নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • আকাশ লীনা
    • সীমান্ত মল্লিক

    নতুন যাত্রী

    • এম এম এইচ ভূঁইয়া
    • খাঁচা বন্দি পাখি
    • প্রসেনজিৎ কোনার
    • পৃথিবীর নাগরিক
    • এস এম এইচ রহমান
    • শুভম সরকার
    • আব্রাহাম তামিম
    • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
    • এলিজা আকবর
    • বাপ্পার কাব্য

    ভালবাসা নেই - এক


    আমি তখন ক্লাস ওয়ানে পড়ি।স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে খাওয়া সেরে উঠলাম।স্যার চলে আসছে পরতে বসলাম।আম্মু এসে বলল আজকে স্যার যেন তাড়াতাড়ি ছুটি দেয়।আমাদের বাড়ির এক আঙ্কেলের মেয়ের নাম রাখবে তাই।আমার খুশি দেখে কে।যথারীতি অনুষ্ঠানে গেলাম নাম রাখা হল নিরা।আমি প্রাইমারীর গন্ডি পেরিয়ে হাইতে।নিরা আমাদের বাসায় আসত আমি অবসরে ওর সাথে খেলতাম।প্রায় প্রতিদিনই ও আসত আম্মুকে পুরো বাড়ির সবার অবস্থা বর্ননা করত।ও স্কুলে এডমিট হল প্রথম প্রথম আমিই ওকে নিয়ে যেতাম।পরে ও একাই যেত।পড়ালেখা নিয়ে দুজনই ব্যাস্ত।তারপরেও ছুটির দিনটাই আমরা জমিয়ে আড্ডা দিতাম।বাড়িতে জায়গা জমি নিয়ে ঝামেলা হল ওদের ফ্যামিলির সাথে।ব্যাস ও আর এ দিকটাই আসতনা

    "কে???"


    একবিংশ শতাব্দীতে কিছু মানুষের শোকের আয়ু বড়োজোর একবছর নয়, তারচেয়েও বেশি । ফারহানা মারা গেছে এক বছর হয়ে গেলো, আদিত্য এখনো ফারহানার মৃত্যুকে স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারে নি । কখনো মেনে নেওয়া সম্ভবও ছিল না তারপক্ষে । অবর্ণনীয় সুখের সময় ছিল তাদের । আদিত্যের সকালটা শুরু হত ফারহানার ঠোঁটে চুমু খেয়ে । সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন অফিস শেষ করে ফারহানার জন্য নিয়ে আসতো দামি চকলেটভর্তি বাক্স । চকলেট খেতে ভারী পছন্দ করতো ফারহানা । বাসায় ফিরতে সামান্য দেরি হলেই অভিমানে মুখটা টকটকে লাল হয়ে যেত । ফারহানার রাগ ভাঙানো সে আরেক বিপদ । কোনো কোনো রাতে ওরা জেগে থাকতো অনেকক্ষণ, ফারহানা আদিত্যকে কবিতা পড়ে শো

    এক টুকরো বিষ


    গলার শুরুর অংশটা খুসখুস করছে। বুঝতে পারছি আবার কাশি শুরু হবে। দিচ্ছি না। ভাবে টান পড়বে। এই যৌগটার সাথে ‘ভাব মারা’র সম্পর্ক বহুদিনের। সেই চার বছর আগে ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে ছাদে কড়ই গাছটার তুলোর মত ছায়ার নিচে প্রথম টান দিয়েছিলাম। যতটুকু নিঃশ্বাস আছে পুরোটা টেনে নিয়েছিলাম ফুসফুসে। সাথে সাথে অদ্ভুত একটা জ্বলুনি হল গলায়। মনে হল, গলার ভেতরে কে যেন অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখা জ্বালিয়ে দিল। চেপে রাখতে চেয়েছিলাম। পাশে সুপম বসে আছে। কাশতে দেখলে হাসাহাসি করতে পারে। কিন্তু, পারলাম না। কাশতে শুরু করলাম প্রচণ্ডভাবে। কাশির দমকে জীবনে প্রথম সুখটানে ঠিক কী অনুভূতি হয়েছিল বুঝতে পারলাম না। যদি বুঝতে পারতাম, হয়তো তা দিয়েই একটা মহাকাব্য লিখে ফেলতে পারতাম। হল না।

    হঠাত জমে ওঠা নেট প্যাকেজের দামের উপর চড়াও আন্দোলন অতঃপর আমার কিছু কথা...


    কয়েকদিন এই নিয়ে চারিদিকে মাতামাতি... আগেই বলে রাখি এইখানে আমাকে কর্পোরেট দালাল বা বালছাল যাই বলেন লাভ নাই... কথা হচ্ছে নেট প্যাকেজ এর দাম কমান লাগবে ভালো কথা... জিপির এই প্যাকেজ এর দাম আজ থেকে না ৩৪৫ টাকা পি৬ এর দাম সেই দু চার বছর থেকে...বিগত কিছুদিনের বিশ্লেষণ আমাদেরকে অনলাইনের শক্তি দেখিয়েছে... গণজাগরণ মঞ্চ, প্রথম আলোর ছাপা হওয়া কলাম প্রত্যাহার, ব্লগিং নিয়ে টকশো থেকে শুরু করে আরও অনেক কিছু যা এভাবে ভেঙ্গে বলার দরকার এতটা নেই... এখন কথা হচ্ছে সামনে নির্বাচন অনলাইন অফলাইন সবখানেই দরকার দলীয় লোক... বিশেষ করে জামাত শিবিরের এখন প্রয়োজন অনলাইন কর্মী...

    বিক্ষিপ্ত পংক্তিতে মুক্তিযুদ্ধ


    সেকেন্ড হ্যান্ড শব্দে কাব্যের কুল ভাঙ্গে!
    ধর্ষিত বাক্যে রচিত হয় ইতিহাস!
    যারা মুক্তিযুদ্ধকে গন্ডগোল বলেন,
    তারা ভুলের ধোয়াশাতে আত্নধর্ষিত হন অবলিলায়।
    বাংলাদেশের এপিটাফে মরহুম লেখার জন্য
    যাদের অন্ডকোষ চুলকায়;
    প্রত্যেকটি বাঙ্গালী প্রজন্ম তাদের
    উচ্ছিষ্ট অবাঞ্চিত লোম হিসেবে গন্য করে।

    অচেনা কোন এক জন...


    মন যখন আমার একলা ঘুরে বেড়ায় আমার নিজের মনের ঘোরে,তখন আমি খুজে বেরাই অচেনা কোন এক জনকে যে এসে হয়তো আমার এই একলা মনের সঙ্গি হবে।যখন সব জানা পথ এসে মিশে যায় কোন এক অজানা পথে,তখন আমি খুজে বেড়াই সেই অচেনা কোন এক জন কে যে এসে হয়তো আমার এই অজানা পথের পথ চলার পথিক হবে।আমার স্বপ্নের ক্যানভাসে আঁকা রঙ বিহীন ভাবলেশহীন ছবিটা যখন আমাকে বিমর্ষ করে দেয়,তখন আমি খুজে বেরাই সেই অচেনা কোন এক জন কে যে এসে হয়তো তার তুলির স্পর্শে হাজারও রঙে রাঙাবে আমার স্বপ্নের ক্যানভাস এর ছবিটিকে।যখন হাজারো ভাবার পরও আমি আমার লেখার পাতাটি হাজারো শব্দে সাজিয়ে তুলতে পারিনা,তখন আমি খুজে বেরাই সেই অচেনা কোন এক জন কে যে এসে

    কেন যে এমন হয়?


    সুবাস ছড়ানো শিউলি কামিনী ঝরে ঊষা লগনে,
    কোকিলের স্বর থেমে যায় হায়, ঋতুর
    ক্রান্তি ক্ষণে।
    নদীর জৌলুস হারিয়ে যায় ক্ষুব্ধ রবির তাপে,
    হৃদয়ের মায়া মমতা শুকায় চাহিদার উত্তাপে।
    ক্রন্দনরত সময় শুধু বিলাপ করে কয়,
    কেন যে এমন হয়?

    আমাদের কাছে যেটা প্রেম সমাজের কাছে সেটা পাপ!...


    কৈলাশদের চালে তিনটা ঢিল পড়া মানে কৈলাশ বুঝে যায় আমি তাকে ডাকছি,যদিও প্রতিদিন মারিনা। দুই তিন দিন পর পর!
    তারপর আমরা সোজা চলে যাই করিম মন্ডলের খরের আড়তে,সেখানে দুইটা কুকুর জড়াজড়ি করে ঘুমায় .আমাদের পায়ের আওয়াজ পেলে জেগে ওঠে আর কৈলাশ ওদের সামনে ভাত ছড়িয়ে দেয়।
    তারপর খুব গোপনে আমি কৈলাশকে স্পর্শ করি,বুঝতে পেরে আমার হাতে নিজেকে ছেড়ে দেয় সে যেন এখানেই খুঁজে নেবে পরম প্রশান্তি!আরাধ্য প্রণয়।
    আমি একে একে ওর সব আবরণ খুলে ফেলি,দেহ ছেড়ে মনের গভীরে গিয়ে বলি,কেমন লাগছে কৈলাশ?
    কৈলাশ আমাকে মুঠো করে ধরে, মুখে পুরে চুষে খায় প্রাণ প্রাচুর্য,আর আমি চোখ বন্ধ করে দুলতে থাকি!

    আজেবাজে কথা এবং একটি চন্দ্রগ্রহণ (পার্ট ২)



    আমার দুলাভাইয়ের বড় দুলাভাই আমার সামনে বসা। নাম আজমল কবির। কাপড়ের ব্যবসায়ী। ইসলামপুর, নারায়ণগঞ্জ বহু জায়গায় তার ব্যবসা। লম্বা-চওড়া মানুষ। বয়েস চল্লিশ থেকে কিছু বেশি।
    বাসায় তার আগমনের উদ্দেশ্য আমার বোন-দুলাভাইয়ের ব্যাপারে কিছু ফয়সালা করা।

    বাসায় কেউ নেই। আমি তাকে শুকনা চানাচুর আর চা এনে দিলাম। পাশে হাটার ছড়িটা রেখে উনি তা বসে বসে খাচ্ছেন। মুখে ফিচলে একটা হাসি।

    নয়ন জলে ভাসি


    ‘মা তোর বদন খানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি’ জাতীয় সঙ্গীতের শেষ লাইন এটা। একটা সময় আমরা স্কুলে প্রতি বৃহস্পতিবার প্যারেড করে ক্লান্ত হতাম। প্যারেড শুরু হত জাতীয় সঙ্গীত আর স্বপথ ব্যাক্য পাঠ করার মধ্য দিয়ে। তারপর জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার পর শুরু হত ক্লান্তিকর প্যারেড। আমাদের স্কুল ডায়েরীর প্রথম পাতায় লিখা থাকতো স্বপথ ব্যাক্য আর জাতীয় সঙ্গীত। তখন শুধুই গেয়ে জেতাম, উপলব্ধি করিনি, বুঝিইনি এর মানে। চিৎকার করে বলতাম ‘আমি স্বপথ করিতেছি যে...............’। আজ ‘দেশ ও দশের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করব’ স্বপথের এই লাইনটা আমরা আমাদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের আগেই ভুলে গেছি। বাঙলা মা’য়ের বদন খান

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর