হইনি।যারা তান্ডব চালাচ্ছে,তাদেরও ঘরবাড়ি,ব্যবসা আছে।মানুষ যদি খেপে গিয়ে হামলা করে,তাহলে তারা কোথায় যাবে?" ৭মার্চের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী।তাঁর এ বক্তব্যের ব্যাখ্যায় পরে যাচ্ছি।তার আগে শুরু থেকে এ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো পরিস্থিতি বিশ্লেষণের সুবিধার্থে সংক্ষেপে উল্লেখ করছি।

    বিএনপির স্ট্র্যাটেজী


    বিএনপির স্ট্র্যাটেজী মনে হয় ধরতে পেরেছি।
    তাদের স্ট্র্যাটেজী হল,

    জ্বী জনাব। খালি। লক্ষ্য বিহীন। তারা ভেবেই রেখেছে শুধুমাত্র সরকারের ব্যর্থতার হাওয়ায়উড়ে সোজা গদিতে পৌঁছে যাবে।
    পাঁচ বছর আগেও এটি ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যা হল এটা ২০১৩। জনগণ আগের মত সাফেল খেলতে আগ্রহী নয়, বরং সুযোগ দিতে চাই।
    অন্যদিকে বিএনপির রাজপুত্রদের হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির ইতিহাস এখনও দগদগে।
    আপনি সুশীল যতই সুরঞ্জিতের ১০ কোটি টাকার কাহিনী বলে বেড়ান না কেনো, এই রুট লেভেলের মানুষ হাজার কোটি টাকার মহাকাব্য ভুলে যাই নি।

    টস (দু' পর্বের শেষ পর্ব)


    টস (২য় পর্ব)
    প্রিয়া আর রুবেল বেঞ্চিটাতে বসে। রুবেল অন্য দিকে মুখ ঘুড়িয়ে রাখে। প্রিয়া গলা ছেড়ে গান গাইতে থাকে আর মাঝে মাঝে ঝরনাস্নাত খিলখিল হাসিতে ফেটে পড়ে। মন খারাপ ভাবটা একদম বাতাসে উবে যায়। পরিবর্তে এক পাল হাওয়ায় যেন মন ভেসে যায় তার। হাসলে প্রিয়াকে সত্যিই অপ্সরী মনে হয়। কিন্তু রুবেল ভাবতে থাকে অন্যকিছু। প্রিয়ার সাথে সানগ্লাসের এতো অল্পে কি করে ভাব হয়ে গেলো! যে ফোস্কা পড়া টাইপ নাক উঁচু স্বভাবের মেয়ে! রুবেলের মাথার চুল এ ক’বছরে যা কমেছে তার সিংহভাগ অবদান এই রূপসীর। প্রিয়া হাসতে হাসতে দম নিয়ে নেয়।
    - এই যে জনাব কদম আলী ওদিকে ফিরে কি দেখছেন!

    কৃতজ্ঞতা জানাই প্রজন্ম চত্বরে জড়ো হওয়া লাক্ষো তাজা প্রাণকে....বাঙালীর শ্লোগানটাকে বাঙালীর কছে ফিরিয়ে আনার জন্য...


    ছোট বেলায় যখন মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা দেখতাম বেশ আফসোস লাগত...!!!

    ভুল বুঝবেন না| অবস্থা এখন এমনটাই দাড়িয়েছে যে, কোন নেগেটিভ শব্দ দেখলেই অপ-ব্যাখ্যা দাড় করিয়ে দেয়া হয়| আগে পুরোটা শুনুন, তারপর মন ভরে গালাগাল দেন| আপত্তি করব না|

    যা বলছিলাম...আফসোস লাগত বিশেষ করে যখন কোন সিনেমায় দেখতাম কিশোর কোন গেরিলা যোদ্ধা কার্লভার্ট এ বোমা ফিট করতে গিয়ে কিংবা হানাদারদের হাতে ধরা পরার পর নিজের হাতে গ্রেনেড ফাটিয়ে কতগুলো পশু সাথে নিয়ে আত্মাহুতি দিল...কিংবা সম্মুখ যুদ্ধে বীরের মত লড়তে লড়তে শহীদ হল...

    টাইপ রাইটারের খট খট শব্দ


    রোজকার মতোই কম্পিউটার টেবিলে বসে টাইপ রাইটারের মত খট খট আওয়াজে সামনের তারিখে কোর্টে পেশ করার জন্য একটা দলিল টাইপ করছিলো অবলাকান্ত দাসগুপ্ত । তার বাবু, মানে ব্যারিস্টার চৌধুরী নিজামুদ্দিন সাহেব কতবার তাকে বলেছে – ওটা টাইপ রাইটার নয় হে অবলাকান্ত, আধুনিক কম্পিউটারের কীবোর্ড । ওভাবে শক্তি প্রয়োগ করে টাইপ করলে দুদিনেই নষ্ট হয়ে যাবে; আর এতে করে এক ঘেয়ে শব্দ তৈরি হয় - বড়ই বিরক্তিকর । তাছাড়া নিজের বাড়ীর লাইব্রেরী কাম চেম্বারটাকেও কোর্ট পাড়ার সেই বিরক্তিকর টাইপ রাইটারদের প্রতিযোগিতামূলক বাজারের মতো মনে হয় নিজামুদ্দিন সাহেবের কাছে । যদিও ব্যাক্তিগত সহকারী কাম টাইপিস্ট অবলাকান্তের কাছে তিনি

    গন্ধ


    রাত গভীর হয়,
    ফাঁকা রাস্তায় হেডলাইটের ঝলকানি।
    রাস্তার একপাশে খোলা ম্যানহোল থেকে
    গন্ধ ছড়ায়,
    মাছের আঁশটে গন্ধ।
    দু-চারটে আরশোলা হেঁটে বেড়ায়,
    চা ওয়ালা মতিন নাকে হাত চেপে বসে থাকে।
    কি যে বিশ্রী গন্ধ!

    কুচিন্তা ৪


    নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতর থেকে শীর্ষ নেতাদের আটক এবং অফিসের ভেতর থেকে দুটি শক্তিশালী বোমা ও ১০টি ককটেল জব্দ করা হলেও এটম বোমগুলো ধরাছোঁয়ার বাইরে । বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর হরতাল শাখার বিশেষ স্কোয়াডের মহিলা আমির সেলিমা,সাফা, শিরীন, নিলুফারমনি, পাপিয়ামনি , রানুমনি, হীরামনি, শিরিনমনিকে প্রমুখকে গ্রেফতার করার ব্যাপারে দেখা যায় পুলিশের প্রবল অনিহা । :মাথাঠুকি:

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর