নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • মিশু মিলন
    • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
    • দ্বিতীয়নাম
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • পৃথু স্যন্যাল
    • সাইয়িদ রফিকুল হক

    নতুন যাত্রী

    • জোসেফ হ্যারিসন
    • সাতাল
    • যাযাবর বুর্জোয়া
    • মিঠুন সিকদার শুভম
    • এম এম এইচ ভূঁইয়া
    • খাঁচা বন্দি পাখি
    • প্রসেনজিৎ কোনার
    • পৃথিবীর নাগরিক
    • এস এম এইচ রহমান
    • শুভম সরকার

    চিকিৎসার মাধ্যমে কি একজন সমকামী ব্যক্তিকে বিষমকামী ব্যক্তিতে পরিবর্তন করা যায়?


    দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভাগীয় শহর রংপুরের সদ্য কৈশোর পেরিয়ে আসা ১৮ বছর বয়সী সাদমান ইমাম দেশের সর্বোচ্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া হাসি খুশিতে ভড়া এক প্রাণবন্ত তরুন। শারীরিকভাবে পুরুষ মানুষের বৈশিষ্ট্য বহন করলেও মানসিকভাবে যে কিনা মেয়ে মানুষকে ধারণ করে। শিশুকাল থেকে তাঁর ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের সাথে বেশি মিশতে ইচ্ছে করে। তাঁর প্রতিবেশি ছেলে বন্ধুরা যখন বাড়ির বাহিরে ছুটাছুটি খেলাধুলায় মত্ত্ব, তখন সে তাঁর প্রতিবেশি মেয়েশিশুদের সাথে তথাকথিত পুতুলের বিয়ে খেলা নিয়ে ব্যস্ত। তাঁর কেন জানি মায়ের মত করে সর্বদা বউ সাঁজতে ইচ্ছে করে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে উচ্চবিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে যখন তাঁর ছেলে বন্ধুরা ম

    নাম সমাচার


    আমার নাম? আমার নাম আপাতত নাই বললাম। নামে কী আসে যায়? নামে কী মানুষ চেনায় না ব্যবহারে?

    প্রস্থান


    "এই পৃথিবীর পরে কত ফুল ফোটে আর ঝরে০
    সে কথা কি কোনদিন কখনো কারো মনে পড়ে।। "
    না অবসরে আর কোন ফুলের কথা মস্তিস্কের নিউরনে স্মরণ রাখার দরকার পড়বে না!
    দরকার পড়বে না ফুলের রঙে হৃদয়কে রঙ্গিন করবার!
    ফুলদানী আর সাজবে না রং বেরঙের ফুলে!
    পৃথিবীর শেষ বুনোফুলটিও আজ মধ্যরাতে বিদায় নিল নীল রঙের নাইলনের রশি তার বৃতিতে পেঁচিয়ে।
    অনেক আগেইতোঁ সন্তর্পণে কোন অজানা ঠিকানায় শরণার্থী হয়েছে- গোলাপ, রজনিগ্নন্ধা, হাসনাহেনা!
    অপরাজিতা পরাজিত হয়েছে কদর্য রিপুর কাছে।
    সে তার শেষ নীল বিন্দু দিয়ে লড়াই করেছিল তার সম্ভ্রম রক্ষার!

    ইসলামের নামে ডাকাতি, লুটপাট ও মুক্তিপন আদায়ের উদ্দেশ্যে বনিকদেরকে অপহরন করা বৈধ


    কোরান হাদিস সিরাত তাফসির যদি গভীর ভাবে পড়া হয় , তাহলে দেখা যাবে , ইসলাম সম্পর্কে যা প্রচার করা হয় , ইসলাম সম্পূর্নতই তার বিপরীত। কিন্তু প্রশ্ন হলো তাই যদি হয় , তাহলে মুসলমানরা কেন সেটা জানে না ? তার কারন মোল্লারা প্রচার করে কোরান আরবী ভাষায় পড়লে নেকী অর্জন হয়। তাই মানুষ নিজ মাতৃভাষায় কোরান পড়ে না। কোরান বাদে হাদিস সিরাত তাফসির এসব কিন্তু এই সাম্প্রতিক কালেই আরবী ভাষা থেকে ভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে , সে কারনে ইচ্ছা থাকলেও আগে কেউ ইসলামের প্রকৃত রূপটা জানতে ও বুঝতে পারে নি। সুতরাং এখন দেখা যাক , ইসলামের আসল স্বরূপটা কি।

    ৭ই নভেম্বর কেন ওদের কাছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস


    বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা সরাসরি একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে চলে আসে। এইসময় খুনীচক্রের অন্যতম প্রধান খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্বল্পসময়ের জন্য একটা নামমাত্র সরকার গঠিত হয়। আর এর নেতৃত্ব থাকে আমেরিকা-পাকিস্তানের হাতে। এইসময় তারা, তাদের মনমতো, পাকিস্তানী ভাবধারায়, পাকিস্তানী চিন্তাচেতনায় চিরবিশ্বাসী ও পাকিস্তানীদের মতোই একটা যোগ্যলোক খুঁজছিলো। আর তখনই ওরা পেয়ে যায় বাংলার এজিদ তথা বাংলার চিরবিশ্বাসঘাতক জিয়াউর রহমানকে।

    বিপ্লব ও সংহতি নয়, ইতিহাসের এক নির্লজ্জ অধ্যায়!


    ৭ই নভেম্বর কোন 'বিপ্লব ও সংহতি'র দিন নয়, ১৫ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে পাক-অনুচররা যে মিশন শুরু করেছিলো, তার ফিনিশিং টাচ! বাংলাদেশের ইতিহাসে বেইমানি আর ক্ষমতার জন্য নৃসংশ হত্যাকান্ডের এক নির্লজ্জ অধ্যায়! অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে ইতিহাসের এমন নৃসংশ হত্যাযোজ্ঞ আর মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক, দেশের পরীক্ষিত সূর্য্য সন্তানদের হত্যার এই মিশনকে বিএনপি প্রতিবছর উৎসবের মধ্য দিয়ে পালন করে! ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে এত সাক্ষ্য, প্রবীণ প্রত্যাক্ষদর্শী এত মানুষ এখন জীবিত অথচ ইতিহাসের তিনজন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ আরো অসংখ্যা স্বদেশী হত্যার এই দিনটিতে একটা রাজনৈতিক দলের কি নির্মম রসিকতা!

    প্রতিবছর বই ছাপার দরকার নেই, সে টাকায় শিশুদের খাবার দিন..


    নতুনবছর মানেই শিক্ষামন্ত্রী আবার প্রস্ততি নিচ্ছেন, ছেলেমেয়েদের মাঝে নতুন বই বিতরণের। অনেক অনিয়মের মধ্যে এটাও একটা সাফল্য যে, নিয়ম করে ঠিক সময়ে শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়। এর সাথে যুক্ত আছে প্রকাশনা শিল্প, শ্রমশক্তি ও বিশাল পুঁজি। কিন্তু প্রতিবছর একই বই ছাপাতে তো অনেক অর্থের দরকার হয়। এর কি কোন বিকল্প ব্যবস্থা নেই? শিক্ষার সীমিত বাজেটের বিপুল অর্থ প্রতিবছর খরচ না করলেই কি নয়? কিন্তু এ কাজের সাথে যুক্ত যে আমলাতন্ত্র, তারা কি সহজেই এ কাজটা করবে?

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর