নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নাগিব মাহফুজ খান
    • মোঃ যীশুকৃষ্ণ

    নতুন যাত্রী

    • রৌদ্র
    • তানভীর জনি
    • জাফর মিয়া
    • প্রোফেসর পিনাক
    • কৃষ্ণেন্দু দেবনাথ
    • রাশেদুজ্জামান কবির
    • পিনাক হালদার
    • ফ্রিডম
    • অ্যানার্কিস্ট
    • আশোক বোস

    দাবি এখন এগুলাই


    সকালবেলা ৫টা থেকেই মাথা আলুথালু করতাছে। কি হইতেছে চারিদিকে এসব? আমারব্লগ.কম এ সুশান্ত ভাইয়ের পোষ্ট দেখার পর থেকেই এই অবস্তা। মাথা যখন ধরে রাখতে পারলাম না, ঠিক তখনি দিলাম একটা ঘুম। ঘুম থেকে উইঠাই সিদ্ধান্ত নিলাম, অতশত বুঝিনা, এই দাবীগুলা পূরণ করলেই হয়।
    ১। কাদেরমোল্লা সহ প্রত্যেক যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি তথা মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করতে হবে।
    ২। রাজীব ভাইয়ের খুনীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    ঘাতকের পরিচয় - ৩ : মাওলানা আব্দুল খালেক মন্ডল - সাতক্ষীরায় গনহত্যার নেতৃত্বদানকারী কুখ্যাত রাজাকার।


    123

    মহান মুক্তিযুদ্ধকালে সাতক্ষীরা জেলা শান্তি কমিটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল খালেক মন্ডল। সদর উপজেলার খলিলনগর গ্রামের লুতফর রহমান মন্ডলের(লালচাঁদ মন্ডল) পুত্র খালেক স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি বিরোধিতা করা ছাড়াও মেতে উঠেছিলেন বাঙালি নিধনে।

    একজন থাবা বাবা এবং আমাদের লজ্জা


    ব্লগার থাবা বাবা ওরফে রাজিব হায়দার খুন হয়েছেন। রাজিব খুন হননি, খুন হয়েছে আমাদের ব্লগারদের বিবেক, স্বাধীনতা। এই খুনের মাধ্যমে খুনীরা কি বার্তা দিতে চাইল? ওরা আমাদের ব্লগারদের কন্ঠরোধ করবে?

    ¤শাহবাগ একটি অগ্নিগিরি এবং একটি প্রেমের গল্প ।¤


    *এই গল্পটি লিখি ভালোবাসা দিবসের দিন যারা নিজের ভালবাসাকে উৎসর্গ করেছিলো আমাদের দ্বিতীয় মুক্তি সংগ্রামে তাদেরকে উৎসর্গ করে । কিন্তু তার পরদিন ই হায়েনাদের হাতে নির্মম ভাবে নিহত হন আমাদের আরেক সহযোদ্ধা রাজিব হায়দার ।জানি এ লেখাটি তাই এখন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে । সবার বুকে এখন তীব্র ঘৃণার আগুন।তবুও শহীদ রাজিবকে উৎসর্গ করে লেখাটি আবার দিলাম ।যদি আমদের সহযোদ্ধা রা কিছুটা অনুপ্রেরনা পায়। সেই আশায় ।*

    আন্দোলনে আমাদের অবস্থান।


    আন্দোলন নিয়ে বেশ কয়েক জন দেখছি হযবরল অবস্থায় আছেন। ছাগুদের বিষয়ে প্রতিউত্তর হচ্ছে। ভাল ভাবেই তাদের আবোল তাবোল কথা মোকাবিলা করা হচ্ছে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের মাঝেও কিছু বিভ্রান্তি তৈরী হলো, এই নিয়ে না বিরোধিতা করতে পারি, না সম্মতি দিতে পারছি।

    কেউ কেউ দাবী তুলেছেন , কেন জামাতের প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার হবে না। কেন রাজিবের খুনের বদলে শাহবাগ থেকে খুনের প্রতিজ্ঞা আসবে না। কেন কফিন ছুয়ে শপথ নেয়ার পরে কেবল কাল ব্যাজ ধরান-ই কর্মসূচি পালিত হবে।প্রশ্ন গুলোর যৌক্তিকতা নিয়ে আমার কোন দ্বিমত নাই।সম্ভব হলে এবং যত দ্রুত পারা যায় জামাতের বিরুদ্ধে একশনে নামতে হবে।

    বার্তাবাহক আমি।


    শাহবাগ জেগেছে আজ উন্মাদে
    দেখোনি জাতি তুমি
    যদি দেখতে তবে চাইতে
    তা থামিয়ে দিতে।
    আমিতো এই জাগরণ সমর্থন করতাম
    আমার বিবেক সাড়া দিতো এই
    আবেদনে,
    তবে কেন আমি নিরবে?
    তবে শোনো সেই কথা-
    কই তখন তো কোনো জাগরণ হয়না,
    যখন রাস্তার পাশে না খেয়ে
    ক্ষিদের যন্ত্রণায় কাতরায় পথশিশু?
    তখনো তো কোনো প্রতিবাদ হয়নি
    যখন পদ্মাসেতু নিয়ে সরকার কানামাছি খেললো?
    প্রতিবাদ তো তখনো হয়নি যখন
    সুরন্জিত নামক এক চোর জনগনের টাকা নিয়ে ধরা খেল?
    তবে আজ কিসের প্রতিবাদ?
    যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাও
    সেটাতো আমিও চাই।
    আমিতো স্লোগান তুলি-
    "আওয়ামী,বিএনপি,জামায়াত
    আমরা সবাই ভাইভাই,
    রাজাকারের ফাঁসি চাই।"

    তোমরা কেন বসে থাকবা বাবা


    আর কতদিন শান্তিপুর্ন আন্দোলন করব ভাইয়েরা, আর কতদিন? মনে আছে আমাদের এক মা কি বলেছিল

    ".........তোমরা ক্যান বসে থাকবা বাবা, ওই চুনোপুটিগুলা কিভাবে কি করে..............."

    ধর্ম ও মানুষ "থাবা বাবা"


    একদা যুদ্ধের ময়দানে হযরত মোহাম্মদ(সঃ) কে প্রায় মেরে ফেলার অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার পরও হাত তুলে তিনি আল্লাহ রব্বুল-আলা-মিন এর কাছে আওয়াজ তুলছিলেন মুমুর্ষ অবস্থায়,"হে প্রভু তাদের জ্ঞান দাও",তিনি শত্রু পক্ষের নাশ চান নি তারপরেও।একজন কৃষ্ণ পরম অবতার হয়েও,তিনি নিজের মৃত্যুকে কর্ম ফলের হাতে সপে দেন।ব্যাধ এর তীরের আঘাতে তার মৃত্যু হয়,তাকেও তিনি ক্ষমা করে যান।একজন গৌতমের ক্ষমার গুনে একজন আংগুলিমান এর মানুষ হয়ে ওঠা।আবার প্রভু যীশুও লাস্ট সাপারে তার বিশ্বাসঘাতক অনুচরকে ক্ষমা করে দেন নিজ গুনে।তাদের ধর্ম শেখাতে হয় নি।ধর্মকে তারা ধারণ করে দেখিয়েছেন ও তারা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন ভাল কিছু।তারা সফলও

    শিবির সুসমাচার! ও তাদের অর্থনৈতিক ভিত গুলো ।


    শিবির সুসমাচার। একটু পেছনে ফিরে তাকাই তাহলে। আগে একটু স্মরণ করিয়ে রাখা ভাল তাহল; বাঙলা ভাই ও তার সাঙ্গপাঙ্গ কিন্তু জামাত-শিবিরের সাবেক সদস্য ছিল। ২০০৬ সালের ৬ মার্চ রক্তাক্ত অবস্থায় গ্রেফতার করা হয় বাঙলা ভাইকে। যিনি নিজেও অতীতে জামাতী ইসলাম করতেন।

    জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে নজরুল ওরফে শিবলু দলটির হাতে গ্রেফতার হয়। যিনি আগে জামাতের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন।

    স্বাধীনতার মৃত্যু চাই


    প্রশস্থ হোক, আরো ধারালো হোক মৃত্যুরা
    নৃশংস মৃত্যু চাই, আরো নৃশংস যেন সুতীক্ষ্ণ তীব্র স্বাদ পায় ওরা
    নির্মম মৃত্যু চাই, আরো নিষ্ঠুর যেন তা বোধকে ছাড়িয়ে যায়।
    মৃত্যু চাই, স্বাধীনতার মৃত্যু......
    মৃত্যু হোক চেতনার, মৃত্যু হোক ভাবনার
    মৃত্যু হোক সার্বভৌমত্তের, মৃত্যু হোক মুক্তির
    আমি স্বাধীনতার মৃত্যু চাই নতুবা জীবিত স্বাধীনদের।

    স্বাধীনতা’রা মরে যাক, স্বাধীনতা’রা পচে যাক
    দ্বিখণ্ডিত হোক, ত্রিখন্ডিত হোক
    খন্ডে খন্ডে বিখন্ডিত হোক স্বাধীনতা’রা
    মৃত্যু চাই আমি, স্বাধীনতার মৃত্যু চাই
    নির্মম-নিষ্ঠুর-নৃশংস হোক সে মৃত্যু
    বিশেষণের উর্ধে হোক সে মৃত্যু

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর