নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • ফারুক হায়দার চৌধুরী
    • নরসুন্দর মানুষ
    • শিকারী
    • ফারজানা সুমনা
    • নুর নবী দুলাল
    • আবদুর রহমান শ্রাবণ
    • মওদুদ তন্ময়
    • অজল দেওয়ান
    • আল আমিন হাসান মৃধা

    নতুন যাত্রী

    • প্রলয় দস্তিদার
    • ফারিয়া রিশতা
    • চ্যাং
    • রাসেল আহমেদ
    • আবদুর রহমান শ্রাবণ
    • হিপোক্রেটস কিলার
    • পরিতোষ
    • শ্যামা
    • শিকারী
    • মারিও সুইটেন মুরমু

    ভোরের আচ্ছন্নতা


    স্নিগ্ধ ভোরে ঘুম থেকে উঠে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ি
    একটু একটু করে শিশির কুয়াশা জড়াবে
    আমি শিরশিরে অনুভুতিতে লীন হব
    আহ ! কি অদ্ভুত মাদকতাময় ভোর !

    বিবর্তনবাদ : আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তিমূল


    কিছুদিন আগে সুপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক ড.রুশো তাহেরের বিজ্ঞানের সাংস্কৃতিক বিনির্মাণে বইটি পড়ার সুযোগ হয়। লেখক দেখিয়েছেন যে বিজ্ঞান কেবল কাঠখোট্টা তত্ত্বের ভিতর সীমাবদ্ধ নয় ।বরং বিজ্ঞানের রয়েছে একটি সহজ স্বাভাবিক সৌন্দর্য । বিজ্ঞানর সাহায্য নিয়েই আমরা আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তিমূলে প্রবেশ করতে পারি । ইতিমধ্যেই বিজ্ঞানের অসাধারণ অগ্রগতির ফলে আমরা জেনেছি অনেক অজানা কথা , খুলে ফেলেছি দর্শনের অনেক রুদ্ধদ্বার । চেতনা , আমার আমিত্ব ইত্যাদি ব্যাখ্যার জন্য এখন আমাদের কাল্পনিক আত্মা নামক অনুষঙ্গের প্রয়োজন হয় না । বিজ্ঞানের দ্বারাই আমরা এখন অতি সহজ এবং স্বাভাবিকভাবে এসব ব্যাখ্যা করতে পারি । এখন কথা হচ্ছে বিব

    ধর্ম এবং রাষ্ট্র, দুইটাই কি ধ্বংশ হবে?


    ধর্ম নিয়ে লিখলেই হয়ে যায় ধর্ম অবমাননা ।এই অবমাননা জিনিস টা প্রকৃতপক্ষে কার গায়ে লাগে আমি আজ ও সেটা উপলব্দি করতে পারিনি ।ধর্ম তো একটা আপেক্ষিক বিষয়,সুতরাং যার 'গা' ই নেই তার তো গায়ে লাগার প্রশ্নই উঠেনা ।সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হল ইসলাম,কিন্তু আজ পর্যন্ত ধর্ম অবমাননার আঘাত রাষ্ট্রের গায়ে লেগেছে বলে রাষ্ট্র ও অভিযোগ করেনি ।অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় ধর্মকে পুজি করে যারা রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক বা সামাজিক ফায়দা লুটতে চায় তারাই কালে কালে ধর্ম অবমাননার আঘাতে আঘাত প্রাপ্ত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে ।

    ধর্ম বিশ্বাস ও আমাদের তরুন প্রজন্ম!


    সন্তানের প্রতি মায়ের ভালবাসা যেমন কোন যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না,ঠিক তেমনি ধর্মও এমন একটি বিষয় যা আপনি সব সময় যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারবেন না।
    আমি নিজে একজন যুক্তিবাদী ছেলে।কেউ কোন বিষয় বা মতামত উপস্তাপন করলে তা বিভিন্ন প্রশ্ন বা যুক্তিদিয়ে প্রমাণের চেষ্টা করি।
    কিন্তু আমাদের চারপাশে বিষয় রয়েছে যা আপনি সহজেই যুক্তি দিয়ে বা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তাকে অস্বীকার করতে পারবেন না।আমার মতে 'ধর্ম' এমন একটি বিষয় যা আমাদের অনেক যুক্তি ও প্রশ্নের উর্ধে উঠে বিশ্বাস করতে হয়।
    আমরা আমাদের নিজেদের প্রয়োজনে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ভাবে বিভিন্ন নিয়ম-কানুন,বিধি-নিষেধ তৈরী করে নেয়>>

    একটি কাল্পনিক তুলনা


    আওয়ামীলীগঃ "আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বাকশালী সরকার গঠন করতে চাই।"
    বিএনপিঃ "আমরা মেজর জিয়ার আদর্শে খাল কেটে কুমির আনতে চাই।"
    জাতীয় পার্টিঃ "আমরা এরশাদ এর আদর্শে গোটা দেশকে গ্রাম বানাইতে চাই এবং দেশে বহুবিবাহ আইন প্রবর্তন করতে চাই।"
    জামাত-ই-পাকিস্তানিঃ "আমরা কোরআন এর অপব্যাখা করে দেশকে বাংলাস্তান এ পরিনত করতে চাই।"
    হেফাজত-এ-জামাতঃ "আমরা কিছুই চাই না, আমরা কেবলমাত্র বোলগার(!) এর শাস্তি চাই।"
    আহলে সুন্নতঃ "আমরা এখন ক্যাশ চাই যাতে একটা ভুয়া ইস্যু নিয়ে হেফাজতে সুন্নত এ পরিনত হতে পারি।"
    অবশিষ্ট বামপন্থী দলঃ "লেনিন, স্তালিন, মাউ সে তুং, কমরেড, কমরেড......।"

    "হেফাজতের ১৩ দফা দাবি ও তার ব্যবচ্ছেদ..."


    হেফাজতের ১৩ দফা দাবি ও তার বিশ্লেষণঃ

    ১) "সংবিধানে ‘আল্লাহ্‌‌র উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন এবং কোরান-সুন্নাহ বিরোধী সকল আইন বাতিল করতে হবে।" == এখন দেখি বাংলার আমাদের মুসলমানদের ধর্ম রক্ষার জন্যে মুসলমানদের সংবিধান কোরান শরীফের সম্পূরক সংবিধান করতে হবে। এটা স্পষ্টত আমাদের মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতির প্রতি অবজ্ঞা। এই দাবী ৯০% মুসলমানের বিশ্বাসের প্রতি চপেটাগাত। রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্যেই এই দাবী। যখনি কেউ কলেমা পরে মুসলমান হয় তখন-ই এই কাজ হয়ে যায়। রাষ্ট্রীয় সংবিধান কি লিখল, কি বলল তাতে আমার ধর্ম বিশ্বাসের কিছু যায় আসে না।

    রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপ-বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত, সুন্দরবনকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা মাত্র।


    সুন্দরবন ধ্বংসের পাঁয়তারা করা হচ্ছে,এই কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে। “ সরকার এমন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে যার ৮৭ ভাগ মালিকানা থাকবে ভারতের হাতে। এই প্রকল্পের কয়লা কিনতে হবে ভারতের কাছ থেকে প্রতি টন ১৭৩ ডলার দামে যেখানে বাংলাদেশের বড়পুকরিয়ার কয়লার দাম প্রতিটন মাত্র ৮৪/৮৫ টাকা। এই কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনতে হবে ১৪/১৫ টাকায় যেখানে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ২ টাকা মাত্র। অর্থাৎ এ প্রকল্প অর্থনৈতিক দিক থেকে আমাদের জন্য মোটেই লাভজনক হবে না। বরং এ বিদ্যুৎকেন্দ্রর কারণে সুন্দরবন ধ্বংসের মুখে পড়বে।” কারন সুন্দরবনের পাশেই

    তবু ভালবাসা নয়


    আজকাল আর কোন কিছুই তেমন ভাল লাগছেনা,
    না প্রেম, না পরিনয়,
    না অরুনিমা, না বিছানা।
    সব কিছুতেই এক উদ্ভট বালখিল্যতা
    সরল সুবোধ রাখীর কোমল হাতখানি আর
    কিছুতেই কাছে টানেনা।

    পারমাণবিক অস্ত্র। পর্ব ১- ভারত


    বিশ্বে পারমানবিক অস্ত্রধারী মোট ৯টি দেশ আছে। তারা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, চায়না, ভারত, পাকিস্তান, ও উত্তর করিয়া। এর মধ্যে শুধু ইসরায়েল তাদের দেশে পারমানবিক অস্ত্রের উপস্থিতি স্বীকার করেনি।
    পারমানবিক অস্ত্র নিয়ে এই সিরিজে আমি প্রতিটি দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করব। প্রথমে শুরু করব আমাদের প্রতিবেশী ভারতকে দিয়ে।

    স্মাইলিং বুদ্ধা ও পারমাণবিক কর্মসূচীর ইতিহাস

    নবকালের নবদায়ঃ হরেক নব সম্প্রদায়... (পর্ব-২)


    গতকল্য কথা দিয়াছিলাম, আজিকে এই লেখা খানা শেষ করিব। কিন্তু, যাহা বুঝিলাম; একাডেমিক চাপে থাকিয়া যাহা মন চায় তাহা লিখিবার ফুসরত কম বই বেশি নয়। কিন্তু উপায় নাই গোলাম হোসেন, ধরিলে শেষ না করিবার উপায় কোথায়। গতকল্য বলগারি লইয়া কিঞ্চিৎ খোঁচা মারিবার চেষ্টা করিয়াছিলাম। আজিকে হেফাজতি সম্প্রদায় লইয়া কিঞ্চিৎ আউট অফ বক্স ভাবিবার চেষ্টা করিব।
    কাঁঠাল গাছে ঝুলছে ডাব, হেফাজতের আবির্ভাব

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর