নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

মনির হোসাইন এর ব্লগ

বেঁচে থাকার গান!


খেয়াল করে দেখি লোকটি আনমনে নিজের মতো করে কথা বলেন। একা। নিজের সাথে। শনিবারে সকালের দিকে এই মফস্বলী ধাঁচের শহরের মার্কেট সংশ্লিষ্ট কোনো বেঞ্চের কোনায় ঠাঁয় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকেন। মাঝেমধ্যে সিগারেট টানেন তবে খুব কম। প্রায় শাদা চুলের মাথা। ভুরুও। রবিবারেও তাঁকে এই মার্কেটের আশেপাশে কোথাও না কোথাও পাওয়া যায়। একদিন দেখি যে না এই লোক শুধু শনি-রবি বার নয়, সপ্তাহের সাত দিনই নিয়ম করে সকাল, মধ্যাহ্ন ও বিকেল তিন বেলা এই মার্কেট, পার্ক কিংবা ছোট্ট লেক মতো জায়গার আশপাশে থাকেন। একাকী। হঠাৎ দেখা যায় তাঁর বয়সী কারও সাথে গল্প করতে। তবে বেশিরভাগ সময় একাকী বেঞ্চে বসে থাকেন। নয়তো ধীরলয়ে দু'হাত পেছন দিকে নিয়

ব্যাংক লুটপাট অর্থমন্ত্রী ও সিনেমা সারেন্ডার!


রোজার ইদকে কেন্দ্র করে তখন বিটিভি'তে তিন দিনের জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকতো। ইদের অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলো বিকেলবেলা বাংলা সিনেমা। ঘরভরা লোকজন। শ্বাসপ্রশ্বাস ফেলার ফুসরত নেই। ইদ উপলক্ষে মফস্বল-শহর থেকে গ্রামের বাড়ি ফেরা লোকজন মিলিয়ে সরগরম। তখন আমাদের এই ছোট্ট গাঁ'য়েও দু'চার দশজন সরকারি চাকুরে। কেউ শিক্ষক, কেউ ব্যাংকার কেউবা স্বাস্থ্যসহকারি। তো এমনি এক ইদে আমরা বাংলা সিনেমা দেখছিলাম। সারেন্ডার। নায়ক জসিম আর নায়িকা শাবানা। আরও অনেক নায়ক-প্রতিনায়ক ছিলেন। আজ আর এতোকিছু মনে নেই। কাহিনি শুরু মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী অস্থিরতা, বেকারত্ব এইসবকে অবলম্বন করেই। জনা পাঁচ-সাতেক বন্ধু সেই সময় চাকুরি

ভজহরি গুণিনকে আর কোথাও দেখি না!


বাবা, চাচা কিংবা মামাদের চিঠিপত্র আসে না বহু দিন হয়। স্বাভাবিকভাবে তাই টাকাপয়সাও আসা বন্ধ। সংসারে এক ধরণের নির্জীবতা চলছে। সবাই কেমন যেনো অদ্ভুত নিরবতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। প্রাত্যহিক কাজকর্ম যথা নিয়মে চললেও কোথায় যেনো ছন্দপতন হয়েছে। ভোরবেলা বোরো ক্ষেতের কামলাদের হাঁকডাক একটু সকাল হতেই রাখালের দুধ-দোহানো থেকে গোয়ালঘর থেকে গরু নিয়ে মাঠের দিকে রওয়ানা হওয়া সবই ঠিক আছে। কামলাদের সকালের খাবার খাওয়া থেকে বড়-ছোট সবার খাবারদাবার সবই হচ্ছে। কিন্তু একটা চাপা অশান্তি বিরাজ করছে সে স্পষ্ট। দাদি-দাদা কিংবা নানা-নানি থেকে অন্য সবার মধ্যেই এক ধরণের চাপা শংকা কাজ করছে। আমরা যারা এসব বুঝেও না বুঝার মতো এটাসেট

প্রিন্স মাহমুদের ধর্মানুভূতির উন্মত্ত গিটার!


প্রিন্স মাহমুদের সুরে, কথায় ও কম্পোজিশনে বাংলা ব্যান্ডে যেসব গান সৃষ্টি হয়েছে তা সময়ের পরিক্রমায় আজ ক্ল্যাসিকে রূপ নিয়েছে। মাইলস, এলআরবি, ফিলিংস/নগর বাউল, আর্ক ব্যান্ডের শাফিন-হামিন, আইয়ুব বাচ্চু, জেমস ও হাসানদের কন্ঠে নব্বই দশক থেকে যেসব কালজয়ী গান প্রিন্স তাঁর সুর কথায় ও কম্পোজিশনে উপহার দিয়েছেন তা বাংলা ব্যান্ড-সংগীতকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। যেমন কথা তেমন সুর তেমন কম্পোজিশন। বাংলা ব্যান্ডের ভিতকে শক্ত করেছেন যে ক'জন সংগীত স্রষ্টা তার অগ্রভাগে প্রিন্স মাহমুদ আছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।

গো-রক্ষা, গো-দেওতা, গো-যুদ্ধ!


অগ্রসর হইয়া দেখিলাম পালে পালে গরু এদিক ওদিক ছুটাছুটি করিতেছে। এতোসব গরু কার? হঠাৎ পাল হইতে একটা গাভী বিশুদ্ধ হিন্দিতে আমাকে বলিলঃ তুমি দেখিতেছি মানুষ জাতি। তুমি কি করিয়া আজও বাঁচিয়া আছো? আমি গাভীর বিশুদ্ধ হিন্দি শুনিয়া অবাক হইলাম। বলিলাম, বাঁচিয়া থাকিবো না কেনো? কি হইয়াছে? নানান বাতচিতের পর গাভী আমাকে আসামির মতো হাতপায়ে দড়ি দিয়া বাধিয়া তার সর্দারের কাছে নিয়া চলিল। অবাক নয়নে দেখিলাম সর্দার একটা বৃদ্ধ বলদ। সর্দার আমার দিকে চাহিয়া বলিলঃ তুমি কোন জাত হে?

পুনঃপাঠঃ আবুল মনসুর আহমদের 'হুজুর কেবলা'


এক
এমদাদ তার সবগুলি বিলাতি ফিনফিনে ধুতি,সিল্কের জামা পোড়াইয়া ফেলিল; ফ্লেক্সের ব্রাউন রঙের পাম্প সুগুলি বাবুর্চিখানার বঁটি দিয়া কোপাইয়া ইলশা-কাটা করিল। চশমা ও রিস্টওয়াচ মাটিতে আছড়াইয়া ভাঙ্গিয়া ফেলিল; ক্ষুর স্ট্রপ,শেভিংস্টিক ও ব্রাশ অনেকখানি রাস্তা হাঁটিয়া নদীতে ফেলিয়া দিয়া আসিল;বিলাসিতার মস্তকে কঠোর পদাঘাত করিয়া পাথর-বসানো সোনার আংটিটা এক অন্ধ ভিক্ষুককে দান করিয়া এবং টুথক্রিম ও টুথব্রাস পায়খানার টবের মধ্যে ফেলিয়া দিয়া দাঁত ঘষিতে লাগিল। অর্থাৎ এমদাদ অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করিল! সে কলেজ ছাড়িয়া দিল।

ভূ-বঙ্গে স্বাভাবিক যৌনতা অপরাধঃ ধর্ষণ-বলাৎকার-শিশুকামীতা উৎসাহিত!


ক.
হাটে-বাজারে কিংবা মেলায় নারী-পুরুষ বা তরুণ-তরুণী এক সাথে হাটা প্রায় অসম্ভব। চাইলেও পারা যায়না। বাসে-ট্রেনে-লঞ্চে সর্বত্র একই চিত্র। সব বাধা নিষেধ উপেক্ষা করে হাটলেও কতো বার যে ভীড় ভাট্টায় পরে নারী বা তরুণী যে পরিমাণ হেনস্থা হয় তার কিছুটা স্বাক্ষী প্রমাণ প্রতিদিন ধরে রাখে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। নাটক বা সিনেমা হলেও এক সাথে পাশাপাশি বসে নাটক সিনেমা উপভোগ করা যায়না।

শীতনিদ্রা ও ধর্মীয়-জাতিগত সিলেকটিভ মানবতাবাদ!


মিয়ানমারের নির্যাতিত অসহায় রোহিঙ্গাদের (পড়ুন রোহিঙ্গা মুসলমান!) নিয়ে আমাদের দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মী থেকে কলামিস্ট, কবি-সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীদের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। রোহিঙ্গাদের নিয়ে তাঁরা বেশ সরব। তাঁদের প্রতিবাদ, আর্তনাদ-হাহাকারে ফেসবুক-ব্লগ, অনলাইন পোর্টাল, নিউজ পেপার বেশ ভারি হয়ে উঠছে। মানবতা-দরদ উথলে উঠেছে। মিয়ানমারের জনগণ, রাষ্ট্র ও শান্তির মুখোশধারী অংসাং সুকি হয়ে সমস্ত বিশ্ব চরাচর তথা জাতিসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গগনবিদারী গণ-আর্তনাদ করে প্রতিবাদী লেখালেখি চলছে। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ কিভাবে এই নির্যাতিত মুজরিম রোহিঙ্গাদের আশ্রয়-প্রশয় দিতে পারে সেই বিষয় নিয়ে পরামর্শমূলক বিস্তর লেখালেখি চলছে। বেশ। বুদ্ধিজীবীদের দায় আছে, থাকতে হয়। বেশ।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মনির হোসাইন
মনির হোসাইন এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 6 দিন ago
Joined: শনিবার, এপ্রিল 20, 2013 - 10:17অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর