নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নিহত নক্ষত্র
    • সৈয়দ মাহী আহমদ
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • কাঙালী ফকির চাষী
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • দ্বিতীয়নাম

    নতুন যাত্রী

    • ফারজানা কাজী
    • আমি ফ্রিল্যান্স...
    • সোহেল বাপ্পি
    • হাসিন মাহতাব
    • কৃষ্ণ মহাম্মদ
    • মু.আরিফুল ইসলাম
    • রাজাবাবু
    • রক্স রাব্বি
    • আলমগীর আলম
    • সৌহার্দ্য দেওয়ান

    পথশিশুদের পুনর্বাসন ভাবনা


    আজ আলোকিত বাংলাদেশ নামক এক পত্রিকায় 'চাই পথশিশুদের জন্য আলাদা নীতিমালা' নামের একটা শিরোনাম দেখে প্রতিবেদনটা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম।পড়ে ভালো লাগলো।৬জুলাই দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের কার্যালয়ে আহ্ছানিয়া মিশনের উদ্যোগে আয়োজিত হয় 'বাংলাদেশের পথশিশু ও তাদের পুনর্বাসন ভাবনা' শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা।এই আলোচনায় অংশ নিয়েছিল পথশিশুদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থার কর্তাস্থানীয় ব্যাক্তিবর্গ।তারা জানিয়েছে তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডের কথা এবং পথশিশুদের পুনবার্সনে কী করণীয়।পথশিশুদের পরিসংখ্যানের দিক থেকে মতবিরোধ আছে।ধারণা করা হয় ১৩ লাখের বেশী পথশিশু রয়েছে।কিন্তু সরকার এই পরিসংখ্যানে অঞ্জ।যাই হোক এই পথশিশুরা কিন

    রেজা ভাইয়ের গবেষনা


    অনেক কষ্ট করে গবেষনা করে আমি একটি সত্য আবিষ্কার করেছি।এটা সবাইকে জানানো আমার কর্তব্য।কোন ভুল হলে দয়া করে দেখিয়ে দিবেন।ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।ক্লাস চলাকালীন সময়ে ছাত্ররা -
    (-_-) (-_-) (-_-) (-_-) (-_-)(-_-)
    (-_-) (-_-)
    শিক্ষক যখন বলে আগামীকাল
    পরীক্ষা -
    (O_O) (O_O) (O_O) (O_O)
    (O_O) (O_O)
    পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে -
    (→_→) (←_←) (→_→)
    (←_←) (→_→) (←_←)

    ঈদে বিধর্মীর ঘুরবার অধিকার নেই, তবুও তোমাদের ঈদের শুভেচ্ছা এই বিধর্মীর পক্ষ থেকে । এতেও কি অধর্ম হবে! ( পড়ে দেখার অনুরোধ)


    আগামীকাল ঈদ সবাইকে আগেই ঈদের সুভেচ্ছা দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু আমি তো হিন্দু আপনাদের কি ঈদের শুভেচ্ছা দিতে পারবো? আমি তো বিধর্মী আমার সাথে কি আপনি কোলাকোলি করে আপনার আনন্দ টুকু ভাগ করে নিতে পারবেন? – হ্যাঁ এখন এমন ই সন্দেহ হচ্ছে একটি ছোট্ট ঘটনার পর।

    কিছুদিন আগে আমার স্কুলের বন্ধুরা মিলে এক ইফতার পার্টির আয়োজন করি। মূল দায়িত্ব ছিল আমার এক বন্ধু। নাম তার কল্লোল। ওর কথায় আমি ওকে সেই পার্টির এরেজঞ্জমেন্ট এ সহায়তা করি। তখন ও আমার মনে হিন্দু মুসলিম ভেদাভেদ নেই। পার্টিতে অনেক মজাও হল। অনেক ছবিও তুললাম আমরা।

    দুটি কবিতা


    এক
    মফস্বলের কোন এক কিশোরীকে আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম-
    ‘তোমার হৃদয়ের উল্টোপিঠে কোন শুন্যস্থান আছে কি ?’
    কলেজের চৌহদ্দিতে পা রাখা কিশোরীটি প্রতিউত্তর করেছিলো-
    ‘হৃদয় বলতে তোমরা কি বোঝ আমি জানিন না ।
    তবে; ভেনেটি ব্যাগের কয়েকটি প্রোকষ্ঠকে আমরা হৃদয় বলি
    তুমি কি সেই হৃদয়ের শুন্যস্থানের কথা বলছো ?’
    কাধেঁ ঝুলে থাকা হৃদয়ের ভার আমি বইতে পারিনা
    ওতে কেবল বোগলের দামি পারফিউমের ঘ্রাণ চুয়ে পড়ে।

    তুই আর আমি


    মেঘ নিবি?নাকি রোদ?
    শিশিরে ভেজা ঘাস;
    আবছা আলো?বাসের হর্ন;
    দেখ কত ঠাণ্ডা আজ;
    ঘন নীল তোর ওড়না!
    এটা চা-বাগান!

    ওই দেখ নীলচে রেখা,
    ধুর পাগলী!ওটা নদী!

    ধর্ম যেন মানুষ মাপার নিক্তি না হয় ...... সংগৃহীত একটা পোষ্ট


    আগুনের ধর্ম কী ?

    বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান-হিন্দু না মুসলমান ? আগুন পোড়ায় । চারদিক থেকে পোড়ায় । এটাই তার ধর্ম । আগুন থেকে সতর্ক হওয়া তাই বাঞ্চনীয় । ধর্মের আগুন যখন বৌদ্ধের ঘর পোড়ায়, মন্দির পোড়ায়, মুসলমানের আনন্দে বিগলিত হবার কিছু নেই । মুসলমানের মসজিদে যদি আগুন দেয়া হয়, মুসলমানের বাড়িতে যদি আগুন দেয়া হয়, মুসলমানের অনুভূতি কী হবে ? সেই অনুভব -উপলব্ধি অন্যের বেলায়, অন্য ধর্মালম্বির বেলাতে জাগ্রত থাকা কল্যাণকর । নইলে ধর্মের আগুনে পুড়ে যাবে সমাজ এবং মানুষ ।

    প্রজেক্টঃ নতুন জামা সফল। নতুন জামা পড়ে ঈদ করবে দুই শতাধিক পথশিশু। (একটি জীবন্ত গল্প)


    পৃথিবীতে যুদ্ধ শেষ, বন্ধ সৈনিকের রক্ত ঢালাঃ
    ভেবেছ তোমার জয়, তোমার প্রাপ্য এ জয়মালা;
    জানো না এখানে যুদ্ধ- শুরু দিনবদলের পালা।।

    সুকান্ত ভট্টাচার্য

    সময়ের আর্তনাদ



    ১।
    দৃষ্টির বিচ্ছেদ;
    অবচেতন মনে অবাঞ্চিত বাসনা,
    হটাৎ নয়ন অভিমুখে কারো আবির্ভাব;
    মুহূর্তেই উজ্জীবিত হয়ে আলোর মাঝে আড়মোড়া দিই।

    ধর্ষিত 'তিথি' ও একটি প্রশ্ন


    তিথি--আমি আপনার ছোট বোনের সমান হব, আমাকে ছেড়ে দেন। আমাকে বাসায় যাইতে দেন। আমাকে এইরম কইরেন না। আমার বয়সটাও এত বেশী না। আমি অনেক ছোট একটা মেয়ে।
    ধর্ষক—তুই বোনের নাম নিস না, আমার মায়ের নামও নিস না, তাইলে তোরে মাইরা ফেলব আমরা।
    তিথি—আমাকে এত কষ্ট না দিয়ে আপনি এক কাজ করেন, আমাকে মাইরা ফেলেন। গলায় চিপে দিয়া মাইরা ফেলেন।
    ধর্ষক—না, তোরে তো মারলে ‘Enjoy’ কইরা মজা পাব না। জিন্দা মানুষের সাথে মজা করার মাঝে আর মরা মানুষের সাথে মজা নাই।

    হয়‘ত সম্ভব, কারণ জারজ বলে কথা


    আজকাল যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোষর‘রা গলা ফাটিয়ে চিৎকার করছে, ঈদের পরে নাকি কঠিন আন্দোলনে যাবেন। তো আন্দোলন‘টা কিসের ? বিএনপি‘র কন্ঠে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর অবৈধ জন্মের খ্যাতি অর্জনকারী যুদ্ধাপরাধী রাজাকারের দল পাকিস্তানী দালালেরা তাদের জন্মের বৈধতা পাওয়ার জন্য আন্দোলন।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর