নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 11 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • আরমান অর্ক
    • উর্বি
    • নুর নবী দুলাল
    • কিন্তু
    • পৃথু স্যন্যাল
    • মিশু মিলন
    • সুমিত রায়
    • মিসির আলী
    • হেজিং

    নতুন যাত্রী

    • অন্নপূর্ণা দেবী
    • অপরাজিত
    • বিকাশ দেবনাথ
    • কলা বিজ্ঞানী
    • সুবর্ণ জলের মাছ
    • সাবুল সাই
    • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
    • মাহফুজুর রহমান সুমন
    • নাইমুর রহমান
    • রাফি_আদনান_আকাশ

    ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত(শেষ পর্ব): মুক্তিসংগ্রাম নাকি সন্ত্রাসবাদ


    একটি জাতি যখন তাদের দখলদার শাসকদের বৈষম্য আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা বা স্বতন্ত্রতা রক্ষার জন্য লড়াই করে তখনই তাকে মুক্তিসংগ্রাম বলে। এই মুক্তিসংগ্রাম পরোক্ষভাবে হয়তো সেই পুরো প্রতিপক্ষ জাতিটির বিরুদ্ধে ঘটে কিন্তু প্রত্যক্ষভাবে এই লড়াইটা অবশ্যই সেই প্রতিপক্ষ জাতিটির সসস্ত্র সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধেই হতে হবে। যদি সেই লড়াইটা প্রতিপক্ষের নিরস্ত্র সিভিলিয়ান বা বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয় তাহলে তা আর মুক্তিসংগ্রাম থাকে না, সেটা হয়ে যায় সন্ত্রাসবাদ। আর তার সাথে যদি ধর্মীয় আদর্শগত দ্বন্দ্ব জড়িত থাকে তাহলে তো সেটা মুক্তিসংগ্রাম হওয়ার প্রশ্নই উঠে না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে প্যালেস্টাইন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম চালাচ্ছে গত প্রায় ৭০ বছর ধরে তা কি মুক্তিসংগ্রাম নাকি সন্ত্রাসবাদ। কিংবা বর্তমানে পুরো পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে মুসলিমরা যে তান্ডব চালাচ্ছে তা কি আসলেই কোন মুক্তিসংগ্রাম বা অত্যাচারীর ইটের বদলে পাটকেল? এই শেষ পর্বে এসে আমরা সেই প্রশ্নগুলোরই উত্তর খুঁজবো।

    আমাদের পথ চলা


    আজ আমরা মধ্যম আয়ের বাংলাদেশের এক গর্বিত নাগরিক। মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো গর্বিত জাতির গর্বিত সন্তান। এখন কোন রসের কুলের আত্মীয় আমাদের ‘মিসকিন’ বলতে পারবে না, কোন শ্বশুরের বেটা তলাবিহীন ঝুড়ি বলতে পারবে না, বলতে পারবে না বন্যা-ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে কাতর আমাদের দেশ। সব মোকাবেলা করে আমরা এগিয়ে চলেছি। এখন কোন এয়ারপোর্টে সবুজ পাসপোর্ট দেখে কোন সাদা চামড়ার পরিবিবি বাঁকা চোখে তাকাবে না, বরং অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকবে। এবং তাড়াতাড়ি ইমিগ্রেশন ফরমালিটিজ শেষ করতে পারলেই খুশি হবে। একজন মাত্র মানুষ এই গর্বের জায়গাটায় তুলে এনেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা, গর্বিত পিতার গর্বিত সন্তান। পিতা স্বাধীনতা, মা

    শহুরে বাগান- ২


    দিন দিন আমাদের শহুরে জীবনে স্থান সংকুলান কমছে। দিনের পর দিন জায়গা কমছে। যার ফলে আজকাল বড় জায়গা নিয়ে বাগান করার ইচ্ছা অনেকটাই অলীক স্বপ্নের মতোই। যেখানে বাচ্চাদের খেলার মাঠই জোটেনা আবার সেখানে বিশাল জায়গা জুড়ে বাগান করতে চাওয়াটা অলীক কল্পনাই বটে। ক্ষেত্র বিশেষে ভাড়াবাড়ির ছাদটাও অনেক সময় জোটে না।
    -

    নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-বারো)


    কৌশিকী পারের এক জন্মনের ঘাটে একনাগাড়ে তিনদিন অতিবাহিত করে গতকাল সন্ধ্যায় নৌকা নোঙর করেছে ত্রিযোজন পর্বতের সবচেয়ে নিকটবর্তী স্থানে। জন্মনের অস্থায়ী হাট থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য এবং অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয় করা হয়েছে। গিরিকার বেশ ভাল লেগেছিল জন্মন্টি, অপরাহ্ণে কন্যাদের নিয়ে নদীর পার ধরে জন্মনের পথে পথে ঘুরে বেড়িয়েছেন। গৃহী মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। নদীর পারের একটা পরিবারের সাথে তো বেশ ভাব জমে গিয়েছিল তার। তার ইচ্ছে ছিল গত রাত আর আজকের দিনটাও জন্মনের ঘাটে কাটিয়ে আসার। কিন্তু কন্যাদের পীড়াপীড়িতে গতকালই আসতে হয়েছে এই জন্য যে তারা ত্রিযোজন পর্বতে আরোহণ করার বায়না ধরেছে। প্রথমে তারা বায়না ধরেছিল

    ছবির গল্প: ‘ভোপাল গ্যাস ট্রাজেডি’র মৃত শিশুটি



    ছবিটায় একটা মৃত শিশুকে কবর দিচ্ছেন বাবা, আর শেষবারের মতো দেখছেন আদরের মেয়েকে। কবরটায় মাটি চাপা দেওয়ার শেষ পর্যায়ে কাঁদতে কাঁদতে ছবিটা তুলেছিলেন সাংবাদিক। এমনকি মৃত শিশুটির বাবার কাছে জানতেও চাননি নাম-ধাম।

    ছবিটা তোলা হয়েছিল ভারতের ভোপালে, ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরের ৪ তারিখে। ভারতের ফটো সাংবাদিক পাবলো বার্থোলোমেও এই ছবির জন্য ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো অব দি ইয়ার ১৯৮৫’ পুরস্কার জিতেছিলেন।

    তুমি আর নেই সে তুমি!


    সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের পূজনীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বিশ্বমঞ্চে পুরষ্কৃত হলেন।এই পুরষ্কারের যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিটিতে হয় নির্বোধ গরু-গঁধা-ছাগল ছিলো নতুবা স্বার্থন্বেসী দালাল ছিলো বলে আমার বিশ্বাস।আমার এই বিশ্বাসের যুক্তিগত কারন উপস্থাপন করলেও এই পুরষ্কারের কিছুই ছিঁড়বে না,তবু-

    ৫৭ ধারার শিকার এবার ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মাহমুদ !!!


    শিশুর আঁকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দিয়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আমন্ত্রণপত্রের কার্ড বানিয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতি ও অবমাননার অভিযোগে বরগুনার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারেক সালমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ইমতিয়াজ মাহমুদ নামে সুপ্রীম কোর্টের এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ি সদর থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং ১৭, তারিখ-২১-০৭-২০১৭।

    গরুর শরীরে প্রস্তুত হল শক্তিশালী এইচআইভি এন্টিবডি


    কালকে কয়েক জায়গায় এটা নিয়ে নিউজ শেয়ার করা হয়েছে দেখলাম। তাই ভাবলাম এটা নিয়ে বিস্তারিত কিছু লেখা উচিৎ

    ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মাহমুদের উপর ৫৭ ধারার শানিত তরবারি


    মানবতার পক্ষে সোচ্চার একটি কণ্ঠের নাম "সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মাহমুদ" নিয়মিত ব্লগ ও ফেইসবুকে লেখালেখির জগতে একটি সুপরিচিত নাম আমাদের ইমতিয়াজ ভাই । গত বেশ কিছুদিন যাবত উনার প্রতিটি লেখাই ফেইসবুক জগতে তরুণ প্রজন্মকে দারুণ ভাবে অনুপ্রাণিত করেছে. প্রতিটি লেখাতেই মানবতা আর দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে, সত্যের পক্ষে শানিত কলমের লেখনী মানুষকে করেছে অনুপ্রাণিত, আর আজ তাকেই কিনা ৫৭ ধারার চকচকে শানিত তরবারি খণ্ড বিখণ্ড করে দিতে চাইছে। এক্ষেত্রে আমাদের জানা প্রয়োজন কি এই ৫৭ ধারা ।

    ফেমিনিজম মানে কি শুধুই একতরফা বুলি


    সবসময় ফেমিনিজম বুলি ঝারতে ঝারতে পুরুষজাতির টেস্টিস প্রতিনিয়ত মাথায় তুলি।যদিও তার যথেষ্ট কারন রয়েছে আদিকাল থেকে এই ম্লেচ্ছ লিঙ্গিকগণ যতরকম অত্যাচার আর কদাচর্য ব্রত পালন করে আসছে।বর্তমানেও এর সাক্ষাৎ পাই- বাবা কর্তৃক মেয়ে,ভাই কর্তৃক বোন ধর্ষণ এমনকি ,স্ত্রীকে বৈধপন্থায় প্রতিনিয়ত ঘরোয়া ধর্ষণ করে পুরুষজাতি ।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর