নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • ক্যাম পাশা
    • সলিম সাহা
    • নুর নবী দুলাল
    • মারুফুর রহমান খান
    • লুসিফেরাস কাফের

    নতুন যাত্রী

    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ
    • শহিদুল নাঈম

    হিন্দি ছবি RANJHANA এর ফেসবুক ভার্সন।


    হিন্দি ছবি 'Ranjhana' ছবির ফেসবুক ভার্সন

    নায়ক ফেসবুকে একটা পেজে কমেন্ট এ দেখে নায়িকা আইডি। এর পর নায়িকাকে রিকেস্ট পাঠায় নায়িকা এপসেপ্ট করে না ঝুলিয়ে রেখেদেয়। ফলোয়ার হয়ে নায়ক প্রতিনিয়ত লাইক দিতে থাকে নাইকার সমস্ত স্টাটাস,সাথে ম্যসেজ এ রিকয়েস্ট এপসেপ্ট করার জন্য বলতে থাকে। কিন্তু নায়িকা পাত্তা দেয় না। একপর্যায়ে নায়কের আইডি ডিএক্টিভেট করার কথা বলে। নায়িকার মন শেষ পর্যন্ত নরম হয় সে এপসেপ্ট করে রিকোয়েস্ট। অনবরত লাইক দিতে থাকে নায়কের স্টাটাসে। ওপেন রিলেশনশিপ দেয় নায়কের সাথে প্রতিদিন ই চেকইন দেয়। এগুলো নায়িকার বাবা লক্ষ্য করে। সে নায়িকার আইডি হ্যাক করে এবং পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে দেয়। নায়িকা নতুন একাউন্ট খোলে সেখানে নায়ককে আর খুজে পায় না নায়িকা। আস্তে আস্তে ভুলে যায় নায়ক কে। নতুন একাউন্টে নতুন বন্ধু নিয়ে ব্যস্ত থাকে।এদিকে নায়ক নায়িকার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকে।

    সময়ের আবর্তে .......!!!


    আমি গ্রাম থেকে শহরে এসে বসবাস শুরু করি যখন আমার বয়স তের।
    গ্রামের স্কুলে যখন ক্লাস ওয়ানে ভর্তী হই তখন আমার বয়স পাঁচ।
    মেয়েদের সাথে একত্রে বসায় অন্য ছেলেরা হাঁসাহাসি করতো ওদের বয়স আমার তুলনায় বেশি,মেয়েদের কিছুটা কম।
    বাড়ির আপুদের কোলে আমি ছিলাম যখন আমার বয়স তের তখন পর্যন্ত।
    এজন্যেই মেয়েদের আমি মেয়ে বলে ভাবিনি ভাবিনা আপু,ফুফু এমনই ভাবি এখন ও।
    আর মেয়েদের কাছ থেকে আমি যথেষ্ট আদর ও ভালবাসা পাই।
    এর প্রমান পেয়ে গেলাম যখন আমি পরীক্ষার পর গ্রামের বাড়িতে পনের দিন বেড়িয়ে এলাম।
    অনেক মেয়ে বন্ধুদের সাথে দেখা হলো।

    মুক্তির বিলাপ



    আজকের আকাশটা দেখে যে কারো মন ভালো হয়ে যেতে বাধ্য। অনেক সময় মেঘলা আকাশও মন ভালো করে দেয়। মানূষের মন বড়ই বিচিত্র। গোধূলী বেলার আকাশের মতই তা ক্ষনে ক্ষনে রং বদলায়। কখনো হাসি, কখনো কান্না এই সব মিলিয়েই এই রঙ্গশালা। আর প্রতিটি মানুষই রঙ্গশালার একেকজন অভিনেতা।
    নিজেকে একজন পাকা অভিনেতা ভেবে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে উঠে আসাদের মুখে। সে হাতঘড়ির দিকে তাকায়। সাড়ে আটটা বাজে। নয়টার মধ্যে তাকে পৌছাতে হবে। রিকসার ড্রাইভারকে তাড়া দেয় আসাদ। ‘ও ভাই একটু জলদি চলুন।’

    ওয়ান ম্যান পার্টি..........মন্ত্রীত্ব।


    সাম্যবাদী দল নামে একটা দল ছিল তার।
    এই দলে কর্মী,সমর্থকের ও কোন বালাই নেই উনি একাই সব কিছু।
    সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন বেশ কয়েক বার।
    আত্মীয় স্বজনদের হাজার দেড়েক ভোট নিয়েই উনি তুষ্ট থাকতেন।
    উনার রাজনীতিই সব,শিক্ষিকা স্ত্রীর অর্থায়নে চলতো তার সংসার।
    সন্তানরা সবাই দেশের বাইরে থাকে,উত্তরাধীকার সূত্রে বেশ সম্পদের মালিক হলেও এসবের প্রতি তার কোন লোভ ছিল।
    উনি খুব সৎ ও সাধারন জীবন যাপন করতেন।
    তার একটা বিশেষ গুন ছিল উনি আওয়ামীলীগ বিএনপি সব অফিসেই ঢুস মারতেন।
    সবার সাথে সমান ভাব ছিল,সব জায়গায়
    সমান ভাবে সমাদৃত হতেন।(এখানে হাঁসির ইমো হইবেক)।

    স্নেহময়ী


    আমার ফেরার অপেক্ষায়
    তোমার বারান্দা থেকে ঘর,ঘর থেকে বারান্দা
    ক্রমাগত আসা যাওয়ার চিত্রটি
    যখন চোখে ভাসে বুকটা
    চৈত্রের রোদে ফাঁটা চৌচির মাঠের মতন লাগে।
    গেটের মুখে আমাকে দেখেই
    সেই প্রশান্তির হাসি হেসে বলা,
    'এলেন রাজপুত্র,সাত সমুদ্র তের নদী পাড়ি দিয়ে'
    প্রতিনিয়ত কানে বাজে।
    তারপর আমার ঘামে ভেজা টিশার্টটা
    নিজ হাতে খুলে নিয়ে চলে যেতে খাবার সাজাতে,
    কৈ?এখন তো আর কেউ বসে থাকেনা খাবার সাজিয়ে।
    কতকাল কেউ বলেনা 'শিং মাছটা কেমন হয়েছে রে?
    তোর বাবা বলল লবণ নাকি বেশী?'
    বিষম খাওয়ার সময় কেউ পিঠে হাত বুলিয়ে
    বলেনা,'বাবু একটু জল খা'।
    বহুদিন হল কোটি আবদার আছে বুকে জমে

    চার খলিফা(রাঃ)


    জ্ঞানের শহরের দরজা আলী হায়দার,--------------রাঃ
    খায়বারেতে বাণী যাঁর আল্লাহু আকবার।
    নবী(দঃ) প্রেমেতে যাঁর হ্রদয় ব্যাকুল,
    আমি পাপী তাঁর প্রেমেতে আকুল।

    দুই নূরের অধিকারী ওসমান যিন্নুরাইন,-----------------রাঃ
    পড়েছিলেন দরদ কন্ঠে আল্লাহর আইন।

    ছিন্ন চিন্তা


    সবকিছু কেন ঠিকঠাক থাকতে হবে? পান থেকে চুন খসলে কেন মহাভারত অশুদ্ধ হবে? পান চুন দুইটা আলাদা জিনিস, খসতেই পারে। তাহলে মহাভারত কি পৃথিবীর সবচেয়ে শুদ্ধতম কিছু? জানিনা। তবে এটা জানি ঈশ্বর নিজেও সবকিছু ঠিকঠাক থাকা পছন্দ করেন না।

    সেদিন প্রচন্ড রোদে রিকশায় উঠেছি। রোদের তীব্রতায় হুড তুলে দিলাম। দশ মিনিটের পথ। রিকশা থেকে নামার আগেই শুরু হয়েছে ঝুম বৃষ্টি! বৃষ্টি শুরু হওয়ারতো একটা নিয়ম আছে। কিন্তু প্রকৃতিও মাঝে মাঝে নিয়ম ভেঙ্গে ফেলে। শুধু নিয়ম ভাঙ্গতে চায়না কিছু ভদ্রলোক।

    একাত্তরে বিদেশিদের অবদান


    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বাংলার মানুষের গর্ব। লাখ লাখ মা বোন ভাই দের জীবন আর সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি প্রানের স্বাধীনতা। বাংলার বীর সেনানিদের গৌরবগাঁথা বাংলার ইতিহাসে তো বটেই প্রতিটি মানুষের হৃদয়েও সমুজ্জ্বল। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বাঙালিদের পাশাপাশি কিছু মানুষ ছিলেন যারা এই দেশের না হয়েও মানবতার টানে এই গৌরবময় জয়ে রেখে গেছেন অসামান্য অবদান। আজ এই বিদেশীদের কির্তিগাথা নিয়ে কিছু কথা।

    তিনুর জন্মদিন


    #১ সাকু গলির মোড়ে দোকানে চা খাচ্ছে । আজকে তার মনটা ম্যাদা মেরে আছে । কারণ তার বাচ্চা পার্টির একজনের মন খারাপ ।
    সে হল ৪ বছর বয়সী তিনু , থাকে গলির মাথায় ঝুপড়ি ঘরে । আসলে সাকুর বাচ্চা পার্টির প্রায় সবাই ঝুপড়িতেই থাকে ।
    আজ বাদে কাল তিনুর জন্মদিন । জন্মদিনে এ পৃথিবীতে কি কি করা হয় তা সে জানে না । গত কয়েকদিন ধরে দোকানে একটা নতুন চিপস এসেছে , দাম ১৫ টাকা । সেটাই আজ সকালে তার বাবার কাছে বারবার চাচ্ছিল । কিন্তু তার বাবা সেটা কিনে না দিয়েই ইট ভাঙতে চলে গেছে , সাথে একটা থাপ্পড় ফ্রি দিয়ে গেছে ।

    জয়িঃ ০৪


    আজ শুভ্র আসবে, রাতে থাকবেও। সীমা মাসী এই বাসাটা ঠিক করে দিয়েছিলেন, এখানে কোন ছেলে বন্ধু এলেও অনায়াসে রাতটা কাটাতে পারে। তখন আরেকটা রুম তার জন্য ছেড়ে দেয়া হয়। প্রথমবার যেদিন অনন্ত এসেছিল, সেদিন সবাই তাকে খুব সহজভাবেই নিয়েছিলো। অবশ্য সেদিন মাসিও ছিলেন। মজার বিষয় মাসির মাধ্যমেই অনন্তের সাথে পরিচয়। সমাজ বিজ্ঞানে ফাইনাল ইয়ার, চাপা স্বভাব, দেখতেও খারাপ না। বাড়িতে অনন্তকে নিয়ে অনেকে আবার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন। কিন্তু শরীরই যার কাল, তার তো ঘর বাধা হয় না, ঘরের স্বপ্ন তাকে মানায় না।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর