নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • কুমার শাহিন মন্ডল
    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • অন্নপূর্ণা দেবী
    • অপরাজিত
    • বিকাশ দেবনাথ
    • কলা বিজ্ঞানী
    • সুবর্ণ জলের মাছ
    • সাবুল সাই
    • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
    • মাহফুজুর রহমান সুমন
    • নাইমুর রহমান
    • রাফি_আদনান_আকাশ

    শাহবাগ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আভাস


    মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশের কথা আমরা সবাই বলে থাকি। শাহবাগ আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশের স্বপ্ন থেকেই পুষ্টি পায়।

    সবাই বারবার বহুল ব্যাবহৃত শব্দবন্ধটুকু ব্যাবহার করে। বিশেষত: নেতারা। ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতাপ্রত্যাসি নেতারা।
    তারা আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলতে কি বুঝাতে চায় তা স্পষ্ট নয়। জাতীয়তাবাদী হওয়াটাই কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা? আমরা মনে করি তা নয়। বারবার সভা সমাবেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলাটাও মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনার সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়।
    শাহবাগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার একটা অংশের স্বপ্ন দেখে। সেই অংশটা হল:
    ন্যায়বিচার পাওয়া। সে দেশে অপরাধীর বিচার হবে।

    ছদ্মবেশে বাবা


    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের সামনে রাতুল তার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল। গায়ের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সি-জিন্স প্যান্ট আর ঠোঁটের কোনে ৭ টাকা দামের সিগারেট বন্ধুদের সঙ্গে তার পার্থক্য রাখেনি। যেসব বন্ধু গাড়ি চেপে ক্লাস করতে আসে বা শহরের দামি ফাস্টফুডের দোকানে খেয়ে হৈ-হুল্লোড় করে তাদের সঙ্গে মিশে গেছে সে। এটা ২০১১ সালের ঘটনা, যখন রাতুল ৩য় বর্ষের ছাত্র।

    স্পার্টাকাস, তুমি বুকের স্পন্দন হয়ে বেঁচে থাকো আমরণ।


    আপনের যে অনুভব বিদ্রোহী মনে বিরহ তোলে
    তার যাতনায় বিক্ষত-বীভৎস এবং
    সময়ের সচল সংক্রমণে নির্বাক ও মূক
    এক মানব স্থবির অপেক্ষায়. একফালি রোদ দ্যাখে দিনভর
    দুঃসহ দংশন আর বিচ্ছিন্নতার বিস্মৃত স্বাদ নিয়ে।

    গোত্র বিরোধী একজন নবীন বেয়াদব


    তুমি যতক্ষণ গোত্রভুক্ত নও
    যতক্ষণ তোমার নামের আগে পরে
    কোন মতাদর্শিক পদবি নেই
    যতক্ষণ তুমি জি হুজুর জি হুজুর
    জপে মুখে ফেনা তুলছ না
    সত্যের আতসি কাঁচে পরখ করছ
    সমস্ত কিছু বারংবার

    দেইল্লা রাজাকারের ফাঁসির রায়ের পর বগুড়ায় পুলিশ ও সরকারি অফিসের উপর আক্রমন..(ডাইনোসর এর পোস্টের অনুসরণে)...


    ০২ মার্চ দিবাগত রাত ২.৩০ টা কোথাও কোথাও রাত ৩.০০ টায় বগুড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামাঞ্চলের মসজিদের মাইকে প্রচার করা হয় যে, চাঁদে সাইদীর (দেইল্লা রাজাকার) চেহারা দেখা যাচ্ছে। সাইদী একজন নিরাপরাধ আল্লাহওয়ালা আলেম। তাকে বর্তমান সরকার বিনা দোষে সাইদীর ফাঁসির আদেশ দিয়েছে। সুতরাং তাকে (সাইদী) ফাঁসির হাত থেকে বাঁচানো আমাদের ইমানি দায়িত্ব। তাকে (সাইদী) বাঁচাতে না পারলে কারও ইমান থাকবে না, আমরা সবাই গুনাগার হয়ে যাব। নারী-পুরুষ, ছেলে-মেয়ে সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে আসুন এখনই এর প্রতিবাদ করতে হবে। সাথে আরও প্রচার করা হয় যে, যাদের ইমান দর্বল হয়ে গেছে তারা সাইদীকে চাঁদে দেখতে পাবেনা। আসুন আমরা সবাই প্রতিবাদ

    দেলু চোরার চন্দ্রবিলাস


    হিমু অবলম্বনে
    হুমায়ূন আহমেদ হিমু ও হিমুভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

    শেষ পর্যন্ত ধরা খেয়ে গেলাম। দাড়িতে লাল রঙ মাখিয়ে জজ সাহেবকে বিভ্রান্ত করা গেল না। আমার ফাঁসির হুকুম হয়ে গেল। কাচারিঘরের সমবেত জনতা আমার দিকে প্রবল ঘৃণা নিয়ে তাকিয়ে আছে। আমি পাত্তা দিলাম না। মহাপুরুষদের এইসব পাত্তা দিলে চলেনা। আমি শীষ দিয়ে একটা গানের সুর তোলার চেষ্টা করলাম, “ও হাসিনা দিছস কিনা ঝুলায় আমারে......”

    পাকা খবর আছে আমাকে হুট করে একদিন ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।

    হুতাশনের জবানবন্দি


    জন্মের কথা ঠিক মনে নেই।
    কে জানে, হয়ত জন্মেরই ঠিক নেই।

    মনে পড়ে শৈশবে ছিলাম
    সুকান্তর কবিতায়
    ছিলাম একটা ছোট্ট দেশলাইয়ের কাঠি।
    এত নগন্য যে চোখেই পড়তাম না হয়ত।

    জাতীয় পাদুকা পদক_(প্রস্তাবিত)


    রায় প্রতিদিনই পৃথিবীর
    কোথাও কেউ না কেউ পদক
    পাচ্ছেন। আমাদের দেশেও
    আছে বেশ কতগুলো পদক।
    বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনবদ্য অবদান
    রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট
    বিষয়ে পদক দেয়া হয়। এসব পদক
    বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেয়া হয়।
    তবে এই পদক
    প্রাপ্তি থেকে বন্ঞিত আছে কিছু
    জনগোষ্ঠী। যেমন- চরম মাত্রায়
    দুর্ণিতি করার পয়ও তারেক পদক
    পায় না॥

    দুর্বলতা এবং আত্মবিশ্লেষণ অথবা সমালোচনা।


    দেইল্লা রাজাকারের ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে বগুড়াতে যে পুলিশ ফাঁড়িতে আক্রমন করেছে। ৪/৫জেলাকে ঢাকা থেকে বিচ্ছিন্ন করার সব রকমের চেষ্টাই করেছে। এর কারন জামাত শিবির খুব শক্তিশালী তা কিন্তু না। খবরের যে ছবি দেখা গেছে তাতে স্পষ্ট হয় যে জামাত শিবির অনেক সাধারণ মানুষকে পথে নামিয়ে আনতে পেরেছে। এই পথে নামিয়ে আনার জন্য কেবল টাকাই দিয়েছে আমার এমন মনে হয় না।আমার ধারনা ঐ অঞ্চলের মানুষ নানা কারনে এমনিতেই সরকারের কর্মকাণ্ডের উপর ক্ষেপা ছিল। এই সুযোগে আগুনে ঘি ঢেলেছে জামাত শিবির। সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার সব চেষ্টাই তারা করেছে এবং কিছু সফলও হয়েছে। এটা সহজেই বুঝা যায় ঐ অঞ্চল গুলাতে সরকার দলের কোন রকম সা

    ওহে বি টি আর সি -- আমার প্রতিটি বর্ণ অধিকার যুক্ত !


    ব্লগের উপর হামলা ?
    ওহে বি টি আর সি
    আমরা কি তোর কামলা ?

    লিখি নিজের স্বাধীনতায়
    নিজের ব্লগের নিজের পাতায়
    তোর কেন এতো জ্বলে ?
    গোপন কিছু ফাস করবো বলে ?

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর