নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • জয়বাংলা ১৯৭১
    • মোগ্গালানা মাইকেল
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • ড. লজিক্যাল বাঙালি
    • সুবর্ণ জলের মাছ
    • দীব্বেন্দু দীপ

    নতুন যাত্রী

    • বিদ্রোহী মুসাফির
    • টি রহমান বর্ণিল
    • আজহরুল ইসলাম
    • রইসউদ্দিন গায়েন
    • উৎসব
    • সাদমান ফেরদৌস
    • বিপ্লব দাস
    • আফিজের রহমান
    • হুসাইন মাহমুদ
    • অচিন-পাখী

    হাইকুঃ এক অনন্য অনুকাব্যের নাম


    জাপানী ভাষায় হাইকু লেখার ধরন সহজ। কিন্তু অন্য ভাষার জন্য ঐ নিয়ম সামান্য ভিন্ন। বিদেশী ভাষায় হাইকু লেখার ধরন সম্বন্ধে একেক জনের একেক রকম মতামত। যেকোন কিছু হাইকু কবিতার বিষয় হতে পারে। সাধারন মানুষের অজানা এবং উপলব্ধির বাইরের বিষয়ে হাইকু খুব কমই আছে। কিছু দুর্দান্ত কবিতায় দৈনন্দিন জীবনের ঘটনা এমন আকর্ষনীয় এবং সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে পাঠকরা সহজেই চমৎকৃত হবেন। হাইকু সম্পর্কে নতুন ভাবে কিছু বলতে চাইনা কারন এ সম্পর্কে বোদ্ধা অনেক।

    ফালতু, পুরাই ফালতু!


    সাহাইয্য চাইঃ সুপ্রিয় ব্লগারস, আপনারা কেউ কি টেলিটক ফ্ল্যাশ মডেমের মডেল জানেন?

    দালালী না রাজপথ, আপোষ না সংগ্রাম।


    শিরোনামটা খুব চেনা বর্তমান সময়ের সকলের। সারাদেশেই এই শ্লোগানগুলো অন্যান্য শ্লোগানের সাথে ভালোই চলছে। আর সেখানে তাল মেলাচ্ছেন সকলেই। কিন্তু বাস্তবে তার চিত্র দেখছি সম্পূর্ণ উল্টো। শ্লোগানে যখন বলা হয় "দালালী না রাজপথ" তখন সকলেই সমস্বরে প্রতিউত্তরে বলে উঠেন "রাজপথ, রাজপথ", যখন বলা হয় "আপোষ না সংগ্রাম" তখন বলা হয় "সংগ্রাম সংগ্রাম" অথচ আমরা দেখতে পারছি ঠিক তার উল্টো।

    উৎসবে আমি


    সেমাই খাইতে ভালো লাগে নাহ।ঘরে গেলে এখনো সেমাই দিলে খাই নাহ।কিন্তু,ঈদের সময় পাশের বাসার আন্টির সেমাই খাইতে কোন ঈদ মিস গেছে জানি নাহ।ধর্মে গরুর মাংস জায়েজ নাহ।আন্টির রান্না ঘরে বসে বসে ছোট বেলায় কোরবানি ঈদে রুটি সেকতাম।হুজুর অতিথি আসলে তাদের সাথে মিলে আপ্যায়ন করতাম।নিজের মা-বাবা মানা করা তো দূরে থাক।তিন দিন বাসাই আসতাম নাহ।আন্টিরা বাইরে বেড়াতে গেলে নিজেদের আত্মীয়দের পরিচয় দিতো আমার ছেলে।

    হারানো বিজ্ঞপ্তি : খুঁজে দেন


    নাম : প্রীতিলতা মজুমদার
    বয়স : দশ বছর
    উচ্চতা : সাড়ে তিন ফিটের মত
    গায়ের রং : ফর্সা
    চেহারা : আমার দেখা বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর মেয়ে। আর সারা বিশ্বের ভিতর তার অবস্থান দ্বিতীয়। ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা প্রথম।

    রঙ ছড়ানো হোলি এবং পুরান ঢাকার দোল পূর্নিমা


    মানুষের মনে কত রঙ যদি দেখতে চান তাহলে দোল পুর্নিমায় যেতে হবে পুরান ঢাকায়। একে অপরকে রঙ মাখিয়ে পালন করা হয় এই উৎসব । যাকে বলে দোল খেলা বা হোলি খেলা।আজ দোল পূর্নিমা। পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার এবং লক্ষ্মীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় জাকজমকভাবে এই উৎসব পালিত হয়েছে।

    দিনের প্রথম ভাগে রং দিয়ে ভরিয়ে ফেলা হয় সব এলাকা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রায় সবাই একে অন্যের গায়ে রঙ মেখে চেহারাই বদলে ফেলেন। শুধু পুরান ঢাকা নয় সারা দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এইদিনে রঙ খেলার উৎসবে মাতেন।

    আপনার এগিয়ে যান, আমরা আছি আপনাদের পাশে


    ভোর ৫টা ১৯ মিনিট
    ক্রিং.. ক্রিং...
    হ্যালো বলতেই অপরপ্রান্ত থেকে...
    আপনি কি তন্ময়..?
    জ্বী..
    আপনি কে বলছেন প্লীজ...
    তন্ময় ভাই, ফেইসবুক থেকে আপনার নাম্বারটা সংগ্রহ করে ফোন করেছি আপনাকে ও আপনার বন্ধুদের ধন‌্যবাদ জানানোর জন্য...
    দীর্ঘ ৪২ ধরে বুকে লালন করা কষ্টগুলো আপনাদের মাধ্যমে শেয়ার করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে...
    ৭৫ এর পর দেশেটা চলে গিয়েছিলো পুরোনো শকুনদের হাতে...
    আজ আপনারা গণজাগরন তৈরি করে দেশ কে ও দেশের মানুষ কে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আবার স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছেন বলে এ জাতি আপনাদের নামও শহীদ'দের নামের মত চিরদিন মনে রাখবে...
    ধন্যবাদ

    স্মৃতি থেকে মুছে ফেলা যাবতীয় পাপ


    ১.

    তপ্ত রৌদ্রমাখা একটি পূর্নদৈর্ঘ্য দুপুরের শূণ্যতা মাথায় নিয়ে হাঁটি। অনেক আগে, মনে পড়ে, এক বিষণ্ন কোমল ম্লান বালিকার মেঘরঙ আঁচলে ছাঁকা এক আঁজলা লেবুজলে আজন্মের তৃষ্ণা মিটিয়েছিলাম। সেই জলে ডুবে কসম মরে যেতে ইচ্ছে হয় এখন।

    ২.

    ইঙ্গ-মার্কিন জোটকে বাংলাদেশ আক্রমনে ব্যর্থ আহবান জানিয়ে হতাশ খালেদা জিয়ার সেনা আহবান আর আমাদের করনীয়


    বছর খানেক আগেও বি এন পি কোনো আন্দোলন কর্মসুচী বা হরতাল দিলেই আওয়ামী লীগ তাকে যুদ্ধাপরাধী বাঁচানোর আন্দোলন বলে আভিহিত করতো। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠাসহ অন্যান্য চলমান ইস্যুগুলো নিয়ে বিএনপি আন্দোলন করছিল। কিন্ত আওয়ামী লীগ সরকার একে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর আন্দোলন বলে আখ্যায়িত করায় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করতো বিরোধীদলের যে কোনো ন্যায্য আন্দোলনকে যুদ্ধাপরাধী বাঁচানোর আন্দোলন বলে সরকার তাকে নস্যাত করতে চাচ্ছে!

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর