নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    There is currently 1 user online.

    • বেহুলার ভেলা

    নতুন যাত্রী

    • চয়ন অর্কিড
    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ

    পোকা-সমাবেশ


    দরজা খোলার কড়মড় আওয়াজ হল। সবাই
    চুপ। প্রধান অতিথি এখনই চলে আসার কথা।
    সবাই তার জন্যই অপেক্ষা করছেন।
    -'কই,কাউকেই তো দেখা যাচ্ছে না।'
    পুরুষ গুবরে পোকাটা তার পাশের
    স্ত্রী গুবরের কানে ফিসফিস করে বলল।
    স্ত্রী গুবরে সামনের পা টা ঠোঁটের

    © সাইক্লোন কাব্য!!!


    শোন ললনা, আমাকে তো পাত্তা দিলেই না।
    তাই তোমার সাথে আমার হয়ে উঠেনি।

    সেন বংসের সম্রাটদের কথা শুনেছ নিশ্চয়ই।
    এদের উত্তরসুরিদের একজন হল এই " মহাসেন"।
    এমন উচ্ছসিত হচ্ছ কেন মহাসেনকে নিয়ে?
    খুব পছন্দ হয়েছে, তাই না?

    স্বর্ণলতা ও সময়


    নীলকণ্ঠ পাখির মুখোমুখি গল্প বলতে বসেছিলাম। অথচ বলার মত কোন গল্প আমার কাছে ছিলনা। অবশেষে সেই বিড়ালের গল্প। যে বিড়ালটি স্বাধীনতার আশায় ব্যর্থ হয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছিল। গল্পটি তেমন জমছিল না। তাই শুরু করলাম সেই পরিচিত গল্পটি। স্বর্ণলতা ও সময়ের গল্প। স্বর্ণলতা সময়কে ভালবাসত। কিন্তু স্বর্ণলতা কখনো সময়কে ছুঁতে পারেনি। যখনই সে সময়কে ছুঁতে যেত সে মেঘ ছুঁয়ে বসত। কখনো ছুঁয়ে ফেলত বৃষ্টি। কিন্তু সময় অধরাই থেকেই যেত।
    তুমি আঁধারের চেয়েও তীব্র। স্বর্ণলতা বলল
    কারণ আমি সময়।
    আমি তোমাকে ছুঁতে চাই। কিন্তু পারিনা কেন ?

    ভার্চুয়াল দাস


    প্রভাতের আলো ঠিকরে বেরিয়ে আসে
    পিছনে নির্ঘুম প্রহর,
    সবুজের ফাঁকে শীষ দেয় পাখিরা,
    কেটে যায় আঁধার ।

    চিলে কোঠায় হাঁসে রঙ্গিন স্বপ্ন
    দিগন্তে পাহাড় ।

    ডাক্তার আইজু – মহামান্য কহেন – নিঝুম মজুমদার এবং আমি


    বরাবরের মতই কিভাবে সুচনা শুরু করব তা বুঝতে না পেরে সরাসরি কথাতেই চলে যাই। এই বছরটা যখন শুরু হচ্ছিল তখন মনে বারবার একটা কথা বেজে উঠছিলো এই বছরটা ভালো কাটবে না। আর গত কয়েকমাস ধরেই তা দেখছি। এই বছরের শুরুর দিকে অনলাইনের যে আন্দোলন সেটিকে রাজপথে ছড়িয়ে দেবার যে সুযোগটি পেয়েছিলেন চরম উৎসাহ নিয়ে, সেটিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে, সব ভুলে, গণজাগরণ মঞ্চকে নিয়েই পড়েছিলাম। শুধু আমি না, সাথে এই চট্টগ্রমের হাজারো স্বপ্নবাজ, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের তরুণ-তরুণী। আশা ছিলো এই গণজাগরণ মঞ্চকে ঘিরেই এই বাংলার নতুন দিনের সুচনা হবে। সুচনা হবে, নতুন ইতিহাসের। অথচ ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, কয়

    প্রতিঘাত


    আমাকে আঘাত করা অতো সহজ নয়।
    জলোচ্ছাসের তীব্র ঝাপটাতেও
    আমি টিকে থাকতে পারি;
    হয়তো বিধ্বস্ত হই,
    বিন্যস্ত চুলগুলো এলোমেলো হয়ে যায়-
    কিন্তু নতুন সূর্যের আগমনের সাথে সাথে
    জেনো আবারও হেসে উঠি প্রাণখুলে।

    হরতাল অ্যানালাইসিস


    হরতালটা কেমন ঢিলে ঢালা হল না? মিনমিনে ধাঁচের। তেমন কোন জ্বালাও পোড়াও নেই, লাশ নেই, গাড়ী ভাংচুর ও আগের তুলনায় কম। এমন হরতাল হলে রাজনৈতিক দলের সামর্থ্য নিয়েই প্রশ্ন দেখা দেয়। আসলে রাজনীতিতে জ্বালাও পোড়াও এর একটা মজার সমীকরণ আছে। কখনও জ্বালাও পোড়াও দিয়ে সমীহ আদায় করা যায় কখনও ধপাস করে আছাড় খেতে হয়। মঙ্গলবারের ঢিলে ঢালা হরতাল দেখে মনে হল সাম্প্রতিক হেফাজতের ‘ধপাস’ পারফর্মেন্স থেকে জামায়াত শিক্ষা নিয়েছে (?)। অনেকের ধারণা জাতিসংঘের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এর আগমন এর কারণে এই অভিযোজন।

    ওহে মহাসেন ! হ্যাঁ তোমাকেই বলছি !-


    ওহে মহাসেন ! হ্যাঁ তোমাকেই বলছি !-
    কিছু মানুষের যেমন সুপ্ত মনুষত্ব থাকে,আশাকরি তুমি মহাসেনেরও ঘুমন্ত মহত্ব আছে।
    জাগাও তোমার বিবেক,দেখাও তোমার মহত্ব ! মানুষের মনুষত্ব হীনতার কারনে প্রান গেছে বহু নিরীহের। এখন প্রকৃতির নির্মম ছুঁবলে আর যে প্রান না যায় কোন সাধারণ মানুষের যারা আর কিছুনা শুধু দু'বেলা খেয়ে পড়ে বাঁচতে

    সহিংসতার শক্তি যেভাবে কমেছে জামাত-শিবিরের


    সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর হার্ডলাইনে ছিল জামাত শিবির। রায়কে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নজিরবিহীন সন্ত্রাস চালানোর পরের প্রায় দেড় মাস একই হারে সহিংসতা চালিয়েছে তারা। পুরান পাগলের এহেন কর্মকান্ডের মাঝে উদয় হয় নতুন পাগল-হেফাজত। জামাত হেফাজত গলাগলী করে নতুন করে সহিংসতা শুরু করে। ঠ্যঙ্গানী খেয়ে হেফাজতের কপালে সীল পরছে ৫ মে রাতেই।

    অভ্যাসের অপমৃত্যু


    আগে বাসার কাছেই বা বাইরে আড্ডা দিতে গেলে টঙের দোকানে চা খাইতাম অনেক। ইদানীং আর যেতে ইচ্ছে করে না কারণ ওই জায়গায় গেলেই দেখি সবাই রাজাকারের গুণগান গায়। এগুলা আমি শুনতেও পারি না আবার বিপরীতে প্রতিবাদও করতে পারি না জানের ভয়ে। বাধ্য হয়ে আর যাই না। এই লোকগুলা যেই রকম হিংস্র তাতে বেশি কথা না বলাই ভাল। এই কারনেই ৫ মে যেভাবে পুলিশ ছাগু কিলাইছে, তাতে আমি যারপর নাই আনন্দিত হয়েছি। আর খুশি হইতাম যদি আসলেই ২৫০০ লোক মরত। বাস্তবতা বিবর্জিত মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত এই সব ছাগলগুলার জন্য দেশের উন্নয়ন তো হচ্ছেই না, বরং এগুলা চারিদিকে ল্যাদাইয়া দেশটাকে আরো দুর্গন্ধময় করে তুলছে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর