নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • কাঙালী ফকির চাষী

    নতুন যাত্রী

    • সুশান্ত কুমার
    • আলমামুন শাওন
    • সমুদ্র শাঁচি
    • অরুপ কুমার দেবনাথ
    • তাপস ভৌমিক
    • ইউসুফ শেখ
    • আনোয়ার আলী
    • সৌগত চর্বাক
    • সৌগত চার্বাক
    • মোঃ আব্দুল বারিক

    ভারতীয় চ্যানেল বর্জন


    আজকাল অনেক ভারত লইয়া চিল্লাচিল্লি হইল তারা সীমান্তে মানুষ মাইরা পাখির মতো কাটাতারে ঝুলাইয়া রাখে তাদের মুখে আপনি প্রস্রাব করবেন ভালোকথা।
    তাদের স্টার জলসা, স্টারপ্লাস তাদের বলিউডের ছবি দেখবেন না তাও ভালোকথা,
    শাহরুখ খান সন অফ এ বিচ ভালোকথা,
    ইমরান হাসমি লুইচ্চা ভাল কথা
    সানি লিওন নষ্ট মেয়েছেলে ভালকথা
    আপনি ভারত বিদ্বেষী মহান দেশপ্রেমিক তাও অনেক ভালো
    তা মিয়া ভাই/ আপামনি আপনার টাইমলাইনে মুভি লাইক আর টিভি প্রোগ্রামগুলুতে জিসম ২, আসিকি,চেন্নাই এক্সপ্রেস, মিরাক্কেল কেনু?আপনার ফিনফিনে জর্জেট শাড়িটা কোনদেশের?শুনলাম ফেয়ার এন্ড লাভ্লিও ইউজ করেন?
    তারমানে নিজের ইউরিন নিজেরই খাওয়া হল আর কি

    প্রিয়তমা


    প্রিয়তমা!
    গভীর রাত
    সুনসান নীরবতা
    নয়নের দুটি নয়নে
    অস্পষ্ট তোমার ছায়া।
    এই মধ্যরাতে
    জানি তুমিও ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছ
    স্বামীর আলিঙনে
    নতুবা আচ্ছন্ন গভীর ঘুমে।
    প্রিয়তমা!

    দেশটা তো আমদেরই তাই না??? আমরাই তো বাংলাদেশ।।


    আমরাই তো বাংলাদেশ! !

    আহসান মিয়া দোকান বন্ধ করে বরাবর রাত এগারটায় । কমলাপুর রেলষ্টেশন লাগোয়া ফোন-ফ্লেক্সিলোডের দোকান তার । সারাদিনের ইনকামের টাকা প্যান্টের গোপন পকেটে ঢুকিয়ে মাথা নিচু করে বাসার দিকে হাঁটা দিল সে । এই সময়টা বড় চিন্তায় কাটে তাঁর । রাস্তাঘাটে অহরহ চুরি-ছিনতাই হয় ।চুরি- ডাকাতিকে ভীষণ ভয় পায় সে ।

    “বাংলা মদ”


    অনেক দিন হতে একটি বিষয়ে লিখব লিখব করেও লিখা হয় না। ব্যাটে বলে হয় না। আজ হয়ে গেল। ছক্কা মারলাম তাই। যদিও ব্যাপারটা একটু ব্যতিক্রম ধরনের কেও কেও ছি ছি করতেও পারেন। তো কি আর করুন। তবে একটা কথা আছে না জানার কোন শেষ নেয়, মার খাবারও কোন বয়স নেই।

    “বাংলা মদ”

    ভারত মাতার কুকুর সন্তান....


    হে ভারত মাতা,
    আর কতো রক্ত পানে পিপাসা মিটবে তোমার উগ্র সন্তানের?

    আমি ফেলানীর ছবি উল্টে দেখেছি
    এক হাত ছুড়ে দিয়েছে প্রতিবাদের ভঙ্গিতে
    ওখানে তীব্র ঘৃনা
    অকারণ প্রাণ নাশের পরিহাস
    অসম্পূর্ন বন্ধুত্বের লজ্জা!
    ভাবতে অবাক লাগে
    এই তোমার সন্তানেরা সে বেলা মমতার হাত বাড়িয়েছিলো

    ভারতীয় পণ্য বর্জন সংক্রান্ত কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর


    ফেলানী ইস্যুতে ভারতীয় পণ্য বর্জন নিয়ে অনেকের মাঝেই অনেক রকম প্রশ্ন আছে। আফসোস নিয়ে বলতে হচ্ছে, আমরা দ্বিধা বিভক্ত হয়ে গেছি। ঐযে বললাম, বাঙালি একাই একশো কিন্তু একশো বাঙালি এক হতে পারেনা।"
    যাই হোক, ভারতীয় পণ্য বর্জন নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করলাম এখানে।

    ১। আমরা কেন ভারতীয় পণ্য বর্জন করবো?

    সরকার আমার আপন ভাই, ধান কাঁটি আর নৌকা চালাই!!


    আমার আমিত্ব অস্তিত্ব সন্ত মন্ত বান্দর তত্ত্ব এইসব নিয়া লেখার দিন শেষ। তথ্য প্রযুক্তি আইন যেইভাবে করা হইছে তাতে এখন থেইকা প্রতিটা শব্দ, পারলে কি বোর্ডের বাটন গুলা পর্যন্ত মোসাহেবির দ্বারা লেহ্য চোষ্য কইরা নিতে হবে। তা না হলে দিন শেষে রাতটা শ্রীঘরেই কাটাতে হতে পারে। নৌকা মার্কা সরকার অথবা ধান গাছি সরকার যেই আসুক না কেন, বদ্ধ সমাজ ব্যবস্থার অন্ধ সরকার ভোটের জন্য সবই করতে পারে। আগে লেখকসমাজের গলা টিপে ধরা হত বলে শুনেছি, এখন শরিয়া আইন মোতাবেক হাত কেটে নিলেও অবাক হব না। মুক্ত চিন্তা যুগে যুগে আগুনে পুড়েই মরেছে। কিন্তু বাংলাদেশে যা হচ্ছে তা হল শান্তির রোল মডেলের নামে, ব্লাসফেমি আইন প্রতিষ্ঠা করা।

    অপ্রিয় হলেও বলবো


    আমি আজ কিছু অপ্রিয় কথা বলবো।আপনারা অনেক কিছুই বলতে পারেন।তবু কথাগুলো সত্য।এবার আসি মূলকথায়ঃ
    আমি টাংগাইল পলিটেকনিকের একজন ছাত্র।তো আজ আমাদের এক টিচার ক্লাসে না আসায় আমরা বন্ধু-বান্ধবরা ক্লাসরুমেই খুব হট্টগোল,হাসাহাসি করছিলাম।যা খুব সাধারণ ঘটনা।একসাথে এতগুলো বন্ধু থাকলে যা হয়।এমন সময় দেখি যে প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের ডিপার্টমেন্টে এসেছে।স্যারকে দেখেই সব ছেলেমেয়ে চিল্লাপাল্লা বন্ধ করে নিজ সীটে বসে পড়ে।আমাদের ক্লাসে টিচার না থাকায় প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের ক্লাসেই আসেন।এরপর কোন টিচারের ক্লাস তা শুনে ঐ টিচারের সাথে ফোনে কথা বলে জানেন যে তার একটা সমস্যা থাকায় ক্লাস নিতে পারেননি।ক্লাসও প্রায় শেষের দিকে।

    সিধল, একটি গ্রামের খাবার


    আজ গ্রামের একটা মজার খাবারের নাম আপনাদের বলব। আর তা হল সিধল।সিধলও একপ্রকার শুঁটকি। কি নাম শুনেছেন ? মনে হয় কেও কেও শুনেও থাকবেন এবং খেয়েও থাকবেন। সাধারণত গ্রামে মাছ সংরক্ষণ করার একটা ভাল পদ্ধতি হল এই সিধল। বর্ষা মৌসুমে প্রচুর মাছ ধরা হয় গ্রাম গুলিতে। রেফ্রিজারেটর না থাকায় ৩ পদ্ধতিতে মাছ সংরক্ষণ করে গ্রামের গৃহ বধূরা।
    ১। টাকি, কই, মাগুর , শিং এই মাছ গুলি জ্যান্ত পাতিলে অনেক দিন সংরক্ষণ করা হয়।
    ২। শুঁটকি করে
    ৩। সিধল প্রক্রিয়ায়

    回 বাস্তবতা 回


    বৃদ্ধাশ্রমে বারান্দার কোনার বেঞ্চটিতে রাহেলা বেগম বসে আছেন । দিনের অধিকাংশ সময় এখানে বসে কেটে যায় । প্রতিদিন একটি আশা নিয়েই বসেন - আজ বোধই তার ছেলে আসবে তাকে দেখতে । সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের মতো তার আশাগুলোও অন্ধকারে ঢেকে যায় ।

    "রফিক" তরি ঘড়ি করে অফিস থেকে বের হয়েছে । তার বউ সে কখন থেকে বসে অপেক্ষা করছে তার জন্য । তার শাশুড়ির শরীরটা ভালো নেই তাকে দেখতে যেতে হবে । অসুস্থ মানুষকে দেখতে যেতে হলে খালি হাতে যেতে নেই হাত ভর্তি করে যেতে হবে শাশুড়িকে দেখতে যাচ্ছে বলে কথা । শাশুড়িকে কি বলবে তার একটি স্ক্রিপ্ট মনে মনে সাজিয়ে নিয়েছে । বলা তো যায় না ভুল কিছু বলে ফেললে শাশুড়ির মনে কষ্ট পেতে পারে .....

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর