নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    There is currently 1 user online.

    • বেহুলার ভেলা

    নতুন যাত্রী

    • চয়ন অর্কিড
    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ

    কন্যার কাছে লিখিত চিঠি


    প্রিয় ম্যাক্স,

    তুমি আমাদের সামনে ভবিষ্যতের জন্য যে আশা জাগিয়েছো সেটা বলে বোঝানোর মত সঠিক শব্দ তোমার মা কিংবা আমি কেউই খুঁজে পাচ্ছি না। তোমার সদ্যপ্রাপ্ত জীবন সম্ভবনায় ভরপুর এবং আমরা প্রত্যাশা করি তুমি হবে সদানন্দ এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী যাতে তুমি তোমার জীবনকে পরিপূর্ণভাবে আবিষ্কার করতে পারো। তুমি ইতিমধ্যে আমাদের নিজেদেরকে বিশ্বব্যাপী প্রতিফলিত হওয়ার কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছো এবং আমরা আশা করছি তুমি ভবিষ্যতে নতুন পৃথিবীতে বাস করবে। সব মা-বাবার মত আমরাও চাই আমরা যে পরিবেশে বড় হয়েছি তারথেকেও উন্নত পরিবেশে তুমি বেড়ে উঠবে।

    অলৌকিক আগুন (শাজাহান বাচ্চু স্মরণে)


    কিছুই থামেনি, কখনই থেমে ছিলো না ওসব,
    গোপন ভোঁজালিতে শাণ দেওয়ার স্ফুলিংগ কেবল আমাদের
    চোখে পৌছেনি।
    অভিশপ্ত নগরী জেগেই ছিলো, অলৌকিক আগুন
    নিভেনি কখনও আর, মিছিল পোড়ার শব্দ কেবল আমাদের
    কানে আসেনি।
    কুপমন্ডুকতা বেঁচেই আছে, অপদেবতা হতে কখনও
    হয়নি নির্বাণ লাভ, লালা ঝড়ানো তীব্র নখের হিসহিস শুধু
    টের পায়নি।

    আগুনপরী


    আগুন! হলুুদ শিখার আগুন আমি! কেউ কেউ কাব্যিক ঢঙে বলে, ‘ওগো হলুদ শিখার আগুনপরী, ইচ্ছে করে তোর বুকে ঝাঁপিয়ে মরি!’ আমি হেসেই মরি! কিন্তু মারি না। আমার হলুদ শিখায় আকৃষ্ট হয়ে কতো না অজানা-অচেনা মানুষ পোকার মতো ছুটে আসে, আগুনে ঝাঁপায়, কাউকেই মারি না আমি; যারা আসে তারা যে আমার খদ্দের লক্ষ্মী! আমি কেবল তাদের সাথে খেলা করি। মহাকালের দামাল খেলার আনন্দে ভাসাই তাদের, নিজে ভাসি। দেহরেকাব সাজিয়ে আমি তাদের সেবা করি, কামসেবা।
    কেউ বলে, ‘নাগিনী তুমি, বীণের সুরে উন্মাতাল হয়ে যাও, এতেই তো বীণ বাদকের আনন্দ!’ সত্যিই, আমি ফণা তুলি, শিস দিই। কিন্তু দংশন করি না, বিষ ঢালি না; ঢালি অমৃত!

    সবুজে ঘেরা মুন্সিগঞ্জ


    মুন্সিগঞ্জ জেলা অনেক আগে থেকে'ই অনিরাপদ। এই মুন্সিগঞ্জ পরিবর্তিত হতে শুরু করেছিল ২০০১ সাল থেকে'ই। যত'দূর মনে পড়ে ২০১২ সালে কোন এক শুক্র'বারে জুম্মার নামাজের পর শত শত অ'শিক্ষিত মোল্লা হুমায়ুন আজাদের সমাধিস্থল ভেঙে ফেলার জন্য মিলিত হয়েছিলো। অথচ এই মুন্সিগঞ্জের উজ্জ্বল ও গৌরব'ময় ইতিহাস ছিল। ১৯৭১ সালে ছাত্রজনতা পাক'বাহিনীর বিরুদ্ধে অ'সামান্য ভূমিকা পালন করেছিলো। এই মুন্সিগঞ্জ জেলা থেকে'ই দেশের অনেক গুণী, প্রতিভাবান, সৃষ্টিশীল ব্যক্তিত্ব'রা উঠে এসেছে। জেলার সৃষ্টিশীল মানুষেরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে এবং জঙ্গিরা দিনেদিনে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। আল্লাহ্‌র নামে তারা বছরে বছরে নিত্যনতুন মসজিদ গড়ে তুলছে। এবং

    একজন আকর্ষনীয় মানুষের যে বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা উচিত..


    আমরা সবাই আকর্ষনীয় হতে চাই। ব্যক্তিত্বশীল হতে চাই। চাই সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হতে। চাই সবাইকে আকৃষ্ট করতে। নিজেকে অসাধারণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য অবশ্যই আমাদের জানা উচিত ঠিক কি কি বৈশিষ্ট্য একজন ব্যক্তিকে আকর্ষনীয় ও অসাধারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। আমি নিজে যে যে বৈশিষ্ট্যগুলো একজন অসাধারণ মানুষের মাঝে দেখতে চাই তার একটা তালিকা নিচে দিলাম।

    চাটুকার সাহিত্যিক ও মিথ্যেবাদী প্রকাশক


    বাঙলাদেশের প্রথম সারির সাহিত্যিক (জীবিত) বলতে যাদের বোঝানো হয় তাদের অধিকাংশ'ই মেরুদণ্ড'হীন, অসৎ এবং নীতি'হীন। এদের অধিকাংশে'র লেখা'ই পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী'র শিক্ষার্থী'দের জন্যে। আবার কিছু সাহিত্যিক আছেন, তারা এতো'টাই দুর্বোধ্য বাঙলায় লেখালেখি করেন যে তাদের লেখা মানুষে'র কাছে পৌঁছে না। এদের মধ্যে সৃষ্টিশীলতা যে খুব আছে তাও নয়; তবে তারা জানে, কীভাবে অ'শিক্ষিত জনগোষ্ঠী'কে খাওয়াতে হয়। তারা যতো'টা না সাহিত্যিক, ততো'টাই চাটু'কার। যারা দেশে উচ্চ'মার্গীয় সাহিত্যিক হিসেবে বিবেচিত, তারা জীবনে একটা কাজ খুব ভালো মতো

    "কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, মনে মনে .."


    দিদি, মনে আছে একদিন তোমায় বলেছিলাম, "আমি তোমার কাছে গেলে, আমায় কাছে টেনে নেবে একটু! একটুখানি ভালোবেসে দেবে!"

    তোমার উদার মন। ভালোবাসাতে কখনো দ্বিধা করো নি। আমি যাওয়ার পর, দূর থেকে যখনই আমায় দেখেছ, হাত নেড়ে কাছে ডেকে, কাছে টেনে আদর করে দিয়েছিলে। মুহূর্তটি আমার কাছে ভীষণ আবেগের ছিল। আমি মানুষটা মানেই একরাশ আবেগ। চলতে চলতে যখন ক্লান্ত হয়ে উঠি, যখন সবদিক বিচ্ছিন্ন মনে হয় আমার থেকে, যখন মানুষের প্রেমকে ক্রমশ অপ্রেমে রূপান্তরিত হতে দেখি, একা হয়ে যাই! তখন আমার তোমাকে ভীষণ প্রয়োজন হয়।

    বেহেস্ত না কি পতিতালয় ?


    ইসলামে বহুল প্রচলিত একটি প্রলোভন হল - হুর । বেহেস্তে নাকি একজন পুরুষ একাধিক হুরের অধিকারী হবে !
    এখন কথা হল হুর কি ? ইসলামী ধর্মগুরুদের মতে , হুর হল বেহেস্তে অবস্থানকারী অতি অপরূপা রমনী যাদেরকে আল্লায় শুধু মাত্র বেহেস্তী পুরুষদের জন্য সৃষ্টি করেছেন । এবার এসম্পর্কে কোরানের কিছু আয়াত দেখি -
    সূরা আন- নাবা : ৩১ থেকে ৩৪ আয়াতে বলা হয়েছে , " পরহেযগারদের জন্য রয়েছে সফল্য, উদ্যান , আঙুর , সমবয়স্কা পূর্ণযৌবনা তরুণী এবং পূর্ণ পান পাত্র "
    অর্থাৎ , যারা বেহেস্তী তারা উদ্যান ,আঙুর তো পাবেনই সাথে পাবেন যৌবনদিপ্ত নারী আর ড্রিংকস ।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর