নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
    • কিন্তু
    • পৃথু স্যন্যাল
    • তানভীর আহমেদ মিরাজ
    • নুর নবী দুলাল
    • সাজ্জাদুল হক
    • বেহুলার ভেলা

    নতুন যাত্রী

    • কথা নীল
    • নীল পত্র
    • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
    • ফিরোজ মাহমুদ
    • মানিরুজ্জামান
    • সুবর্না ব্যানার্জী
    • রুম্মান তার্শফিক
    • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
    • হাসান নাজমুল
    • নরমপন্থী

    কল্পনার জীবন


    বাসার দরজায় একটু ধাক্কা দিতেই দরজাটা খুলে গেল । মনের ভিতর একটু খটকা লাগল । ভিতরে ঢুকতেই পুরো শরীর কেঁপে উঠলো । বাসা পুরো নিস্তব্ধ । আরেকটু ভিতরের দিকে যাচ্ছিলাম তখন শরীরে একটি শীতল পরশ অনুভব করলাম । পিছে ফিরতেই কে যেন আমার শরীরের উপর ঝাপিয়ে পড়ল ।
    '' মিতু, এমন করে না । লক্ষ্মী মেয়ে আমার ।''
    ''এতো দেরি করলে কেন ?''
    '' অফিস এ কাজ ছিল ।''
    ''আমি অফিস এ ফোন করেছিলাম । ওরা বলল তুমি নাকি আজকে আগে বেরিয়েছ ।''
    ''তুমি অফিস এও ফোন করেছিলে ''
    ''কেন? আমি কি তোমার অফিস এ ফোন করতে পারি না ?''
    '' পারো ..................''
    '' এখন বল কোথায় গিয়েছিলে ?''
    '' কোথাও না , মামনি ''
    ''তাহলে এতো দেরি কেন ?''

    বাবাকে ইদানিং খুব মিস করি


    তসলিমা নাসরিন সম্পর্কে আপনি যত কথাই বলেন না কেন? সত্য কথা বলে বলে আমি তাকে বরাবরই পছন্দ করি,
    একবার তিনি বিশ্ব নারী দিবসে একটা কথা বলে ছিলেন, 'বছরের ৩৬৪ দিন হল পুরুষের আর একটা মাত্র দিন হল নারীর।'

    তার কথার সাথে তাল মিলিয়ে আমি বলতে চাই , বছরের ৩৬৩ দিন হল সন্তানের আর একদিন মাযের আর দিন বাবার।
    আজ বিশ্ব বাবা দিবস। বাবাকে অতটা মিস কখনোই করি নাই। কিন্তু ইদানিং কালে কেন জানি তাকে খুবই মিস করি।

    সীমায় বন্দী


    দেশীয় রাজনীতি লইয়া একটু ভাবনা করা দরকার। লেখনীর শুরুতে বলিয়া রাখি- আমাকে ভাবুক ভাবিয়া অনুগ্রহ বশে ভাবনায় পড়িয়া যাইবেন না।

    ভাবিলামঃ এইযে আওয়ামীলীগের পরাজয় হইল- এইটা কি আওয়ামীলীগের পরাজয় ছিল নাকি আওয়ামীলীগ হারিলো এইটা একটু ভাবা দরকার। অথবা এইযে বিনপির জয় হইল- ইহা কি বিএনপির জয় ছিল নাকি বিএনপি জিতিলো এইটাও একটু ভাবা দরকার। এবং এইটাও ভাবা দরকার- এইযে 'জয়-পরাজয়' শব্দ দুইটা, এই দুইটা শব্দ কেন প্রকারান্তরে শুধুমাত্র 'আওয়ামীলীগ-বিএনপি' কে অক্ষ বিবেচনা করিয়া নিয়ত ঘুরপাক খাইতেছে। এবং আমাদিগের আরো ভাবা দরকার- এই অর্থহীন ঘুরপাক কতখানি স্বতঃসিদ্ধ এবং চেতনার

    সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভরাডুবিঃ একটি ব্যক্তিগত অনুসন্ধান !


    সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভরাডুবিঃ একটি ব্যক্তিগত অনুসন্ধান !

    আমার এক গালিবাজ বন্ধু আছে যার তিন লাইন এর কথায় তেরটি শব্দ থাকলে তার মধ্যে পাঁচ ছয়টি শব্দ থাকে ‘চ ধ প ব’ বর্ণ আশ্রয়ে গঠিত । তার প্রিয় একটি গালি মিশ্রিত বাক্য হচ্ছে , '' শালা, দুঃখে বাইঞ্চত হয়ে গেলাম '' বা '' দুঃখে চুদনা হয়ে গেলাম '' ।

    চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পর সন্ধ্যায় সে ফোন করে জানালো, '' দোস্ত, ভোটের ফলাফলে আমি সাক্ষাৎ বোকাচুদা হয়ে গেছি ''। ওরে রিমাইন্ডার দিয়ে জানতে চাইলাম ক্যান কি হইছে ?

    ভীষণ হ য ব র ল


    [ক]
    মেঘ এসে জল ঢেলে
    চলে যায় দূরে।
    চাতক মনে রাখে
    ধুসর মেঘেরে।

    [খ]
    এক দেশে ছিল এক বামনের বাস
    পূর্ণিমা রাতে সে দেখল আকাশ।
    মুগ্ধ বামন ভাবে "আরে ওটা কি?"
    রুপালি রুপের সেই চাঁদটা নাকি!

    বাবা আমার


    'বাবা'শব্দটি কানে আসলেই চোখটা আমার ভিজে উঠে।অনেক একটি নির্ভরতা একটি উদ্যান অসীম ভরসা অনেক জিনিষের সমন্বয়ের নামটি বাবা। আমার জীবনটাই বাবা নির্ভর।
    আমার আবদার আমার আশা আমার শাসন বারণ সবই আমার বাবা।
    মা অনেকটা বাবার ছায়াই বলা যায়।বাবা যা বলবেন মা তাতেই সম্মতি জানিয়ে রাখতেন।
    শিশু থেকে কৈশোর যৌবন সন কিছুতেই আমার বাবাই আমাকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন।
    খুব ভয় পেতাম বাবাকে।এখন এই সময়ের ছেলে মেয়েদের মত আমাদের এত আহ্লাদ
    এত মা বাবা ঘেঁষা আমরা ছিলাম না।ভয় দ্বিধা শ্রদ্ধা সবমিলিয়েই ছিল আমাদের পারস্পারিক সম্পর্ক ।জীবনটা খুব জটিল ছিল না।

    কদম ফুল এবং কিছু নিরস সংলাপ


    ১) বৃষ্টি নেই, ভ্যাপসা গরম সাথে মাথার ওপর কড়া রোদ! তবু আজ নাকি বর্ষা ঋতুর প্রথম দিন! আবহাওয়া দেখে বোঝার উপায় নেই। মনেও নেই!
    -এনেছো?
    -কি?
    -কদম ফুল?
    -কদম দিয়ে কি হবে? পাল্টা প্রশ্ন করি আমি।
    কুমারি কড়া চোখে তাকালেন।
    -তোমার প্রথম অপরাধ, তুমি কদম ফুল নিয়ে আসোনি। দ্বিতীয় অপরাধ, তুমি পাল্টা প্রশ্ন করার সাহস দেখাছো। তোমার শাস্তি কি দিব?

    Flowers of War- নর্দমায় জন্ম নেয়া স্বর্গীয় সৌরভ ছড়ানো কিছু ফুলের গল্প...


    ১৯৩৭ সালের আগস্ট মাসের শেষদিকে আধিপত্য বিস্তারে উন্মাদ রক্তপিপাসু জাপানী অভিজাত রাজবংশের নির্দেশে চীনে হঠাৎ আক্রমন চালানো হয়। আক্রমনের প্রথমকে চীনাবাহিনী প্রচণ্ড প্রতিরোধ গড়ে তুললেও তৎকালীন পৃথিবীর অন্যতম সেরা জাপানিজ বাহিনীর সাথে তারা খুব বেশিদিন সমানে সমান লড়াই করতে পারেনি।

    নভেম্বরের মাঝামাঝি জাপানিজ বাহিনী চীনের তৎকালীন রাজধানী নানকিংয়ে ঢুকে পড়ে। এরই মধ্যে তিন মাসে বহুসংখ্যক হত্যা ও ধর্ষণ করে আসা জাপানীজ বাহিনী নানকিংয়ে ঢুকে স্রেফ উন্মাদ পশুতে পরিনত হয়...

    বাংলার আইনস্টাইন : অমল কুমার রায় চৌধুরী


    অমল কুমার রায়চৌধুরী বিখ্যাত বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী; তাঁর ক্ষেত্র ছিল সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্বমহাকাশ বিজ্ঞান। আপেক্ষিকতার বিশ্বতত্ত্বে অবদান বিশেষ করে রায়চৌধুরী সমীকরণের জন্যে তিনি বিখ্যাত। সাধারণ আপেক্ষিকতায় পেনরোজ-হকিং সিংগুলারিটি তত্ত্বগুলো প্রতিপাদনের জন্য তার রায়চৌধুরী সমীকরণ খুবই উপযোগী। তার কেবল এই একটি অবদানই পদার্থবিজ্ঞানে এতো গুরুত্বের দাবীদার যে অনেকে তাকে ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা পদার্থ বিজ্ঞানীর কাতারে রাখেন।

    অমল কুমার রায়চৌধুরী (জন্ম:১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ - মৃত্যু: ১৮ জুন, ২০০৫)

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর