নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • মোঃ হাসানুল হক ...
    • এফ ইউ শিমুল
    • বিপ্লব পাল
    • দিন মজুর
    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • আহসান_পাপ্পু
    • অন্ধকারের শেষ প...
    • রিপন চাক
    • বোরহান মিয়া
    • গোলাম মোর্শেদ হিমু
    • নবীন পাঠক
    • রকিব রাজন
    • রুবেল হোসাইন
    • অলি জালেম
    • চিন্ময় ইবনে খালিদ

    সেই উত্তাল স্লোগানগুলো ... (সমগ্রের প্রয়াস)


    জয় বাংলা
    জয় বাংলা

    জ্বালো জ্বালো,
    আগুন জ্বালো।
    জ্বালো জ্বালো জ্বালোরে জ্বালো,
    আগুন জ্বালো, আগুন জ্বালো।
    রাজাকারের গদিতে,
    আগুন জ্বালো একসাথে।
    রাজাকারের আস্তানা,
    জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও।

    উত্তরাধিকার # ৭ম পর্ব


    আলোকোজ্জ্বল পরিবেশ থেকে হঠাত করে অন্ধকার পরিবেশে এসে থমকে গেল রুমন। প্রথমে কিছুই চোখে পড়ল না। অল্প সময় পরেই অবশ্য আবছাভাবে চারপাশটা দেখা গেল। এই মুহূর্তে বদ্ধ একটা রুমে সে দাঁড়িয়ে আছে। অনেক উপরে ছোট একটা ভেন্টিলেটর দিয়ে আলোর আভাস দেখা যায়। সম্ভবত মাটির নিচের কোন কক্ষ এটা। কিন্তু সে তো এইমাত্রই অ্যাংলো ইন্ডিয়ান মহিলার কক্ষ থেকে আসল। ঘটনাটা কি? রুমনের সবকিছু তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। নাহ, মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। তাঁর কেন জানি মনে হচ্ছে এই বাড়ির রহস্য ভেদ করার দ্বারপ্রান্তে সে দাঁড়িয়ে আছে। জাস্ট কিছু ক্লু দরকার।

    দেশপ্রেমিক সমাচার


    কিছুমাস আগে রবির দেশপ্রেমিক সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের একাংশে দেখলাম কিছু ফাজিল বখাটে ছেলে দুটো মেয়েকে ইভটিজিং করছে.
    আর পিছন থেকে কোন এক রবির দেশপ্রেমিকের নেটওয়ার্ক ব্যবহারকরা অজ্ঞাত X দায়িত্বশীল দেশপ্রেমিক উত্যক্ত করার দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করে ফেসবুকে আপলোডকরে দেয়.
    ফলাফল ঐ বান্দর একটার বাসায় ভিডিওটি ফেসবুকের মাধ্যমে চলে যায় এবং তাঁকে কুকর্মের জন্য বাপ কর্তৃক ছাতাপিটা সহ্য করতে হয়.এই বিজ্ঞাপনে ক্রেডিট নিল দুজন,একজনদেশপ্রেমিক (পদ্মা আবুলসাহেব না) আরেকজন রবি তথা তাঁদের দ্রুতগতিরইন্টারনেট.
    এইবার বাস্তবজীবনে একটু আসল রঙে,ব্যতিক্রমী ঢঙে ব্যাপারটা দেখা যাক.

    কুষ্ঠরোগ নিয়ে ধর্মের 'চুদুরবুদুর' আর বিজ্ঞানের জয়।


    কুষ্ঠরোগ(leprosy), মানব ইতিহাসের প্রাচীন তিনটি রোগের একটি । বাকি দুইটি হল সিফিলিস এবং স্মল পক্স।
    বিভিন্ন ধর্মে এই ‘কুষ্ঠ’রোগকে তুলে ধরা হয়েছে , সৃষ্টিকর্তার অভিশাপ হিসেবে । ধর্মের এই দোহাই দিয়ে প্রাচীনকাল থেকে, এই রোগে আক্রান্ত’দের সাথে আমানবিক তথা ‘পশুসুলভ’ আচরণ করে এসেছে ‘সভ্য’ মানুষেরা । এইক্ষেত্রে ধর্ম এটাকে শুধু একটা ‘অভিশাপ’ বলেই বসে থেকেছে, এর নিরাময় করতে পারেনি। ধর্মের এই সীমাবদ্ধতায় প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে গেছে যে ধর্ম কতটা ‘অসাড়’ ।
    হাজার জিকির অথবা প্রার্থনার মাধ্যমে আদৌ এর নিরাময় সম্ভব না হলেও বিজ্ঞানের হাত ধরে উঠে এসেছে প্রাচীনতম এই রোগের প্রকৃত কারণ এবং নিরাময় ব্যবস্থা।

    স্মৃতিচারণ.....


    ফেলে আসা অতীত,
    ভূলে যাওয়া স্মৃতি,
    হঠাত্‍ স্মৃতিচারণ !

    আগ্রহী হৃদয় পিছু ফিরল,
    সেই ছেলেবেলায়...
    কাঁদামাটির স্পর্শে সবুজে বিচরণ !

    অসম্ভব ইচ্ছায় বিভোর,

    ইচ্ছের রংধনু


    ইচ্ছেরা আজ রংধনু হয়ে গেছে
    রঙ এর ছটায় আমাকে রাঙাতে চায়
    আমি তাদের সাথে লুকোচুরি খেলে যাই
    ইচ্ছের বাতাসে মাতাল হতে ভয় পাই ।।

    ইচ্ছেরা বড় দুরন্ত বড় ছটফট করে
    হরেক রঙের সম্ভারে সে সাজানো
    বিবর্ণ হতে চায় না তারা
    চায় রঙিন হয়ে বাঁচতে ।।

    মতি দ্য পু ম্যান


    প্রথম আলো একটা প্রস্টিটিউট পত্রিকা ।

    সফলতার আগ পর্যন্ত লাথি মারা আর সফলতা পাওয়ার পর পাও চাটা ; ব্যক্তিগত জিবনে প্রেমিকার এহেন লুলু আচরণের শিকার হয়েছেন অনেকেই । ব্যাপারটা পুটুর আলোর ক্ষেত্রেও সত্যি । আপনার প্রেমিকা নাহয় দুই মুখখা সাপ ছিল কিন্তু এই পুটুর আলো যে কয় মুখখা সাপ তা নিজেরাও জানেনা । যে যখন ক্ষমতায় মুখ দেই তার ..য় । তারপর দেখলাম ক্রিকেটে । এখন ফুটবলে ।

    একটি কবিতা


    আমাকে দেখে হাসছ তুমি
    ভাবছো নিজের কথা,
    বুঝবে কি করে
    এ বুকে কত জমা আছে ব্যাথা?

    এ বুকটা চিঁড়ে দেখাব?
    নাহ থাক ভয় পাবে।
    নাকি ভয়টাও জয় করে নিয়েছো
    এক হৃদয়হীন পিশাচিনীর মত?

    আমি কোনো গবেষক নই


    আমি কোনো গবেষক নই,
    যে তোমাকে ভালোবাসার
    আভ্যন্তরীণ ব্যাখ্যা খুঁজব ।

    আমি এক নেলাখেপা,
    যে রাজা সেজে
    নৈঋত-কোণ ভ্রমণ করে ।
    যে নেয়ে হয়ে সমুদ্রে,
    নোনা মাছ সম সাঁতার কাটে ।

    দেশপ্রেমিক


    ক'দিন ধরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে,আকাশচ্যুত পানির দল নিচু উঠোনে হাঁটু অবধি জমে আছে,গ্রীষ্মের ধুলোর খেলাঘরে কাঁদার আগ্রাসন চলছে,নামার জো নেই।
    দাওয়ায় বসে লাউমাঁচার ফাঁক দিয়ে উকিঁ মেরে পেঁপেগাছটা দেখার চেষ্টা করছে করিমন,ছোট-বড় কয়েকটা পেঁপে দেখা যাচ্ছে।পাশের হিন্দুবাড়ির বাচ্চাগুলোর যন্ত্রণায় গাছের ফল দেখার সৌভাগ্য তার কালেভদ্রে হয়।এবার বাচ্চাগুলো নেই,কিছুদিন আগে গ্রামের অন্য হিন্দু পরিবারগুলোর মত এদের পরিবারটাও সরে পড়েছে।কানাঘুষা চলছে,দেশে নাকি যুদ্ধ শুরু হয়েছে।
    হোক,তাতে তার কি,ওসব রাজা-রাজড়া দের কারবার,করিমন ভাবে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর