নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    There is currently 1 user online.

    • মিঠুন বিশ্বাস

    নতুন যাত্রী

    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ
    • শহিদুল নাঈম

    শেষ পর্যন্ত


    খক...খক...খক...
    “আহ! অসহ্য কাশি!”
    সায়েম এতক্ষণ মাথা গুঁজে প্রচণ্ড একাগ্রতা নিয়ে একটা রিপোর্ট লিখছিল, কাশিটা কিছুক্ষণ পরপর তাকে বিরক্ত করে মারছে। আজ সে একটু সকাল সকাল অফিসে এসেছে। সকালেই ইনভেন্টরি আপডেট সামারি রিপোর্টটা হাসিব স্যারের কাছে দেয়ার কথা। গতকাল কাজ শেষ হয়নি। আজকে আবার মহা ঝামেলা, শোয়েব ভাই আসবেন না। তার ছেলের মুসলমানি। শোয়েব ভাই থাকলে এতো টেনশন নেয়া লাগতো না।
    অনেক ক্ষণ ধরে একটা সিগারেট খেতে ইচ্ছা করছে। টেনশনের সময় সিগারেটে খাবার মজাই আলাদা। কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে আড় চোখে একবার রিষ্ট ওয়াচটার দিকে একবার তাকাল সায়েম। নাহ! উপায় নেই। হাতে সময় খুব কম।

    মিনতি


    হে সৃষ্টিকর্তা
    আমাকে বিশালকায় হাতি কিংবা ক্ষুদ্রকায় পাতি বানিয়ে দাও
    কারণ মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে আমি যাতাকলে চাপা পরতে চাই না
    আমাকে প্রচন্ড সুন্দরী কিংবা কুত্সিত বান্দরী বানিয়ে দাও
    কারণ মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে আমি দোটনায় লড়তে চাই না
    আমাকে প্রচন্ড সত্যবাদী কিংবা মিথাবাদী বানিয়ে দাও
    কারণ মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে সত্য আর মিথ্যার অল্প ব্যবধান বুঝতে চাই না
    আমাকে বাকশালী কিংবা মা কালী বানিয়ে দাও

    সেদিন দেখা হয়েছিলো



    আজ রাতে ঘুম হবেনা, গতরাতেও হয়নি।
    চেষ্টা করবো কাল রাতে যেন ঘুমাতে পারি।
    সেদিন, বারো বছর পর শালিনীর সাথে দেখা।
    সাথে একটা ফুটফুটে মেয়ে ছিলো ওর।
    শালিনীর স্বামী অনেক বড় ডাক্তার।
    অনেক সুখী মনে হলো শালিনীকে দেখে।
    কথায় কথায় অনেক কথা হল-
    স্কুলের কথা, সেই দিনগুলোর কথা;
    ঝড়-তুফান মাথায় করে শালিনীকে দেখতে গিয়ে
    দীপংকর আর আমার নিজ নিজ বাসায়-
    বকুনি আর মার খাওয়ার কথা মনে
    করে তো হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ছিলাম
    আমরা আলো ঝলমলে রেস্তোরার ডাইনিং টেবিলে।

    গর্বাচভের সান্নিধ্যে


    ছয় বছর আগের ঘটনা। বসন্তের কোন এক সকালে নিউ ইয়র্কের ল্যা গুয়ারডিয়া এয়ারপোর্টে বসে আছি আটলান্টাগামী ফ্লাইটের অপেক্ষায়। বৃষ্টি পরছে অঝোরে, চারদিক নিকশ কালো অন্ধকারে নিমজ্জিত । আবহাওয়ার কারণে ফ্লাইট দেরী হচ্ছে বারবার। আমাকে আটলান্টা হতে কলম্বিয়ার রাজধানী বগোটার ফ্লাইট ধরতে হবে, স্বভাবতই অস্থিরতা বাড়ছিল। এক পর্য্যায়ে বলা হল পরবর্তী ঘোষনা না দেয়া পর্য্যন্ত নিউ ইয়র্ক হতে কোন ফ্লাইটই ছেড়ে যাচ্ছেনা। মাথায় আকাশ ভেংগে পরল। কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইন্সের বুথে গিয়ে সমস্যার কথা তুলে ধরলাম। জানতাম ওদের কিছু করার নেই, তবু কিছুক্ষন ঘ্যানর ঘ্যানর করলাম। একটা কাজ হল তাতে, কলম্বিয়ান এয়ারলাইনস্‌ ’এভিয়ান্‌কা’য় ম্যাসে

    মৌলিক গল্প একটাই ...


    প্রতিটি বারান্দায় বা ব্যালকনিতে এক একটি গল্প থাকে
    তুমি যখন রেলিঙের প্রান্তে দাঁড়িয়ে সুদূর নীলাকাশে দৃষ্টি মেলে
    গাঙচিল বা ঈগলের দিকে তাকাও , সেই তাকানোর পেছনে একটা
    নীলাভ গল্প থাকে
    যেমন পাখির ডানার গভীরে উষ্ণতার গল্প লুকোনো থাকে ।

    গল্প থাকে সকালের নরম রোদে মেলে দেওয়া ভেজা শাড়ির ভাজে ভাজে ।
    বিগত রাতে রচিত হওয়া সেই গল্পটি হতে পারে
    সফল কিংবা ব্যর্থ ।

    একদা প্রচুর গল্প তৈরি হয়েছিলো তোমার মরাল গ্রীবায়, তৃষ্ণা কাতর
    ঠোঁটের পাপড়িতে এবং বিশেষত বাম স্তনের কিছুটা নিচে লালচে তিলটার গায়ে ।
    যৌবনের প্রস্তুতি পর্বে উত্তাল সেই তুমুল ফাল্গুনে

    বামপন্থী মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের বামপন্থী চেতনা - ১


    অনলাইন গনমাধ্যম ইতিহাস চর্চার জন্যে অত্যন্ত বিপদজনক একটি জায়গা। ইতিহাসের বদলে প্রোপাগান্ডা চর্চা অনলাইন গনমাধ্যমে অনেক সহজ। অনলাইন আওয়ামীলীগ এই বিষয়টায় এতটাই দক্ষতা অর্জন করেছে যে তা মোটামুটি শিল্পের পর্যায়ে উন্নিত হয়েছে। বাংলাদেশের অনলাইন গনমাধ্যমগুলোতে সবচেয়ে বড় ইতিহাসবীদ যিনি তিনিই আবার অনলাইন বাঙলার সবচেয় বড় প্রোপাগান্ডা বিশারদদের একজন। এইটা অত্যন্ত চমৎকার কিন্তু ভয়ঙ্কর একটা সত্য। একটা মিথ্যা কথা বারবার বলতে বলতে কিভাবে সত্যে পরিনত করা যায় তার একটা উদাহরন বলি। ইদানিং প্রায়ই অপেক্ষাকৃত কম বয়সী অনেককে ব্লগে অথবা ফেসবুকে মন্তব্য করতে অথবা চ্যাটবক্সে বলতে শুনেছি বাংলাদেশের বাম

    অব্যক্ত কথা !


    প্রিয়তম বলবো নাকি প্রিয়তমা ? কি বলে তোমায় সম্বোধন করবো ? তোমার লিঙ্গ জানিনা , বর্ণও । তোমার ধর্ম জানি । প্রিয় বন্ধু আমার , প্রতি মুহূর্ত তোমায় স্মরণ করি রন্ধ্রে রন্ধ্রে । তুমি মিশে আছো আমার প্রতিটি লোমকূঁপে , রক্তে । তোমায় ছাড়া এক মুহূর্ত ভাবতে পারিনা । তুমিই যে আমার জীবন সঙ্গী । কেয়ামত থেকে কেয়ামত , হয়তো দোযখ পর্যন্ত আমি তোমার সঙ্গে থাকবো । হয়তো নয় , অবশ্যই থাকবো । তোমার পরশ পেলে বিপ্লবী হয়ে উঠতে ইচ্ছে করে , হয়তোবা মাও-সেতুঙ ! এটা দম্ভোক্তি নয় ।

    তৃষা ০১


    তৃষার জন্য শনিবারটা ইদানিং বেশ ঝামেলার হয়ে গেছে। আগে আগে ভালই লাগতো। অনিমেষ বাসায় থাকার কারণে কোন ধরণের চিন্তা ছাড়া বাইরে থাকতে পারতো। এখনও তাই, কিন্তু বাইরে থাকাটাই এখন কেমন বিরক্তিকর লাগে, বৈচিত্রহীন এক সুরো এক গান। মাঝে মাঝে বাসায় চলে যেতে ইচ্ছে হয়। মানুষের সব ইচ্ছে যেমন পূরন হয় না, তেমনি তৃষার এই ইচ্ছেটাও হয়ত পূরণ হবার নয়। শনিবারে শুভনীতার বাবা সুদীপ্ত আসেন, সুদীপ্তর সাথে দেখা হয় কিংবা করতে হয়। দেখা দেখিটা বন্ধুর ফ্লাট পর্যন্ত গড়ায়, গড়ায় একটা তুলতুলে শরীর, তুলতুলে বিছানা পর্যন্ত।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর