নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নিহত নক্ষত্র
    • সৈয়দ মাহী আহমদ
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • কাঙালী ফকির চাষী
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • দ্বিতীয়নাম

    নতুন যাত্রী

    • ফারজানা কাজী
    • আমি ফ্রিল্যান্স...
    • সোহেল বাপ্পি
    • হাসিন মাহতাব
    • কৃষ্ণ মহাম্মদ
    • মু.আরিফুল ইসলাম
    • রাজাবাবু
    • রক্স রাব্বি
    • আলমগীর আলম
    • সৌহার্দ্য দেওয়ান

    এ্যালিন


    এ্যালিন ছেলেটা খুবই চালাক দেখতে বোকার মত । কেন জানি না আমার স্বপ্ন দোয়ারে এসে উঁকি দেয়। হয়তবা আমার মনের ভুল । ঐ ভুল জিনিস টা হল এ্যালিন । এ্যালিন তো মৃত। স্বপ্নে আসে । সকালে ঘুম ভাঙ্গলেই চলে যায়। কেন জানি এ্যালিন আমায় নেশার মধ্যে রেখে দিয়েছে। এ্যালিন আমায় প্রচুর স্বপ্ন দেখাতে সাহায্য করে। আমায় স্বপ্নে আসলে গ্রহে থেকে গ্রহান্তরে ,নানা অলৌকিক স্থানে নিয়ে যায়, নান কথা বলে আমায় স্বপ্ন দেখায়। মানুষের আবেগ সর্ম্পকে শুধোই জানতে চায়। সেই চেহারার এ্যালনি কে আমি ঘুম ভাঙলে পাই না। আমার শুধো ঘুমাতে ইচ্ছে করে কারণ টা হল ঘুমে শুধো এ্যালিন আসে। আমি কিন্তু এ্যালিনের মায়ায় পড়ে গেছি।

    ফরমালিন আতংক : সচেতনতাই পরিত্রানের উপায়।


    বর্তমানে আমাদের দেশে ফরমালিন একটি আতংকের নাম।দেশের ১৬ কোটি মানুষ আজ ফরমালিন আতংকে আক্রান্ত ও ভীত।বর্তমানে এ থেকে মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।তবে আশার কথা, আমরা একটু সচেতন হলেই পুরোটা মুক্ত না হলেও এই বিষ থেকে অনেকটা পরিত্রান পেয়ে যেতে পারি।

    বিধাতার স্বরনে...


    কি মজা যে পাওরে গুণধন
    ছিনিমিনি খেলাও তুমি লইআ আমার মন।

    নাহয় নাই নয়নে আমার পুর্নিমার চাদ আলো,
    লৌকিকতায় কি হয় রে চান্দ মনটা বড় ভালো।
    পায় ঠেলো আর জড়াও বুকে স্বাদ লাগে গো মনে,
    আসল পিরিত সাধন করতে সাধ জাগে গোপনে।

    স্মৃতি রোমান্থনস


    সময় সন্ধ্যা। ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে। কোচিং থেকে বের হলাম। ভিজতে ভিজতেই বাসার দিকে রওনা দিলাম। কিছুদুর এগিয়ে গিয়ে দেখি শোভা তার মাকে নিয়ে একটি চায়ের দোকানের পাশে দাড়িয়ে আছে। ওরা আগেই বের হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির জন্য আটকে গেছে।
    আমি গিয়ে বললাম, “অ্যান্টি, রিক্সা পাচ্ছেন না?”
    “না বাবা, বৃষ্টি মনে হয় এখনি কমেযাবে। বাসা কাছে তো, তাই ভাবলাম একটু দাড়াই। তুমি ভিজছো কেন? ঠাণ্ডা লাগবে তো।”
    “সমস্যা নেই অ্যান্টি।শোভা, চা খাবা?”
    “হ্যাঁ খাওয়া যায়।”
    “অ্যান্টি খাবেন?”
    অ্যান্টি কিছু বলল না। আমার দিকেতাকিয়ে হেসে দিলো। মেয়েও এক গাল হাসি দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।আমি চায়ের কথা বললাম।

    আমি মুক্ত হতে চাই


    মুক্তি পেতে চাই , মুক্ত করে দিতে চাই সব বাধাধরা নিয়ম। নিজের অবাস্তব ইচ্ছাকে মুক্ত করে দিতে চাই। কিছু বলতে গেলে বাধা পাই. চলতে গেলে পড়ে যাই। আমি সঙ্কিত। ভীতের মত মন থাকে সারাক্ষণ । বাধাধরা মধ্যে জীবন। জীবনেটাকে ভাল করে উপভোগ করতে চাই । কথা বলার সাহস খুজে পাই না। পিছনে যেন ভয় না থাকে। সেই সব কারণ থেকে আমি মুক্তি পেতে চাই।

    শেষ অন্তর্বাস !


    গভীর রাতে প্রত্যেকের ঘুমানো উচিৎ বলে আমি এ গলি ও গলি পেরিয়ে একটি দ্বিতল বাড়ির সামনে এসে উপস্থিত হই। বাড়িটি সাদামাটা; যদিও এর অঙ্গসজ্জায় বেশ একটা সপ্রতিভ ভাব দেখা যায়। দিনের বেলায় এ রাস্তা দিয়ে যতবারই হাঁটাচলা করেছি বাড়িটির দিকে ভালো করে তাকাতামও না, সাদামাটা বাড়ির দিকে কে তাকায়!

    ‘আইডেন্টিটি ক্রাইসিস’ বা পরিচয় সংকটের বাংলাদেশীদের জন্য কিছু কথা


    প্রথমে একটা প্রাসঙ্গিক সংজ্ঞা দেই; 'ইংরেজ' বা, 'English' বলতে আমরা কি বুঝি?
    'ইংরেজ' বা, English- রা হল একটি জাতি এবং জাতিগত গোষ্ঠী যাদের নেটিভ ভাষা ইংরেজী আর বসবাস করে ইংল্যান্ড। 'ইংরেজ'-দের প্রাচীন পরিচয় মধ্যযুগীয় হলেও ,তারও আগে ইংরেজরা Anglecynn হিসাবে পরিচিত ছিল। অর্থাৎ, ইংরেজ বলতে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী ইংরেজি ভাষা-ভাষীর মানুষদের বুঝায়! অথচ বিশ্বে আজ অনেক দেশ আছে যেখানে ইংরেজি ভাষা-ভাষীর মানুষের আধিক্য। কিন্তু, তাদের আমরা ইংরেজ বলি না। যেমন নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ আরও অনেক রাষ্ট্র!

    অসম্পূর্ণ যৌনাবেগ


    অসচেতন শাড়ির আঁচলের ফাঁক দিয়ে দেখা অসম্পূর্ণ সৌন্দর্য যুবককে আকর্ষণ করে ।
    আকর্ষণ করে একপাশে আঁচড়ে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়া চুলগুলো , অর্ধনগ্ন পিঠের উপরিভাগ ।
    সহকর্মী মেয়েটির ঘাড়ের গন্ধ ভালো লাগে যুবকের , কেমন গাঢ় আচ্ছন্ন একটা গন্ধ ।
    আর ভালো লাগে রাগ ভীমপলশ্রীর সুরে ঝলসানো পূর্ণিমা ।

    যুবকের ছুয়ে দিতে ইচ্ছে করে পাশের ফ্লাটের মেয়েটির গালদুটো , ঠোঁটদুটো ।
    অথবা বাসের কোনো অপ্রস্তুত মহিলার শরীর বাঁকানো খাজগুলো ।
    চটি পড়ে আর কাজ হয় না , সিটি কলেজের সামনে দাড়ালেই বরং রাতে সুবিধা হয় ।

    নগ্ন হও বালিকা
    তোমার সারা দেহে আজ আঁকবো পিকাসোর গুয়ের্নিকা ।

    বিকালে ভোরের আলো


    কতটা পেলে পূর্ণতা আসে? মিটে যায় সব চাওয়া, উঠে যায় বাঁধার দেওয়াল। আদি থেকে অন্ত খুঁজে খুঁজে কি একটাও মিলবে এমন সাজানো ডালা যার সব ফুল সবার জন্য মনোহর। সবাই মাতোয়ারা গন্ধে। সব ফুল পুজায় লাগে। লাগে না তো!

    দুটি ফোনবন্ধুর গল্প(১ম পর্ব)


    (১) রাত ন'টা বেজে গেছে।এখনো কিচ্ছু পড়াশোনা হয়নি।দিগন্ত ফিজিক্স বই খুলে বসে আছে।গত এক ঘণ্টায় কেবল একটা থিওরী পড়া হয়েছে।তাও আবার গতির সবচেয়ে সহজ থিওরী,v=u+at,যা মাত্র ১০ মিনিটের ব্যাপার।মাঝে মাঝে এমন হয় দিগন্তের।কোনো কিছুতেই মন বসে না।টেবিলে এক কোণে রাখা তার নতুন মাল্টিমিডিয়া মোবাইলটা সে হাতে নিল।ফোনটা হাতে নিয়েই ভাবলো,"একটু ফেসবুক থেকে ঘুরে আসি।নাহ ফেসবুকেও কোনো বন্ধু নেই"।দিগন্ত যে কী করবে তাই ভেবে পাচ্ছে না।ক্লাস এইটে স্কলারশিপ পাওয়ার সুবাদে তার মা তাকে এই মোবাইলটা কিনে দিয়েছে।তার ফোন ব্যবহারের তেমন কোনো দরকার নেই তবু বন্ধুরা ব্যবহার করে এজন্যই।তার অন্যান্য বন্ধুরা সবাই প্রেমও করে।ঘণ্টার প

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর