নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • নগরবালক
    • শ্মশান বাসী
    • মৃত কালপুরুষ
    • গোলাপ মাহমুদ
    • সজীব সাখাওয়াত

    নতুন যাত্রী

    • নীল মুহাম্মদ জা...
    • ইতাম পরদেশী
    • মুহম্মদ ইকরামুল হক
    • রাজন আলী
    • প্রশান্ত ভৌমিক
    • শঙ্খচূড় ইমাম
    • ডার্ক টু লাইট
    • সৌম্যজিৎ দত্ত
    • হিমু মিয়া
    • এস এম শাওন

    ইঞ্জিনিয়ারিং ইজ মাই পেশন...


    পূর্বকথা

    এই লেখাটা যখন লিখতে শুরু করেছিলাম তখন আমি ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং-এ বি.এস.সি করছি। প্রায় ২/৩ ভাগ ক্রেডিট কমপ্লিট, আর ১/৩ এর মত বাকি। যদিও আমার ব্যাকগ্রাউন্ড ইলেক্ট্রিক্যাল না। আমি ডিপ্লোমা করেছি অটোমোবাইলে। বাংলাদেশে অটোমোবাইলে বি.এস.সি নেই তাই ইলেক্ট্রিক্যালে পড়া। তবে ছোটবেলা থেকে আমার আগ্রহ কিন্তু ছিল ইলেক্ট্রিক্যালেই! সেই গল্প পরে বলব... আগে এই লেখাটা শুরু করার তাগিদ অনুভব করলাম যেদিন সেদিনের গল্পটা বলে নিই।
    ভার্সিটিতে ক্লাস করছি। সাবজেক্টঃ ইলেক্ট্রিক্যাল মেসিন-১।

    চিঠি


    চিঠি বলতেই আমরা বুঝি প্রতিটি লাইনে দীর্ঘশ্বাস ,পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা । কিন্তু অন্য ধরনের কিছু লেখা দেখলাম ।এক লাইনের চিঠি। হয়ত অনেকের কাছেই ফালতু একটা বিষয় মনে হবে তবে আমার কাছে অসাধারন লেগেছে ।
    এক কথায় প্রেমে পরে গিয়েছি চিঠি গুলোর

    এক লাইনের চিঠি

    ১) প্রিয় নদী,

    কলকল জল হতে ইচ্ছে করে।

    জানালাটা লাগিয়ে দাও


    জানালাটা লাগিয়ে দাও।
    দখিনা সমীরন চাইনা,
    যাতে তোমার ঘ্রাণ লেগে নেই।
    আজো বসে আছি, সেই
    চিলেকোঠার ঘরে।
    কালনীর পাড় জুড়ে-
    তুমি কোথাও নেই,তবুও
    আশ্বিনের মাসে কিংবা
    হেমন্তের সকালে,

    আগন্তুক মৃত শহরে


    মায়াবতী বিষন্ন দুপুরে নির্জন বাসভূমে একা বসে ছিলো। একাকিত্বের মাঝে নিজেকে ধাতব শহরে যেন মৃত মনে হলো আর একটি কবিতার জন্ম হলো এক মৃত শহরে। মায়াবতীর নীল আবছা আঁচলে স্থায়িত্ব পেল আগন্তুক মৃত রাত্রির ...........

    ঘড়ির কাঁটার সাথে কথা হয় বিদূষী দুপুরের
    সদন মৃত্তিকায় অভিশপ্ত করে দেয় দিনান্তর
    মুহুর্তে মনে হয় যেন-
    পাশে দন্ডায়মান এক আত্মাহীন ধাতব শহর।

    তসলিমা, আর কতদিন নিজের দেশরে বেইচা খাইবেন?


    এই মহিলারে নিয়া খ্যাচম্যাচ করা টাইম লস, তাও ক'দিন আগে গুগল নিয়া তার ভিক্ষা চাওয়া দেইখা আর থাকতে পারলাম না। মহিলা একেই মিছা কথা কইয়া পরদেশে হাফপ্যান্ট পড়তে গেছে, দেশে আইলে নাকি তার ঘাড় গর্দান থাকবো না। অথচ ইন্ডিয়াতেই তার নামে পাচটা ফতোয়া জারি হইছে, সেই ইন্ডিয়া ছাড়ার কোন ইচ্ছা তার নাই, উল্টা মিনিটে মিনিটে বাংলাদেশের বদনাম কইরা আখের গুছানোর তালে আছেন

    প্রেমিক আমি


    ভাবছি আমার প্রেমের দাবীতে
    কাল আধা বেলা হরতাল দেবো,
    পিকেটার হয়ে প্রতিটা গাড়িতে
    গাঁদাফুলের পাঁপড়ি ঝরাবো।

    অকৃতজ্ঞ ঢাকাবাসী


    ঢাকায় যারা বসবাস করেন তারা মায়ের কাছে যেমন ঋনী তেমনি বুড়িগঙার কাছেও ঋনী।পানি,গ্যাস,বিদ্যুৎ ছাড়া ঢাকা কত টা সচল?আমার কাছে মনে হয় সম্পুর্ন-ই অচল।

    আপনি জানেন কি?
    এই বুড়িগঙার পানি খেয়ে আমরা বেচে আছি।
    আর বাচতে হলে এই বুড়িগঙার পানি খেয়ে-ই বাচতে হবে।(কারন ঢাকার একমাত্র পানির উৎস-ই হল বুড়িগঙা)

    যে বুড়িগঙা আমাদের বাচিয়ে রেখেচে,আজ মরে যাচ্ছে সেই বুড়িগঙা।আমরা কত টা অকৃতজ্ঞ। তাকে বাচিয়ে রাখার জন্য কুছু-ই করছি না।
    আজ যদি আমাদের মা আমাদের সামনে এভাবে ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায় আমরা কি বসে থাকব??

    কথোপকথন : ০২(নিজেই সয়ং)


    -ভাই কি খবর…?
    -কোন খবর,কোন দিক থেকে জানতে চাও?
    -ভাই, আপনের কাছে আইলেই খালি কথা পেচান…?
    -আমি পেচাই না তুমি পেচাইয়া শুনো?
    -জানি না|
    -জানো না নাকি জানতে চাও না…??
    -ভাই!
    -আমরা কখনোই গভীরভাবে কোনো কিছু ভাবতে চাই না, আমরা সবকিছু ভাসাভাসা বা বিচ্ছিন্ন কইরা দেখি্.. আমরা আমাদের চারপাশে আয়নার দোয়াল তৈরি করছি ,সেই আয়নায় শুধু নিজেগোই দেখি, আশেপাশে কি ঘটল না ঘটল কার কি হইল না হইল, এর কিছুই আমরা দেখতে চাই না,যে প্রান-প্রকৃতি আমাদের ঘিরা রাখছে তার প্রতি আমাদের সীমাহীন উদাসীনতা… আমরা শুধু নিজেরা নিজেরা সুখে থাকতে চাই, আর আশে পাশের সবকিসুরে মনে করি তেজপাতা|

    ঐতিহ্যের অসভ্য নির্মমতা


    সারা রাত জেগে আছি,
    শুয়ে আছি, ভাঙ্গা সভ্যতার ঐতিহ্য ভাঙ্গা রাজপ্রাসাদে,
    ভয়টা সামান্য হলেও,
    রোমান্স আর বিনোদনটা ছিল বেশ।
    চাদের আলো এখনো আসছে
    দু একটা ইট বিহীন দেয়ালের ফাকা জায়গা দিয়ে,
    বিন্দু মাত্র কাটলনা তার রেশ।
    ভাবছি ঘুমিয়ে যাবো।
    হারিয়ে যাবো রুপকথার রাজ্যে।
    হাড়িয়ে যাবো দূরে,
    বহু দূরে।

    সুন্দরবনের মৃত্যু !!! অথবা রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রঃ আত্মজিজ্ঞাসা


    আমি কেন রামপাল সমর্থিন করতে পারছিনা তার বিস্তারিত বর্ণনা নিচে দিলাম। কথা না বাড়িয়ে শুরু করে দিই।
    প্রথমেই জেনে নিই কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে কিছু বেসিক কথা:
    কয়লা বিদ্যুৎ বর্তমানের বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম মাধ্যম। সারা বিশ্বে বিদ্যুতের ৪৭% কয়লা বিদ্যুৎ। প্রথমেই দেখে নিন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র কোন দেশে কি পরিমান পাওয়ার সাপ্লাই দিচ্ছে। সাউথ আফ্রিকা ৯৩%, পোল্যান্ড ৮৭%, চীন ৭৯%, অস্ট্রেলিয়া ৭৮%,

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর