নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • ফারুক হায়দার চৌধুরী
    • নরসুন্দর মানুষ
    • শিকারী
    • ফারজানা সুমনা
    • নুর নবী দুলাল
    • আবদুর রহমান শ্রাবণ
    • মওদুদ তন্ময়
    • অজল দেওয়ান

    নতুন যাত্রী

    • প্রলয় দস্তিদার
    • ফারিয়া রিশতা
    • চ্যাং
    • রাসেল আহমেদ
    • আবদুর রহমান শ্রাবণ
    • হিপোক্রেটস কিলার
    • পরিতোষ
    • শ্যামা
    • শিকারী
    • মারিও সুইটেন মুরমু

    মৃতদের পায়ে চলার পথ


    মূলঃ চিনুয়া আচেবে
    অনুবাদঃ মেহেদী হাসান

    “চুল কাটে তো ধ্যান কাটে না সাধকের”


    এই যে আল্লাহ বলছেন কোরানে, আমাকে যদি চিনতে চাও, তুমি নিজেকে নিজে চিনে নাও— তাহলে, এটা করতে হলে আমার নিজের মধ্যে কী বিষয়বস্তু তা জানতে হবে।

    আবার আল্লাহ বলছেন যে, যদি আমাকে ভালোবাসো, তাহলে মানুষকে ভালোবাসো।

    এ কারণে আমরা মানুষকে ভালোবাসি। এ কারণে এক শ্রেণীর মোল্লা ভাবে, এদের বাড়ি এতো মানুষ আসে কেন? এদের মানুষ ভালোবাসে কেন? এখানে গানবাজনা হয় কেন? এতেই তাদের গা জ্বলে।

    বলছিলেন রাজবাড়ি জেলার পাংশা উপজেলার চররামনগর গ্রামের মোহাম্মদ শাহ ফকির। এ ভালোবাসার অপরাধেই ২০১১ সালের ৪ এপ্রিল তার বাড়ির লালন ধামে অনুষ্ঠানরত সাধুসঙ্গে আসা ১৩ জন সাধুর চুল কেটে দিয়েছে ধর্মান্ধরা।

    একটি শাদা মুরগীর কাহিনী-০২


    উদ্ভট এক কচ্ছপের ধূসর অনুভূতির
    নিয়ে বসে আছে
    একটা চুলখোলা শাদা মুরগী
    স্বদেশের গৌরভময় ইতিহাসের
    রক্তগোলাপের অস্থিতে উড়াতে চায়
    জংগীবাদের ঝান্ডা আর
    মৌলবাদের হিংস্র থাবায় স্তব্দ
    করতে চায় স্বাধীনতার
    সোনালি স্বপ্নের স্ফুরণ
    সুদীর্ঘ রাত্রির প্রগাঢ়

    ২য় মুক্তিযোদ্ধ


    হিংস্র শকুনের বেশে কারা ডাকে এই বাংলায়
    অঘ্রানের সোনামাঠে কারা লুটে ধানের সংসার
    হায়ানার বেশে কারা ধরে পতাকার আঁচল
    আমার স্বাধীন দেশে কারা ভাঙ্গে রক্তের
    মিনার

    গণ প্রতিরোধ গড়ে তুলুন


    সুব্রত শুভ,রাসেল পারভেজ, মশিউর রহমান বিপ্লব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী। ব্লগারদের উপর হামলা মুক্ত বুদ্ধিবৃত্তির চর্চার উপরই আঘাত বলে মনে করি।সরকার যেভাবে অবিবেচকের মত উগ্র মৌলবাদীদের সাথে নিয়ে তালিকা বানিয়ে ব্লগারদের গ্রেফতার করছে, মুক্তিযোদ্ধা এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার , মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বীরবিক্রম, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু হেফাজতে ইসলামের সাথে মিটিং করছে, জামায়াত শিবির যখন নাশকতা চালাচ্ছে তখন তাকে চুপ হয়ে বসে আছে, গণজাগরণ মঞ্চকে হুমকি মনে করে তাকে বন্ধ করতে চাইছে।আসলে এই সরকার গণ বিরোধী সরকার বলেই ব্লগারদের সন্ত্রাসী হিসেবে ধরে অপরাধের আলামত হি

    নাস্তিক-মুরতাদ বেঁচে থাকতে পারবে না


    গফুর রিক্সা থামালো কবিরের দোকানের সামনে, থামিয়েই চাকাটা একটু দেখে নিয়ে সামনের বেঞ্চিতে বসে পড়লো। একটা ভারী ভাড়া মেরে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছে তাই শরীরে বাতাস লাগাতেই শার্টের বোতাম খুলে দিলো সাথে লুঙ্গিটাও হাঁটু পর্যন্ত উঠিয়ে দিয়ে কবিরের উদ্দেশ্যে বলল " ভাই একটা চা দেন ", কবির চায়ের কাপ হাতে নিয়ে ধুতে লাগলো আর তার মাথার উপরে চৌকোণা বক্স থেকে আওয়াজ এলো " রেটিনা সন্ধ্যার সংবাদে আপনাদের স্বাগতম " শুনেই গফুরের সামনের দিকে বসা মোল্লা সাহেব কবিরকে আওয়াজটা বাড়িয়ে দিতে বললো, চায়ের লিকার ঢালা বাদ দিয়েই কবির টিভি'র আওয়াজটা বাড়িয়ে দিলো।

    সত্য


    প্রশ্ন - থলের বিলাই তো দেখি বাইরইতাছে । পুরাপুরি বাইরইলে কি হইবে ?
    আগন্তুক - রাস্তায় প্যান্টের চেইন খুলিয়া প্রমাণ দিতে হইবে ।

    ১০ বছরের কারাদণ্ড আর ১ কোটি টাকা যে খাইবা ভাল কথা তখন ব্লগ বন করলা ক্যান ? হ্যাডায় এত জোর থাকলে ধর্ম নিয়া কি ধরনের কুরুচিপূর্ণ কথা আছে তা দেখবার সুযুগ তো মানুষরে দিতা । তাইলেতো তোমাদের সুবিধা হইত;নাকি অসুবিধা?

    ওয়েল,ব্রাদাফাকার সাকাও ভাল কারন সে অন্তত মাদারফাকার নহে ! কাহারা নিজের মায়রে চু... তাহা পরিস্কার।

    আবার সব বাদ দাও !!!


    এই তো কিছুদিন আগের প্রজন্ম শুধু চিন্তা করত পড়ালেখা শেষ করে চাকরি করব বা ব্যবসা। তাই সারাদিন বইয়ের মাঝেই পরে থাকত।
    বাবা মার শেষ বেলার সম্বল হওয়া পরিবারের কথা ভাবা।
    তাদের চিন্তাতেও ছিল না যে দেশের জন্য কিছু করার আছে দেশ কে কিছু দেওয়ার আছে।
    না না ছিল তারা ভাবত চাকরি করব ব্যবসা করব সব তো দেশের জন্যই।
    তারা ভাবত না সমাজকে দেশকে অনেক কিছু দেওয়ার আছে তাদের।

    কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম ভাবতে শুরু করেছিল না আমাদের আরও কিছু করার আছে। দেশকে অনেক কিছু দেওয়ার আছে।
    ঘুনে ধরা সমাজ ব্যবস্থা রাজাকারে ধরা রাজনীতি আমাদেরই পরিষ্কার করতে হবে।
    দেশটা তো আমার, আমারই। তবে আমি কেন করব না।

    প্রসঙ্গ শাহবাগ (৫)- গনজাগরন মঞ্চ


    পূর্বে আমি ৪ টি লেখা লিখেছিলাম শাহবাগ প্রসঙ্গে। আমি একটা জিনিস পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমি গনজাগরন চত্বর নিয়ে একটি কথাও বলিনি। আমার যত ক্ষোভ ছিল গনজাগরন মঞ্চ নিয়ে। কারন একটি কথা আমি বার বার বলেছি, এতো বড় একটা জাগরন শুধু মাত্র সঠিক নির্দেশনার অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে।

    নিয়তি


    চিকিৎসকদের কিভাবে পদোন্নতি দেয়া যায়? তা নিয়ে বহু চিন্তা ভাবনা হল। অবশেষে সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, নিষ্কলুষ এক উপায়ে এই পদোন্নতি দেয়া হবে। গত সরকারের আমলে পি এস সি হয়ে উঠেছিল দুর্নীতির আখড়া। এম ডি কিংবা এফ সি পি এস এসব ডিগ্রীধারীদের ডিঙিয়ে ডিপ্লোমাধারীদেরকে এর আগের সরকার প্রমোশান দেয়। বিতর্কিত ওয়ান টাইম রিলাক্সেশান (যার বদৌলতে একজন মেডিকেল অফিসারের পক্ষে এক ধাপে প্রফেসার হওয়া সম্ভব)এর নতুন নিয়ম করে, পি এস সি এর মাধ্যমে নিজেদের (অর্থাৎ ড্যাব এর সঙ্গে জড়িত) চিকিৎসকদের পদোন্নতি দেয়ার ব্যবস্থা করে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর