নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • দীপ্ত সুন্দ অসুর
    • কান্ডারী হুশিয়ার
    • দীব্বেন্দু দীপ
    • আলমগীর কবির
    • গোলাম সারওয়ার

    নতুন যাত্রী

    • সুক্ন্ত মিত্র
    • কাজী আহসান
    • তা ন ভী র .
    • কেএম শাওন
    • নুসরাত প্রিয়া
    • তথাগত
    • জুনায়েদ সিদ্দিক...
    • হান্টার দীপ
    • সাধু বাবা
    • বেকার_মানুষ

    চোখ


    আমার স্ত্রী’র বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। বেশ হালকা লাগছে। পাত্র ব্যবসায়ী, মুরাদপূরে গাড়ীর শো রুম আছে। ভদ্রলোকের থ্রিতে পড়ুয়া ফুটফুটে একটি ছেলে রয়েছে। সে নানার বাড়ীতে মা’র সাথে থাকে।

    মমতার কপাল ভাল। এমন ভাল পাত্র মিলে যাওয়াটা খুবই মুশকিল। অবশ্য কারো কপালের ভালমন্দ বিচার করাটা বেশ কঠিন। কপালের লিখন বৃত্তাকারে ঘোরে। ঘুরতে ঘুরতে কখনো সুখ আসে কখনো দুঃখ - কখনো আসে তড়িৎ কখনো বা দীর্ঘ ঘুর পথে। কারো বৃত্তের পরিধি ক্ষুদ্র কারোটা বিশাল। এই যেমন ক’দিন আগে মমতাকে নিয়ে লোকে বলাবলি করছিল, ‘আহারে মেয়েটার কপালটাই খারাপ!’ আর এখন, কয়েক মাসের ব্যবধানে নিশ্চয় সকলে উল্টোটাই বলছে।

    মশা এবং মানুষ


    আমার এক বন্ধু আমাকে মশা নিয়ে কিছু লিখতে বলল । মশার নাকি খুবই উৎপাত , ও অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে মশকরাজির আক্রমণে ।

    কি লিখব ? যেখানে মানুষ এখন মশার তুলনায় ক্ষুদ্র বলে আমার মনে হয় । মশা কানের কাছে এসে তাদের জাতীয় সঙ্গীত গায় । তাদের জাতিগত কোন বিভেদ নেই , তারা জাতেই এমন , তাদের মূলমন্ত্রই এটা ।
    কিন্তু আমরা মানুষেরা নিজেদের জাতীয় সঙ্গীতকে কতটা সম্মান করি ?

    আমার সোনার বাংলা ,
    আমি তোমায় ভালোবাসি ।

    নিষিদ্ধ বচন -২ মেয়েদের নিষিদ্ধিয় প্রকারভেদ-১ (সাধারণ বেসিস).



    ১। চশমু মেয়েঃ উবরো-ঝুবড়ো চুল, এরা সাজ-গোঁজের দিকে কোনই মনোযোগ দেয় না। সারাক্ষণ এমন গতিতে পড়াশুনা করে, দেখলে মনে হয় না পড়লে সিডর হয়ে যাবে।আমার-আপনার জন্মের আগে কোন মহা(!)পুরুষ আমাদের চৌদ্দ-গুষ্ঠি উদ্ধার করেছিল তা এদের ঠোঁটের আগায় থাকে। যদিও বাজারে ডিমের দাম কত তা এরা জানে না। চশমা থাকা এদের প্রধান গুণ (!)।

    আমি ও সুশান্ত(প্রেম অথবা কামনা)...


    নির্বাক স্পর্শ দাও প্রিয়
    আমি তোমারি সেই হাত ধরা প্রেমিক!
    অনন্ত শ্রিংখল অপবাদ
    যুগ শ্রেষ্ঠ প্রথা ও নিয়ম ছেড়ে,
    তোমাকে বলেছি ভালোবাসি ভালোবাসি সুশান্ত।
    যদিবা রাত্রি গভীর হয়,তোমার লোমশ খোলা বুক পড়ে থাকে
    আমি নিবিড় আঙুল দিয়ে চিরুনির মতো

    এখনও অতীত নও


    মনে আছে তোমার?
    ঘাড়ের সে তিলটিতে যখন চুমু খেতাম,
    গোলাপি আলোয় রাঙ্গা হয়ে যেতে,
    আর উষ্ণ হয়ে ঠোঁট রাখতে ঠোঁটে।
    আর আমি কিছুক্ষনের জন্যে পা রাখতাম স্বর্গে।

    ইন্টারনেট আর আধুনিক বেলা বোস



    থ্রিজি সিমটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো?
    এখন আর কেউ আটকাতে পারবেনা,
    ব্রডব্যান্ডটা এবার তুমি খুললে আমি বাচি,
    মাকে বলে দাও ইউজ তুমি করছনা।

    এভারেস্টকে নামিয়ে আনুন।


    আমাদের আরেক এভারেস্ট জয়ী সজল। যিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছানো বাংলাদেশি, চলে গেছেন না ফেরার দেশে। রেখে গেছেন জাতির জন্য অভাবনীয় গর্ব। বাঙ্গালী যে সব বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে, মৃত্যু ভয় না করে সাফল্যের শীর্ষে আরোহণ করতে পারে, রেখে গেছেন তার দৃষ্টান্ত। সেই এভারেস্ট অভিযানে গিয়ে না ফেরার দেশে চলে যাওয়া সজল খালেদের মৃতদেহ ফিরিয়ে আনাতে এখনই উদ্যোগ নেয়া উচিত সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের।

    খালেদ নেপালের হিমালয়ান গাইডস প্রাইভেট লিমিটেডের মাধ্যমে এভারেস্টে গিয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ঈশ্বরী পাউডেল জানিয়েছেন- মৃতদেহ ফিরিয়ে আনতে ১০ জন শেরপা প্রয়োজন।

    প্রসঙ্গ - বন্ধুত্ব



    আজ ফেসবুকে এক বন্ধুর ওয়ালে "বন্ধুত্ব" নিয়ে পোস্ট দেখলাম। ছেলে এবং মেয়ের বন্ধুত্ব নিয়ে বলা হয়েছে- "শতকরা নিরানব্বই ভাগ ক্ষেত্রেই সম্পর্কটা শুধুমাত্র বন্ধুত্বে সীমাবদ্ধ না । কেউ একজনএকটুখানি এগিয়ে এসে ক্রাশ খাবেই (বেশিরভাগ ক্ষেত্র ছেলেরাই এ ভূলটা করে থাকে) !"
    আমি এই ব্যাপারটা নিয়ে কিছু আলোকপাত করতে চাই।

    ছেলে এবং মেয়েকে যদি এক করে দেখা যায়, তবে আমার প্রশ্ন - "কেন বন্ধুত্ব নয়?''
    ছেলেটি মেয়েটির উপর ক্রাশ খাব...ে কিনা এটি কিছু জিনিসের উপর নির্ভর করে,
    - যদি ছেলেটি সিঙ্গেল থাকে।

    মরে যাওয়া কত সহজ?


    (পোস্টটিতে ইচ্ছাকৃতভাবে কয়েকটি শব্দ বার বার ব্যবহার করা হয়েছে। অসহ্য বিষয়কে অসহ্য লাগানোর জন্য।)

    মরে যাওয়া কত সহজ?
    সব মরে যায়।
    আমি মরে যাই।
    তুমি মরে যাও।
    ঘাসের শিশির, কাটা পাহাড়ের চাদ, প্রানবন্ত সবুজ, প্রেমিকার মিষ্টি হাসিও মরে যায়।
    শুভ নামের ছেলেটি অবহেলায় অবলীলায় চোখের সামনে মরে যায়।
    আন্দোলনও ফিকে হয়ে আসে;
    মরে যায়।

    তাই বলে কি সবকিছুই মরে যায়?
    মায়ের ভালবাসা?
    বাবার শাসন?
    বোনের আবদার?
    ভাইয়ের বকুনি?
    বন্ধুদের আড্ডা?
    প্রিয় কারো হাসি?

    যদি তাই হবে!
    তাহলে বেচে থাকার মানে কি?
    খুটে খুটে মরে যাওয়াই ভালো।
    যারা আমাদের বেচে থাকাকে অনধিকার চর্চা মনে করেন,

    একাল সেকাল


    ১। সভ্যতার আধুনিকতা মননে না পৌছালেও ইট কাঠ সুড়কির অবকাঠামোয় বাংলাদেশে পরশ বুলিয়েছে নব্বই দশকের শুরুতে। পাশ্চাত্যের অহংকারের বেশির ভাগই এদেশের মানুষ উপভোগ করছে গ্লোবালাইজেশনের বরাতে। কিন্তু সমস্যা হলো সভ্যতার আর্শীবাদের তুলনায় অভিশাপগুলোই এদেশ আয়ত্ত করেছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে। বিঞ্জানের আবিষ্কারগুলো বিভিন্ন জাতি উত্‍কর্ষের জন্য ব্যবহার করলেও অপব্যবহারের মাত্রা দুর্ভাগ্যবশতঃ এদেশেই বেশি। পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও সুবিধাবাদ এদেশের সমাজ ব্যবস্হায় একধরনের ভোগবাদিতা তৈরি করেছে। ফলতঃ নিজেকে নিয়ে বাঁচার তত্ত্ব দিয়ে মানুষকে অন্তমূখী করা হয়েছে, একমুখী পরিবারের কথা বলে সমাজ ছিন্ন ভিন্ন করা হয়ে

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর