নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নাগিব মাহফুজ খান
    • মোঃ যীশুকৃষ্ণ

    নতুন যাত্রী

    • রৌদ্র
    • তানভীর জনি
    • জাফর মিয়া
    • প্রোফেসর পিনাক
    • কৃষ্ণেন্দু দেবনাথ
    • রাশেদুজ্জামান কবির
    • পিনাক হালদার
    • ফ্রিডম
    • অ্যানার্কিস্ট
    • আশোক বোস

    হিজিবিজি-২ (শিবিরনামা)


    আমার এক ছোট ভাইয়ের একটা গল্প বলি তার ভাষায়-

    তালেবানী ইসলাম প্রনয়নে আলোর মশাল নিয়ে এসেছে জামায়াত ইসলাম


    জামায়াত শিবির এদেশের একমাত্র ইসলামের রক্ষক।তারা রগ কাটে,জবাই করে মানুষ হত্যা করে,কুপিয়ে হত্যা করে,গলা কাটে,তবে বুঝতে হবে এসবই ইসলামকে বাঁচাতে।এদেশের মহাসুশীল সমাজ এবং ধর্মপরায়ন সমাজ তাদেরকে সম্মান এবং শ্রদ্ধা করেন।কারন তারা এদেশে শান্তি কায়েম করতে চায়,ইসলাম কায়েম করতে চায়,তাই তারা চুপ থাকেন।তারা মসজিদে আগুন দেয়,মসজিদের ইমামকে গালাগালি করে তবে হ্যা বুঝতে হবে এসবই ইসলাম কে বাঁচাতে।তাই মহা সুশীল আর ধর্মপরায়ন রা তাদের শ্রদ্ধা করেন সম্মান করেন।তারা ইসলাম কে বাঁচিয়ে রাখছে এবং শান্তি কায়েমে তারা বদ্ধপরিকর।তারা মন্দির ভাঙ্গছে,হিন্দু বাড়িতে আগুন দিচ্ছে, মালাউন হত্যা করছে,ভালো করছে,মালাউনদের আবার দেশ

    শিকারি ও শিকারের উপাখ্যান


    ১.
    এখন শিকারের সময়,
    হায়নারা শিকারে বেড়িয়েছে।
    মাথার ওপর নীল আকাশে
    চক্কর কাটছে শকুন।

    শিকারির তীক্ষ্ণ নখ
    সূর্যের আলোয়
    ঝলকিয়ে উঠছে।
    দাঁত-জিহ্বা দিয়ে টপটপ করে ঝরছে লালা।
    জ্বলজ্বল করতে থাকা
    চোখ গুলো কিছু একটা চায়,
    প্রাণপণে চায়।
    রক্ত, রক্ত, রক্ত।

    ২.
    শিকারগুলো সংঘবদ্ধভাবে
    জটলা পাকিয়ে দাড়িয়ে ছিল
    খোলা মাঠে।
    টানাটানা মায়াবী চোখে
    তাকিয়ে ছিল যতদূর-
    চোখ যায়।
    তারা গিয়েছিল বনরাজ
    মহারাজ সিংহের কাছে।
    মা হত্যার বিচার চায়।
    সেই শকুন-হায়নার বিচার চায়।

    মাস পেরিয়ে গেল...

    এরপর কত নির্ঘুম রাত, কত দুঃসহ দিন!
    তপ্ত সূর্যের নিচে দাড়িয়ে থাকা,

    কেমন আছ পু ? কেমন আছ বন্ধু ?


    প্রিয় বন্ধু ও আপু খবর কি তোমাদের ? কেমন আছ তোমরা ? একটি বার তো "কেমন আছি" আমি জিঙ্গেস কর না । যতখন না আমি করেছি । ভাবতে ভালো লাগে জানো তোমরা কেউ কখনোই বলোনি "কেমন আছি" । তোমরা নিশ্চয় ভালো আছ । তোমাদের নতুন বন্ধু ও ভাইয়া জুটছে । তাদের নিয়ে সময়টা কাঁটছে বেপুক তাই না ? এসব প্যাচালের কোন অর্থ হয় না জানোই তোমরা । তবু ও এসব প্যাচাল চলে আসে । আমার হিংসে হয় জান । খারাপ লাগে ভেতরে প্রচন্ড । যথন দেখি আমার ওয়ালে তোমাদের কিছু পোষ্ট আসে , যেখানে তোমাদের নতুন বন্ধু ও ভাইয়াদের নিয়ে মজার কিছু লেখা থাকে । যেখানে আমি থার্ড পারসর্ন । যাইহোক তোমাদের জন্য শুভ কামনা রইলো এবং দোয়া ।

    ইস্টিশনে পোস্ট ডিলিট করা যায় না বিধায়, পোস্টটি এডিট করে মুছে দিলাম।


    ইস্টিশনে ব্লগে আছি সেই একেবারে এই ব্লগের প্রথম থেকে, প্রথম দিকে এই ব্লগ প্ল্যাটফর্ম ভালো লাগলেইও পরের দিকে কিছু অতি কাবিল মাত্রার ব্লগারদের জন্য এই ব্লগে আর আসা হয় না। যাই হোক, ইস্টিশন ব্লগের এইটা একটা জঘন্য সিস্টেম যে নিজের পোস্ট নিজে ডিলিট করতে পারা যায় না, এর আসলে কোন মানেই হয় না, ইস্টিশন মাস্টারকে অনেকবার মেসেজ করার পরও তাদের মধ্যে ইউজারদের কথা শোনার কোন লক্ষণ আমি দেখলাম না, তাই এখন কি আর করা পোস্ট এডিট করে লেখাগুলো মুছে দিলাম, তাতে যদি ইস্টিশন মাস্টারের একটু হলে টনক নড়ে।

    তাঁরা খুব সংবিধান বুঝেন


    সব ফুল সৌরভ দিতে পারে না। আমি একটি বাগান চাই, যেখানে শুধুমাত্র সুরভিত ফুলের চাষ হবে। যাক কাজের কথা বলি, আমাদের দেশে বর্তমানে বহুল আলোচিত বিষয় হলো জাগরণ মণ্‌চে পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি। খুব দোষ করেছে ইমরান আইচ সরকার। এই মুর্খের দেশে রাজনীতি করে ফায়দা লুটার আগে যে সংবিধান অবমাননা করা যায় না তা আমার ভাই মুর্খ ইমরান জানতো না। ধন্‌যবাদ জানাচ্‌ছি আমার সে ভাইকে যিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্‌ধার সন্‌তান, ৭১ এর চে

    জীবনানন্দের শ্রুতিকল্প : একটি মূল্যায়ন


    শ্রুতিকল্প-প্রথমে সংজ্ঞা দেওয়া যাক। অনুপ্রাস, অন্ত্যমিল, মধ্যমিল, পর পর শব্দের অর্ন্তগত স্বরবর্ণের মিল ধ্বনি-ব্যঞ্জনার জন্য অন্য যা কিছু সম্ভব, যেমন ধ্বনিস্পন্দ, তা গদ্যের থেকে ধার করা হোক, কথ্য ভাষা থেকে আহরিত হোক, সংলাপ থেকে স্পন্দিত হোক-এসব মিলেই শ্রুতিমাণে ধ্বনির মূর্ত-বিমূর্ত রূপ, এই হচ্ছে শ্রুতিকল্প। তাই চিত্রকল্প, যা চিত্রে কল্পনা জাগিয়ে তুলতে সক্ষম; তেমনি যা কিছু ধ্বনিরূপের বৈচিত্র্য, ব্যাপকতা, গভীরতা সৃষ্টি করতে সক্ষম তাই শ্রুতিকল্প। চিত্রকল্প যেমন শুধু রূপক থেকে গভীরতর, মহত্তর, বৃহত্তর ব্যঞ্জনার অধিকারী, তেমনি শ্রুতিকল্প নেহাৎ অন্ত্যমিলের অধিক; বিষয় ও কল্পনাকে ধ্বনিবাহিত করে শ্রেষ

    ফুটা কাহিনী


    আমার গর্ভে তাহাদের অবস্থান তখন অত্যাচারের পর্যায়ে পৌঁছিয়া যাইতেছিল। চিন্তা করিয়া দেখিলাম, কিছু একটা করিবার চেষ্টা একবার করিয়া দেখিনা কেন? উপরিভাগ এইভাবে জ্বলিয়া জ্বলিয়া অঙ্গার হওয়া- কাঁহাতক আর সহ্য করা যায়? রবি’র অসহ্য দহন হইতে নিস্তার পাইতে সমগ্র বৃক্ষরাজি, তরুকুল, গুল্মলতা আমার পৃষ্ঠদেশের উল্টাদিকে অর্থাৎ ভূগর্ভের নিকটাভ্যন্তরে তাহাদের শাখা প্রশাখা বিস্তার করিতে আরম্ভ করিল। প্রাণীকুলও পলায়নপর ভূগর্ভে আশ্রয় লইল। উহাদের দেখাদেখি জলবাসীগণও একই পদাঙ্ক অনুসরণ করিবার কারণে জলরাশিকেও ভূগর্ভে চলিয়া যাইতে হইল।

    আমি একজন কট্টর আওয়ামী লীগার!! শাহাবাগ নিয়া কিছু কথা কইতাম চাই!!!


    প্রথমেই একটা কথা বলে নিই, সেটা হলো যারা সক্রিয়ভাবে জামাতের রাজনীতি করেন অথবা জামাত-শিবির সমর্থন করেন তাদেরকে আসলে কোন কিছুই বলার নাই!! যারা আমার মানচিত্রে বিশ্বাস করে না, আমার দেশে যারা পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়েছে, পাকিস্তানের জাতিয় সঙ্গীত বাজিয়েছে (সাতকানিয়ায়) তাদের কোন কিছু বলার প্রয়োজন আছে বলেও মনে করি না!! সত্য কথা টা হচ্ছে জামাত শিবিরের সাম্প্রতিক যে কর্মকাণ্ড, যে মোটিভ এরপর তাদের সাথে আলোচনার আর কিছু থাকে না!!

    এড়িয়ে যাবেন না


    নাহ!অনেক হইছে। এইবার অঙ্ক পরীক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি বাংলা, পদার্থ, ভূগোল ও পড়া দরকার। ইতিমধ্যেই সরকার শাহবাগ আন্দোলন চলাকালেই ক্ষতিকর ও একপেশে দুটি চুক্তি করে ফেলেছে। সে দুটি হলঃ

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর