নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • ড. লজিক্যাল বাঙালি
    • পৃথু স্যন্যাল

    নতুন যাত্রী

    • অন্নপূর্ণা দেবী
    • অপরাজিত
    • বিকাশ দেবনাথ
    • কলা বিজ্ঞানী
    • সুবর্ণ জলের মাছ
    • সাবুল সাই
    • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
    • মাহফুজুর রহমান সুমন
    • নাইমুর রহমান
    • রাফি_আদনান_আকাশ

    আশরাফুলের উপর অন্যায় হয়রানী বন্ধ করা হোক!!


    যারা আশরাফুলকে নিয়ে হতাশ তাদের হতাশার কারন এই আশরাফুলদের দিয়ে মাঝে মাঝে আনন্দের উদযাপন, কোন একটা দেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম জিতে গেলে মিছিল নিয়ে বের হয়ে যাওয়া পাগলা সমর্থকদের আনন্দ আর আকাশের মত আবেগের মূল্য এরা বোঝেনা। সেটা তাদের দোষ না। দেশকে ভালবেসে খেলতে নামেনা ওরা। মূল্যবোধের শিক্ষার অভাব ওদের কখনই ভাবায়নি।একজন দুইজনের দুর্নীতির কারনে একটা খেলা কখনই দুষ্ট হতে পারেনা। সেটা ফুটবল হোক কিংবা ক্রিকেট। দুর্নীতি বিষয়টি ক্যান্সারের মত সব যায়গায় আছে। কোন একটি খারাপ কাজের প্রতি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গির শিক্ষা, মূল্যবোধের চর্চার অভাবে এই ক্যান্সার বাড়তেই থাকে। হ্যান্সি ক্রনিয়ে, আজাহার উদ্দিনদের

    সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ১৫ তম কেন্দ্রিয় কাউন্সিলের মাধ্যমে ষোড়শ কমিটি ঘোষনা


    ছাত্রসমাজের অগ্রবর্তী চিন্তার পথিকৃৎ সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের পঞ্চদশ কাউন্সিলের মাধ্যমে জনার্দন দত্ত নান্টুকে সভাপতি এবং ইমরান হাবিব রুমনকে সাধারণ সম্পাদক করে ষোড়শ কমিটি গঠিত হয়েছে।

    সভাপতিঃ জনার্দন দত্ত নান্টু
    সহ-সভাপতিঃ রাহাত আহমেদ
    সাধারণ সম্পাদকঃ ইমরান হাবিব রুমন
    সাংগঠনিক সম্পাদকঃ আল কাদেরী জয়
    দপ্তর সম্পাদকঃ নাসির উদ্দিন প্রিন্স
    অর্থ সম্পাদকঃ রুখসানা আফরোজ আশা
    প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ মৈত্রী বর্মণ
    স্কুল বিষয়ক সম্পাদকঃ কিবরিয়া হোসেন
    সদস্যঃ
    সাদেক হোসেন,
    মাসুদ রানা,
    শ্যামল বর্মণ,
    রাশিব রহমান,
    জুনায়েদ ইসলাম,
    কিশোর আহমেদ,
    মনীষা চক্রবর্তী,
    সোহরাব হোসেন।

    একলা বিকেল


    অদ্ভুত সময়ের জোড়াতালিতে
    কিছু বিকেল আসে ,
    ছন্নছাড়া স্মৃতি ভাসে ,
    পুড়িয়ে চলা একলা সময়
    যুক্তি-বাস্তবতায় লড়তে লড়তে ।
    অদ্ভুত সেই বিকেলগুলো
    মলিন আকাশ , স্থবির ধূলো ,
    বৃষ্টিতে পায় না সে এতটুকু প্রাণ ,

    IPL নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে? নাউজুবিল্লাহ!!


    চুদির ভাই এক শ্রেণীর ভাই। সে হিসেবে ইন্ডিয়াও আমাদের ভাই।

    বোঝা গেল না, তাই না? দাঁড়ান দাদা, দুই একটা উদাহরন দেই। দেখেন খোলসা হয় কি না!

    কেন্দ্র সরকার নিলাম ডাকল, প্রাদেশিক সরকার জানে না। আমরা কিন্তু রাগ করিনি। অভিমান করেছি শুধু। দাদা কি এবারো বুঝলেন না। আরে দাদা নারায়ণগঞ্জ বন্দরের কথা এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন নাকি?

    ফালানির লাশ কতদিন যেন ঝুলেছিল কাঁটাতারে? মনে নেই দাদা, আমরা ওসব ভুলে গেছি। ট্রাক ভর্তি পদ্মার ইলিশ উপহার পাঠাই দাদা আপনাদের। দুয়েকটা ফালানি ফেলে দিলে কি ই বা এমন আসে যায়!?

    অবিশ্বস্তের ভালোবাসা


    ভালোবাসার জন্য ভালোবাসিনি
    ভালোবেসে ভালোবেসেছি।

    হঠাত্‍ রোদ, মেঘ, ব্ ষ্টি বা জোয়ার হয়ে
    এসে না আসার জন্য আসিনি।
    অবিশ্বাস শুষে বা কথামালায় পিষ্ঠ করে
    বিশ্বস্ত হবার জন্য বিশ্বাস করিনি।
    বুকের চাদর বা কোমর ফিতা ছুয়ে

    প্রভাবশালী কেডার ও মধু বিক্রেতা


    আজ আমার মনটা খুবই খারাপ এত নোংরা দেশে আমি বসবাস করি।
    জুমার নামাজ শেষে আব্বু একটা থলেতে করে কি যেন এনে আমার সামনে রাখল।
    নে খেয়ে দেখতো বাবা আসল মধু কিনা?
    ওয়াও মধু!খেতে আমি ভীষন ভালবাসি হাতটা ধুয়ে থলে থেকেই চাটা শুরু করলাম।বাবা বললেন কেমন পিওর তো।আব্বুর অবস্থা কাহিল ডায়াবেটিস হওয়াতে বেচারা খেতে পারছে না।আমি তো খেয়েই চলেছি।আব্বু এতো কম আনলে যে খুব স্বাদ একদম খাঁটি মধু।আব্বু বললেন হ্যাঁ লোকটা তাই বলছিল খাঁটি মধু।তুই খা আমি

    আমি ও সুশান্ত(যৌনতার ডালপালা)...


    মনে করো সুশান্ত
    বসে আছি পাশে খুব বেশী কাছে
    এতোটা কাছে যে হাতে হাত
    মনে মন মিশে খুব বেশী একাকার!
    ঘাড়ের গহীনে গরম নিশ্বাস;
    ধুয়ে দয়া নিয়ে যায় ঘৃণা
    প্রেম জাগে মনে!

    আশারফুলের ম্যাচ ফিকসিং


    ভাইপো; হন্তদন্ত হয়া; ছুটি আসি কলোঃ- এ কাহা, দেখিচ্ছু; এ- আশার ফুল কলাম; আমাগের; মান-ইজ্জত ডুবাইছে

    আমিঃ- ক্যানে? কি হয়েছেরে?

    ভাইপোঃ- কাহা; ম্যাচ ফিকসিং করিছে আশারফুল, আমাগের; দেশ বেইচে দিসে।

    আমিঃ- কইস কি!! তা; কনে পড়িছিস এ খবর!

    সময়ের গতিবেগে সাময়িক ঘটনা গুলো যেন পিছনেই পরে গিয়েছে।


    যখন কোন ঘটনা ঘটে মিডিয়া সহ সকলের দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু থাকে সেগুলো কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় তা দৃষ্টিগোচর হয়ে যায়। মিডিয়া গুলোও তা নিয়ে প্রচার প্রচারনা বন্ধ করে দেয়।

    ২০১২ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় খুন হয় সাগর-রুনী সাংবাদিক দম্পত্তি। সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনী ছিলে খ্যাতিমান দুই সাংবাদিক। এই সাংবাদিক দম্পত্তির খুনের ঘটনা নিয়ে প্রথম অবস্থা মিডিয়া গুলোর নানা প্রতিবেদন থাকলেও বর্তমানে তা নেই বললেই চলে। এযেন এক ছোট ঘটনা তাই ভুলে গিয়েছে সবাই।

    ভালবাসার শীতলতা-উষ্ণতা


    উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে সান-ফ্রান্সিস্কোতে শহরের বাইরে এক মধ্যবয়স্ক দম্পতি বাস করত।তাদের নাম আলেক্স এবং সেলিহা। তাদের একটি মেয়ে ছিল -নাম মারটিনা। আলেক্স এবং সেলিহা তাদের বাড়ির পাশে সবজির চাষ করে অর্থ উপার্জন করত। এক শীতে তারা তাদের এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাবে বলে ঠিক করল। ওই আত্মীয়ের বাড়ি সেখান থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দূর ছিল।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর