নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • রাজিব আহমেদ
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • হৃদয় মজুমদার

    নতুন যাত্রী

    • মানিক হোসেন
    • রাজিব আহমেদ
    • রাজু তালুকদার
    • ড. এফ জাহান
    • মোঃ যীশুকৃষ্ণ
    • পাহাড়ী_রেডওয়াইন
    • প্রবাসী ছেলে সোহেল
    • নাগিব মাহফুজ খান
    • বুক্কু চাকমা
    • মাষ্টার মশাই

    বাংলার মুসলমানের অথবা বাঙালি মুসলমানের জাতীয়তাবাদী রূপান্তর (প্রথম পর্ব)



    একটা বিষয় এখানে উল্লেখ করা দরকার।বর্তমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় অতীতের ঘটনাবলীর বা ইতিহাসের পুনর্মূল্যায়ন এবং পুনর্লেখন হয়। ইতিহাসের ঘটনা বদলানো যায় না কিন্তুু পরবর্তীকালের বাস্তবতা এবং জ্ঞানের আলোকে ইতিহাসের ব্যাখ্যা বদলায়। এ কারনেই ইতিহাস বারবার লেখা হয়। এ কারনেই ইতিহাস বর্তমানের প্রয়োজনের অনুগত। (আহমেদ কামাল :২০০১) সুতরাং ১৭ সালে দাড়িয়ে ৭১ সালকে একটা মানদন্ড হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে একাত্তর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ইতিহাসের ভেতর একটা বিশেষ কিছু অনুসন্ধান করাটা আমার স্পর্ধার প্রকাশ হলেও অপরাধের প্রকাশ বলে গন্য হবে না আশা করি।

    জনগণ


    আপনি কিভাবে কথা বলছেন, চিন্তা করছেন, সেটা নির্ভর করে আপনি কাকে উদ্দ্যেশ্য করে কথা বলছেন, তার উপর। স্রেফ বোঝানোর জন্য বলছি, ক্লাস টেনের ছাত্রকে যেভাবে বোঝাতে চাইবেন, একইভাবে কি একজন স্নাতকের সাথে কথা বলবেন? না। এটা স্পষ্ট, আপনি আপনার কথার 'style' তৈরি করেন আপনার শ্রোতাদের কথা চিন্তা করে।

    মানুষ গড়ার কারিগর


    শিক্ষা প্রদান একটি শিল্প, আর শিক্ষকই এই শিল্পের কারিগর। নিজ পেশাকে চাকরি নয়, ব্রত হিসেবে নিতে হবে। হতে হবে আন্তরিক। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গড়তে হবে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিমিত সম্পর্ক। শিক্ষার্থীদের ভাল মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখাবেন শিক্ষক।

    পাহাড়নামা


    ন্যাড়া পাহাড়ে পড়ে থাকা কান্ডহীন বড় বড় গাছের গোড়াগুলি দেখে বুঝা যায় এখানে কি ধংসযজ্ঞ আর লুটপাত হয়ে গেছে। পাহাড়ের চির পরিচিত পিনোন-হাদি বা থামেই পরা কোন আদিবাসী মহিলাকে ঝর্না হতে পানি আনতে দেখা যায় কদাচিৎ। সেই পাহাড়ী ঝর্নায় বিচরন করে বেড়ায় এখানকার সেটেলার মহিলারা। সেই সেটেলার মহিলারাই আবার পাশের বাড়ির সখিদের সাথে দুপুরের খোশগল্পটা সেরে নেয় রাষ্ট্রীয়মদদে দখলসূত্রে পাওয়া জুম পাহাড়ের স্বপ্নগাথা নিয়ে।

    আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, বিশ্বাস রাখুন



    হুম, বাংলাদেশ এখন এমন এক নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত হয়েছে যেখানে প্রশ্ন পত্র ফাঁস, গুম, ধর্ষণ, ইম্পিউনিটি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। অর্থনীতি এগুচ্ছে, মাথাপিছু আয় বাড়ছে(উভয়ই সম্পূর্ণ পরিসংখ্যানগত ব্যাপার)- এটাই মুখ্য ব্যাপার, হাতে গোনা মানুষের হাতে আয়ের সিংহভাগ যাচ্ছে, তাতে কোন উপায় অবলম্বন করা হচ্ছে তাতে কিছু আসে যায় না।

    পটুয়াখালী শব্দের নামকরণের যুক্তি


    এক সময় পটুয়াখালী শহরের দক্ষিণ দিকে একটা জঙ্গল ছিলো।এই জঙ্গলের পাশে "পাত্তুয়ার খাল" নামে একটা নদী ছিল।এই "পাত্তুয়া" থেকেও "পটুয়াখালী" নামের জন্ম হতে পারে।কেউ কেু বলছে এই "পাত্তুয়ার খাল" কে পরবর্তীতে গ্রামবাসীরা পত্তুয়াখালী,পট্টুয়াখালী,পৌট্টাখালী খাল উচ্চারণ করত।এখান থেকেই "পটুয়াখালী" রূপান্তর হতে পারে।

    দেখে নিন পৃথিবীর সবচে ক্ষুদ্র মুভিটিঃ একটি ছেলে ও তার পরমাণু



    এবার যে মুভিটির মুভি হবার কাহিনী নিয়ে এসেছি সেটিকে বলা হয় পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মুভি। নাম "এ বয় এন্ড হিজ এটম।" (A boy and his atom, 2013)

    বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়- শিক্ষা একটি পণ্য?


    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী প্রতি সরকারের বার্ষিক ব্যয় "এক লাখ দুই হাজার ৫৫৭" টাকা- এর বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা, কম হোক-বেশি হোক দেয়া হচ্ছে ক্যান্টিনে ভর্তুকি, পরিবহণ সুবিধা ইত্যাদি; সরকারের যে টাকা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যে ব্যয় হচ্ছে; তার চেয়ে বেশি টাকা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হাতে তুলে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে কি পাচ্ছে?

    মানুষ ও মানুষ !


    রিচেল আস্তে করে উঠে দাঁড়িয়ে সবুজকে বলে হাটা দেয় গ্রামের দিকে। অবশ্য ওটাকে এখন গ্রাম বলা চলে কিনা সেটা রিচেলের জানা নাই ! ২ দিন আগের হঠাত করে আসা ঝড়ের মত পাহাড়ধ্বস টা ও তাদের জীবনে একটা ধ্বস নামিয়ে দিয়ে গিয়েছে ! গ্রাম বলতে যেটুকু আছে সেটা আসলে দুই চারটা ভাঙা ঘর ছাড়া আর কিছুই না ! পাথর আর মাটির আড়ালে এখনো অনেকের লাশ পরে আছে, ব্যাবস্থা নেওয়ার মত ব্যাবস্থাও গ্রামবাসীদের কাছে নেই। কপালগূণে যারা বেচে গিয়েছে তাদের কপালেও এখন দুশ্চিন্তার ভাজ ! কি খাবে, কি ভাবে বাচবে এই দুশ্চিন্তা এখন মৃতদের সৎকার এর চেয়েও মুখ্য এখন !

    মুভি রিভিউঃ বাহুবলী-২ (দ্য কনক্লুশন)


    এই মুভির ইতিহাস বইলা লাভ নাই, সবাই মোটামুটি জানে কত বাজেট, কারা আছে চরিত্রে কিংবা আগের পার্ট কেমন ব্যবসা করছিলো, এইসব হাবিজাবি। স্টার্টিং আমার কাছে অল্প একটু স্লো লাগতেছিল, কিন্তু মুভি দেখতে গেলে সবারই একটা ব্যাপার হয়, শুরুতে মন বসেনা ঠিকমত, এরপর একটু সময় গেলে মাথায় কেবল ওইটাই থাকে। আমারও তাই হইছিল। আজকাল অবশ্য বলিউডের অনেক মুভির স্টার্টীং হয় দুর্দান্ত। কেবল শুরুর জন্য বাকীটা গিলে ফেলা যায়। এই পার্টটা মানুষ এমনিতেই গিলতো, কারণ, কাট্টাপ্পা কেন সিনিয়র বাহুবলীরে মারছিল তা জানার ব্যাপক আগ্রহ ছিল সবার মধ্যেই। ওইখানেও প্রথম পর্বের স্বার্থকতা।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর