নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • জীহান রানা
    • দীব্বেন্দু দীপ
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • জয়বাংলা ১৯৭১
    • মোগ্গালানা মাইকেল

    নতুন যাত্রী

    • বিদ্রোহী মুসাফির
    • টি রহমান বর্ণিল
    • আজহরুল ইসলাম
    • রইসউদ্দিন গায়েন
    • উৎসব
    • সাদমান ফেরদৌস
    • বিপ্লব দাস
    • আফিজের রহমান
    • হুসাইন মাহমুদ
    • অচিন-পাখী

    ক্ষমা করে দিও


    বড় অবহেলায় পড়ে আছো
    ধুলোর চাদর গায়ে জড়িয়ে।
    কতদিন তোমার দিকে ফিরে তাকাইনি আমি
    স্পর্শ করিনি কতদিন ।

    তোমার জন্য আমার ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।


    এমনটা হয়ত পারব না, একগুচ্ছ রজনীগন্ধা স্টিক অথবা সাদা,কাল,লাল কিছু গোলাপ নিয়ে
    তোমার সামনে গিয়ে ভালবাসি কথাটা বলতে কিন্তু তার মানে এই
    ...নয় যে আমি তোমাকে ভালবাসি না!

    হয়ত আমার না বলা কথা গুলো এভাবেও বলতে পারি, কোন এক অদেখা পথের বাকে নয়ত নিকুঞ্জ কোন স্থানে
    আচমকা তোমার ঘাড়ে হাত রেখে,তোমাকে বিব্রত চোখে আস্ফালন ঘটিয়ে,
    তোমার কানের সন্নিকটে মুখ রেখে ফিসফিস করে বলতে পারব,
    "আমি তোমাকে ভালবাসি... অনেক ভালবাসি"!!

    ...যদি সজোরে ধাক্কা দিয়ে নিজেকে সামলিয়ে স্থান ত্যাগ করো তবে আমি ভেবে নিব এইযে,
    নিশীত রাতে যখন খুব বেশি একা হয়ে যাবে,

    আল্লামা শফী টক;কিছু অন্তর্নিহিতকথা


    সম্প্রতি হেফাজতে ইসলাম এর আমীর আল্লামা শফী হাটহাজারীতে অনুষ্ঠিত ইসলামী মহাসম্মলনে এক কালজয়ী বক্তব্য দিয়েছেন।আসুন তাঁর দৃষ্টিতে সেই বক্তব্যের কিছু যুক্তিসংগত এবং যথোপযোগী কারণ খোঁজার চেষ্টা করি-

    কেন মহিলারা মার্কেটে যাবেন না: হুজুরের মতে মহিলারা মার্কেটের শত্রু তেঁতুলবিবি।মহিলারা যে মার্কেট বা শপিং মলে ভিড় করে সেখানেই বাড়তি তেঁতুলবাবা ক্রেতাদের আশংকাজনক হারে আগমন ঘটে।ফলে উক্ত তেঁতুলবাবাদের পিলার ও মার্কেট,শপিং মলের পিলারের উপর বাড়তি চাপ পড়তে থাকে!

    এক বীর পুরুষের গল্প ও আমাদের সামাজিক সংস্কার


    আমার নিচতলার ভাড়াটিয়া দম্পত্তির স্বামী কাজ করে একটা সরকারি দপ্তরে, স্ত্রী একটা স্কুলের শিক্ষিকা আর তাদের বছর সাতের একমাত্র মেয়েটি ঐ স্কুলেই পড়ে। আমাদের সাথে সম্পর্ক খুবই ভাল শুধু এই ছোট মেয়ে আর তার মায়ের কারণে, আমার মা’কে ‘নানী’ বলে ডাকে মেয়েটা, মা’ও নিজের নাতনীই মনে করেন, আমিও নিজের আপন মনে করি ফুটফুটে এই শিশুকে। ঘটনা হলো, মেয়েটার বাবা ‘পরকিয়া’ প্রেমে পরেছে, আমাদের এলাকার এক মেয়ের সাথে, সম্পর্ক বেশ অনেকদিনের। স্বামী স্ত্রী’র মধ্যে দাম্পত্য কলহ প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা এই পরকিয়ার জেরে। অনেকদিন আগে একবার মধ্যরাতে তাদের পাশের ফ্ল্যাটের অন্য মহিলা আমাদের ডেকে নিচে নিয়ে যান, কারণ স্বামীর মারের চো

    জাতীয়তাবাদি ছাত্রদলের প্রতক্ষ্য অংশগ্রহনে মেধারক্ষার অন্তরালে বিএনপি রক্ষার আন্দোলন শুরু হয়েছিল।


    তথাকথিত মেধাবীদের শাহবাগে করা আন্দোলন যে সম্পূর্নভাবে বিএনপি-জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য শুরু হয়েছিল এতে কোন সন্দেহ নেই। শাহবাগ নামটি পাকিস্তানিদের দেয়া, তাই এটি পরিবর্তন করে প্রজন্ম চত্বর রাখার দাবি ওঠে। কিন্তু প্রজন্ম চত্বরের পরিবর্তে মেধা চত্বর নামকরনের পেছনে যৌক্তিকতা একেবারেই অস্পষ্ট। হয়তোবা প্রজন্ম চত্বরের বিরুদ্ধেই এই আন্দোলনের আত্বপ্রকাশ।

    স্টেথোস্কোপ এর ট্র্যাজিডি


    পাঁচ বছরের চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোর্সে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র হওয়ার পড় থেকেই প্রত্যেক ছাত্রেরই সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে ওঠে একটি যন্ত্র, ‘স্টেথোস্কোপে’। ব্যাপারটা এভাবেও বলা যায়, হাতে স্টেথোস্কোপ আছে এমন কাউকে দেখেলই সবাই বুঝে ফেলে, ছেলে বা মেয়েটি ডাক্তার কিংবা হবু ডাক্তার। ব্যাপারটা হয়তো সবাই লক্ষ্য করেছেন, ‘একজন ডাক্তার রুগী দেখছে’ বোঝানোর জন্য সবচেয়ে সহজ যে ছবি ব্যবহার করা হয় তা হচ্ছে, ‘স্টেথোস্কোপ দিয়ে রুগী দেখছে একজন চিকিৎসক’ এর ছবি। একসময় যন্ত্রটি হয়ে ওঠে চিকিৎসকের পরিচয়। ‘স্টেথোস্কোপ সঙ্গে আছে, তাঁর মানে ইনি একজন চিকিৎসক’ কিংবা ‘একজন চিকিৎসক, মানে এর কাছে অবশ্যই একটি স্টেথোস্কোপ আছে’।

    নামকরণ , বিড়ম্বনা , পঙ্গপাল আমরা এবং দেশ


    বাংলাদেশে প্রায় জন্মলগ্ন থেকে একটি প্রথা চলে আসছে । সেটি বিভিন্ন স্থানের নামকরণ এবং ক্ষণে ক্ষণে তা পরিবর্তনকরণ । এ প্রথায় যে দেশের কোন উপকারই হচ্ছে না বরং ভিন্নদলীয় মানুষদের মধ্যে রেষারেষি বাড়ছে ।

    যেমন ধরা যাক , ঢাকার বিমানবন্দরের কথা ।

    জুলেখা একজন মেয়ে, অত:পর-


    জুলেখা বাদশার মেয়ে এটা ঠিক নয়, জুলেখা আসলে ওর বাবার
    মেয়ে৷ বাবা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল আর ফিরে আসে নি৷
    আমার সাথে স্কুলে যেতো, আট
    এর ক্লাসে পড়ত মায়ের সাথে থাকত৷ শাক ঘুটে কুড়াতো
    আর যে পথে বাবা যুদ্ধে গিয়েছিল
    সে পথে..
    মোল্লাবাড়ির বড় মোল্লা দলনেতা৷ মাথায়
    জিন্নাটুপি, মুখে কালো দাড়ি হাতে রাইফেল
    ইসলাম ও পাকিস্তানের জন্য
    জান কুরবান দিল৷ তার
    বাহিনী বাড়ি ঘিরে ফেললো৷
    দুস্কৃতকারী পেলো না৷ মালে গনিমত পেল৷ গাই-বাছুর, ছাগল, মুরগী, মা আর জুলেখা৷
    হালাল হালাল জেল্লায় হুমড়ি খেয়ে পড়ল৷ জুলেখার

    হুমায়ূন আহমেদ স্যার ও আমি


    মাঝ রাত। আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো। প্রায় রাতে এই সময়ে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। আমার বিছানার পাশেই জানালা। আমি তাকিয়ে দেখি, একজন ভদ্রলোক জানালার সামনে চেয়ারে বসে আছেন। তিনি জানালার বাইরে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। খুব সম্ভব জ্যোৎস্না দেখছেন।অদ্ভুত দৃষ্টিতে আমি তার দিকে তাকালাম।সে ও আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “দুঃখিত, আপনার ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিলাম।” আমি মুখটা হাঁসি হাঁসি করে বললাম, “ব্যাপার না। কিন্তু, আপনি কে বলুন তো?আর এত রাতে আমার ঘরেই বা কি করছেন?” তিনি আমার দিকে তাকিয়ে খুব স্বাভাবিক ভাবেই বললেন, “আমাকে চিনতে পারলেন না?আমি হুমায়ূন আহমেদ।” আমি একটুখানি বিস্মিতবোধ করলাম।খুব অবাক ও হলাম। তারপর এক গাল হাসি দিয়

    স্বাধীনতার জন্য আরো একটি যুদ্ধের প্রয়োজন!


    আমরা নিপীড়িত নিগৃহীত ছিলাম। কিছু সাহসী সন্তান তাদের জীবন বাজি রেখে আমাদেরকে মুক্ত করেছে পাকিস্থানী হায়েনাদের কবল থেকে।
    আমরা তাদের প্রতি চির কৃতজ্ঞ।
    মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের সূর্য সন্তান। তাদের ঋণ শোধ হওয়ার নয়। তাদের প্রত্যেক কে আলিশান বাড়ি গাড়ি দেয়া হউক। তাদের ১৪পুরুষের দায় ভার সরকার গ্রহণ করুক তাতে আমি গর্বিত এই ভেবে যে এভাবে তাদের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ করা যাবে।
    কিন্তূ তাই বলে মেধা প্রতিযোগিতায় বৈষম্য মেনে নেয়া যায়না।
    মুক্তিযোদ্ধারা কি বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল বাংলাদেশকে বৈষম্য মুক্ত করার জন্য নাকি বৈষম্য সৃষ্টি করার জন্য???

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর