নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • মোমিনুর রহমান মিন্টু
    • সত্যর সাথে সর্বদা
    • রাজিব আহমেদ
    • দীপ্ত সুন্দ অসুর
    • ফারুক
    • আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ
    • নীল কষ্ট

    নতুন যাত্রী

    • ফারজানা কাজী
    • আমি ফ্রিল্যান্স...
    • সোহেল বাপ্পি
    • হাসিন মাহতাব
    • কৃষ্ণ মহাম্মদ
    • মু.আরিফুল ইসলাম
    • রাজাবাবু
    • রক্স রাব্বি
    • আলমগীর আলম
    • সৌহার্দ্য দেওয়ান

    এক জন স্বাপ্নিক সিনেমা কারিগর ও পান চিবানো বুদ্ধিজিবী পরিচালক : সিনেমা প্রমোটে আমাদের মিডিয়া


    এই পোষ্টে তেমন তথ্য বহুল কিছু নেই শুধু মাত্র প্যাচাল টাইপ , আমাদের পিন্ট ও টিভি মিডিয়াই দেশের সিনেমার প্রমোট নিয়ে এবং উপদেশ বিলানো কিছু বুদ্ধিজিবী পরিচালকের পান চিবানো , নিজের মুক্ত চিন্তার প্রকাশ করার চেষ্টা মাত্র...

    খুন ও ইজ্জত


    বাংলাদেশের টেলিভিশনগুলোতে প্রচারিত ১ ঘন্টার সংবাদে- রাজনীতি বিষয়ক(২০ মিঃ); সরকারের বিভিন্নখাতে উন্নয়ন বিষয়ক(১০ মিঃ); বহিঃরাষ্ট্র বিষয়ক(৭ মিঃ); অপকর্ম বিষয়ক যা না বললেই নয়(৮ মিঃ); খেলাধুলা বিষয়ক(৫ মিঃ), বাজার ও শেয়ার বিষয়ক(৬ মিঃ) ও বিজ্ঞাপন বিরতি(৪ মিঃ)!! এর অন্তরালেও প্রতি মিনিটে জন্ম নিচ্ছে শতশত খবরাখবর যা শতকরা ৮০% মানুষের জানার অজান্তেই রয়ে যায়৷৷ হত্যা, ধর্ষণ, রাহাজানি নিত্য বাংলার পাঁচালি!!

    স্থানকালের মহা বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে সব শুরু হয়েছিল >>>>


    বর্তমান প্রাকৃতিক বিজ্ঞান বলে, আজ থেকে প্রায় ১৩৭০ কোটি বছর পূর্বে স্থানকালের একটি মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়েছিল আমাদের এই মহাবিশ্বের। বিস্ফোরণের মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে মহাবিশ্বের প্রাথমিক সব গাঠনিক উপাদান তথা ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন ও ফোটন তৈরি হয়ে যায়। প্রোটন ও নিউট্রন মিলে গঠন করে প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের নিউক্লিয়াস। ফোটন এবং ইলেকট্রন নিজেরা নিজেরা যেন এক চুক্তি করে বসে, তারা একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করবে কেবল, অন্য কারও সাথে কভু মিলবে না। বিস্ফোরণের ৩ লক্ষ ৮০ হাজার বছর পর অবশ্য নিউক্লিয়াসগুলো ফোটনের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় সব ইলেকট্রনকে, তাদের আবদ্ধ করে গভীর

    ক্লান্ত দু’চোখ


    না চাওয়া দৃশ্যাবলী
    বারেবারে ফিরে আসে,
    চোখের আর দোষ কি বলো
    চোখরওতো ক্লান্তি আছে ।

    অনিচ্ছাতেও যাচ্ছি দেখে
    নেতা-নেত্রীর নাচন-কুদন
    মিথ্যার চকোলেটে
    আমরা এখন ত্যক্ত ভীষণ ।

    "প্রতিভা বিকাশে সহয়তা করুন"


    আমাদের দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে অনেক প্রতিভা, যারা তাদের আর্থিক অবস্থার কারণে তাদের প্রতিভাকে বিকশিত করতে পারছে না। তেমনি এক জন যার, নাম মোঃ ইমরান, পড়ালেখা অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত, কিন্তু সে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে তৈরী করেছে "অটো ইলেকট্রনিক দরজা" , যা নিয়ন্ত্রন করা যায় রিমোট, ফোন কল, পাপোশে পায়ের চাপ, পাসওয়ার্ড, নির্দিষ্ট ব্লাড গুরুপ ইত্যাদি। এই দরজা গুলো হতে পারে গ্লাসের, কাটের, লোহার, এক কথায় সব ধরণের। এই ইমরানের প্রতিভাকে সে টাকার করণে বিকোশিত করতে পারছে না। সে ব্যাংক কে ঋণের আবেদন করছে কিন্তু পায়নি কারণ তার কোন রেফারেন্স নেই, পত্রিকাতে প্রতিবেদন দিতে চাইল তখন ওরা বলল টাকা লাগবে। আম

    স্বাধীনতা তৈরির সূত্র!


    প্রখর সূর্যতাপে জ্বলে পুড়ে কাঠ হয়ে গেছে মাটি,রাস্তার পাশে ফুল হাতে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটির মুখ নিষ্প্রাণ,চোখ স্থির,হাতের গোলাপগুলো মুশড়ে পড়েছে,গা বেয়ে ঘামের মতো করে এলো মেলো পথ করে করে নেমে যাচ্ছে মেয়েটির ছিটিয়ে দেয়া জলের কণা।ঢাকা শহর কখনো অদ্ভুত সুন্দর,কখনো সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো উত্তাল,কখনো ধোঁয়ায় ঢাকা আকাশে একটু একটু করে জড়ো হয় মেঘেরা,হাঁকডাক করে,কখনো ছুঁটে পালিয়ে যায় পাহাড়ের দেশে।ওরা বোধহয় শহুরে মেঘ নয়!শহুরে মেঘেরা মাঝে মাঝে হাঁক ডাক করেই ভিজিয়ে দিয়ে যায় হুট করে।জ্বলে পুড়ে যাওয়া শালিকের দল,ইটের দেয়ালে বাসা বাঁধা চড়ুই,আর জল শিকারী কাকেরা ঝড়ো বাতাসে উড়ে উড়ে বেড়ায় এক দালান থেকে অন্য দালানে।ফোটা

    পাবলিক বাস ও আমার চেতনায় শাহবাগ


    কাদের মোল্লার রায়ের আগের কিছু কথা আমি তখন ইস্কাটনে থাকি।
    প্রতিদিন সকাল বিকাল পাবলিক বাস বলাকা প্রভাতী বনশ্রী চড়ে অফিসে যাই।খেয়াল করতাম আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পাবলিক বাস একটি বিরাট অংশ ।

    বৃষ্টি বন্দনা


    বৃষ্টি তুই আসবি বলে
    আগুন গায়ে দাড়িয়েঁ ছিলাম
    তোর ছোঁয়াতে ভাসবো বলে
    ঘর ছেড়ে বাইরে এলাম ।
    অনাবাদী বুকে আমার
    জেগে আছে ভীষণ খরা
    কে আর তোকে এমন করে

    :::... আমার ছুটু কাল ...::: || পর্ব ৩ ||


    || মেয়েদের কমনরুম ||

    আরেক দিন মাইয়াগো কমনরুমে উকি মারতে গেছিলাম ।। মাইয়াগো কমন রুমে ছেলেদের যাওয়া কেন তার আসে পাঁশে যাওয়াও নিষেধ আছিলো ।। কে শুনে কার কথা ক্লাস নাইনে পড়া ছাত্র বলে কথা ।। তখন শুনতাম নাইনে উঠা মানে সে ট্রেনের লাইনে উঠে এবং মেয়েদের সাথে লাইন মারে ।। তার মানে হইল প্রেম করার আদর্শ বয়স ।। আবার তখন ব্যাপক যৌবনের ধাক্কা সামলাইতে হইত ।। আমাদের ক্লাসের মেয়েদের সাথে আমার তেমন বেশি সম্পর্ক ছিল না আবার ছিলনা বললেও ঠিক না ।। ছিল কিন্তু বেশি না ।। তবুও মেয়েদের প্রতি আমার কেমন জানি একটা অ্যালার্জি ছিল ।। তো এই অ্যালার্জির কারনে এক দিন কমনরুমে পাশ দিয়া

    দেইখাই গেলাম আজিবন , হইতে পারলামনা


    এক লোক তার সব সম্পদ মাটির তলায় পুইতা থুইলো । বেশ কয়েকবছর পর নির্দিষ্ট সময় তা উত্তোলন করতে যায়া দেখে কই থুইছিল ভুইলা গেছে । কিছুতেই মনে না পড়ায় শেষমেশ গেল এক বুজুর্গের কাছে । যায়া বল্ল হুজুর আমারতো এই সমস্যা । সব শুনে তিনি বললেন দেখো এটা তো ফেকাহের মাছলা না যে আমি বলতে পারবো । তবে মনে হয় তুমি সারারাত নামায পড়ে দেখতে পারো । সেই লোক তার কথা মত নামাজ শুরু করল । চতুর্থ রাকাতেই তার মনে পড়ল কই রাখছে । যায়া সেই বুজুর্গকে এই সংবাদ দিলো । তিনি বললেন -আমি জানতাম শয়তান কিছুতেই তোমারে নামাজ পড়তে দিবেনা , তাই সে মনে করায় দিছে । তবে তুমি যদি মনে পড়ার পরও সম্পদের পিছে না দৌড়ায় সারারাত শোকর

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর