নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • হাইয়ুম সরকার
    • দীব্বেন্দু দীপ
    • মোমিনুর রহমান মিন্টু
    • মিশু মিলন
    • পৃথু স্যন্যাল

    নতুন যাত্রী

    • তা ন ভী র .
    • কেএম শাওন
    • নুসরাত প্রিয়া
    • তথাগত
    • জুনায়েদ সিদ্দিক...
    • হান্টার দীপ
    • সাধু বাবা
    • বেকার_মানুষ
    • স্নেহেশ চক্রবর্তী
    • মহাবিশ্বের বাসিন্দা

    আর্জি


    আমি প্রথম থেকেই একটা কথাই বিশ্বাস করে আসছি, তা হল গণজাগরণের প্রধান শক্তি এবং সৌন্দর্য হল ঐক্যের। এখানে নানা মতের, নানা দলের লোক মিলেছে একটা সুনির্দিস্ট ইস্যুতে- যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং জামায়াত নিষিদ্ধ করার দাবিতে। এই বিষয়টা মাথায় না রাখলে গণজাগরণের মূল চরিত্র সম্পর্কে ভুল বোঝার অবকাশ থাকে। শহীদ রুমি স্কোয়াডের আমরণ অনশনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পক্ষের যে পাল্টাপাল্টি কাদাছোড়াছুড়ি চলছে তা একই সাথে ঘৃণ্য এবং বালখিল্যতা। এই অনুদারতা তরুণ প্রজন্মের কাছে জাতি আশা করে না। উদারতা ছাড়া কোন ঐক্য টিকতে পারে না। আধিপত্যবাদী মনোভাব যেকোন আন্দোলনকে নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। সবাইকে একখাপে মাপার চেষ্ট

    আধুনিক ঈশপের গল্প


    সেই গল্পটা মনে আছে? সেই যে ঈশপের মিথ্যাবাদী রাখালের গল্পটা। এক রাখাল বালক প্রতিদিন বাঘ এসেছে, বাঘ এসেছে বলে চিৎকার করত আর গ্রামের সব মানুষ ছুটে আসত তাকে বাঁচানোর জন্য। রাখাল বালক মানুষের নির্বুদ্ধিতা দেখে হাসত, আর নিজেকে খুব চালাক মনে করত। কিন্তু যেদিন সত্যি সত্যি বাঘ আসল আর সে শত চিৎকার করার পরও সবাই এটাকে দুষ্টুমি ভেবে কেউ তাকে বাচাঁতে আসল না সেদিন সে তার জীবন দিয়ে বুঝতে পেরেছিল সে মোটেও বুদ্ধিমান ছিল না। এই গল্প জানে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব এক কাজ। তাহলে আপনারা ভাবছেন সবার জানা গল্প নতুন করে আবার বলে আপনাদের কেন বিরক্ত করছি?

    কুচিন্তা ১০


    উরপল শুভ্ররে কেন দেখতে পারিনা নমুনা দেই -

    উরপল- বৃষ্টিতে দ্বিতীয় ম্যাচ ভেসে যাওয়ায় বাংলাদেশের সিরিজ ড্র করার অপ্রত্যাশিত সুযোগ। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অধিনায়কের কথাই তো শুনতে চাইবে সবাই। অথচ সংবাদ সম্মেলনে এলেন কিনা কোচ শেন জার্গেনসেন ও আবদুর রাজ্জাক!

    চাঁদ ঠিকই নতুন দিনের রুমিদের কপালে চুমু দেয়...


    'একাত্তরের রুমি'রা ২০১৩ সালে এসে নিলয়, শুভ্র, আকাশ, জয়, আনন্দ, মানিক, দ্বীপ, প্রধান, সাফি, নদী, মিতু, হামজা... হয়ে হাজির হয়েছে। নতুন দিনের রুমিদের শ্রদ্ধা, স্যালুট।

    নিলয়, শুভ্র, আকাশ, জয়, আনন্দ, মানিক, দ্বীপ, প্রধান, সাফি, নদী, মিতু, হামজা... । ওরা যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও জামাত-শিবির নিষিদ্ধের দাবীতে আমরণ আনশন করছে, তখন ''মুক্তিযুদ্ধ ব্যাবসায়ী'' দল ও ব্যাক্তিদের তৎপরতা কিন্তু থেমে নেই!

    ১... মহান ''মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের'' রক্ষী অমি পিয়াল অসভ্য কুটনামি করে বেড়াচ্ছেন। ইচ্ছামতো বাপ বানাচ্ছেন!!!

    পুরানা কাসুন্দীঃ বিকল্প মিডিয়া/ব্লগ/প্রধান গণমাধ্যম একটি খসড়া!


    বাংলাদেশের প্রধান ও সম্মুখ মিডিয়াগুলোতে কেমন “নিরপেক্ষ” সংবাদ-কলাম প্রকাশিত হয়ে থাকে তা জানেন না এমন মানুষ এখন কমই আছে। কোনটা আওয়ামীপন্থী, কোনটা জামাতপন্থী, অথবা বিএনপিপন্থী, নয় সুশীলপন্থী। বামপন্থীদের প্রকাশিত কাগজ কখনই সেভাবে জনপ্রিয় হয় নি। জনগন জানার জন্য অনেক সময়ই প্রায় বাধ্য হয়ে আবার অনেক সময় অভ্যাসের বসে, মাঝে মাঝে প্রকৃত রাজনৈতিক জ্ঞানের অভাবে কিনে যায় কালেরকন্ঠ, প্রথমআলো, নয়াদিগন্ত, আমারদেশ, যুগান্তর এর মত সংবাদপত্র। ফলত প্রকৃত সংবাদ আর মত প্রকাশের মাধ্যমের অভাব মনেই হয় এই সংবাদ মাধ্যমগুলোর হাউস পলিসির কারণে।

    প্রবাদের অপবাদঃ ০৩


    অনেক আগে গ্রামগঞ্জে নিয়মিত যাত্রাপালা হতো। সন্ধ্যা থেকে যাত্রা শুরু হতো, চলতো গভীর রাত পর্যন্ত। রাত বাড়ার সাথে সাথে দর্শক কমতে থাকতো, কিন্তু বাড়তে থাকতো যাত্রার অ্যাডাল্ট ভার্সন পার্ট। এমনই এক রাতে কুদ্দুস গেলো যাত্রা দেখতে। গভীর রাতে শুরু হলো অ্যাডাল্ট ভার্সন। যাত্রার নায়িকা আবেদনময়ী পোশাক পড়ে নাচতে লাগলো। কিছু মানুষ টাকা উড়ানো শুরু করলো। কুদ্দুস যেহেতু টাকাপয়সা কিছু নিয়ে যায়নি, তাই সে নায়িকার নাচে মুগ্ধ হয়ে তালি বাজাতে থাকলো। রাত যত বাড়লো, নায়িকার পোশাক তত কমতে লাগলো। কমতে কমতে পোশাক যখন একেবারেই নুন্যতম, তখন হঠাৎ কুদ্দুসের তালি বন্ধ হয়ে গেলো। কারণ, “এক হাতে তালি বাজে না”।

    দেশে সৃষ্ট সার্বিক অবক্ষয় বদলে দেবে প্রজন্ম


    দেশ দুনিয়ার সাথে, প্রকৃতি ও বিজ্ঞানের হাত ধরে আধুনিক সমাজ থেকে অত্যাধুনিকতার চলমান সমাজ পর্যন্ত্ম তথ্য প্রযুক্তির সর্বশেষ উদ্ভাবন, প্রসার লাভ সম্ভব হয়েছে। অভিজ্ঞতায় দেখা যায় শেতাঙ্গ থেকে কৃষ্ণাঙ্গ, বুশ থেকে দ্বিতীয় বারের মতো ওবামা, পৃথিবীর শ্রেষ্টতম দেশ সুদুর আমেরিকা থেকে পরিবর্তনের চলমান প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ আবহাওয়ার বলয় থেকে আমরাও বাদ পড়ছি না। আজকের প্রজন্ম ও ভবিষ্যত প্রজন্ম এ তথ্য প্রযুক্তির যুগে কল্পনাতীত ভাবে অনেকদুর এগিয়ে এসেছে। তারাও জানে রাজনৈতিক গণতন্ত্র কি। রাজনৈতিক গণতন্ত্রের সুষ্ঠু রূপ স্বচ্ছ সংসদীয় গণতন্ত্র। এ পথ ধরেই সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে তারা। সমাজ বিকাশের প

    বিকল্প নেই....................


    আমাদের আইনপ্রণেতাগণ যেমন জনগণের কথা শুনে আইন প্রণয়নের কথা ভাববেন তেমন স্বপ্রণোদিত হয়ে জনগণের জন্য বা রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলকর আইনের কথাও ভাববেন।তবে সেটা যে প্রায়ই হয়ে ওঠে না তা আমরা জানি। ক্ষমতাসংলগ্ন রাজনৈতিক দলগুলোর মৌলিক চরিত্র জনমুখী না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যা চলবে। ততোদিন পর্যন্ত জনমত তৈরি করে আইনপ্রণেতাদের ওপর চাপ প্রয়োগের বিকল্প নেই।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর