নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • আকাশ লীনা
    • সীমান্ত মল্লিক

    নতুন যাত্রী

    • এম এম এইচ ভূঁইয়া
    • খাঁচা বন্দি পাখি
    • প্রসেনজিৎ কোনার
    • পৃথিবীর নাগরিক
    • এস এম এইচ রহমান
    • শুভম সরকার
    • আব্রাহাম তামিম
    • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
    • এলিজা আকবর
    • বাপ্পার কাব্য

    অনুশীলনটা এখন কে করছেন?


    গল্প চলছে বাঘ শিকারের। সবাই যে যার মত গল্প বলছে। একজন বলল, আমি একবার খালি হাতে বাঘ শিকারে গিয়েছিলাম। সবাই আগ্রহ নিয়ে শুনতে শুরু করলো। ‘এরপর বাঘ আমাকে তাড়া করা শুরু করলো’। সবাই উৎকণ্ঠিত। ‘বনের শেষ প্রান্তে ছিল একটা খাঁড়ি। দৌড়তে দৌড়তে আমি পৌঁছলাম সেই খাঁড়ির কাছে। আমার সামনে তখন খাঁড়ি আর পিছনে বাঘ’। শেষটায় কি হল জানবার জন্য সবাই উতসুক, ‘তারপর?’
    ‘তারপর আর কি, বাঘটা আমাকে খেয়ে ফেলল।‘

    এপিটাফ


    মনে আছে তোর?
    বছর খানেক আগেকথা,
    শিল্পকলা একাডেমীতে অনুষ্ঠানে দেখা হিয়ে ছিল আমাদের?
    মনে আছে?
    আমি রূদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর
    বাতাসে লাশের গন্ধ কবিতাটি আবৃত্তি করলাম।
    তুই করলি আবার আসিব ফিরে কবিতাটি ,
    মনে নেই?

    জিয়া জীবনী (সংগৃহিত)


    আগেই বলে দিচ্ছি পোস্ট টি সংগৃহিত। জীয়া সম্পর্কে আমার এত ধারনা নেই কি করেছে সে জানি না । তাই এই পোস্ট টি শেয়ার করলাম এই গুলো কি সত্যি বলবেন একটু।
    যদি সত্যি হয় আজ থেকে ঘৃণ্য ব্যক্তিবর্গের তালিকায় আরো একটি নাম যুক্ত হবে সেটি হল """"জিয়াউর রহমান """""

    ________________________________________

    কী হিশেবে স্মরণ করা হবে জিয়াউর
    রহমানকে?

    জিয়া বাংলাদেশের একজন
    রাষ্ট্রপতি ছিলেন, আমাদের স্বাধীনতার
    ঘোষণাপত্রের অন্যতম পাঠক ছিলেন
    এবং মুক্তিযুদ্ধে তিনি একটি সেক্টরকে ৩ম
    নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, একটি ফোর্স গঠন
    করেছিলেন এবং তিনি একজন বীরউত্তম।
    বীরউত্তম ও প্রাক্তন

    কমলা-লেবুর গল্প


    //১//
    কমলা আর লেবু, পিঠাপিঠি দুই জন।জয়নুদ্দিন নূর-পুর এর দিন মজুর। বাস্তবিক অর্থেই দিন এনে দিন খেতে হয় জইনুদ্দিনের। গত আশ্বিনে কমলা আর লেবুর মা মারা যাবার পর কষ্ট টা আরেকটু বেড়েছে জয়নুদ্দিনের। অথচ বিয়ের ২০ টি বছর সে কতই না মার-ধর করেছে মিনারা কে। মিনারা মারা গেল পেটে বাচ্চা নিয়া। বাচ্চা টা থাকলে আজকে উঠানে হাটার চেষ্টা করত হয়ত।
    কমলা আমার ছিলুম টা দে।
    -আইতাসি আব্বা।

    "রমিজ ভাইয়ের মার্কা" (একটি সত্য ঘটনা নিয়ে লিখা গল্প)


    এবার সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনে পদপ্রার্থী রমিজ ভাই। ইদানিং শোনা যাচ্ছে তার চরিত্র নাকি ফুলের মত পবিত্র। দিনে হাজার বার এই কথা শুনলে মানুষ একসময় মনের অজান্তেই বিশ্বাস করে ফেলবে যে তার চরিত্র ফুলের মত পবিত্র। যাকগে, নির্বাচনী প্রচারণায়
    বের হয়েছেন রমিজ ভাই। জনৈক রিকশা চালককে পেয়ে জড়িয়ে ধরলেন, রিকশা চালকের ঘামে ভেজা নোংরা দেহ এবং তার নিজের দামী পাঞ্জাবীর ভবিষ্যৎ তোয়াক্কা না করেই।

    -চাচা, আছেন কেমন? শরীর ভাল তো?
    -আল্লাহ রাখসে একরকম।
    -চাচা, আমি আপনার ছেলের মত। এইবার ভোট টা দিয়া বাপের খেদমত করার সুযোগ টা দিয়েন কিন্তু। আমি এই এলাকার ছেলে, আমারে না দিলে কারে দিবেন কন?

    কামনার বাস্তবায়ন


    আমি ছিলাম মৃতের মত নিরীহ;
    শুধু দূর থেকে তোমাকে দেখতে চেয়েছি
    ছুঁতে চাইনি তোমার দেহ।
    ,
    আমার চোখ মুখ
    তোমার পেলব শরীরের উত্তাপ চায় নি।
    দূর থেকে তোমার হাসি দেখতে চেয়েছিলো।

    নিন্দিত আশরাফুল


    ট্র্যাজিক হিরো মোহাম্মদ আশরাফুল-
    হুম- আসলে ই ট্রাজিক হিরো
    শুরু টা ২০০১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কলম্বোতে , মুরালি আর চামিন্দা ভাস দের কে পিটিয়ে হয়ে গেলো সর্বকালের সর্বকনিষ্ট টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান ।

    সময় যখন ২০০৪, চট্রগ্রামে ভারতের বিপক্ষে ১৫৮ রানের দৃস্টিনন্দন ইনিংস,
    ২০০৫ সালের ১৮ জুন । ন্যাটওয়েস্ট ট্রফিতে মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের এই বিস্ময়বালক খেলল ১০১ বলে ১০০ রানের ইনিংস

    ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট ,দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তিশালী পেস আক্রমণ কে গুড়িয়ে দিল ছেলেটি খেল ৮৭ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস্‌ প্রথম বার এর মত দক্ষিন আফ্রিকার সাথে জয়,

    হুড আর হুজুরের গল্প


    ছেলে বেলায় পড়া সেবা'র প্রকাশক কাজী আনোয়ার হোসেনের অনুবাদিত "রবিন হুড" বইটা এখনো পর্যন্ত আমার পড়া সবচেয়ে প্রিয় ৩ টা বইয়ের একটা ........ কাজীদার লেখনী শক্তি নিয়ে কথা বলার ধৃষ্টতা আমার নাই,  পাবলিক মাত্রই জানে যে কাজীদা কি জিনিস !! তবে কেবলমাত্র কাজীদার লিখার স্টাইলের কারণেই যে আমার কাছে এই বইটা অসম্ভব প্রিয় - তা নয় ,সেই  সাথে রবিন হুডের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য গুলোর কারণে ও বইটা আমার মন ছুঁয়েছিল এবং এখনো ছুঁয়ে আছে....

    আমি যেমন, তেমন


    যদি আমাকে ভালোবাসো
    আমি যেমন, তেমন ভালোবাসো।
    আমার রাগকে ভালোবাসো, দুঃখকে
    ভালোবাসো, কষ্টকে ভালোবাসো,
    ভালোবাসো আমার হাসিকে।
    আমি যেমন, তেমন ভালোবাসো
    আমার ভালোলাগাকে ভালোবাসো,
    আমাকে আমার মতো ভালোবাসো
    আমার ভালোবাসাকে ভালোবাসো।।

    লুতুপুতু মেহেজাবিন... OMG !!!!


    জাতির বিবেকের কাছে একখান কোশ্চেন-
    “আচ্ছা দাদা, এই মেহেজাবিনরাও তো হাগু করে। নাকি বলেন...?!”

    নাহ! ব্যাপারটা কেন যেন মানতে পারছি না দাদা। ওদের জন্য আলাদা কোন ব্যবস্থা থাকলে ভাল হত।

    সে যাকগে, কাজের কথায় আসি। এ ক’দিন মেহেজাবিনকে নিয়ে বহুত সার্কাস দেখলাম। যত পদ তত মত।
    তা দাদারা কি বেমালুম ভুলে গেলেন, দিন শেষে এই মেহেজাবিনদের নিয়েই স্বপ্ন দেখবেন। কে জানে, দোষ ও হয়ে যাবে হয়তো!!

    তুমি এত্তগুলা পঁচা......!!!!
    কথাটা নিঃসন্দেহে হাস্যকর। লুতুপুতু টাইপ।

    তা দাদা, মেহেজাবিনরা তো লুতুপুতুই হবে, নাকি? আচ্ছা, এমন বললে কেমন হত-

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর