নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বাপ্পার কাব্য
  • নীল কষ্ট
  • মুফতি মাসুদ
  • অনন্য আজাদ
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কফিল উদ্দিন মোহাম্মদ
  • সংশপ্তক শুভ

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

মনির হোসাইন এর ব্লগ

'পোস্ত' গড়পড়তা মেলোড্রামা ছাড়া কিছুই নেই!


শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালকদ্বয় মিলে বেশ ক'টি সিনেমা নির্মাণ করেছেন। তাঁদের পরিচালিত সিনেমাগুলি বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এই পরিচালকদ্বয়ের প্রায় প্রতিটি সিনেমা-ই ব্যবসা সফল। কলকাতার বাংলা সিনেমা যখন নানান ধরণের সমস্যা মোকাবেলা করে তাঁদের পুঁজি তুলে আনা বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায় তখন একই সাথে হিন্দি ও দক্ষিণি সিনেমাকে মোকাবেলা করে তাঁদের টিকে থাকতেও হয়। সিনেমা তো শুধু বুদ্ধিবৃত্তিক, রাজনৈতিক কিংবা নান্দনিকতা-ই না তা একই সাথে পুঁজিকে আগলে রেখে চলে। পুঁজির হিসেব নিকেশেই সিনেমার নানান ধরণের বিনির্মাণ চলে। সেই হিসেবে পরিচালক হিসেবে জুটি বেঁধে কাজ করলে তা নানাভাবেই ভালো ফল মিলে। গল্প বিন্যাস

নিউটনঃ কথিত গণতন্ত্রের সুখ, গণতন্ত্রের অসুখ!



মাত্র ছিয়াত্তরটা ভোট। ছিয়াত্তর জন ভোটার। মাওবাদিদের দখলে সেই জংগলাকীর্ণ স্থান। প্রবল সেনা প্রহরা লাগবে সেখানকার ভোট গ্রহন করতে। সেনা প্রস্তুত থাকলেও সেই আতঙ্ক জাগানিয়া দুর্গম মাওবাদি স্থানে অনেকেই যেতে রাজি নয়। অনেক সেনাও সেখানে যেতে রাজি নয়। কিন্তু কাউকে না কাউকে তো যেতে হবে! হ্যাঁ, একজন রাজি আছেন। নিউটন কুমার। প্রিসাইডিং অফিসার। সাথে দু'জন সহকারিসহ আর জনা চারেক লোক। আর এক দংগল সেনা।

কার্টুন ভিডিও গেমসে পালিয়েছে গল্পের রাক্ষস-খোক্ষস ও শি মুরগিরা!


গল্পের শি মুরগি আমি খুঁজে বেড়িয়েছি বহুদিন। মায়ের সাথে কোথাও বেড়াতে গেলে সেই বাড়িতেও আনমনে শি মুরগি খুঁজেছি। বাড়ির আশেপাশে ঝোপ জঙ্গলেও দিনের পর দিন খুঁজে বেড়িয়েছি। আমি যখন ভয়ে ভয়ে সবে স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি সেসময়ও খেলাধুলোর ফাঁকে, গল্পের ফাঁকে আশপাশের ঝোপঝাড় খুঁজে ফিরে শি মুরগি দেখতে চেয়েছি। দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়েছি। মনে মনে এটুকু আশা পোষণ করে ক্ষান্ত দিতাম যে, হয়তো অন্যদিন, অন্য কোথাও না কোথাও আমি তাকে পাবো। দেখবো। একসময় বুঝতে পেরেছি যে, আসলে শি মুরগি বলে কিছু নেই। কিংবা থাকলেও আজ আর বেঁচে নেই। বেঁচে থাকলে তো আমি আমরা দেখতাম। যদিও গল্পের সেই শি মুরগির বাসস্থান নিয়ে আমার মধ্যে এক ধরণের দ্বি

হারিয়ে যাওয়া মুখ-মানচিত্রে ফেরারি মানবতা!


খুব ভালো দাবাড়ু ছিলেন বিমল দাস। চেহারাসুরত যেমন তেমন শরীর স্বাস্থ বলতে গেলে এক কথায় বলতে হয় তিনি অনেকটা তালপাতার সেপাই যাকে বলে। লিকলিকে শরীর। একটু এদিক-ওদিক হলে মনে হবে এই বুঝি পড়ে গেলেন। চোখে ভারি কাঁচের চশমা। কালো। চশমাখানির বাঁ দিক থেকে চোখের কাছাকাছি ঠিক গ্লাসের কাছ থেকে জোড়ার অংশটি একদম ভাঙ্গা ছিলো। এই চশমাটি তিনি নিজের মতো করে চোখে পরতেন। কিভাবে...?

রোদ্দুর হতে যাওয়া অমলকান্তি কিংবা একজন রাখাল বালক ফজল!


ফজল আমাদের গ্রামের ছেলে নয়। আমাদের গ্রাম থেকে তিন-চার গ্রাম পশ্চিমের কোনো এক গাঁ'য় তার বাড়ি। আমাদের রাখাল। কার্তিক মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সে আমাদের গরু চড়াত। সেই সাত সকালে উঠে সে গাভিদের দুধ দোহানোর অপেক্ষায় থাকতো। দুধ দোহানো শেষে সে উদগ্রীব হয়ে থাকতো গরু নিয়ে কখন মাঠে যাবে। ভেতর বাড়ি থেকে সকালের খাবারের ডাক না আসা অবধি সে নানান কাজকর্মে ব্যস্ত থাকতো। কখনো দড়ি পাকানো, কখনো উঠতি ষাঁড়ের মুখের ঝাঁপি বানানো কিংবা ষাঁড়ের শিঙ তীক্ষ্ণ ও শক্ত করা এসব তার নিত্য কাজের অংশ ছিলো। ফজলকে দেখে আমাদের বেশ হিংসে হতো। কী সুখেই না আছে সে। সেই সাত সকালে উঠে সে নিজেই নিজের মতো করে তার কাজ করে। ভাতটাত খেয়ে, নিজের দুপুরের খাবার কাপড় দিয়ে প্যাছিয়ে বেঁধে কাঁধে করে সে গরুর পাল নিয়ে দিনমান ছুটে বেড়ায়। সারাদিন তার মতো এ প্রান্তর, ও প্রান্তর করে চষে বেড়ায়। দিনের সূর্যের তেজ যখন কমতে থাকে, সূর্য যখন পশ্চিম দিকে হেলে পরে তখন সে গরু নিয়ে বাড়ির দিকে, সে ফিরছে।

যাপিত জীবনের পোড়া-ক্ষতে রঙ্গমঞ্চের জীবন!


উথালপাতাল মন খারাপ হলে পরে অকারণ হাঁটাহাঁটি করতাম। বিরামহীন হাটতাম। সিলেট উপশহর থাকাকালীন এই রাতবিরেত হাঁটার কারণে বার কয়েক পুলিশ-র‍্যাবের দৌড়ানিও খেয়েছি। আম্বরখানায়ও এরকম হয়েছে। উপশহর, শিবগঞ্জ বা আম্বরখানা থাকাকালীন সাধারণত রাতের খাবার খেয়ে হাঁটতে বেরুতাম। এদিকওদিক হয়ে কীভাবে জানি শেষ গন্তব্য হতো হয় কদমতলি বাসস্ট্যান্ড নয়তো সিলেট রেল স্টেশন। মাঝেমধ্যে কাজিরবাজারের দিকে যেতাম। ওদিকে কিছু ছোটোখাটো রেস্টুরেন্ট সারারাত খোলা থাকে। আর সারারাত-ই টিভিতে বাংলা সিনেমা চলে। এক কাপ চা নিয়ে ঘন্টা দেড়েক অনায়েসে বসা যায়। সাথে যদি দু'একটি সিগারেট ক্রয় করা হয় দোকানি সাধারণত আর কিছু বলার সাহস পেতো না। নদীর ওপাড়েও এইরকম বহু রেস্টুরেন্ট আছে তবে ঠিক এইরকম নয়। খাওয়াদাওয়াটাই মুখ্য লক্ষ্য তাদের। বন্দরবাজারের কিছু রেস্টুরেন্টও সেইরকম। কাজিরবাজারের নদীর পাড় দখল করে বাঁশের উপর তৈরি এসব রেস্টুরেন্টগুলিতে হরেক কিসিমের লোক থাকতো। বেশিরভাগ শ্রমজীবী। রিকশা-ভ্যানচালক থেকে পান-সুপারি বিক্রেতা, ধানের কারবারি, মাছ বিক্রেতা কিংবা মধ্যসত্ত্বভোগী কে নেই! রাজনীতি অর্থনীতি হয়ে ঘরসংসার থেকে নতুন নায়ক কাজী মারুফ সবই আলোচনা হতো। মোদ্দাকথা আমার এতটুকু হেঁটে আসার পেছনে এঁরাও আছেন। হাতে টাকাকড়ি থাকলে অবশ্য চুক্তি করে ঘন্টা হিসেবে রিকশা নিতাম।

বেঁচে থাকার গান!


খেয়াল করে দেখি লোকটি আনমনে নিজের মতো করে কথা বলেন। একা। নিজের সাথে। শনিবারে সকালের দিকে এই মফস্বলী ধাঁচের শহরের মার্কেট সংশ্লিষ্ট কোনো বেঞ্চের কোনায় ঠাঁয় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকেন। মাঝেমধ্যে সিগারেট টানেন তবে খুব কম। প্রায় শাদা চুলের মাথা। ভুরুও। রবিবারেও তাঁকে এই মার্কেটের আশেপাশে কোথাও না কোথাও পাওয়া যায়। একদিন দেখি যে না এই লোক শুধু শনি-রবি বার নয়, সপ্তাহের সাত দিনই নিয়ম করে সকাল, মধ্যাহ্ন ও বিকেল তিন বেলা এই মার্কেট, পার্ক কিংবা ছোট্ট লেক মতো জায়গার আশপাশে থাকেন। একাকী। হঠাৎ দেখা যায় তাঁর বয়সী কারও সাথে গল্প করতে। তবে বেশিরভাগ সময় একাকী বেঞ্চে বসে থাকেন। নয়তো ধীরলয়ে দু'হাত পেছন দিকে নিয়

ব্যাংক লুটপাট অর্থমন্ত্রী ও সিনেমা সারেন্ডার!


রোজার ইদকে কেন্দ্র করে তখন বিটিভি'তে তিন দিনের জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকতো। ইদের অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলো বিকেলবেলা বাংলা সিনেমা। ঘরভরা লোকজন। শ্বাসপ্রশ্বাস ফেলার ফুসরত নেই। ইদ উপলক্ষে মফস্বল-শহর থেকে গ্রামের বাড়ি ফেরা লোকজন মিলিয়ে সরগরম। তখন আমাদের এই ছোট্ট গাঁ'য়েও দু'চার দশজন সরকারি চাকুরে। কেউ শিক্ষক, কেউ ব্যাংকার কেউবা স্বাস্থ্যসহকারি। তো এমনি এক ইদে আমরা বাংলা সিনেমা দেখছিলাম। সারেন্ডার। নায়ক জসিম আর নায়িকা শাবানা। আরও অনেক নায়ক-প্রতিনায়ক ছিলেন। আজ আর এতোকিছু মনে নেই। কাহিনি শুরু মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী অস্থিরতা, বেকারত্ব এইসবকে অবলম্বন করেই। জনা পাঁচ-সাতেক বন্ধু সেই সময় চাকুরি

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মনির হোসাইন
মনির হোসাইন এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 23 ঘন্টা ago
Joined: শনিবার, এপ্রিল 20, 2013 - 10:17অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর