নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • শহরের পথচারী
    • দীব্বেন্দু দীপ
    • অলীক আনন্দ
    • মিশু মিলন

    নতুন যাত্রী

    • তা ন ভী র .
    • কেএম শাওন
    • নুসরাত প্রিয়া
    • তথাগত
    • জুনায়েদ সিদ্দিক...
    • হান্টার দীপ
    • সাধু বাবা
    • বেকার_মানুষ
    • স্নেহেশ চক্রবর্তী
    • মহাবিশ্বের বাসিন্দা

    যত মসজিদ ততো উগ্রতা


    রথযাত্রায় মাইক নিষিদ্ধের ঘোষণা তখনই গ্রহণযোগ্যতা পেত যদি সকল ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে এটি কার্যকরী হত। এই ঘোষণা একটি নির্দিষ্ট ধর্মের ওপর চাপিয়ে দেওয়ায় প্রমাণ হয় এদেশে সংখ্যালঘুদের অবস্থান কোন পর্যায় এসে নেমেছে। এই ঘটনাটি আরো প্রমাণ করে বাঙলাদেশ এখন আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নিদর্শন নয়।

    বিস্মৃত নায়ক


    ফৌজদার হাট ক্যাডেট কলেজের তুখোড় এক ছাত্র ছেলেটা। ম্যাট্রিকে ফার্স্ট ক্লাস এবং ইন্টারে সারা দেশের মধ্যে ফোর্থ হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর তার রূপ পাল্টে গেল, এবার সে এনএসএফের গ্যাংস্টার, সারাদিন লোডেড পিস্তল হাতে ক্যাম্পাস কাঁপানো, যার ভয়ে বাকি ছাত্রসংগঠনগুলো টিকতেই পারতো না!

    নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-দুই)


    এদিকে উত্তেজনায় আর আনন্দের আতিশয্যে রাতে ভাল ঘুম হলো না রাজজ্যোতিষীর। সাতসকালে ঘুম থেকে উঠে স্নান-আ‎হ্নিক সেরে রাজসভায় উপস্থিত হয়ে জানালেন যে তিনি গণনা করে রাজ্যের দুর্দশার কারণ এবং রাজপুরোহিত শাস্ত্র ঘেঁটে এই দুর্দশা থেকে উত্তরণের উপায় নির্ণয় করতে পেরেছেন। দূতমুখে এই কথা শুনে রাজা লোমপাদ তড়িঘড়ি করে রোজকার চেয়ে আগেই উপস্থিত হলেন রাজসভায়। অমাত্যগণ, রাজকর্মকর্তা এবং কর্মচারীগণ আগে থেকেই রাজসভায় উপস্থিত। চোখে-মুখে গর্বিত এবং তৃপ্তির ভাব বিকশিত করে এলেন রাজপুরোহিত। সকলের সম্মুখে রাজজ্যোতিষী তার গণনাবিদ্যার প্রতি গর্ব প্রকাশ করে বললেন, ‘মহারাজ, আমার বংশে জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চায় আমি দশম পুরুষ, পূর্

    আল্লাহ্'র হাতে বন্দি ঈশ্বর।


    ঈশ্বর : (আরশে ঢুকে কোনরকম ভূমিকা না করেই হঠাৎ হুংকার দিয়ে বলে উঠলেন) কি করছো এইসব?
    আল্লাহ্ : শান্ত হউন শান্ত হউন,শান্ত হয়ে বলুন কি হয়েছে।
    - আহ্, কি করে শান্ত হবো, তুমি কি আমাকে শান্ত থাকতে দিচ্ছ?
    - কেন, আবার কি হলো?
    - নতুন করে আর কি হবে? পৃথিবীটার কি অবস্থা হয়েছে দেখেছ? কথা ছিলো তুমি চৌদ্দশ বছর থাকবে। এখন প্রায় সাড়ে চৌদ্দশ বছর হয়ে যাচ্ছে। তারপরও আমাকে শান্ত থাকতে বলছো?
    - আ..আ...আস্তে বলুন। আশেপাশে আমার ফেরেশতারা আছে। কেউ শুনে ফেলবে তো।
    - আমি মজা করতে আসিনি। মজা করোনা। ওরা সবাই জানে.......

    স্যাটানিক ভার্সেস এবং খাদিজা


    ইসলাম মাতৃতান্ত্রিক সমাজ বিরোধী কারণ প্যাগানিজমের কোনও বৈশিষ্ট্যই মেনে নিতে এটি প্রস্ত্তত নয়। অথচ প্রাচীন সমাজে নারীর শাসন তখনও স্বীকৃত। নারী মানুষ উৎপাদন করে, অসুস্থতা থেকে বাঁচিয়ে তোলে, তার হাতে বীজ থেকে বৃক্ষ হয়। এসব অব্যাখ্যাত কাজকর্ম নারীকে অপৌরুষেয় বা অলৌকিক করে রাখে। তার অলৌকিক ক্ষমতায় সমাজ ভীত ও সন্দিহান থেকে যায়। অপরদিকে হত্যা, খুন, আরবের পথে মক্কা মদিনায় যাত্রারত বণিকদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের সম্পদ ও প্রাণ লুণ্ঠনই কুরাইশ এবং অন্যান্য মরুকেন্দ্রিক গোত্রের অন্যতম পেশা। উট চালায় পুরুষ। উটের রশি দক্ষহাতে ডানবাম করে দ্রুত আগত কাফেলার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের সবকিছু কেড়ে নেয়ায় যারা গোত্রে সেরা তাদের নিয়ে মুহম্মদের প্রথম আল্লাহর সৈনিকেরা তৈরী হয়েছিল। কুরাইশ গোত্রের এই দলটি তাই অন্য ধর্মীয় বণিকদের আতংকের কারণ হয়ে ওঠে। এই পথ যেহেতু কার্যকর পন্থা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে সুতরাং নারীদের পূর্ণ দাসত্ব নিজ দলে নিশ্চিত করায় কোনও সমস্যা হয় নি। পুরুষরা বাধা দেয় নি কারণ নারীকে দাসরূপে অধীনস্ত করে দিয়ে তাদের ইগো কিনে নেয়া হয়েছে। আল্লাহ, তার প্রতিনিধি বা রসূল ও কুরানে পূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা এ কারণেই বারবার বলা হয়ে থাকে। কারণ সন্দেহ রয়ে যায় যে, যে নারী মানুষ উৎপাদন করে সে লিলিথের উত্তরসূরী, সে সহজে মেনে নেবে না। তাকে পদে পদে সবার নিচে রাখতে হবে। মাথা তুলতে দেয়া হবে না। তার জীবন ধারণের সমস্ত কিছু সে তার মলিক পুরুষের হাত থেকে নিতে বাধ্য থাকবে।

    পাত্র/পাত্রী দেখার বীভৎস পীড়াদায়ক প্রথা বাতিল করা উচিত।


    গতকাল রাতে আমি আমার জীবনের প্রথম এবং সবথেকে বাজে পরিস্থিতি ও অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে।

    ঈদ/ইদ, ইশ্ এবং জিদ


    যদি বলতে হয়- “বাইন মাছটি অসুস্থ” তাহলে ইংরেজিতে তা বুঝাতে গেলে উচ্চারণ সঠিক করতে হবে। আমি যদি বলি- ‘দ্যা ঈল ইজ ইল্’ তাহলে এটি সঠিক উচ্চারণ হবে এবং বোঝা যাবে যে “বাইন মাছটি অসুস্থ।” কিন্তু যদি বলি- “দ্যা ইল ইজ ইল।” তাহলে বাইন মাছটি দেখিয়ে বললেও শ্রোতা বুঝবে- “বাইনটি হয় বাইন।” আবার এটি শুধু বোঝা না-বোঝার বিষয় নয়, শুদ্ধ-অশুদ্ধেরও বিষয়। সবকিছু বাদ দিলাম, প্রায় সমোচ্চারিত শব্দের বানানে পার্থক্য তো সৃষ্টি করতে হবে, সেটি কীসের ভিত্তিতে হবে?

    পতিতাবৃত্তিতে মেয়েরাঃ স্বেচ্ছায় নাকি অনিচ্ছায়?


    আপনি কি একবারো ভেবেছেন কি দেশের কত শতাংশ মেয়ে পতিতাবৃত্তি পেশার সাথে জড়িত? পতিতা শব্দটা শুনলেই আমরা ছিঃ ছিঃ করি নিজের পবিত্রতার পরিচয় জানান দিতে। শত শত অসভ্যতা করেও আমরা সভ্য! একদিকে পতিতাদের কথা শুনলে আমরা ছিঃ ছিঃ করে ফেনা তুলে ফেলি আর অন্যদিকে রাতের অন্ধকারে চুপি চুপি অতৃপ্ত বাসনাগুলো পূরণ করতে ধরণা দেই সেই পতিতাদের কাছে। আমাদের কারণেই যারা অসভ্য আর বেশ্যা উপাধি পেয়ছে সেই আমরাই কিন্তু সভ্য। কোট-টাই-পেন্টের আবরণের ভেতর গুটিশুটি মেরে থাকা সেই অসভ্যতা কেউ দেখে না। আচ্ছা একবার চিন্তা করুন তো রাতের অন্ধকারে এই কর্মগুলোর সাথে যারা লিপ্ত হতে যায় তাদের পরিমাণটা যদি বিশাল অঙ্কের না হতো তাহলে কি এই পতিতাদের সংখ্যাটা দিন দিন বেড়ে যেতো? চাহিদা আর যোগানের মধ্যে গভীর যোগসূত্র আছে সেটা আমরা সবাই কম বেশি জানি। যাহোক আমাদের ভদ্র এবং সভ্য সমাজকে দায়ি না করি।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর