নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • নাসিম হোসেন
    • মিঠুন সি দাস
    • সংবাদ পর্যবেক্ষক

    নতুন যাত্রী

    • নওসাদ
    • ফুয়াদ হাসান
    • নাসিম হোসেন
    • নেকো
    • সোহম কর
    • অজিতেশ মণ্ডল
    • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
    • অ্যালেক্স
    • মিশু মিলন
    • আগন্তুক মিত্র

    কি ছিলাম আর কি হলাম???


    পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে গণতন্ত্রকে কখনই স্থিতিশীল হতে দেওয়া হয়নি।তার জন্য প্রথম থেকেই সোচ্চার হয়েছিল এই বাঙ্গালী জাতি।১৯৫৮ সালে সেনাপ্রধান আইয়ুব খান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের যে প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন এবং বাঙ্গালী জাতিকে শাসন ও শোষণের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত করবার জন্য যে স্বৈরতন্ত্রের পত্তন করেছিলেন তার বিরুদ্ধে বাংলার জনগণ দীর্ঘদিন রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম করেছিল।

    নষ্ট দিন-রাত্রি


    আস্থাহীন সব দিন-রাত
    বয়ে নিয়ে চলছে এ সমাজ
    নষ্ট রাতের অজুহাত দেখিয়ে
    তুমিও পার পেয়ে যাচ্ছ আজ ।

    দাহকালের আগুনে পুড়ে গেছে
    সব মানবিক সংঘ-পরিষদ
    হরেক রকম মুখোশের ভিড়ে তুমিও
    নিজেকে খুঁজে ফিরছো প্রতি রাত ।

    লাভ-ক্ষতি আর সুদ কষার ছকে
    কেটে যাচ্ছে স্বার্থপর সময়
    আগুন ঝরা সব স্লোগান
    থেমে গেছে হীম শীতল মৌনতায় ।

    বঞ্চিত সেই মুখয়বগুলি
    তোমার বিবেককে আর পোড়ায়না
    হাহাকার ভরা সেই কবিতাগুলো
    রক্তে আগুন ধরায় না ।
    সীমাবদ্ধতার বেড়াজালে নিজেকে
    বন্দী করেছ তিলে তিলে
    স্রোতের শ্যাওলার মতো
    গা ভাসিয়েছ ঘোলা জলে ।।

    তবুও হাঁটছি সেই চেনা পথে
    যে পথে হেঁটে গেছে আলোর যাত্রী

    জয় আমাদের হবেই ।


    আমরা হতাশ হইনা, আমরা ধৈর্য হারা হইনা । কারন আমাদের শরীরে শহীদের রক্ত, আমাদের প্রেরনা শহীদ জননী । এ রক্ত পরাভব মানতে জানেনা । আমাদের আবেগ, আমাদের চেতনাকে নিয়ে অনেকে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে চাইছে এবং চাইবে । শহীদ জননীর মৃত্যুর পর তাঁর আন্দোলনকে নিয়ে অনেক মহল ঘৃন্য রাজনীতির খেলা খেলেছে । আর সে ঘৃন্য খেলার কারনে সেই আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছিল । আরো কিছু কারন ছিল সে আন্দোলন ব্যর্থ হবার পেছনে, সঠিক ব্যক্তির সঠিক নির্দেষনা ছিলনা । অনেকে রাজনৈতিক সুবিধা নিয়েছে সে আন্দোলন থেকে । তবে এর সবই ঘটেছে শহীদ জননীর ক্যানসার এর কারনে অসুস্থ হয়ে যাবার পর এবং তাঁর মৃত্যুর পর । আমাদের এই গণ আন্দোলনও সেই পরিন

    মলদ্বার


    খালেদা বলেছেন, শাহবাগের এই সমাবেশ স্বাধীন বিচার ব্যবস্থায় চরম আঘাত হেনেছে । তার এই শুনে অনেকদিন আগে লেখা একটা কবিতা মনে পড়লো............।

    মলদ্বার
    (উৎসর্গ, শাসকশ্রেণীর প্রতিনিধিদের)

    খাদ্য যখন অপরের শ্রম
    পরিণতি গন্ধযুক্ত মল ।

    আমার মলদ্বার দেখার ইচ্ছে-----

    কষ্ট করে আয়না আনি
    নিরিবিলি কপাট টানি ।
    ছি ! যাচ্ছে তাই উঠানামা
    জোড়ালো তার আঁকড়ে ধরা
    বিচ্ছিরি তার নির্গমন।
    ছি !!!

    উঠে আসে আয়না হাতে
    পজিশন নেয় মুখের সামনে
    একি !
    মলদ্বার যে হাসতে জানে !
    নাকের নিচে লোমের মাঝে
    ঢের বিষাক্ত নির্গমন পথ
    হা হয়ে তাকিয়ে হাসে ।

    এবার কোন কপাট নেই
    আব্রু আটার বালাই নেই

    ঈশ্বরের সন্ধান পেয়েছি// কবিতা।


    কবিতা :
    ঈশ্বরের সন্ধান পেয়েছি
    মোবারক হোসেন রুবেল

    আমিও ঈশ্বরে পূজা করি
    তাঁকে অগাধ বিশ্বাসে বিশ্বস্ত রাখি।

    আমি মসজিদ চিনি না,
    আমি মন্দির চিনি না।
    চিনিনা কাবা কিংবা গীর্জা
    তার কোনোটিই চিনি না,
    আমি শুধু তাঁকেই চিনি
    পরম ঈশ্বকে।

    আমি তাঁকে মসজিদে খুঁজেছি,
    প্রত্যেক গম্বুজে, প্রত্যেক সারিতে-
    অজুখানায়, কোথাও তাঁকে পাইনি।

    মন্দিরের ঘন্টায় খুঁজেছি,
    খুঁজেছি প্যাগোডায়,
    কোথাও না পেয়ে খুঁজেছি গীর্জায়-
    তবুও তাঁকে পাইনি।
    পরম ঈশ্বরকে।

    খবর পাঠিয়েছি উত্তরে,
    দক্ষিণে সাগর স্বাক্ষি,
    পূবে উঠা সূর্যকে-
    এমনকি পশ্চিমের গোধূলীতেও,
    তাঁর কোন খোঁজ মেলেনি।
    আমি তাঁকে খুঁজে পাইনি।

    দিস ইজ নট অ্যা মকারি, বাট হকারি !


    লাগ ভেল্কী লাগ, চোখে মুখে লাগ । ঐ কাল নাগিনীর বিষের দোহাই, চোখে মুখে লাগ ।

    বড় বড় দাদা ভাইরা, হাতের মুঠ খুলে দাঁড়ান । ছোট ছোট খোকারা দাগের বাইরে গিয়া খাড়াও ।

    এই এক্ষুনি শুরু হবে, নাগিনীর নাচ । এখুনি দেখতে পাবেন, বেহুলা লক্ষিন্দরের বাসর ঘর । এখুনি দেখতে পাবেন, সাপ আর বেজীর তুমুল লড়াই । দেখতে পাবেন, কিভাবে বেজী একটা সাপের কামড়ে মারা যায়, আবার পরে সেই সাপই বেজীকে জীবন্ত করে তোলে !

    না দাদা, কোন টাকা পয়সা লাগবে না । আমি মানুষ কে আনন্দ দেয়ার জন্য খেলা দেখাই । এটা আমার পেশা না, এটা আমার নেশা ।

    ৫ বছরের অসমাপ্ত ক্যাম্পাস জীবন আমাকে অনেক কিছু দেখিয়েছে....


    জীবন কখনও থেমে থাকে না| তবে হ্যা, মাঝে মাঝে থমকে যায় কিছু সময়ের জন্য|

    ৫ বছরের অসমাপ্ত ক্যাম্পাস জীবন আমাকে অনেক কিছু দেখিয়েছে| প্রিয় কিছু মানুষকে বদলে যেতে দেখেছি| সব থেকে কাছের মানুষটাকে হরিয়ে যেতে দেখেছি| রাজনীতির মাঠে মানুষ থেকে পিশাচ হয়ে উঠতে শিখেছি| নীতির সাথে আপোস করতে শিখেছি| শিখেছি নষ্ট হয়ে যেতে|

    টস (দু' পর্বের ১ম পর্ব)


    প্রিয়ার মন ভালো নেই। রুবেল টা এখনো এসে পৌঁছেনি। ধ্যাত ভাল্লাগেনা কিচ্ছু। একটা মেয়ে হয়ে সেই কখন থেকে এসে বসে আছে। অথচ হারামিটার কোন খবর নেই। পাঁচ মিনিট আর কতক্ষনে শেষ হবে কে জানে। মাঝে মাঝে মনে হয় পাঁচ মিনিট ধরে যদি রুবেলটার গালে ইচ্ছেমত চড়ানো যেত! খুব বিরক্ত লাগছে প্রিয়ার। এভাবে কক্তক্ষন একা একা বসে থাকা যায়। তার উপর স্পাইক চুলের ছেলে থেকে শুরু করে টাই পড়া প্রাইভেট চাকুরে কেউই আড়চোখে বটম টু টপ দেখতে ভুল করে না প্রিয়াকে। তাও ভালো কিন্তু পার্কের রাস্তা ধরে দৌড়তে দৌড়তে যাওয়া আধবুড়ো ভদ্রলোকগুলো! ও যদি ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখে কেমন লাগে! ডায়াবেটিস কমুক বাড়ুক তাতে কি!

    নারী


    নারী সেবাপরায়না, নারী মোহনীয়া, নারী কামিনী। নারী সম্পর্কে আমরা যে বিশেষন দেই তা মোটামুটি এরকম। সেবাপরায়না শব্দ টি তে পুরুষের চোখে নারীর একটি বিশেষন। সেবাপরায়না স্বভাবটির জন্যে আমরা নারীকে শ্রদ্ধা করি না, করি ব্যাবহার। এ স্বভাবের জন্যে আমরা নারী কে যত্ন করি না, দেই যন্ত্রনা। মোহনীয়া বিশেষনটি ও পুরুষের দেয়া একটা বিশেষন। এই শব্দ ব্যাবহারের মাধ্যমে পুরুষ ঢাকতে চেয়েছে নিজের দোষ। নিজের কুশস্য ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে নারীর। হাওয়া ইন্ধন জোগায় আদম কে গন্ধম আহারের জন্য। পুরুষের চোখে আদম নির্দোষ, হাওয়া মোহনীয়া। কামিনী শব্দ টা তে কাম ক্ষুধা স্পষ্ট।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    Facebook comments

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর