নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • পথিক রাজপুত্র
    • মোঃ হাসানুল হক ...
    • এফ ইউ শিমুল
    • বিপ্লব পাল
    • দিন মজুর
    • নুর নবী দুলাল
    • সাম্যের সাধক

    নতুন যাত্রী

    • আহসান_পাপ্পু
    • অন্ধকারের শেষ প...
    • রিপন চাক
    • বোরহান মিয়া
    • গোলাম মোর্শেদ হিমু
    • নবীন পাঠক
    • রকিব রাজন
    • রুবেল হোসাইন
    • অলি জালেম
    • চিন্ময় ইবনে খালিদ

    অস্পৃশ্য ভালবাসা


    ১. পাড়ায় রাস্তার পাশে চার পাঁচটা ছেলে প্রতিদিন বিকেলে দাঁড়িয়ে আড্ডা মারে। এই ছেলেগুলোর মধ্যে নেতা গোছের একটা ছেলে দেখা যায় । নাম হল রিগ্যান । নেতাই বটে সে । পাড়ায় ভাল, খারাপ সব ধরনের কাজে যথেষ্ট সুনাম আছে ওদের । দুর্নামও কম নেই । তাই পাড়ার কিছু মানুষের কাছে তারা খারাপ ।

    খারাপ হলেও লেখাপড়ায় দুর্দান্ত তারা। এখানেও নেতা রিগ্যান । সবাই কলেজের ছাত্র । গত বছর এস এস সি পরীক্ষায় গোল্ডেন পেয়েছে । দুষ্টামি করলেও খুব ভাল সে । পাড়ার অনেকেই তাকে পছন্দ করে ।

    যারা তাদের পছন্দ করে না তাদের মধ্যে ঘোরতর একজন হল অধরা । সেদিন খেলতে গিয়ে বল পড়ে তার রুমের জানলার কাঁচ ভেঙে যায় । সেই থেকেই তার দুচোখের বিষ ।

    নিছকই কল্পনা, অথবা ভয়াংকর কোনো বাস্তবতা


    ঘড়ির কাটা জানান দিচ্ছে পৌনে ৮টা বেজে গিয়েছে। নিশির এখনো হয়নি। নাশ্তার টেবিল এ বসে আবিদ ভাবলো আজ অফিস এ জেতে সত্যিই অনেক দেরি হয়ে হয়ে যাবে, তার উপররাস্তার জ্যাম রয়েছে। আর নিশির ই বা হলোটা কি? ওর ত কখন দেরি হয়না! পেপারের হেডলাইন গুলো দেখতে শুরু করলো সে। সাধারণত অফিসে যাওয়ার পথে গাড়িতে বসে এই কাজটা করে। আরো একবার ঘড়ির দিকে তাকালো আবিদ।
    অবশেষে ঘর থেকে বেরুলো নিশি। ওকে একটু চিন্তিত দেখাচ্ছে। কি হয়েছে, জিজ্ঞেস করতেই বললো,

    মাননীয় চোতনা আমি স্পীকার হয়া গেলাম


    আজ দুপুরে বৃষ্টির মধ্যে ভিজতেছি।মনের সুখে ভিজতেছি।আশে পাশে কোথায় কে তার খেয়াল নাই।আমি নাচা-নাচি শুরু করছি বিভিন্ন ভঙ্গিমায়(মাইকেলজ্যাকসন বাঁচি থাকলে আমার ভঙ্গিমা দেইখা নির্ঘাত তার হার্ট এটাক করতো)।
    গায়ের টি-শার্ট খুললাম,টি-শার্টটা লর্ডস এ সৌরভ গাঙুলি স্টাইল এ উড়াইলাম।তারপর গেন্জি টা খুললাম,তারপর প্যান্ট খুললাম(চিন্তার কোন কারণ নাই ভেতরে ফুটবল খেলার বিশাল সাইজের হাফ-প্যান্ট ছিলো)।
    এবার ছাদ এ গড়াগড়ি দিতাছি পানির মধ্যে কাতলা মাছ স্টাইল এ।
    হঠাত্ করি খেয়াল করলাম আমার সামনের বাসার মাইয়া দুইটা জানলা দিয়া হা করি তাকে আছে।ওরা এতক্ষন আমারে দেখতাছে আর আমি খেয়াল করি নাই হায় কপাল,কপাল এর নাম গোপাল

    চুমু চাই দেবী


    নিঃসঙ্গ রাতে একা যখন
    যাই আমি ঘুমুতে
    হঠাত্‍ করে এসে তুই
    ভরিয়ে দিস আমায় চুমুতে ।

    টপাটপ কয়েকটা দিস গালে
    আর কয়েকটা ঠোঁঠে
    সারা শরীরেই তোর চুমুগুলো ছড়িয়ে দিস
    বেশি না,কয়েক'শ মোটে ।

    সেচ্ছাচারী রাজনীতি


    ছেড়া স্যান্ডেল আর কাঁদা পানির মাধুর্যতায় প্রতিনিয়ত বিকশিত হয় আমার নাগরিক জীবন,
    তার সাথে মিশে আছে আমার ঘোলা চাঁদ
    আমার কামুকতা আর নিষিদ্ধ নারী ।
    সাম্রাজ্যবাদী বর্ষণের জল
    ধারা উপচে পড়ে আমার দেহের ভিতর
    ওপারের নিষিদ্ধ পল্লীর বেশ্যাদের
    টগবগে যৌবনে বিমোহিত হয় এ পাড়ের নাগররা ..

    পেনসিলে আঁকা পরী


    পরী, কেমন আছিস তুই?
    কাল ছিল ২৩ জুন
    আকাশে মস্ত একটা চাঁদ উঠেছিল।
    পূর্ণিমার চাঁদ দেখলেই
    তোর কথা মনে পড়ে আমার।
    আমি বলতাম মিষ্টি কুমড়ার মত মস্ত চাঁদ
    তুই ক্ষেপে যেতি খুব। আমিও তর্কে জড়াতাম।
    চাঁদ যদি রুটির মত হয় মিষ্টি কুমড়ায় দোষ কি?

    একলা আকাশের রবি


    আমার একলা আকাশে রবির স্পর্শ অনুভব করছি।
    সেই রবি হয়তো ভোরের না হয় সাঁঝের হবে,
    কারন সেই রবি স্পর্শটি- আমাকে ঘামে সিক্ত করছে না।
    বরঞ্চ, প্রতি আলোক ঝাঁকে গায়ে লাগিয়ে দিচ্ছে হিম স্নিগ্ধতা।

    তুমিই যে সেই রবি তা কি বুঝতে পেরেছ ?
    তোমার সাথে মনের যোগে যে আমি কোমলতা পাই তা কি অনুভব করেছ?
    চারিদিক ছেয়ে গেছে নিস্তব্ধতায় ।

    ভুয়া বিদেশী সার্টিফিকেট এবং দায়িত্বশীল মহলের অদক্ষতা


    মো: মাসুদুল ইসলাম নামের এক ভদ্রলোক ভুয়া একটি সার্টিফিকেট বানিয়ে সেটা ফরেন মিনিস্ট্রি এবং বুয়েট থেকে ভেরিফাই করে চাকুরী করে যাচ্ছে দেশে এবং একটি কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার সে। (লাকী গ্রুপ, গুলশান-১; তার আগে এই লোক আনন্দতে ছিলো)

    দিপা মেহতার অখাদ্য


    আমি খুব মুভি পাগলা মানুষ।তথ্য নির্ভর মুভি আমার খুব পছন্দের।ডিসুম ডাসুম বা প্রেম আর প্রেম,অসম বিসম জিসম থেকে দূরে থাকি।গত সপ্তাহে দীপা মেহতার একটি মুভি দেখলাম যার নাম ছিল Midnight‘s children।আমার মুভি দেখার স্টাইল দেখে কেউ আমার সাথে মুভি দেখে আনন্দ পায় না অথবা আমি পাইনা।আমি গান বাদে একটি শব্দও টেনে দেখি না।আবার যে গান ভালো লাগে তা আবার টানি না।যে অভিনয় করছে সে কেমন জনপ্রিয় নায়ক বা নবীন প্রবীণ তা আমার কাছে মুখ্য নয়।বরং চেব্রা তেব্রা যে কেউ অভিনয় করুক আমার যায় আসে না।আমি দেখি তার পারফরমেন্স।যাই হোক মুখ এখানে মুখ্য নয়।মুভিতে দেখলাম কি?নন্দিত নিন্দিত সালমান রুসদির THE ACCLAED গল্প অবলম্বনে দীপা মেহতার MIDNIGHT'S CHILDREN কি মেসেজ দিচ্ছেন।

    একাকীত্বের নির্যাস


    কত রাত থেকেই আবছা তারাটা তনুর আঁধারে জ্বলে
    ধোঁয়ায় কালো ঘরে সূর্যও দু’চোখ আঁকড়ে ধরে,
    শরীরের তরল অংশ নেশার তুঙ্গে উঠে মাত্রা ছাড়িয়ে যায়,
    রাতজাগার পাগলামি হিমোগ্লোবিনকে সাদা করে দেয়,
    তবুও তোর ঘুম ভাঙ্গেনা।

    প্রবল হাসির কড়াঘাত অন্ধ করে রেখেছিল মাদকীয় অনুভবে
    ফিরতে গিয়েও হাত ছাড়তে চায়নি,
    শ্লীলতার সব শর্ত উপড়ে ফেলে টলে পড়ে নগ্ন বুকে

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর