নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
    • কিন্তু
    • পৃথু স্যন্যাল
    • তানভীর আহমেদ মিরাজ
    • নুর নবী দুলাল
    • সাজ্জাদুল হক
    • বেহুলার ভেলা

    নতুন যাত্রী

    • কথা নীল
    • নীল পত্র
    • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
    • ফিরোজ মাহমুদ
    • মানিরুজ্জামান
    • সুবর্না ব্যানার্জী
    • রুম্মান তার্শফিক
    • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
    • হাসান নাজমুল
    • নরমপন্থী

    প্রথম ভালোলাগা, প্রথম ভালোবাসা


    বই পড়ার অভ্যেস সেই ছোটো বেলা থেকেই-মেজো ভাইয়ের হাত ধরে। ভাইয়ার পড়ার শখ ছিলো, তার শখের উপরেই আমার পাঠক হওয়ার অট্টালিকা নির্মান। সে সময়েই হুমায়ুন থেকে রবীন্দ্র- নজরুল সবই গোগ্রাসে গিলে খাচ্ছি। আর সাথে মাসিক ম্যাগাজিন তো থাকতোই, বাড়তি হিসেবে থাকতো আনন্দবাজার, দেশ আর সানন্দার চকমকে ভাললাগার পুজা সংখ্যা, তার গল্পগুলো। খুব ভালো ভাবেই তখন থেকেই মজেছিলাম গল্প-উপন্যাসের জগতে। তাই চারপাশের পরিবেশ বুঝে উঠার আগেই গল্প-উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সাথে আমার মিতালি।

    শুভ জন্মদিন চে গুয়েভারা।বিপ্লব অমর হোক,ভেঙ্গে যাক সকল পুজিবাদিদের হাত।


    মানুষের মস্তিষ্কের ভর গড়ে ১৩৭৫ গ্রাঃ(১৩৭৫ ঘন সেঃমিঃও বটে,তার কারন মস্তিষ্কের কোষের ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান )।আর একজন নারীর মস্তিস্ক পুরুষের তুলনায় গড়ে ১৫০ ঘন সেঃমিঃ কম।তার কারন কি ?তার কারন অবশ্যই এই না যে তাদের বুদ্ধির পরিমান কম- তাই মস্তিষ্কের ওজনও কম।হুট করে এ সিধান্তে আসা যাবে না। কারন তাদের শরিরের অয়বয়ও পুরুষ দের থেকে কম।আর ছোট শরীর এর জন্য একটু ছোট মস্তিস্ক ই যথেষ্ট।(আবার কেউ বইলা বইসেন না যে তাইলেত তারা শারিরিক ভাবে দুর্বল ।হা, শারিরিক ভাবে দুর্বল তো বটেই, তা না হইলে কি আর আপনি তার শারীরিক ভাবে দুর্বল, সুরু শরিরের দিকে তাকিয়ে থাকতেন ?)যাই হোক,বুদ্ধিমত্তার জন্য মস্তিকের ওজনের তুলনায়,

    আলো ফুরানোর দিন


    যে সকল দুঃখ প্রযোজ্য ছিল আমাদের জন্য
    বলতে গেলে অবধারিত ছিল
    সেগুলো ফেলে দিয়েছি বাতিলের খাতায়
    স্বেচ্ছায় কে ঠাই নিতে চায় ক্ষতচিহ্নের চোরাবালিতে?
    আরও অযুত আর্তনাদ চাপা পড়ে আছে জাগতিক বালুচরে
    কেউ সন্ধান করতে গিয়ে আর ফেরে না
    হে মহাজাগতিক ধূলো -
    সেই না ফেরাদের দলে নাম লেখাতে আমি বরাবরই অনিচ্ছুক।

    পবিত্র অসমতা


    আমার এই ২৪ বছর জীবনে খুব ভয়াবহ রকমের প্রয়োজন না থাকলে কখনই ভোরে উঠি নি। আজ খুব ভোরে ঘুম ভাঙল। বর্ণনাতীত ভালো লাগার একটি সূক্ষ্ম অথচ তীব্র অনুভূতি আমাকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখল। আমার পুরো শরীর জুড়ে এক নতুন আবেশ অনুভূত হচ্ছে। আমার আশেপাশের চিরচেনা প্রত্যেকটি বস্তু থেকে পবিত্র আলোর দ্যুতি বের হচ্ছে। আমার গায়ের সাথে লেপটে থাকা এই পোশাককে মনে হচ্ছে শুভ্রতার রঙ্গে আচ্ছাদিত। আমার শরীর আজ নবজাগরণ পেয়েছে। একে আমার সদ্য জন্মানো শরীর বলে মনে হচ্ছে। যে শরীরের প্রতিটি অঙ্গে প্রতিটি লোম কুপে প্রতিটি মাংসের ভাজে এক নরম কোমল স্নিগ্ধ টলমলে কিন্তু এলোমেলো ভয়ংকর বিধ্বংসী ছোঁয়া লেগে আছে। এই অনুভূতির নাম আমি জান

    ভালবাসা


    খুব নরম ও বর্ণিল অনুভূতি নিয়ে আসে এই ভালবাসায়।আসলে এটা কি ?কেমন জিনিস? তা নিয়ে যুগ যুগ ধরে আমাদের মধ্যে কত ভাব কত তথ্য বিনিময় হয়েছে।আজ অবধি এর কোন নির্দিষ্ট ফলাফল কারও কাছেই নেই।নানা রঙে বর্ণে সাজানো এই মিষ্টি ফলটি আসলেই মিষ্টি? আজীবন লালন করা এই ভালবাসায় কি কোন উপকার এসেছে।দেশ অঞ্চল কত কিছু উজার হয়ে গেছে এই মাদক এর পিছনে। আসলেই কি এটা মাদক নয়?এই মাদকতা তিলে তিলে গ্রাস করে যখন টের পাওয়া যায় তখন বেলা অনেক দূর চলে গেছে।পিছনে তাকালে দেখা যাবে ধূধূ মরুভূমি।

    অতএব, ধর্ষণ করিতেই হইবে..!!


    আগে পুরোটা পড়ুন। এরপর যদি আপনার পুরুষানুভূতি কিংবা নারীঅনুভূতিতে আঘাত লাগে তবে না হয় গালি দিবেন । ক্যমন ??

    **ধরুন পথে চলিতে কোন স্বল্পবসনা কিংবা অধিকবসনা ললনাকে দেখিয়া আপনার দেহে শিহরণ জাগিল। বিশেষ অঙ্গখানি নাড়াচাড়া করিতে লাগিল। কন্যার প্রস্ফুটিত অঙ্গের পানে আড়চোখে কিংবা সোজাচোখে তাকিয়ে আপনি চিন্তা করিতে লাগিলেন যে সম্পদ আছে বলিয়াই চোর তাহা চুরি করে। সম্পদ না থাকিলে তো চুরির প্রশ্ন আসে না। তাই দোষ নিশ্চিতভাবেই চোরের নয় ;সম্পদের। অতএব , কন্যাটিকে ধর্ষণ করিতেই হইবে !

    একজন মহিলার সম্ভ্রম এবং কালো বিচ্ছুর মত একটি কীট!!!!


    --আম্মা টাকা দাও। পনেরশ।
    --টাকা কি করবি?
    --কলেজে টেস্ট পরীক্ষা, ফী দিতে হবে। না দিলে পরীক্ষা দিতে দিবে না। আর পরীক্ষা দিতে না দিলে এইচ.এস.সি দিতে পারব না।
    --কবে নাগাদ লাগবে?
    --কালকে।
    --আচ্ছা কালকে নিস।
    --মনে করে কিন্তু।
    --আচ্ছা ঠিক আছে।

    এই দাবী গুলো পূরন করুন , তাহলে জনগন আপনাদেরকেও চাইবে ।


    হরতাল শেষে একজন বলবেন জনগন তা সমর্থন করেছে , অন্যজন বলবেন জনগন তাতে সমর্থন করেনি । এই হলে বলবেন জনগন এটা মেনে নেবেনা , সেই হলে বলবেন জনগন সেটাই চায় ।জনগনের খাইয়া কাজ নেইতো ! মনে রাইখেন জনগনকে আপনারা কিনেননি , জনগন আপনাদের কিনছে ভোট দিয়ে , মাসে মাসে বেতন দিয়ে । জনগন কি সমর্থন করে আর না করে সেটা ওরা নিজেরাই ঠিক করে নিবে , আপনাদের মুখের কথায় না ! জনগন কি চায় জানেন ?

    - আগামীকাল জীবিকার সন্ধানে রাস্তায় বের হলে লাশ হয়ে যে ফিরবেনা সেই নিশ্চয়তা !

    - ত্রিশ লক্ষ ভাইয়ের রক্ত আর দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের সাথে যারা বেঈমানি করেছে তাদের
    ফাঁসি !

    শৈশবকালীন অস্পষ্ট স্মৃতিসমূহ


    স্থান নজরান, সৌদি বর্ডারের এক প্রত্যন্ত অঞ্চল, যুদ্ধবিধ্বস্ত এক মেডিক্যাল আউটপোস্ট। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশসাপেক্ষে বাবার পোস্টিং হলো সেই বিরান ও বিধ্বস্ত ভূমিতে। সঙ্গী শুধু মা, আমি (মাত্র হামাগুড়ি অধ্যায় শেষ করে হেলেদুলে কোনোমতে হাটতে শিখেছি), আর আদরের ছোটো বোন (তখনও মা’র কোলেই কাটাচ্ছে শিশুকাল)।

    বিয়ে


    স্যার গাড়ীতে উঠছেন, আমি পাশে দাঁড়িয়ে। যেহেতু পাশ করে গেছি, এখন নিজেকে কলিগ ভাবা যায়, তারপরেও পারছি না। স্যার এর গাড়ী চলে গেলে আমি বাস ধরার জন্য রওয়ানা দিব। স্যার নিজে থেকেই বললেন, তোমার বাসাও তো ওদিকে, উঠে যাও।
    কোথায় বাসের গুঁতোগুঁতি আর কোথায় গাড়ীতে বসে এসি বাতাসে আরাম করতে করতে যাওয়া। উঠে গেলাম। স্যার এর পিওন ব্যাগ সামনের সিটে রাখল। আমি আর স্যার পিছনের সিটে। গাড়ী ছেড়ে দিল। পিওনটা খুব বিষণ্ণ মুখে সালাম দিল। গাড়ী চলতে শুরু করল।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর