নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • ড. লজিক্যাল বাঙালি
    • পৃথু স্যন্যাল

    নতুন যাত্রী

    • অন্নপূর্ণা দেবী
    • অপরাজিত
    • বিকাশ দেবনাথ
    • কলা বিজ্ঞানী
    • সুবর্ণ জলের মাছ
    • সাবুল সাই
    • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
    • মাহফুজুর রহমান সুমন
    • নাইমুর রহমান
    • রাফি_আদনান_আকাশ

    নারীবাদী গৃহকর্তীর মনোভাব


    নারীবাদ একটি শব্দ, নারীবাদ শব্দটিও একটি বৈষম্য! বুঝতে কষ্ট হচ্ছে? না কষ্ট হওয়ার কিছু নেই। আমি এতে বুঝি একটি নারী শ্রেণী, প্রচলিত সমাজ থেকে নিজেদের বিভক্ত করছে। নিজেরাই নিজেদের আলাদা করছে। এখানে ধর্মের চাইতেও ক্ষতিকারক হয়ে উঠেছে এইসব বিভক্তকরণীয় মতবাদ । পৃথিবীতে যেমন মতভেদের অন্ত নেই তেমনিভাবে বৈষম্য ছড়ানোর জন্য মানুষের অভাব নেই। তবে আমি বলছি না নারীবাদী নামক নারীরা নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলিয়েন না, তবে আমি মনে করি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে নারীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখুন। সাথে সাধারণ জনগনকে পাবেন। শুধু চিন্তা চেতনাটাকে বৈষম্যহীন করে এগিয়ে যেতে হবে।
    (বিষয়টি অযথা লিখেছি)

    জন্মদিনের প্রচলন করলো কারা, কেক-মোমবাতি কেন? বাংলায় জন্মদিনের প্রচলন করেন কে?



    .
    যদি বলা হয় জন্মদিন কেন সবাই পালন করা হয় তবে সবাই বলবে স্রেফ আনন্দের জন্য, যদি বলা হয় কেন এটি প্রচলিত হওয়ার প্রয়োজন পড়লো?
    উত্তরটা স্রেফ আনন্দের জন্য নয়।
    প্রায় কয়েক হাজার বছর ধরে জন্মদিন পালিত হয়ে আসছে, যার শুরুটা হয়েছিলো একটি গোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে।।
    .
    জন্মদিন কেন পালিত হয়?
    জন্মদিন পালনের প্রথাটি মূলত পৌত্তলিক (pagan) সংস্কৃতি ও বিশ্বাস থেকে এসেছে।

    অন্য চোখ (উপন্যাস-পর্ব-চার).


    .রাত প্রায় ১.৩০।আনিস ও অবন্তি দুজনই বাসায় ফিরলো।বাড়িওয়ালা মজনু খানের ওখানে ভরপেট খেয়েছে।খাওয়ার চেয়েও আড্ডা ছিলো বেশ।আনিস তো আসতেই চেয়েছিল না গল্পের আসর ছেড়ে।অবন্তি জোর করে নিয়ে এসেছে।মজনু খান ও তার স্ত্রী দুজনই গল্প পাগল।আনিসও তেমন।অবন্তির কারনে আসর ভেঙ্গে চলে আসে ওরা দুজন।

    বিবেকবান মানুষের সামনে পেশকৃত কিছু কথা


    তাবলীগ, জামায়াত ইসলামী, চরমোনায়, হিযবুত তাহরীর, জেএমবি, তালেবান, আইএসএস, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী সহ বহু মত ও পথের মানুষ এ পৃথিবীতে বিদ্যমান।উল্লেখিত সবগুলো মত ও পথ ধর্মকেন্দ্রীক। কিছু লোক ধর্মকে স্বীকার করে বিভিন্ন দলে বিভক্ত আরেকদল ধর্মকে অস্বীকার করে। আপনি যদি নিরপেক্ষ মন নিয়ে বিচার করেন এবং এ সকল শ্রেণীর লোকদের সাথে নিবিঢ়ভাবে মেলা-মেশা করেন, বিরোধিতা না করে এদের প্রত্যেক শ্রেণীর লোকদের হৃদয়ের মণিকোঠায় পৌছে তাদের বিশ্বাসকে বোঝার চেষ্টা করেন তাহলে এদের ৯৯% লোককে একটি বিষয়ে একমত পাবেন- সেটা হল সকলেই ভাল ও কল্যাণের বিকাশ চায় আর খারাপের বিনাশ চায়।মতবিরোধ হল- কোনটি ভাল আর

    নাবিল শামস এর জন্য সুবিচার চাই!!


    নাবিল শামস,
    একটি হাসিখুশি প্রাণবন্ত যুবক। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব ভালোবাসে। পর্যাপ্ত ট্যালেন্টেড একটা ছেলে। নিজেকে খোলাখুলি ভাবে প্রকাশ করতে পছন্দ তার। নিজের ব্যক্তিত্ব লুকিয়ে চলার মত মানুষ সে নয়। সম্প্রতি তাকে তার ভার্সিটি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    কারন কি?!

    ধর্মভিত্তিক রাজনীতি :রাজনীতির ধর্মহীনতা


    ধর্মভিত্তিক দল বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বেও এই অঞ্চলে সক্রিয় ছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নতুন করে আরো কিছু ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব ঘটেছে। তারপরও বাংলাদেশের সবগুলো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের মোট সমর্থকদের সংখ্যা আওয়ামীলীগ বা বিএনপি যে কারোর একক সমর্থকের সমান নয়। জামায়াতের সমর্থক সংখ্যা যতই কম হোক তাদের সংগঠন অত্যন্ত সুসংগঠিত,অর্থকড়ি প্রচুর এবং বিধ্বংসী ক্ষমতা মারাত্মক। সারা দেশের আনাচে কানাচে তাদের অল্পসংখ্যক হলেও সমর্থক এবং আকারে ক্ষুদ্র হলেও সংগঠন আছে। তবুও ভোটের হিসাবে তারা এখনো নগন্য। অন্যান্য ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন ও সংগঠন সম্পর্কে খুব একটা জানা যায়না। প্রশ্ন

    সুপ্রীতি ধরের লেখা: অতপর উইমেন চ্যাপ্টারের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে আমরা বাক স্বাধীনতার কবর রচনা করছি না তো?


    অনলাইনে সুপ্রীতি ধরকে চিনি বছর দুয়েক ধরে। তিনি বছর দুয়েক আগে বিদেশের কি একটা পুরস্কার (ঠিক মনে করতে পারছিনা) পেয়েছিলেন। এরপর দেশে আসার পর সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশের কে জানি (কোন প্রতিষ্ঠান জানি না) তাঁকে একটা লেফটপও গিফট করেছিলেন। সেই থেকে (দুই বছর আগে থেকে) আমি ওনাকে ফলো করছিলাম আমার সুপরিচিত আগের "অপ্রিয় কথা" আইডি(আইডিটা মৌল্লারা বন্ধ করে দেয়) থেকে,যেটা এখন নেই। এটা অপ্রিয় কথা'র দ্বিতীয় আইডি। তো যা বলতে চাইছিলাম। সুপ্রীতি ধরকে ফলো করার অন্যতম কারণ ছিল তার পদবী। কারণ এই ধরনের চেনা জানা পদবী সাংস্কৃতির বিপ্লবে খুব কমই আসে। এই পদবীর মেয়েগুলো অনেকটা ঘরকুনো হয়। আমার নিজের চোখে দেখা। তো সেই কৌতু

    নোয়াখালীর "শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম" এর এই মুক্তিযোদ্ধা ভুলু কে?



    .
    শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম।
    বৃহত্তর নোয়াখালীতে এমন কোন সচেতন নাগরিক নেই যারা নোয়াখালীর এই স্টেডিয়ামটির নাম শোনেননি। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭৩ সালে নোয়াখালীর প্রাণকেন্দ্র মাইজদীতে এক হাজার আসনের এই স্টেডিয়ামটি স্থাপিত হয়। নোয়াখালীতে এটিই বৃহত্তর স্টেডিয়াম।
    কিন্তু কে এই শহীদ ভুলু?
    .
    মুক্তিযোদ্ধা ভুলুর সম্পূর্ণ নাম শাহাবুদ্দিন ইস্কান্দার, ডাক নাম ভুলু। জন্ম নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার ১৬ নং কাদিরপুর ইউনিয়ন।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর