নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    There is currently 1 user online.

    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • ষঢ়ঋতু
    • এনেক্স
    • আরিফ ইউডি
    • গলা বাজ
    • হুসাইন
    • তারুবীর
    • অন্তরা ফেরদৌস
    • শেখ সাকিব ফেরদৌস
    • প্রাণ
    • ফেরদৌস সজীব

    ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৩


    শূন্য থেকে মহাবিশ্ব

    ০.০ শূন্য কি আমরা জানিনা! অসীম কি তাও আমরা জানিনা! ঈশ্বর কিংবা ব্রহ্ম কি তাও জানিনা! প্রথমোক্ত দুটি চিন্তা গানিতিক চিন্তন থেকে উদ্ভূত যা গনিত কিংবা পদার্থবিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত যদিও শূন্য ও অসীম চিন্তন দর্শনেরও বিষয়। আর ঈশ্বর কিংবা ব্রহ্ম চিন্তা ধর্ম ও দর্শনের প্রত্যয়।

    মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে শুনলাম এক কাটমোল্লার গালি


    মানুষ বড় আশা নিয়ে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করতে যায়। আর বড় আশা থাকে মানুষের মনে। আজ হয়তো নতুন কিংবা ভালো কোনো কথা সে শুনবে। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি।

    আজ আমিও মসজিদে গিয়ে বড় আশাহত আর মর্মাহত হয়েছি। আর মনে মনে ভীষণভাবে লজ্জিত হয়েছি। আমাদের দেশের আজকালকার এইসব মসজিদের ইমাম কি পাগল? এদের কথাবার্তার কোনো লাগাম নাই। এরা দিন-রাত পাগলের মতো প্রলাপ বকে যাচ্ছে। আর নিজের মনগড়া কথাকে আজ নিজের স্বার্থে ধর্ম বলে প্রচার করছে।

    পাকিস্তানীরা ৭১-এ কেমন লড়েছিল?


    মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ কিংবা এমন সংখ্যক বাঙ্গালী হতাহতের হিসেবের বাইরে। সম্ভবত ২২০০০ মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ২-৩ লাখ। ইন্ডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং সেনা সদস্যরাও ডিসেম্বরের আগে থেকেই মুক্তিবাহিনীর অনেক অপারেশনে সাহায্য করেছে, অংশ নিয়েছে, ফায়ার সাপোর্ট এবং নির্দেশনা দিয়েছে। ডিসেম্বরে আরতীয় বাহিনীর প্রায় তিনটি কোরের ৮ ডিভিশন সেনা বাংলাদেশে মুক্তিবাহিনীর সহায়তায় অভিযান শুরু করে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার পর। শক্তিশালী নৌবাহিনীর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে ছিল নেভাল ব্লকেড। বিমান বাহিনীর একমাত্র জঙ্গী বিমানের বহর ১৪ নং স্কোয়াড্রন এফ-৮৬ স্যাবর জেট অপারেট করতো কেবলমাত্র ঢাকা থেকে। ইন্ডিয়ানদের ছিল চতুর্দিকে প্রায় ৫ টি মেইন এয়ারবেস এবং ১০ টির বেশি জঙ্গী বিমানের স্কোয়াড্রন।

    এত বিশাল ভূখন্ড দখলে রাখতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল অন্তত ১০ ডিভিশন সেনা, শক্তিশালী নো এবং বিমান বাহিনীর উপস্থিতি, সাথে প্যারামিলিটারী বাহিনীর সদস্যদের। জনগনের কমপক্ষে ৯০ শতাংশের প্রত্যক্ষ কিংবা নীরব সমর্থন ছিল স্বাধীনতার পক্ষে। এত বিশাল জনগোষ্ঠীকে অস্ত্রের মুখে দমিয়ে রাখতেও দরকার ছিল বিপুল সংখ্যক সেনার।

    অন্ধ গুরুবিশ্বাস ও জাত্যাভিমান হিন্দুদের অনৈক্যের কারণ!


    হিন্দুদের অনৈক্যের অন্যতম প্রথম কারণ হল এদেশে হিন্দুদের ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য গুরু!

    মুহাম্মদের কোন দোষ নাই, সে ডাকাতও নয়।


    কোরান হাদিস সিরাত ঘাটলে দেখা যাবে , ইসলাম অমুসলিমদেরকে প্রচন্ড ঘৃনা করতে , তাদেরকে নিকৃষ্ট জীব মনে করতে শেখায়। আর সেই কারনেই দুনিয়ার প্রতিটা মসজিদে জুম্মার নামাজের পর অমুসলিমদের ধ্বংস কামনা করে ও অভিশাপ দিয়ে খুতবা দেয়া হয়। এ ধরনের নিকৃষ্ট প্রানীদের ধন সম্পদ জোর করে কেড়ে নেয়ার জন্যে কোরান হাদিসে সুস্পষ্ট নির্দেশ বিদ্যমান আর সেটাই আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদকে বলেছে , সে নির্দেশ পালন করতে গিয়েই মুহাম্মদ হয়ে গেছে দুনিয়ার শ্রেষ্ট ডাকাত।

    দুইটি নৈতিক বানীঃ ১. অহিংসা পরম ধর্ম ও ২.জীব হত্যা মহাপাপ


    ১) অহিংসা পরম ধর্ম। ২) জীব হত্যা মহাপাপ।
    __বুদ্ধ

    ১.১ মানুষ হলো এক কোষী প্রানী/জীব এরই বিবর্তিত কিংবা ক্রমবিকশিত রুপ।

    ১.২ অতএব, এক কোষী জীবও ক্রম সংকোচিত একজন বুদ্ধ মানব।

    ১.৩ জগতের প্রতিটি সত্তা জড়-অজড় কিংবা জীব-অজীব প্রত্যকই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক আন্ত:জালিক বন্ধনে আবদ্ধ। প্রতিটি সত্তাই(জড়, জড়-কনা, জীব, অনুজীব) একে একটি পয়েন্ট।একে বলা যেতে পারে জগতের নেটওয়ার্ক যা জগৎরূপ সুবিশাল মহা কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত।

    ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-২


    কেউ এখন দর্শন নিয়ে পড়ালেখা করতে চায়না। সবাই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা পেশাদার বিজনেজম্যান হওয়ার শিক্ষা অর্জন করতে চায়। সমাজ সেবা নয়, সবার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য টাকা উপার্জনের জন্যে পড়া-লেখা করা। আরেক শ্রেনীর উদ্দেশ্য ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করা। মনে হয় ধর্ম নিয়ে খুব কম পড়াশোনা করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।
    পড়ালেখার মধ্যে ঢুকে গেছে কমার্শিয়াল চিন্তা। জ্ঞানার্জন নয়, যে বিষয়ে পড়াশোনা করলে চাকুরির বাজার ভালো সে বিষয়ের প্রতি ঝুকে পড়ছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকগন।

    অথচ জ্ঞানের প্রতি যার অনুরাগ তার দর্শন পড়ার কথা। দর্শন অন্যের মতের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা দেয়।

    আর্যরা বহিরাগত নয়.... আর্য এবং দ্রাবির বরং একক জনগোষ্ঠী (দেবযানী ঘোষ)


    আর্যরা বহিরাগত আক্রমণকারী- একটি ভুল ইউরোপীয় তত্ত্ব
    ⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛
    অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই তত্ত্বের উদ্ভব হয়। এই তত্ত্ব অনুযায়ী আর্য হলো ককেসিয় পার্বত্য অঞ্চল থেকে আসা গৌরবর্ণ, উন্নত নাক, নীল চোখের মানুষ যারা খ্রী:পূ: 1500 শতকে ভারত আক্রমণ করে। এরা ঘোড়ার ব্যবহার জানতো। ঘোড়ায় টানা রথ এদের প্রধান যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল। এরা লোহার ব্যবহার জানতো। এরা এদের সঙ্গে বেদ নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল। সংস্কৃত এদের ভাষা ছিল।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর