নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • অপরাহ্নের কাক
    • জান্নাতুল নাইম শাওন
    • শাহরিয়ার জাহিদ...
    • পৃথু স্যন্যাল
    • নীল কষ্ট
    • আরিফ ইউডি
    • নুরুন নেসা

    নতুন যাত্রী

    • আবুল কালাম
    • ইমরান আহমেদ সৈকত
    • উন্মাদ কবি
    • রাহাত মাকসুদ
    • শাহরিয়ার জাহিদ...
    • অপূর্ব দাশ
    • এল্লেন সাইফুল
    • বাপ্পি হালদার
    • রমাকান্ত রায়
    • আবুল খায়ের

    শব মিছিলের যাত্রীরা...


    'বিশ্বাসের ভাইরাস' বইটি অভিজিৎ রায় উৎসর্গ করেছিলেন ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে খুন হওয়া ব্লগার রাজীব হায়দারকে(থাবা বাবা)। উৎসর্গের ভূমিকায় তিনি লিখেছিলেন;-
    "শহীদ রাজীব হায়দার শোভন(থাবা বাবা)
    শাহবাগ আন্দোলনে 'বিশ্বাসের ভাইরাস'-এর প্রথম শিকার।"

    দুই বছর পর ২০১৫ সালে ওই একই ফেব্রুয়ারি মাসে একই ধরনের বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত ঘাতকদের হাতে প্রাণ হারান অভিজিৎ রায়। 'বিশ্বাসের ভাইরাস' বইটি প্রকাশিত হয়েছিলো 'জাগৃতি' প্রকাশনী থেকে এবং প্রকাশক ছিলেন ফয়সাল আরেফিন দীপন। একই বছরের অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখ মৌলবাদীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হলেন তিনিও।

    অভিজিতের মৃত্যুতে মোটেও শোকার্ত নই, তাঁর রক্তাক্ত মৃত্যু দ্বিগুন শক্তিতে জ্বলে উঠার প্রেরণা দেয়!


    অভিজিৎ রায় নেই এটা মনে হলে আমার পায়ের মাটিও সরে যায়! শরীরে এক ধরনের শুন্যতা আর হাহাকারের কাঁপন উঠে! অজানা এক শংকা এসে চেপে ধরে আমাকে!

    অভিজিৎ কখন মরে না,বরং বিস্তৃত হতে থাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে


    অভিজিৎ-কে কখন মারা যায় না,কখন সম্ভব হয় না অভিজিৎ কে খুন করা,কখন সম্ভব হয় না অভিজিৎ এর চিন্তা চেতনাকে চাপাতি দিয়ে ব্যবচ্ছেদ করা।টিএসসি ফুটপাতে চাপাতির ঘায়ে আঘাত প্রাপ্ত মস্তিষ্কের অভ্যন্তরীণ চিন্তা-চেতনা সঞ্চারিত হয়েছে লাখো তরুণের মস্তিষ্কে,অভিজিৎ এর মস্তিষ্ক নিঃসৃত রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে লাখো তরুণের ধমনী, শিরায়,উপশিরায়.............এই মুক্তচিন্তার অদম্য চেতনা প্রলম্বিত হতে থাকবে লাখো থেকে কোটি তরুণ থেকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে.....মস্তিষ্ক থেকে মস্তিষ্কে,রক্তে থেকে রক্তে,ডিএনএ থেকে ডিএনএ তে,জিন থেকে জিনে দুরন্ত গতিতে মানবিকতাপূর্ণ,মুক্তচিন্তা সম্পূর্ণ, বিজ্ঞানমনস্ক বিশ্ব বা মহাবিশ্ব সৃষ্টির

    নখের নিচে সাদা থাকলে কি কি সমস্যা হতে পারে আপনার ?


    অধিকাংশ মানুষের নখের নিচ দিকে সাদা দাগ থাকে। কিন্তু আমরা অধিকাংশই জানি না এটি কিসের লক্ষণ। এটির আদৌ কোনো রহস্য আছে কিনা এটি নিয়েও টেনশন করতে দেখা যায়নি কাউকে।কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন নখের নিচের দিকের এই সাদা দাগ অনেক কিছুরই ইঙ্গিত বহন করে। নখের এই সাদা চিহ্নের বৈজ্ঞানিক নাম Lunula Unguis । বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই দাগ মানুষের স্বাস্থ্যের ভালো মন্দের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।তারা বলেন, এই সাদা দাগ যদি ৮ বা ১০ নখেই থাকে এবং সাদা দাগটি হয় স্পষ্ট তবে তার স্বাস্থ্য কণিকা ঠিকমতো কাজ করছে।কিন্তু সাদা দাগ যদি হয় অল্প এবং ক্ষয়িঞ্চু তবে বুঝতে হবে তার স্বাস্থ্যের লক্ষণ ভালো নয়। শরীরের ইউরিনগুলো ঠি

    অভিজিৎ রায়-এর কর্মমালা


    ২০১৫ সালের এই দিনে একুশে বই মেলা থেকে সস্ত্রীক বাড়ি ফেরার সময় অভিজিৎ রায়, প্রিয় অভিজিৎ দাদাকে মুসলিম উগ্রবাদী সন্ত্রাসীরা হত্যা করেন।
    তার স্মরণে নিচে তার লেখা বিভিন্ন বই ও সেগুলোর সামান্য তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করছি

    ১. 'আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী' (২০০৫)

    বাংলা রেফারেন্স বইয়ের সংখ্যা : ৪০ টি

    ইংরেজি রেফারেন্স বইয়ের সংখ্যা : ৪৬টি

    রেফারেন্স ওয়েব লিঙ্কের সংখ্যা : ১৪টি

    ২. 'মহা বিশ্বের প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে' সহ লেখক ফরিদ আহমেদ (২০০৭)

    অভিজিৎ মুক্তচিন্তার নিউক্লিয়াস


    ফেব্রুয়ারি। ১২টি মাসের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ একটি মাস। কিন্তু এই কনিষ্ঠ মাসটিই ৬ দশক আগে ভাষাভাষীর জন্য হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ। একাধারে গৌরবের ও বেদনার। ভাষার জন্য জীবন দেয়া একমাত্র জাতি হিসেবে বাঙালি বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছে। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার প্রাণ দিয়ে বোনকে করেছে ভাই হারা। মাকে করেছে সন্তান হারা। ২০১৫ সাল পর্যন্ত একুশে ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করেই ছিল আমাদের সুখ ও দুঃখগাথা।

    অভিজিৎ রায় : আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী


    সভ্যতার বিকাশ একদিনের ফলাফল নয়; প্রচলিত মতবাদ আর ধর্মবিশ্বাসের বিপরীতে শত শত মুক্তচিন্তক ও সত্যের সাধকের মৃত্যুর সোপান বেয়েই আজকের এই পৃথিবী। যদি পৃথিবীতে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতাবাদ বা ধর্মবিশ্বাসই বহাল থাকতো তবে পুথিবী আজও সূর্যের চারদিকে ঘুরতো! অথচ, প্রচলিত এধরনের ধ্যান ধারণার সমালোচনা করায় হত্যা, আত্মহত্যা আর নির্যাতনের মধ্য দিয়েই আজকের এই সত্যগুলোর প্রকাশ। বিগত ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারিও ডঃ অভিজিৎ রায় নামক এমনই এক সাধকের মৃত্যু ঘটে ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের নিকট রাজপথের ধুলিতে ঘাতকরে চাপাতের আঘাতে! বাংলাদেশের মুক্তচিন্তার বিকাশের আন্দোলনের সাথে জড়িত ডঃ অভিজিৎ রায় বাংলাদেশে সরকারের সেন্সরশিপ এবং ব্লগারদের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদের সমন্বয়কারক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করতেন।

    অভিজিৎ দা‘কে নিয়ে


    এক অভি হাজারো অভির জন্ম দিল। অভিজিৎ রায় বেঁচে আছেন, বেঁচে থাকবেন, অমর হয়ে থাকবেন সহযোদ্ধাদের মধ্যে, তার চিন্তা-চেতনা-লেখায়। চাপাতি ও রক্তের যুদ্ধ ‍অভিজিৎ রা, মুক্তমনারা, নাস্তিকরা করে না, তারা করে লেখা, যুক্তি প্রতিবাদের যুদ্ধ।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    Facebook comments

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর