নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • জংশন
    • বেহুলার ভেলা
    • রুদ্র মাহমুদ
    • রিক্ত রিপন
    • দীব্বেন্দু দীপ
    • সাইয়িদ রফিকুল হক

    নতুন যাত্রী

    • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
    • বিপু পাল
    • মৌন
    • ইকবাল কবির
    • সানসাইন ১৯৭১
    • রসরাজ
    • বসন্ত পলাশ
    • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
    • রাজীব গান্ধী
    • রুবেল মজুমদার

    বাংলাদেশ কি তবে একটি জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিনত হচ্ছে?


    প্রত্যেকটা হামলার পরেই অনেক মডারেট মুসলমান কিবোর্ড যোদ্ধা হিসেবে হাজির হয়ে যান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে। ”ইসলাম শান্তির ধর্ম”, ” ইসলাম এইসব সাপোর্ট করেনা”, ”জঙ্গীরা মুসলিম নয়”, ” এগুলি ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্র” ইত্যাদি ইত্যাদি লিখে মাখিয়ে ফেলেন। কেউ কেউ মনে করেন কোন ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্যেই এগুলি কোন সাজানো নাটক। এগুলি লিখে মনের শান্তিতে ইসলামকে রক্ষা করে ফেলেছেন ভেবে শান্তিতে ঘুমাতে যান। তবুও কোনভাবেই ধর্মের দোষ দেয়া যাবে না।

    ফাগুনের আগমন


    আজো স্কুলে ভর্তি হয়নি। মাস তিন-চারেক হলো বাবা সাগরে মাছ মারতে গিয়েছেন। সাগর থেকে ফিরেই আমাকে স্কুলে ভর্তি করানোর কথা।বাবার ফিরে আসার দিন পেরিয়ে গেল। বাবার সমসাময়িক রওনা দেওয়া অন্যান্য ট্রলারগুলো হাসিমুখে ফিরে এসেছে।কিন্তু বাবার কোনো আলামতই পেলাম না। মায়ের কপালে ভাঁজ পড়েছে। ইদানীং জলদাশ পাড়ার চায়ের দোকানে এটিই আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে।

    মা,বাবা আসবেনা?কখন আসবে?বড় বড় মাছ আনবে তো?-এসব নিত্যনৈমিত্তিক প্রশ্ন শুনলে ঝরে পড়া শুষ্ক ফুলের মতো মায়ের চেহারা শুকিয়ে আসে।এসব প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে গিয়ে মা রীতিমত হিমশিম খান।

    স্বাধীনতার ছেচল্লিশ বছরে বাঙালি শুধুই তার শাসকের পরিবর্তন করেছে,স্বাধীনতা পেয়েছে কোথায়???


    স্বাধীনতা বলতে যদি শাসকের পরিবর্তন বুঝায়,তাহলে বলবো ঠিক আছে। কিন্তু স্বাধীনতা বলতে যদি শাসনের পরিবর্তন বুঝায়,যদি নীতি-আদর্শের পরিবর্তন বুঝায়,যদি জুলুম-নির্যাতন,বৈষম্যহীন সকল শ্রেণী-বর্ণের মানুষের সমঅধিকারের অসাম্প্রদায়িক জনগণতন্ত্রীক রাষ্ট্রের উত্তরণ বুঝায় .....তাহলে বলবো কোথায় স্বাধীনতা?কিসের স্বাধীনতা?কার স্বাধীনতা?

    স্বাধীনতার ছেচল্লিশ বছর পূর্বেও বাঙালি'কে যেভাবে মেধা-মননে অবদমিত করে রাজনৈতিক দাস বানিয়ে রাখার প্রচেষ্টা ছিলো,বর্তমানে তার ব্যতিক্রম কোথায়?

    আত্মহত্যা


    আজকাল আত্মহত্যা সমাজে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কের অবক্ষয়, বন্ধু-বান্ধবের সম্পর্কের অবনতি, পরিবারিক কলহ সহ অসংখ্য কারণে আত্মহত্যা হয়ে উঠেছে একটি ফ্যাশন।
    অথচ আত্মহত্যার পরিণতি সম্পর্কে তাদের প্রাথমিক জ্ঞানটুকুও নেই।
    একদিকে,
    নিজের সুন্দর জীবন বিলিয়ে দেওয়ার মাঝে কোনো সুখ নিহিত নেই। পরিবারকে পড়তে হয় প্রশ্নবিদ্ধের দুষ্টুচক্রে। এতে সমাজের মাঝে পরিবারের যে শিকড়ওয়ালা ভাবমূর্তি থাকে তা নড়েবড়ে বসে। একটি সামান্য কারণে নিজের জীবন বিসর্জন এবং অন্যদিকে পরিবারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে পৃথিবীত্যাগ করার কোনো প্রশ্নই উঠে না।

    স্বাধীনতার ঘোষণা ও জিয়া


    ২৫ মার্চ। মুজিব-ইয়াহিয়ার বৈঠক সম্পর্কে তখনও অনেকে আশাবাদী। তারপরও বিপদের গন্ধ বাতাসে প্রকট। ইয়াহিয়া হঠাৎ ঢাকা ত্যাগ করলেন। সকলেই অবাক। রাত সাড়ে দশটায় ক্রাকডাউন শুরু। বেঈমানি করল পশ্চিম পাকিস্তানিরা। বঙ্গবন্ধু নেতৃবৃন্দকে সীমান্ত অতিক্রমের নির্দেশ দিলেন। কিন্তু কোন এক রহস্যময় ফোন পেয়ে তিনি থেকে গেলেন তাঁর ধানমণ্ডির বাসভবনেই। গ্রেফতারের সামান্য আগেই গভীর রাতে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নানের কাছে টেলিগ্রাম করলেন স্বাধীনতার ঘোষণা। রাত বারটায় হামলা হল ধানমণ্ডির বাড়িতে। মুজিবকে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল।

    সুযোগ সন্ধানী জিয়া ছিলেন শেখ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষণার একজন পাঠক মাত্র


    ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি গণযুদ্ধ এটি কোন সামরিক যুদ্ধ ছিল না। সুতরাং সামরিক সামরিক অভ্যুত্থানের কোন প্রশ্নই উঠে না।

    জয়লাভ


    দু’জন মাঝির মধ্যে প্রতিযোগিতা হচ্ছে। নির্ধারিত হল উভয়কে ত্রিশ কিলোমিটার দুরত্ব অতিক্রম করতে হবে স্ব স্ব অবস্থান থেকে।

    এই মুহূর্তে একজন একটি নৌকা নিয়ে আছে সদরঘাট, ছোট্ট নৌকাটিতে বিশমণ মাল বোঝাই, এবং সে আছে উজানে।

    অন্যজন আছে নারায়নগঞ্জ একটি খালি নৌকা নিয়ে ভাটায়। সকাল দশটায় প্রতিযোগিতা শুরু হল।

    বিচারকেরা আছে সদরঘাট এবং নারায়নগঞ্জের মাঝামঝি একটি জায়গায়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে নারায়নগঞ্জের মাঝি পৌঁছে গিয়ে জয়লাভ করেছে। সদরঘাটের মাঝিও প্রায় পৌঁচেছে।

    পাড়ি


    আমাগের গিরামের নাম নিশ্চিন্তপুর। কিডা কোন কালে এই নাম রাখছিল, তাই বা কিডা জানে! বাবার কাছে জিজ্ঞেস করছিলাম, বাবা কবার পারে নাই; দাদুও কবার পারে নাই। কেউ-ই জানতো না এই নামকরণের ইতিহাস।
    নিশ্চিন্তপুর! আহা, কী প্রশান্তির নাম! নামডা শুনলি-ই কেমন যেন নির্ভার লাগে। ছুঁত লাগা লজ্জাবতী লতার মতো চক্ষু মুদে আসে। শীতের রোদ পোয়ানো বিলাইয়ের মতো শরীলে ঝিম ধরে। কিন্তু আমি জন্মে ইস্তক এই গিরামের মানুষরে কোনোদিন নিশ্চিন্তে থাকতি দ্যাকলাম না! নদী পারের গিরাম, বারো মাস চোর-ডাহাতির মচ্ছব লাগেই থাকতো! নৌকা নিয়ে আসতো তারা। আজ এ বাড়ি চোরে সিঁদ কাটতো তো, কাল ও বাড়ি ডাহাত পড়তো। মানষির খাটে খাওয়া শরীল, অথচ রাত্তিরি এট্টু নিশ্চিন্তে ঘুমাবি তার জো নাই। রাত-দুপুরে গিরামে হইহই পড়ে যাতো। মশাল, লাঠি-সরকি নিয়ে বিটা মানষির দৌড়ঝাঁপ শুরু হতো। ছোটরা ভয়ে মা-খুড়ি, জেঠি-পিসিগের গলা জড়ায়ে ধরে বান্দরের বাচ্চার মতোন ঘাপটি মারে থাকতো; এ এক নিত্যিদিনের ব্যাপার ছিল!

    অপারেশন সার্চলাইটঃ প্রেক্ষাপট, পরিকল্পনা এবং মূল ঘটণাপ্রবাহ (রিপোস্ট)



    এই খানে পটভুমিটা নানা পাকিস্তানী সুত্র থেকে নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গীতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হল। যদিও এসব সুত্রে বঙ্গবন্ধুর সাথে ইয়াহিয়া খানের আলাপের ব্যাপারে অনেক কথা থাকলেও ভুট্টোর ব্যাপারে সেভাবে কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না। যদিও বাঙালি সবাই জানে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের ব্যাপারে ভুট্টোর সরাসরি ইন্ধন এবং রাজনৈতিক সমর্থন ছিলো। বঙ্গবন্ধুও ৭ই মার্চের ভাষণে উল্লেখ করেছিলেন,

    “উনি আমার কথা শুনলেননা, উনি শুনলেন ভুট্টো সাহেবের কথা।“

    পাকিস্তানী এক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সিদ্দিকী, যিনি আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক ছিলেন সেই সময়ে, তার কথার সুত্র ধরে এবং নিজ পঠিত নানা আর্টিকেল এবং বিবরণীর সূত্র ধরে আমার নিজের মনে হয়েছে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের বীজ রোপিত হয়েছিলো ১৯৬৯ সালেই, যখন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান নিজের পীঠ বাঁচাতে জনতার আন্দোলনের মুখে গোল টেবিল বৈঠক ডাকেন। কিন্তু সিদ্দিকী সাহেবের মতে, ইয়াহিয়া তার গুরুর বিরুদ্ধে পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন তারও আগেই। তার মতে, ইয়াহিয়া গোপনে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করেন এবং তার দাবীতে অনড় থাকতে বলেন, এবং আরও নিশ্চয়তা দেন যে, আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সেনাবাহিনী কোন বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    Facebook comments

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর