নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • আমি অথবা অন্য কেউ
    • তরুণ আন্দ্রেয়াস
    • রেল গাড়ি
    • সৈয়দ আহসান
    • পৃথু স্যন্যাল
    • নরসুন্দর মানুষ
    • অর্পিতা রায়চৌধুরী

    নতুন যাত্রী

    • আরিফ ইউডি
    • গলা বাজ
    • হুসাইন
    • তারুবীর
    • অন্তরা ফেরদৌস
    • শেখ সাকিব ফেরদৌস
    • প্রাণ
    • ফেরদৌস সজীব
    • শিরিন আবু সাঈদ
    • রাজিব দাশ

    ওরা আসবে চুপিচুপি।


    ১৯ শে ফেব্রুয়ারী, ১৯৫২...
    মা,
    কেমন আছো তোমরা সবাই ? তোমার শরীরটা ভালো তো ? বেশিদিন আর কষ্ট করতে হবে না তোমাকে। আর কিছুদিন তারপরই চাকরি পেয়ে যাবো, মুছে দিবো কষ্টগুলো। অনেকদিন হয়ে গেলো তোমাদের দেখি না। ক’দিন পরই বাড়িতে আসবো আমি । খুব দেখতে ইচ্ছা করছে তোমাদের। মা, তোমার রান্না কতদিন খাই না । এবার এসে পেট ভরে খাবো । ভালো থেকো তোমরা সবাই ।
    ইতি
    তোমার( )

    ২১শে ফেব্রুয়ারী, ১৯৫২.....

    অ্যাঁর মা-র ভাষাৎ লেইক্ষ্যুম,অ্যাঁর মা-র ভাষাৎ শিক্ষুম"


    "Urdu and Urdu shall be the state language of Pakistan"..........জিন্নাহ নিজেও বুঝে নাই নিজের মরণ কামড় নিজে কিভাবে দিল।সালাম-রফিক-বরকত-জব্বারদের ভাঙ্গা ১৪৪ ধারা ভুল কি শুদ্ধ ছিল আমরা তা হাড়ে হাড়ে বুঝিয়েছি।আমরা মায়ের ভাষায় টিকিয়ে রেখেছি লালনের মানবতা,রবি-নজরুলের বানী,কবি শামসুর রহমানের চিৎকার,শিল্পী আলতাফ মাহমুদের সুর আমাদের কানে বাজিয়ে আমরা লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথে এনেছি আমাদের স্বাধীনতা।আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গা একুশ আমার শরীরে কাঁপন ধরায় একাত্তরের হাতিয়ারের গর্জে ওঠা হাতিয়ারের মত।শিল্পী এস এম সুলতান কিংবা জয়নুলের বাংলাদেশ আমার শিল্প সত্ত্বা।আমার বাংলা শহীদ বঙ্গবন্ধু শেখ

    নাইলন একটি গ্রহের নাম


    পৃথিবীতে, বিশেষ করে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত বাংলাদেশে একটা রহস্যময় ঘটনা ঘটলো। পেপারের কোণায় ছোট করে সংবাদ টা উঠল কিনা জানি না। তবে এই নিয়ে কারও মাথা ব্যাথা রইল না। কর্তৃপক্ষের লোক সামান্য ভ্রু কুঁচকাল, এই যা ব্যস। টেনশন বলতে এই যা এতটুকুই। বাংলাদেশের ঢাকা জেলার শাহবাগ এলাকার মোড়টায় এই নিয়ে একটা ছোট কথা উঠল, অনেকেই শুনল। কেউ গা করল না। ওদিকে হরদম ফুল বিক্রি চলছে। ঘটনা আর কিছু না, পাবলিক লাইব্রেরি থেকে অনেক গুলো বই উধাউ হয়ে গেছে। কোন উপাত্ত ছাড়া ই। এটা কোন কথা হল ? চুরি ও তো হওয়ার কথা না। স্রেফ উধাও।

    - কেমন দেখলি ?
    - ভালই তো। গ্রহটার নাম কি যেন ?

    শুরু হলো 'ইস্টিশন'র মহাযাত্রা.......


    রাষ্ট্র কার? জনগণের? নাকি মালিকদের? জনতার রাষ্ট্র গড়ার লড়াইটা চলে আসছে যুগ যুগান্তর থেকে। আমরা ব্লগার। এই লড়াইয়েরই একটা অংশ আমরা। কিন্তু লড়াইয়ে নেমে আমরা দেখি, ব্লগিংও সেই একই বৃত্তে আটকা পড়ে আছে। ব্লগ কি ব্লগারদের প্ল্যাটফরম? নাকি ব্লগ মালিকদের?

    প্রেম ভালোবাসা বিষয়ক কিছু প্রশ্ন?


    প্রেম, ভালোবাসা এই বিষয়গুলো কি? কিভাবে হয়? কেন হয়?
    আবেগের প্রশ্ন থাকে, বাস্তবতার প্রশ্ন থাকে, যুক্তি থাকে আবার কোন কিছুই থাকে না। মাঝে মাঝে স্বপ্ন থাকে আবার মাঝে মাঝে কিছুই খুজে পাওয়া যায় না।
    কোন একদিক থেকে এই বিষয়টা নিয়ে লিখতে গেলে কিছুই পরিষ্কার ভাবে লেখা যায় না।
    তাই খাপছাড়া ভাবে শুরু করা যাক।

    চেতনায় একুশ


    একুশ বাঙ্গালীর চেতনা,বাঙ্গালীর অহংকার।একুশ স্বাধীণতার সোপান।প্রতিটি বাঙ্গালীর হৃদয়ে একুশ এক অবিস্বরণীয় অধ্যায়।পাকীস্থানী শোষকেরা শোষণের সব সীমা ছাড়িয়ে হাত দিল বাঙ্গালীর অস্তিত্বের দিকে,বাংলা ভাষার দিকে।বাংলার মানুষকে বসে রাখার সেই নীল নকশা বাস্তবায়নে জিন্নাহ্ ঘোষণা দিল-"Urdu and urdu shall be the state language of Pakistan."সেই সমাবেশেই শুরু হওয়া প্রতিবাদের আগুণ ছড়িয়ে পরে সারাদেশে।সর্বোচ্চ কঠোর প্রদক্ষেপ নিয়েও দমিয়ে রাখতে পারেনি তারা বাংলার দামাল ছেলেদের।৫২'র ২১শে ফেব্রুয়ারীতে প্রতিবাদ সভা ও মিছিল ঠেকাতে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা,তাতে ও ঠেকানো গেল না ভাষা সৈনিকদের।তাদের মিছিলে গুলে ছালায় পুলিশ।

    ঘাতকের পরিচয় - ৪ : শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস - বাগেরহাটের কুখ্যাত রাজাকার।


    জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস। মুক্তিযুদ্ধকালে ছিলেন কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটির সদস্য। তিনি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার আমাদি গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের পুত্র। ১৯৬৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে তিনি সমগ্র পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের সাধারন সম্পাদক ছিলেন। এই ছাত্রসংঘেরই বর্তমান পরিমার্জিত রুপ ইসলামী ছাত্র শিবির।

    যা বলবো প্যাঁচাইয়া বলবো


    যা বলবো প্যাঁচাইয়া বলবো... রেসকোর্সে আমীর আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী বুলেট খুলে জগজিৎ সিং আরোরার হাতে দিতেই ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বিজয় ফাইনাল হয়ে গেলো। তখন বুঝিনি এ ম্যাচের খেলোয়াড় আমরা, আম্পায়ার আন্তর্জাতিক। মনে পড়ছে, ভাগীরথী তীরের আম্রকাননে যুদ্ধের আগের রাতে মোহনলালকে সিরাজ বলেছিলেন, ‘আগামীকাল তোমরা যুদ্ধ করবে কিন্তু হুকুম দেবে মীর জাফর।’ সেই আম্পায়ারই ৭৫-এর ১৫ আগস্টের প্রথম প্রহরে ৩২ নম্বরে ওয়াকওভারে ফাইনাল খেললো।

    গন আদালত থেকে শাহবাগ চত্বর : মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের আন্দোলনের একুশ বছর


    শাহবাগের মহাজাগরণ এক পক্ষ অর্থাত পনের দিন অতিক্রম করেছে। শুধু শাহবাগ নয়--চট্টগ্রাম থেকে দিনাজপুর, সিলেট থেকে খুলনা-যশোরের ছাত্র-জনতার জাগরণের মঞ্চ পক্ষ অতিক্রম করেছে এবং কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া সমাবেশ চলমান রেখেছে। জনতার এই স্বতস্ফূর্ত সমাবেশকে বিদেশী সাংবাদিকদের কেউ তুলনা করেছেন মিশরের তাহরির স্কয়ারের সঙ্গে, কেউ করেছেন দিল্লীর আন্না হাজারের উত্থানের সঙ্গে, কেউ করেছেন নিউইয়র্কের ওয়াল স্ট্রিট দখলের আন্দোলনের সঙ্গে।

    "ফাঁসি নিবেন ? দশ টাকা"


    আমরা মানুষকে মৃত্যুর পর সম্মান দিই । একটা মানুষ সারাজীবন হয়তো চাইবে তার আত্মীয় স্বজনকে একত্রিত করতে কিন্তু পারবে না । কিন্তু যেই মাত্র লোকটি মারা গেলো তাত্‍ক্ষনিক তার সব আত্মীয় স্বজন একত্রিত হবে । একটা মানুষকে জিবিত অবস্থায় অনেক অন্যায় অপমান সহ্য করতে হয় অথচ মৃত্যুর পর তাকে সম্মানিত করা হয় । বুঝলাম না দুনিয়ার নিতি এতো অদ্ভুত কেন ?

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর