নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ক্যাম পাশা
  • সলিম সাহা
  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান
  • লুসিফেরাস কাফের

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

স্টিভেন ডি চন্দন এর ব্লগ

কল্পিত মিশন।


সাত-সকালে শেষ বারের মত বিছানা ছাড়লেন মতিউর সাহেব।স্ত্রী তখনো ঘুমে আচ্ছন্ন।ভেবেছিলেন একবার ডাকবেন।উঠে পানি খাবেন বলে ঠিক করলেন।তার উপর জীবন মরন সমস্যা।নিজের জীবনের কথা কখনো ভাবনাতে আনেন নাহ।ছোট বেলায় একবার প্লেন উড়তে দেখেছিলেন তা নয়।কিন্তু এটা ঠিক আকাশে পাখি উড়ে,তারও পাখি হওয়ার সখ।আজকে সকালে একবার ভেবেছিলেন একবার বারান্দাটার দিকে যাবেন।অনেকদিন বারান্দাতে বসে পাখির গান আর কলকাকলী শোনা হয় নাহ।আর শুনবেন নাকী জানেন ও নাহ।ট্রেনিং তার এক ব্যাচম্যাট ছিলো,নাম হাসান,কুষ্টিয়ার।পাখি দেখলে কেমন যেন হয়ে যেত।একদিন সিনিয়র পাইলট হিসেবে প্লেন চালাচ্ছিলেন।সাথে কো পাইলট হিসেবে হাসান পাশে বসা।উড়ার সময় হাসান তাক

শহরের অন্যপ্রান্তে


আজকে শহরের অন্য প্রান্তে ঝলমলে তারার মেলা বসবে,রাতে হয়তো আজ কর্পোরেট বেনিয়ারা চুপসে বসে গিলবে যৌবনের নগ্ন নৃত্য।তাদের কেউ সাজাবে পরবর্তী কোন উৎসুক শিকার,যে নিজের স্বপ্ন ফেরী করে এসেছিল কল্পনার কোন এক ধাঁ ধাঁ মাখানো জগৎ এ।

পুরস্কার হাতে নিয়ে চোখের পানি ফেলবে টিভির পর্দার কাঁপানো কোন এক ব্যক্তিত্ব।কী অসম ভাবে সভ্রমটা বিকিয়ে আজ তার জুটেছে বরমাল্য।হটাৎ করে জুটে যাওয়া তারকা খ্যাতি সইতে না পারা ঘরের বড় কিংবা ছোট ছেলেটা পুরস্কার হাতে নিয়ে কোন এক ললনার কাছে হাত ছাড়া হয়ে যাবে।ভুলে যাবে নিজের অতীত বন্ধু ও পরিবার।

মিথ্যা ও অবিচারে হাস্যকর রাজ্য


১)নানা কৌশল করে বিজিএমইএ সব সময়ই অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে বড় বড় ঘটনার দায়দায়িত্ব এড়িয়ে থেকেছে। এ কারণে এখন পর্যন্ত আগুন লেগে, পায়ের নিচে চাপা পড়ে এবং কারখানা ধসে সাত শর মতো শ্রমিক মারা গেলেও একজনেরও শাস্তি হয়নি। যেকোনো ঘটনা ঘটনার পর তাঁদের প্রথম কাজই হয় মালিককে রক্ষা করা। বাংলাদেশে যেকোনো বড় ঘটনা থেকে দায়দায়িত্ব এড়াতে বা ধামাচাপা দিতে দুটি কাজ করতে হয়। একটি হচ্ছে তদন্ত কমিটি গঠন, আরেকটি হচ্ছে নাশকতা ও ষড়যন্ত্রতত্ত্ব প্রচার। দুটি কাজই করা হলো এবার। দায় এড়ানোর আরেকটি ভালো রাস্তা আছে বিজিএমইএর জন্য। আর সেটি হচ্ছে, দেশের ক্ষতি। চীনে বেতন-ভাতা বাড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো শ্রমিক

মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য


বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের স্মৃতিকে লালন করার জন্য এবং পরবর্তি প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার চেতনাকে প্রবাহিত করার জন্য। স্বাধীনতাযুদ্ধ স্মরণে নির্মিত এসব ভাস্কর্য রাজধানী শহর ছাড়িয়ে দেশের সর্বত্রই প্রায় রয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের বাইরে, বাঙালি অধ্যুষিত অঞ্চলেও রয়েছে স্বাধীনতাযুদ্ধের এসব ভাস্কর্য।

জাগ্রত চৌরঙ্গী

লেনিন


বলা হয়ে থাকে শ্রমিক, কৃষকসহ মেহনতী মানুষগুলো যখন কু‍‌‌জো হয়ে যাচ্ছি‍ল পুজিবাদীদের তীব্র শ্রম রোষে; মেহনতীদের ঘাড় ভেঙে পু‌জিপতি সুবিধাবাদী জাররা মুঠি ভরে নিত; ঠিক সে সময় রাশিয়ার মহানদী ভলগার তীরে সিমবিস্র্ক (বর্তমানে উলিয়ানভস্ক) শহরে জন্ম নেন প্রথিত যশা-মেহনতীদের নেতা, মার্কস ও এঙ্গেলসের বৈপ্লবিক মতবাদের প্রতিভান উত্তরসাধক, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিষ্ট পার্টির সংগঠক, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে উজ্জেবিত সোভিয়েত রাষ্টের প্রতিষ্ঠাতা, মহান মনীষী ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন।

ধর্ষন-এখন কি একটি ব্যাধি?????


বাংলাদেশ নয় তথা পুরো বিশ্বে ধর্ষন একটি ব্যাধির ন্যায়।বিংশ শতাব্দীর পৃথিবীতে ধর্ষন এতোটা মহামারী আকার ধারন করবে তা চিন্তারও বাইরে।সরকারি হিসেব মতে প্রতি বছর বাংলাদেশে ৪০০০ এর অধিক(বেসরকারি মতে এটি ১১০০০ এর মত) ধর্ষনের স্বীকার হয় আমার আপনার, বোন, মা, খালা, চাচী, ফুফু, কলিগ এমনকি প্রতিবন্ধীরা এই ধর্ষকদের রোষানল থেকে বাদ পড়ে না!

সাইবার ক্রাইম


আজকে ব্লগারদের মুক্তির ব্যপারে ফেসবুকে একটি ইভেন্ট দেখলাম।শিরোনামে দেখলামঃ

████ আটককৃত ব্লগারদের অবিলম্বে মুক্তি চাই ████

এই ব্যাপারে আমার মতামত,

বাংলাদেশে আমরা


ঘটনাঃ

মাদারীপুরের রাজৈরে শত বছরের পুরনো একটি কালীমন্দির পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী বাজার সংলগ্ন ওই মন্দিরে শুক্রবার ভোররাতে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন রাজৈর থানার ওসি মোফাজ্জেল হক।

বাংলায় সন


প্রাচীনকালে প্রথম নববর্ষ পালনের কথা জানা যায়- খ্রীঃপূঃ ২০০০ অব্দে মেসোপটেমিয়ায়। আর পাশ্চাত্ব্যে নববর্ষ পালনের কথা জানা যায়-খ্রীঃপূঃ ৪৬ অব্দে রোমান সাম্রাজ্যে।

আমাদের পহেলা বৈশাখ


পয়লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বাংলা সনের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়। ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিরাও এই উৎসবে অংশ নেয়। সে হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন উৎসব। বিশ্বের সকল প্রান্তের সকল বাঙালি এ দিনে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়, ভুলে যাবার চেষ্টা করে অতীত বছরের সকল দুঃখ-গ্লানি। সবার কামনা থাকে যেন নতুন বছরটি সমৃদ্ধ ও সুখময় হয়। বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা একে নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করার উপলক্ষ হিসেবে বরণ করে নেয়। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৪ই এপ্রিল অথবা ১৫ই এপ্রিল পহেল

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

স্টিভেন ডি চন্দন
স্টিভেন ডি চন্দন এর ছবি
Offline
Last seen: 4 years 6 months ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 9, 2013 - 2:40পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর