নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • জীহান রানা
    • দীব্বেন্দু দীপ
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • জয়বাংলা ১৯৭১
    • মোগ্গালানা মাইকেল

    নতুন যাত্রী

    • বিদ্রোহী মুসাফির
    • টি রহমান বর্ণিল
    • আজহরুল ইসলাম
    • রইসউদ্দিন গায়েন
    • উৎসব
    • সাদমান ফেরদৌস
    • বিপ্লব দাস
    • আফিজের রহমান
    • হুসাইন মাহমুদ
    • অচিন-পাখী

    পিশাচ


    আমি রক্ত চাই!
    রক্ত পান করবো
    তোর শরীরের উষ্ণ রক্ত
    লাল টকটকে জমাট বাধা রক্ত
    কালচে বা খয়েরি রঙের রক্ত।

    তোর শরীরের ধমনী কেটে আনা রক্ত;
    আমার অনেক তৃষ্ণা,
    রক্ত চাই,রক্ত!!

    বাবা তুমিও যোদ্ধা তারাও মুক্তিযোদ্ধা


    আমার বাবা ১৯৬৮ তে ২য় শ্রেনীর কমকর্তা হিসেবে সরকরি চাকুরিতে যোগ দেন ।যুদ্ধের সময় তিনি কুমিল্লার একটি অংশে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য প্রদান ও রেশন এর দায়িত্বে ছিলেন ।এদিকে অফিস চালাতো বিহারি রা ।তৎকালীন সরকারী কর্মকতারা নাকি রেশন পেতেন ।তিনি অতন্ত সুকৌলে তা কুমিল্লা পাঠিয়ে দিতেন তখন নাকি চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লার বিমান ছিল ।দু একবার বিমানেও গেছেন ।তার মুখে শুনতাম মুজিবের ভাষন । জিয়ার ও চট্টগ্রাম আওয়ামীলীগ এর তৎকালীন সভাপতি এম এ হান্নান এর স্বাধীনতার মুজিবের পক্ষে পাঠ করা ঘোষনাপত্র একদম পুরুটাই মুখস্ত বলতেন তিনি।যুদ্ধ শেষে এম এ জী ওসমানীর সাক্ষর করা মুক্তিযোদ্ধার সনদ টি খুব যত্ন করে রাখতেন ।কিন্তু

    ফালতু ইমোশনাল গল্প। অ্যালার্জি থাকলে তফাৎ যান


    কাঁপা কাঁপা হাতে রাফসান কি বোর্ডে আঙ্গুল চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য একটি ম্যাসেজ লেখা । ম্যাসেজের destination তার পছন্দের একটা মেয়ের facebook chat window

    রাফসানঃ আচ্ছা বল তো আমি ক্যামন?
    মিষ্টি মেয়েঃ ক্যামন আবার? তুমি যেমন তেমন।
    রাফসানঃ আরেহ না মানুশের category থাকে না? ভালো মন্দ? তো আমি কোন প্রজাতির?
    মিষ্টি মেয়েঃ LOL তুমি না পারো বটে। প্রজাতি কথা টা ভাল্লাগসে আমার
    রাফসানঃ দেখ মেয়ে topic change এর চেষ্টা কর না বলে দাও তো answer
    মিষ্টি মেয়েঃ তুমি ছেলে হিসেবে অনেক ভালো। একটু পাগল type এর কিন্তু ভালো
    আমার খুব পছন্দ
    রাফসানঃ আচ্ছা thank you for your feedback!!!!

    অসাধারন একটি লেখা- সবাইকে পড়বার অনুরোধ জানাচ্ছি।


    # প্রিয় বন্ধুরা, আজকের এই স্ট্যাটাসটা সেইসব
    বন্ধুদের উদ্দেশ্যে তোমরা যারা ৮০ দশকের
    শেষে জন্মেছ কিংবা ৯০ এর দশকে। এই সময়ের
    বন্ধুদের উদ্দেশ্যে বলবার অনেক কারন রয়েছে। এর
    মধ্যে সবগুলো কারন না বলি, শুধু একটি বলি।
    সেটি হচ্ছে, তোমারা যারা এই দেশের
    মুক্তিযুদ্ধকে ভেতরে লালন করতে শিখেছ, সেই
    তোমাদের উপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়।

    প্রসঙ্গঃ মুক্তিযোদ্ধা কোটা


    এই সব আঁতেল মার্কা সাবজেক্ট নিয়ে কথা বলতে আমার কখনোই ভাল লাগে না। কারণ দুই-এক লাইন লিখলেই সবাই আমার বিদ্যার দৌড় বুঝে যায়। বুদ্ধিজীবীরা তখন আমার প্যান্ট ধরে টানাটানি শুরু করে। নানা রকম প্রশ্ন ছুটে আসে চারপাশ থেকে। যেসব প্রশ্নের বেশিরভাগেরই উত্তর আমার জানা নেই। তাছাড়া আন্দাজের উপরে কথা বলাটাও আমার অভ্যাস না। কিন্তু কি করবো, আড্ডাবাজী আমার রক্তে মিশে আছে। হোক সেটা ব্লগে বা চায়ের টেবিলে। আমি নাহয় প্রসঙ্গটা ধরিয়ে দিলাম। খারাপ কি?

    এক ফোটা অশ্রুর দাম কত?


    আজ থেকে যদি ৪৫-৫০ বছর আগের কথা চিন্তা করি তাহলে দেখবো যে, ঐ সময়ের সমাজ আমরা নিয়ন্ত্রন করতে পারি না, আমাদের স্বাধীন বলতে কোন কিছুই ছিল না। আমরা যা চাইতাম তা পেতাম না। অর্থাৎ সব কিছু ছিল আমাদের বিপরীতে। এই পরিস্থিতিতে সবাই মুক্ত হতে চাইলো, এবং সবাই মুক্ত হল শুধু পাকিস্তানি শাসন থেকে। কিন্তু এমনি এমনি না, ৩০ লাখ শহীদ ২ লাখ নারীর সম্ভ্রম হারানোর বিনিময়ে আমরা পেলাম একটা পতাকা, একটা স্বাধীনদেশ। আমাদের প্রত্যাশা ছিল পাকিস্তানিদের মত এতো অত্যাচার আর সহ্য করতে হবে না, সমাজে মানুষ কে মানুষ ভাবা হবে, মানুষের মৌলিক অধিকার পিরিয়ে পাবে। আজ ৪২ বছর পর একটু হিসাব যদি মিলাই তাহলে কি দেখবো,দুই জন প্রেসিডেন্ট

    ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান, গম টাইপের জিনিষই ভাংবো, অন্য কিছু না


    ছুডু কালে অঙ্ক করছিলাম ধরি আমি "ক" ঐ রকমের ধরি আমি "নাস্তিক"

    ওরে আস্তিক মানুষগণ, দেইখা যান আপনাদের ধর্মীয় লেবাসধারী কুত্তা গুলার সাথে বর্তমান (ধরি নাস্তিক) সরকারের আতাত কেম্নে হয়। এই বার কি বলিবেন আপনারা আমার জানা নাই। হাম্বালোগ কোনদিনই কারো ফাসী দিবে না, এরা শুধুই মূলা ঝুলাইবো। আমরা মূলার গন্ধে ভুট দিমু।

    এরা সকল সময়েই আমাদের ব্যাবহার করে। এক দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে, আরেকদল ধর্মের নামে। গুষ্টি কিলাই তগো মুক্তি যুদ্ধের চেতনার, গুষ্টি কিলাই তগো ধর্মের। যেই চেতনা শিক্ষা দেয় নিজের দরকারে সাধারণ মানুষের বলি দেওয়া, আর যে ধর্মীয় শিক্ষা মানুষকে পশুর আচরণ করতে শিক্ষা দেয়।

    সিরিয়াল নং চৌত্রিশে. . .


    এনিমেল প্লানেট চলছে টিভিটাতে । জীবজন্তুর ধস্তাধস্তি দেখছে সবাই প্রচুর আগ্রহ নিয়ে । আলতাফ সাহেব বিরক্তি নিয়ে বসে আছেন । গন্ডারের বাচ্চা প্রসব করা দেখার মধ্যে এত ইন্টারেস্টিং কি আছে ঠিক বুঝতে পারছেন না ।

    আলতাফ সাহেব বসে আছেন এপলো হসপিটালে । ডক্টরের সিরিয়াল তার চৌত্রিশ । সাড়ে ছয়টা বাজতেছে তার ঘড়িটাতে । ঘড়িটা গত বছর তার মেয়ে সাউথ আফ্রিকা থেকে পাঠিয়েছে । চমত্‍কার দেখতে । যদিও আশি টাকা দামের ঘড়ির সময় আর এই ঘড়ির সময়ে তেমন কোনো পার্থক্য খুজে পান না তিনি ।

    গরমের চরম বিব্রত হয়ে বলছি...


    শীত এবং গরম কালে গোসল করা নিয়ে অনেকে অনেক রকম মন্তব্য করে যায়।
    সাধারণত শীতকালে গোসল করাটা অনেক ভয়ংকর হয়ে দাড়ায়.. :/

    অনেকেই স্ট্যাটাস দেয় হু হু হু টানা তিন দিন গোসল করি নাই Blum 3
    ...কেউ সাত দিন গোসল না করে রেকর্ড করে ফেলছে... :O
    কিন্তু গরমের দিনে সবাই গোসল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরছে।কেউ দিনে দুই বার,
    .....কেউবা তিন বার!
    গরম লাগলেই পুকুরে গিয়ে ডুব মারে,ঝর্না ছেড়ে দিয়ে গাঁ এলিয়ে দেয়।
    এককথায় যে যেভাবে পারছে গোসল নিয়েই থাকছে!

    ...কিন্তু আমার হয়েছে পুরাই উলটা পরিস্থিতি! :O

    দেশের বাইরে আসার পর থেকে এই খানের পরিবেশটা পুরাই উলটা দেশের সাথে।

    প্ল্যান


    পরীক্ষা আরম্ভ হতে এখনও দেড় মাস বাকি। অথচ ওদের প্ল্যান-প্রোগ্রাম করা শেষ।
    মঈনুল বিজ্ঞের মত মাথা দুলিয়ে বলল: বুঝলি- সাত তারিখ রাতেই চলে যাব। সন্ধ্যা পনে ছয়টায় বাস ছাড়বে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথে রওনা দিতে হবে। আগেভাগে না গেলে পরে টিকেট পাওয়া যায় না।
    মাসুদ বলল: আরে ধুর! কষ্ট করে অতো দূরে যাব কেন? সাড়ে ছয়টার বাসে গেলে একেবারে আমাদের বাসার গেটে নামিয়ে দেবে। টিকেট নিয়েও চিন্তা করা লাগবে না। আগের দিন কেটে রাখব। সাত তারিখে শুধু কলেজের গেটে দাঁড়িয়ে থাকব। বাস এলে হাত উচু করলেই থামিয়ে নিয়ে যাবে। বাসের কনট্রাকটর-ড্রাইভার সবাই আমাকে চেনে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর