নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 12 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • মারিও সুইটেন মুরমু
    • মওদুদ তন্ময়
    • অপ্রিয় কথা
    • শিকারী
    • মিশু মিলন
    • দেবজ্যোতিকাজল
    • সৈয়দ আহসান
    • ফারজানা সুমনা
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • নরসুন্দর মানুষ

    নতুন যাত্রী

    • প্রলয় দস্তিদার
    • ফারিয়া রিশতা
    • চ্যাং
    • রাসেল আহমেদ
    • আবদুর রহমান শ্রাবণ
    • হিপোক্রেটস কিলার
    • পরিতোষ
    • শ্যামা
    • শিকারী
    • মারিও সুইটেন মুরমু

    শিবির (১৮+ অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা হয়েছে, দুঃক্ষিত)


    গালাগালিতে যাদের ব্যাপক আপত্তি আছে, অথবা যারা আমাকে একটু ভদ্র গোছের বলে জানেন তারা এই পোস্ট টি দয়া করে এড়িয়ে যান। রাগের মাথায় লিখলাম । জানি কিছুই হয় নাই।

    শিবির গুলারে গালি দেবার শব্দ বাংলা ভাষায় নাই।

    জামাত- শিবিরের জন্ম পাকিস্তানে, আর তাদের দুধ কলা খাইয়ে মানুষ করেছেন জিয়াউর রহমান। যুদ্ধাপরাধীদের এই দেশে ঢুকিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে তারা একটি স্বাধীন দেশের মন্ত্রী পর্যন্ত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের এবং সমগ্র দেশবাসীকে কাচকলা দেখিয়ে স্বাধীন দেশের পতাকা গাড়িতে উড়িয়ে রাজপথ কাপিয়ে বেড়িয়েছে। আমরা শালা নির্লজ্জের মত তাকিয়ে দেখেছি শুধু।

    কাদের কসাইয়ের মামলায় আপীল নিয়ে কিছু শঙ্কা ও সম্ভাবনা


    আঁতাত ছাড়া কিচ্ছু নয় এই রায়।বাচ্চু
    রাজাকার আর কাদের মোল্লার রায়ের
    তুলনা করলে এটা স্পষ্ট বোঝা যায়।
    যতই আপীলের কথা বলা হোক সরকার
    পক্ষ থেকে,ঐ খালাসপ্রাপ্ত অভিযোগর
    বিরুদ্ধে আপীল করে কিসসু হবেনা।
    ট্রাইবুন্যালে যেটি প্রমাণিত
    হয়নি হাইকোর্টের অপীল
    বিভাগে প্রমাণিত হওয়ার সুযোগ কম।
    কারণ হাইকোর্ট নতুন
    করে হিয়ারিং করবেনা,শুধু বিচারকদের
    রায় পুনঃবিবেচনা করে নতুন রায় দিবেন
    অথবা পূর্বের রায় বহাল রাখবেন।
    এক্ষেত্র প্রমাণিত পাঁচ গুরুতর আপরাধ
    যার মধ্যে যাবজ্জীবন
    পাওয়া দুটিতে অপরাধেই মৃত্যুদন্ড
    ছাড়া অন্য কোন রায় হয়না।কিন্তু
    মজার ব্যাপার হল এই লঘুদন্ড প্রাপ্ত
    রায়গুলোর গুরুদন্ড প্রাপ্তির জন্য

    শিবির ভাইয়েরা-তোমাদের বলছি


    ইষ্টিশন এর নয়া যাত্রী আমি । লেখালেখির হাত ভাল নাহ । লেখা পড়তে ভালবাসি , লিখতে নয় ।

    আজ একটা কবিতা লিখতে মন চাইল,,
    তাই লিখছি,.

    ''প্রিয় শিবির-তোমাদের বলছি''

    ওহে শিবির ভাইয়েরা মানুষ হবি না তোরা?/?
    ধর্মের মর্ম নিয়ে আর কত খেলবি তোরা?/?
    ''মরলে শহীদ বাচলে গাজী ''-
    আর কত এই অর্থহীন বিশ্বাসে নিমজ্জিত থাকবি‼
    আর কত এই ভিত্তিহীন রক্তের হোলি খেলবি //?//
    রাস্তায় রাস্তায় অরাজকতা-
    মানুষের হৃদয়ের ঢেলেছিস তোরা ত্রাস ভীতির অস্পৃশ্যতা‼

    ''আমি মুসলিম-আমাকে মেরো না''-

    প্রতিবাদী চট্টলা- জেগে উঠুন সবাই, যোগ দিন আমাদের সাথে


    কাদের মোল্লাসহ সব রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে ৬ই ফেব্রুয়ারি চট্রগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে বিকাল ৪টায় বিক্ষোভ কর্মসূচি হবে।যারা দেশকে প্রকৃত ভাবে ভালবাসেন আর চান যুদ্ধপরাধীদের বিচার হোক তাহলে কালকে অবশ্যই উপস্থিত হবেন।

    দুষ্ট তোমরা, কিচ্ছু বুঝোনা। ট্রাইবুনাল তো বা... মানে ভালো!


    ট্রাইবুনাল যে আসলে আপনাদের পক্ষে কাজ করতেসে বুঝতে পারেন কি?
    দাঁড়ান ক্ষেইপেন না। পড়েন বাকিটুকু.....
    ট্রাইবুনালে যারা আছে, তারা জানে রায়ে যদি ফাঁসি দেয়া হয়, তাহলে জামায়াত সারা দেশে ধ্বংসজজ্ঞ শুরু করবে। এটা শুধু তারা না, আমরা সবাইই জানি। এবং তখন আমজনতা চাচা আপন প্রান বাঁচা বলে দৌঁড়ে পালাবে। চিন্তা করেন, বাঙ্গালী কিন্তু তাইই করে সব সময়। তারপরেও এই বাঙ্গালীই কিন্তু '৭১ এ প্রানবাজী রেখে যুদ্ধ করেছিল, স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। একবারো কি মনে হয়না, কিভাবে সম্ভব সেটা?

    শাহবাগে প্রতিবাদ [ফটোব্লগ]


    রেলমন্ত্রীর পোস্টে শেষ আপডেট পেলাম আমি ফিরে আসার পর। সমাবেশে এখনো অসংখ্য মানুষের ভীঁড়। মানুষ কমেনি। অনেকে চলে যাচ্ছেন, যোগ দিচ্ছেন আরও অনেকে এসে। সমাবেশে যোগ দিয়েছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট সংস্কৃতিকর্মী নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, শিল্পী সব্যসাচী হাজরা প্রমূখ। এই কর্মসূচীর খবর সংগ্রহ করতে ছুটে এসেছেন বিভিন্ন মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকেরা। উপস্থিত সবার একটাই বক্তব্য, এই রায় আমাদের মনোভাব প্রকাশ করেনি। আমরা ফাঁসি চাই। এবং সব রাজাকারের ফাঁসি। উপস্থিত আন্দোলনকারীরা গান গেয়ে, গিটার তবলা বাজিয়ে একে অপরকে অনুপ্রাণীত করছেন। সভাস্থলের

    কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি


    আজ দুপুরে রায় শোনার পর
    মনে হইছে এই দেশের মাটি আমাদের
    পায়ের নিচ থেকে সরে যাচ্ছে!এই দেশ
    আর আমাদের নেই।কাদের কসাইয়ের মত
    ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধী যখন ট্রাইবুন্যালের
    কাছে যাবজ্জীবন কারাদন্ড পুরস্কার
    পায় তখন
    বাঙালি হিসেবে নিজেকে অপরাধী হয়।
    ৩০লক্ষ শহীদের রক্তের
    কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হয়,আমার
    ২লক্ষ নির্যাতিতা মা-বোনের
    আর্তনাদের কাছে অপরাধী করে দেয়।
    যখন কাদের কসাই আদালত থেকে বের
    হয়ে বিজয়সূচক চিহ্ন প্রদর্শন
    করে তখন অপমানে মাটির
    সাথে মিশে যেতে ইচ্ছে করে।যখন
    দেখি রায়ের পর প্রতিটি মুক্তিযুদ্ধের
    চেতনায় বিশ্বাসী মানুষ
    ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করছে এই কলঙ্কিত
    রায়কে তখন কিছু আওয়ামী পেইড

    সাবধান আওয়ামীলীগ এবং সাবধান রাজাকারের বাচ্চা।


    গতকাল হবিগঞ্জে ছিলাম। দুপুরে লাঠির মাথায় সাদা এক টুকরো কাপড় বেঁধে এবং কাপড়টা লাঠিতে পেঁচিয়ে মিছিলে দল বেঁধে লোক জন যাচ্ছে। পৌর সভার মাঠে। দুই ঘন্টা সেখানে যুদ্ধপরাধীদের মুক্তির জন্য সভা করে। পুলিশ সার্কিট হাউসের সামনে দাঁড়িয়েছিল। কোন সংঘর্ষ হবার সম্ভাবনাও দেখি নাই। এবং হয় নাই। জামাতের সভার ব্যানারে লেখা ছিল শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। কোন ব্যানারে নিজেরাই লিখেছে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। তার মানে আগে যে সব সমাবেশ তারা করেছে তা শান্তিপূর্ণ ছিল না? এটা তাদের নতুন ফর্মুলা। কিন্তু পুলিশ হঠাৎ নীরব কেন? সাপে নেউলে সম্পর্ক হঠাৎ গলায় গলায় ভাব কি ভাবে হলো?

    বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়াঃ এ রায় আমি চাইনি, এ রায় আমরা চাইনি (আপডেট)


    আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছি। এই রায় আমি চাইনি। এ কথা বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শহীদ কবি মেহেরুননিসার বন্ধু কবি কাজী রোজী।
    রায ঘোষণার পর কেবল কাজী রোজী নন, রাজনীতিক-লেখক-সংস্কৃতিকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের কণ্ঠে হতাশা ও ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। তাঁদের কথা হলো, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে গণহত্যা ও ধর্ষণসহ অনেকগুলো গুরুতর অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, তাঁকে এমন লঘু শাস্তি দেওয়ার কী কারণ থাকতে পারে?
    আদালত থেকে গাড়িতে ওঠার মুহূর্তে যুদ্ধাপরাধী আবদুল কাদের মোল্লা হাতে ভি চিহ্ন দেখিয়েছেন। জামাত আগামীকাল আরেকটি হরতাল ডেকেছে। তাহলে কি জামাত রায়ে খুশি হয়েই দেশবাসীর ওপর আরেকটি হরতাল চাপিয়ে দিল?

    মাননীয় বিচারক, আমি চোদনা হয়ে গেলাম


    রাজাকার কসাই কাদেরের রায় হইসে। তার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হইসে। না, সারাজীবন না। বছর নয়েক কারার ভিত্রে দন্ড বাগায়া বইসা থাইকা কাদের সাব আবার ফিরবেন। সরকারি গাড়িতে চড়বেন। পতপত উড়বে জীর্ণ শীর্ণ জাতীয় পতাকা তার গাড়িতে। পচপচ শব্দে তিনি আবার পাছা মারবেন বাঙ্গালীর। তাগো জোট ক্ষমতায় আসলে অবশ্যি দিনটা আরও আগায়া আসবে।

    এক্ষাণ খুন করলে শাস্তি মৃত্যুদন্ড। কিন্তু শয়ে শয়ে হাজারে হাজারে করলে তারেতো আর ছিচকে খুনির পাল্লায় ফেলা যায়না। তাই মহামান্য হরিদাস পাল বিচারক তার রায় দিসেন বাংলালিংক দামে। শত হইলেও গ্রামীনফোন হোলসেলে কোন মনখারাপ হওনের আশংকাতো নাই, কি কন?

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর