নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ
  • নুর নবী দুলাল
  • সাজ্জাদুল হক
  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
  • হাসান নাজমুল
  • নরমপন্থী

আপনি এখানে

শামীমা মিতু এর ব্লগ

পুরুষের উদ্যেশ্যে কিছু কথা...


হে পুরুষকুল, আপনারা কি জানেন, কখনও বন্ধু হিসেবে, কখনও বয়ফ্রেন্ড হিসেবে, কখনও সহকর্মী হিসেবে আপনারা প্রতিদিন কোনও না কোনও মেয়ের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছেন? আপনাদের মেয়ে, বোন, স্ত্রী-ও একই ভাবে কোনও না কোনও ছেলের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে? সকালে চায়ের কাপ থেকে শুরু করে রাতের বিছানা পর্যন্ত অত্যাচারের দলিল আঁকা থাকছে একটি মেয়ের জীবনে।

মেয়েদের গা ছুঁলেই কি ক্ষয়ে যাবে!


ছোট বেলায় বাবা বলেছিল, ছেলেরাই মেয়েদের রক্ষক। সেই বাবার সাথে গলিপথ দিয়ে হেটেযাবার সময় পেছন থেকে একটা সাইকেল থেকে একটা হাত মেয়েটির পাছায় গোল হয়ে ঘুরে দূরে মিলিয়ে গেল। মেয়েটি চমকে উঠে চিৎআর করে বলেছিল বাবা ওই লোকটা, ওই লোকটা
বাবা রাগে দিশেহারা হয়ে এমন চিৎকার অরে উঠলেন যে লোক জমে গিয়েছিল আর সব রসালো মন্তব্য!
ওই হাতটা, ওই নোংড়া পেছনে হাত বোলানো লোকটার হাতটা ভেংগে দিতে ইচ্ছে করেছিল। কে ভাংবে হাতটা? বাবা তুমি ঠিক বলোনি ছেলেরা ওই হাত ভাংতে পারেনা, এমনকি বাবারাও পারেনা।
কি হয়? ছুলেই কি মেয়েদের গা ক্ষয়ে যায়?

নারীর নামে এইসব দিবস টিবস এখন হাস্যকর!



শুরুর পর থেকে প্রায় দুইশ বছর পার হয়ে গেছে। মজুরি বৈষম্য, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে নারীর জন্য বিশেষ যে দিবসের সুচনা হয়েছিল, বর্তমান সময়ে তা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই না! এই দিবসে, প্রচন্ড পুরুষতান্ত্রিক পুরুষটিও কোনো নারীকে ফুলের মালা পরিয়ে দেয় তাকে সম্মান জানায়, ঠিক পরের দিনই 'খেলা হবে' বলে পেশিশক্তির পৌরুষ নিয়ে হাজির হয়, তখন নারী দিবসের চেয়ে হাস্যকর বলে আর কিছু থাকে না।

ডয়েচে ভেলে'র 'দ্য বব্স' প্রতিযোগিতায় ইস্টিশন'কে মনোনীত করুন


নগরের কানাগলি-ঘুপচি-রাজপথ, গাঁয়ের শস্যখেত-মেঠোপথ পেরিয়ে আমরা মানুষ ছুটে চলেছি সভ্য সমাজের খোঁজে। আমাদের ভেতরেই আবার আছে সেই মানুষ, যারা অসভ্যতার মাঝেই আটকে রাখতে চায় সবকিছুকে, শুধু হীন ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থের জন্য। মানুষ লড়ে চলেছে তারই অংশ অমানুষদের বিরুদ্ধে। দুই পক্ষই শান দিচ্ছে নিজ নিজ হাতিয়ার। দুর্ভাগ্য, আজো সর্বত্র অমানুষদেরই জয়জয়কার। আমরা ব্লগার, আমাদের হাতিয়ার হচ্ছে কলম ও কি-বোর্ড। আমরাও খুঁজে ফিরছি মানুষের সেই প্রত্যাশিত সমাজ।

চুমু চুমু চুমু চাই, চুমু খেয়ে বাঁচতে চাই!


লেখার শিরোনামটার ভেতর কেমন স্লোগানের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে? হ্যা এটা স্লোগানই। বুঝতে পারছি শিরোনাম দেখেই কেউ কেউ ইতিমধ্যে গালি দেয়া শুরু করেছেন। আর কেউ কেউ বাঙ্গালী সংস্কৃতি ধ্বংসের ধোয়া তুলে নাক সিটকাচ্ছেন। আরেক দল আছেন, যারা সাম্রাজ্যবাদ, পুজিবাদ, এন্টি রেভ্যুলুশন, উচ্ছন্নে যাওয়াসহ নানা শব্দ আওড়াচ্ছেন। আরে ভাই, কয়েকজন প্রকাশ্যে চুমু খেতে চেয়েছে, গ্রাম থেকে শহর দখল করে বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করতে নামেনি।

যৌন শিক্ষা মানে শারীরিক সম্পর্কের হাতে কলমে শিক্ষা নয়!


পাঠ্যপুস্তকে যৌন স্বাস্থ্যের বিষয়টি ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করেছে বাংলাদেশ সরকার৷ কিন্তু যৌন শিক্ষা পড়ানো নিয়ে সমস্যা হচ্ছে৷ শিক্ষকরা এতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেননি, ছাত্র-ছাত্রীরাও বিষয়টিকে সহজভাবে নিচ্ছে না৷

ঝরনা রাজ্যের পথে পথেঃ অপারেশন 'হান্টিং ফলস'



ঝরনা রাজ্যের পথে পথে ঘোরার ব্রত নিয়ে বরষার শুরুতেই প্লান সাজালাম আমরা। মিরেরসরাই, সীতাকুন্ড, বান্দরবন মিলিয়ে ছোট বড় ঝরনার জলরাশিতে গা ভাসাবো। এই মিশনের একটা গালভরা নামও দিলাম 'অপারেশন হান্টিং ফলস'।

চরিত্রের দোষ মেয়েদের একচেটিয়া, পুরুষের ক্ষেত্রে গৌরবের!


একই রকম লেখাপড়া শিখে, একই রকম চাকরি পেয়ে বর এবং বউ যখন দু জায়গায় পোষ্টেড হয়, একজনকে চাকরি ছাড়তে হলে ছাড়বে কে? মেয়েটি।
ধরুন কেউই চাকরি ছাড়লো না, দুজনে দুজায়গায় থাকলো, সপ্তাহান্তে বা মাসাহান্তে দেখা হলো। দুজনের মনেই দুঃখ, সন্তান হলে সে একজনকে মিস করবে। সমাজ বন্ধুবান্ধব, মা বাবা, শশুর শাশুড়ি এই পরিস্থিতির জন্য কাকে দুষবে? মেয়েটিকে।
কার মনে অপরাধবোধ জাগবে? মেয়েটির।
দুজনে এক জায়গায় চাকরি পেলো। চাকরি শেষে সংসার সামলাবে কে? মেয়েটি। সামলাতে না পারলে দোষ হবে কার? মেয়েটির।

নাস্তিকতা বনাম ধর্মের নামে অসভ্যতা


বেশ কিছুকাল ধরে নাস্তিকতা এবং ধর্ম নিয়ে গালাগালি সমার্থক শব্দ বানাতে সকল শ্রেনী পেশার মানুষকে ব্যাস্ত সময় পার করতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই তবে কিন্তু পার্টি। যদিও ধর্মের যে কোনো সমালোচনায় অধিকাংশ মানুষের কাছে কুরুচিকর! অবশ্য এই অধিকাংশের কথা ভাবলে সভ্যতা সেই আদিম যুগেই পড়ে থাকতো।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

শামীমা মিতু
শামীমা মিতু এর ছবি
Offline
Last seen: 4 weeks 1 দিন ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 2, 2013 - 2:01পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর