নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • রাফী শামস
    • দিন মজুর
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • গোলাম মোর্শেদ হিমু
    • আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ
    • রুদ্রমঙ্গল
    • নুর নবী দুলাল
    • এফ ইউ শিমুল
    • জহিরুল ইসলাম

    নতুন যাত্রী

    • অন্ধকারের শেষ প...
    • রিপন চাক
    • বোরহান মিয়া
    • গোলাম মোর্শেদ হিমু
    • নবীন পাঠক
    • রকিব রাজন
    • রুবেল হোসাইন
    • অলি জালেম
    • চিন্ময় ইবনে খালিদ
    • সুস্মিত আবদুল্লাহ

    ব্লগে ভেকধারী রাজাকার


    ব্লগে দেখি ভেকধারী জামাতের আনাগোনা। কারন জামাত শিবির যা করতাছে আমাদের কিছু জামাত বিরোধী ব্লগাররা অনেকটা তাই করছে। নিজেদের মহা পণ্ডিত জ্ঞানে আন্দোলন কে ভিন্ন খাতে বয়ে আপ্রান চেষ্টা করছে। এদের মনে রাখা উচিত, জামাত হইতে গেলে মেধা বা জ্ঞানের দরকার নাই। কৃতঘ্ন হইলেই চলে।
    জামাত-শিবির ব্লগারদের মধ্যে যে একতা আছে তা জামাত বিরোধী ব্লগারদের মাঝে নেই। জামাতিদের লক্ষ্য এক, ওদের রাজাকার নেতাদের নিষ্পাপ প্রমাণ করার জন্য নেয়া যে কোন পদক্ষেপে এক থাকা। সেখানে কে হাইলাইটেড হইল, কে হইল না, কে প্রচার বেশি পাইলো কে পাইলো না এইগুলা নিয়া ফালতু ক্যাচালে নেই।

    অহিংস আন্দোলনে ভীত জামাত।


    ইতিহাস কথা বলে। শহীদ জাফর মুন্সী আর ব্লগার-স্থপতি শহীদ রাজীবের হত্যার ধরণে ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধকালীন রাজাকার,আল বদর ও আল শামসের ও পাকিস্তানী সমার্থকদের সুপষ্ট ছাপ পাওয়া যায়। ১৯৭১ থেকে ২০১৩ মাঝখানে পার হয়ে গেছে ৪২টি বছর। যুগের সাথে বদলে গেছে অনেক কিছু, বসনভূষণ, চাল চলন, আধুনিক জীবনযাত্রা, মেশিন-পত্র, এসেছে কমপিউটার,ল্যাপটপ, নোট বুক, আই ফোন, এন্ড্রয়েড ফোন, চালকবিহীন গাড়ি, সেই সাথে এসেছে নতুন নতুন মারণাস্ত্র, জীবানুস্ত্র। প্রতি দিন একটা কে পিছনে ফেলে আবিষ্কার হচ্ছে আরেকটি ।

    আন্দোলনের স্বার্থে যে সব কাজ থেকে বিরত থাকি।


    আপনি কি লিখবেন, কি পড়বেন, কি শেয়ার দিবেন,কি মন্তব্য করবেন সেটা আপনার স্বাধীনতা আছে। এই নিয়ে আমি যেমন কারো কথা শুনতে বাধ্য নই। আপনিও বাধ্য নন। কিন্তু এই আন্দোলনের বিষয় চিন্তা করে আমিও অনেক বিষয়ে চুপ থাকি। অনেক বিষয়ে সতর্ক থাকি। অনেক বিষয়ে ঢোল পিটাই। আমি কেন করি, সেটাই বলতে চাই। আপনার পছন্দ হলে করবে না হলে করবে না।

    ব্যাংক, কোচিং সেন্টার, চিকিৎসকদের টাকায় চলছে শিবিরের কর্মকাণ্ড


    ছাত্রশিবিরের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অর্থের যোগান দিচ্ছে নামে-বেনামে তাদের পরিচালিত বিভিন্ন কোচিং সেন্টার, জামায়াত নেতাদের মালিকানাধীন ইসলামি ব্যাংক এবং দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা। অনুদান হিসেবে দেয়া এসব টাকা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন শাখা-সংগঠনের নামে ব্যাংকে জমা হওয়ার পর তা চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

    শিবিরীয় অপপ্রচার, আস্তিক-নাস্তিক প্রশ্ন এবং সাধারণ মানুষ


    সাধারণ মানুষ অন্যকে খুব সহজেই বিশ্বাস করতে পছন্দ করে। আর এই বিশ্বাসকে টার্গেট করেই অনলাইন মাঠে নেমেছে জামায়াত শিবির। জামাত শিবির পরিচালিত ফেসবুকভিত্তিক কিছু পেজের অপপ্রচারকে আমলে নিয়ে রাজীব হায়দারের বিচার প্রশ্নে আজ বিভক্ত একদল মানুষ। কিছু পেজ আছে যেগুলো এতদিন অর্ধনগ্ন নারীর ছবি ও সেক্সুয়াল জোকস শেয়ার করত তারা আজ ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার খবর প্রচার করছে। সেইসব পেজের সুক্ষ অপপ্রচারনার পেছনের কারন ধরতে না পেরে শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুভুতির কথা ভেবে ধুমাইয়া শেয়ার করছে। বুঝতেও পারছে না, আড়ালে মুখ লুকিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসছে শিবিরের কুপমুন্ডুকরা।

    খুঁজে পাওয়া প্রাণের স্পন্দন ও একটি প্রতিজ্ঞা


    বইয়ের সাথে পরিচয় ও সখ্যতা সেই ছোটবেলা থেকে(পাঠ্য বই ভেবে ভুল করবেন
    না কিন্তু)। বইয়ের প্রতি ভালবাসাটা অনেকটা উত্তরাধিকার সূত্রেই পেয়েছি।
    বুঝতে শেখার পর থেকেই বইয়ের অরণ্য দেখে আসছি। আব্বা বাড়িতে যেখানেই
    ফাঁকফোকর পেতেন সেখানেই আলমারি বসিয়ে তাঁর বইয়ের সংগ্রহ বাড়াতেন। আমার
    এক দাদি আছে প্রায় ৭০ বছর বয়সী, কিন্তু এখনো উনি চশমা চোখে বই পড়েন।
    পরিবারের আবহাওয়াই যদি এমন বইময় হয় আমি কি এর বাইরে যেতে পারি? যখন
    থেকে অ, আ পড়তে শিখেছি তখন থেকেই বড়দের বই হাতে নিয়ে পড়তে চেষ্টা
    করতাম, কিন্তু বেশিরভাগই বুঝতাম না। না বুঝলে কী হবে, আমার উৎসাহ কিন্তু

    শাহবাগ চত্বরে আমরা


    বাছাধন! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছ!
    চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
    সবাই গেছে ভুলে!
    চল্লিশ বছরে গাড়ি-বাড়ি মন্ত্রীত্ব সব-ই পেয়েছো!
    তাও এই বাংলাদেশেই, যাকে ধর্ষন করেছো বারবার-
    তোমার গাড়ির কোনে ঝুলানো বন্দী জাতীয় পতাকা
    গুমড়ে কেঁদেছে প্রতিনিয়ত-
    আর তুমিতো ক্ষণে ক্ষণে অট্টহাসিতে বিদ্রুপ করেছো
    আমার লাল সবুজের জাতীয় পতাকাকে!

    বাছাধণ! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছো!
    চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
    সবাই গেছে ভুলে!
    তোমার আস্ফালনে প্রকম্পিত হয়েছে আমার জাতীয় সংসদ
    তোমার বীর্য ছড়িয়ে দিয়েছো কত নির্বোধের জঠরে

    কেন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসীর দাবীতে আন্দোলন করছি?


    আজ প্রশ্ন করা হচ্ছে, কাদের মোল্লা, সাঈদী, নিজামী আর সাকাদের ফাঁসী চেয়ে আমরা কি ট্রাইবুনালের উপর চাপ সৃষ্টি করছি কিনা। তৃতীয় মাত্রার একটা অনুষ্ঠানে কয়েকজন আন্দোলনরত ব্লগারকে এ প্রশ্ন করা হয়েছিলো। তারা যে উত্তর দিয়েছিলেন, প্রশ্নকর্তা মনে হয় সে উত্তরে সন্তষ্ট হতে পারেননি, কিংবা তিনি ভাবছেন এ প্রশ্নে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী দাবীকারীদের বেশ বেকায়দায় ফেলা গেছে, তাই তিনি বারবার এই প্রশ্ন প্রতিদিন তার টক শো’তে আগত অতিথিদের করে যাচ্ছেন আর তার নিজের বক্তব্যকে অধিক যুক্তিপুর্ণ বলে প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছেন । আমাদের সবাই প্রশ্ন করতে পারে, কারণ আমরা কারো রগ কাটি না, আমাদের সবাই প্রশ্ন করতে পারে, কারণ

    ধর্মব্যাবসায়ীদের বলছিঃথাবার প্রতিটি রক্তকণার শোধ নেব।


    ব্লগার রাজিব হায়দার(থাবা বাবা) খুন হয়েছে নৃশংসভাবে। আর তার খুন নিয়ে রাজনীতি শুরু করছে পিশাচরা। কিছু লোক বলছে রাজিব ছিল নাস্তিক, সেই সাথে ইসলামবিদ্বেষী। সাথে কেউ কেউ তার ব্লগের লিংক দিয়ে তাকে ইসলামবিদ্বেষী প্রমাণ করার মহান দায়িত্বটাও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছে। আর আমরা অনেকে সেই ব্লগ পড়ে রাজিব যে ইসলামবিদ্বেষী তা মেনে নেওয়ার মহান দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু কি কেউ কি ভেবে দেখেছেন এসব করে আমরা আমাদের মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ছি?

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর