নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সৌম্যজিৎ দত্ত এর ব্লগ

"কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, মনে মনে .."


দিদি, মনে আছে একদিন তোমায় বলেছিলাম, "আমি তোমার কাছে গেলে, আমায় কাছে টেনে নেবে একটু! একটুখানি ভালোবেসে দেবে!"

তোমার উদার মন। ভালোবাসাতে কখনো দ্বিধা করো নি। আমি যাওয়ার পর, দূর থেকে যখনই আমায় দেখেছ, হাত নেড়ে কাছে ডেকে, কাছে টেনে আদর করে দিয়েছিলে। মুহূর্তটি আমার কাছে ভীষণ আবেগের ছিল। আমি মানুষটা মানেই একরাশ আবেগ। চলতে চলতে যখন ক্লান্ত হয়ে উঠি, যখন সবদিক বিচ্ছিন্ন মনে হয় আমার থেকে, যখন মানুষের প্রেমকে ক্রমশ অপ্রেমে রূপান্তরিত হতে দেখি, একা হয়ে যাই! তখন আমার তোমাকে ভীষণ প্রয়োজন হয়।

পুরুষতন্ত্রকে ভাঙচুর করে আসা এক পুরুষ থেকে মানুষ হওয়ার গল্প।


আমি ছোট থেকে এক ঘোর পুরুষতান্ত্রিক একটি পরিবেশ এবং পরিবারে বড় হয়েছি। ছোট থেকে বড় হওয়ার এই মূল্যবান একটি সময় যখন মানুষের মানসিক বিকাশ ঘটে, আগামীতে সে কেমন হবে, তার প্রকৃতি'র গঠন হয়, তখন আমি দেখেছি ভয়ঙ্কর এক পুরুষতন্ত্র। ঘরে নারী নির্যাতিতা। পুরুষের গায়ের জোর। পুরুষের উশৃঙ্খল জীবন এবং সেটাই পুরুষত্ব, পুরুষ মানেই তার জোর সবথেকে বেশি হবে, সে যা করবে সেটাই ঠিক, নারী শুধু ঘর গোছানোর দাসী, নারী মানেই ঘরে থাকবে এমন একটি ভয়ঙ্কর পরিবেশ!

ধর্ষণ তোমার লজ্জা নয়, ধর্ষণ ধর্ষকের লজ্জা।


"যদি তুমি ভাবো, তুমি ধর্ষণের শিকার, তুমি দুর্বল, তবে দুর্বল হয়ে যাবে তোমারই মতো সহস্র লীলা, গীতা, মহিমা। যদি তুমি মনে করো তুমি ধর্ষণের শিকার, কিন্তু তুমি ন্যায়ের পথে হাঁটবে, তখনই তুমি ন্যায় করতে পারবে সেই লীলা, গীতা, মহিমাদের সাথে।"

লেখক তসলিমা নাসরিন'কে লেখা আমার প্রথম চিঠি।


মেয়েমা,

"এক বছর নয়, দশ বছর নয়, শত বছর নয়,
আমি চাই যতো বছর তুমি থাকো, ততো বছর যেন আমি থাকি তোমার সাথে .."

লেখক তসলিমা নাসরিনকে লেখা আমার দ্বিতীয় চিঠি।



সবাই বলে আমি প্রেমিক। আমার মধ্যে প্রেম প্রেম উত্তেজনা সবসময় থাকে। এর নেপথ্যে এক শিক্ষক আছে যে আমাকে প্রেমের অর্থ বুঝিয়েছে। প্রেমের অর্থ আমি আত্মস্থ করেছি তোমার থেকে। প্রেম মানেই যে শুধু নারী, পুরুষের মধ্যে তীব্র আকর্ষণ, লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা, মনে মনে অনেককিছুই কল্পনা করে ফেলা এমন পরিধি ছিন্ন করে আমি বেরিয়েছি বেশ কিছু সময় আগে।

কিরণ। (দ্বিতীয় পর্ব)


রিয়া’কে।
- সৌম্যজিৎ।

১৬)
বুকের ভিতর চিন চিন করে বেড়ে ওঠা যন্ত্রণাটা
আমায় জানান দিচ্ছে –
তুমি আমার নও, আমি তোমার নই ..
অথচ আমি আপাদমস্তক,
মনে, প্রাণে তোমারই থাকতে চেয়েছি,
থাকতে চাই।
তোমার কথাগুলি আমার কাছে –
বড্ড অবহেলিত অনুভূতির জন্ম দিচ্ছে,
আমাকে ভেঙে লক্ষ – কোটি টুকরো করে দিচ্ছে অনায়াসে।
তোমার এই অবহেলা আমায় বলছে –
“যা। এবার তোর সময় এসে গেছে।
স্বেচ্ছা নির্বাসনের পথে মুক্তিকে খুঁজে নে।”

******************************************************

কিরণ।


"রিয়া'কে।"
সৌম্যজিৎ।

১)

মরুভূমির বালিয়াড়ি বিষাক্ত বিছেকে তুমি ধরে আছো ওই দু-চোখে,
তিল তিল করে বিষ চক্ষুদুটি দিয়ে দংশন করছ আমার চেতনা, হৃদয়।
শরীরের সমস্ত রক্ত জমাট বেঁধে গেছে,
শুকিয়ে ফ্যাকাসে নীল বর্ণ ধারন করছে গোটা শরীর।
আমি এখনও বেঁচে আছি, চেয়ে আছি একটিবার বলতে -
"ভালোবাসি।"

***************************

২)

প্রসঙ্গ – বাংলা ট্রিবিউনের দুঃখ প্রকাশ।


বাংলা ট্রিবিউন লেখক তসলিমা নাসরিনের “কাঠুয়ার আর উন্নাওয়ের ধর্ষণ” শিরোনামের লেখাটি প্রকাশ করে ১৫ই এপ্রিল, ২০১৮ তারিখে। লেখাটিতে লেখক তসলিমা নাসরিন জোর দিয়ে এটাই বোঝাতে চেয়েছিলেন, যখন কোনো নারীকে ধর্ষণ করা হয়, তার জাত দেখে, বর্ণ দেখে, পরিচয় দেখে ধর্ষকেরা ধর্ষণ করে না। হিন্দু ধর্ষকেরা মুসলিম নারী বলেই মুসলিম নারীকে, বা মুসলিম ধর্ষকেরা হিন্দু নারী বলেই হিন্দু নারীকে ধর্ষণ করে না। ওরা ধর্ষণ করার সুযোগ পেলেই ধর্ষণ করে। হিন্দু ধর্ষকেরা হিন্দু নারীকে হাতের কাছে বেশি পায় বলে, হিন্দু নারীকেই বেশি ধর্ষণ করে। তেমনই মুসলিম ধর্ষকেরা হাতের কাছে মুসলিম নারীকেই বেশি পায়, তাই মুসলিম নারীকেই বেশি ধর্ষণ করে। জ

অপেক্ষা


রাতে যখন ঘুমাতে যাই,

এক বুক হতাশা থাকে গোটা মনজুড়ে,

সারাদিনে রোজ একটু একটু করে হতাশাগুলো জমা হয়,

ফাঁকে ফাঁকে মনে হয় তুমি নেই, - তবু তুমি আছো,

হয়ত দূরে আছো,

তবু আছো আমার সাথে!

ওই যে রাতে যে একরাশ হতাশা নিয়ে ঘুমাতে যাই,

সেই হতাশার সাথে একটা আশাও মনের এক কোণে রোজ জন্ম নেয়,

রোজ ভাবি, "এই তো কাল সে সকাল হবে,

কাল সূর্যের সাথে আমি তোমাকে আমার মতো করে একটুখানি দেখবো,

তোমার কথা শুনবো,

আর শুনবো - তোমার মুখে একটু ভালোলাগা ভালোবাসাখানি!"

না।

শুনি না।

শুনতে পাই না।

"অগ্নি উৎস" তুমি তসলিমা নাসরিন।


সৌম্যজিৎ।

তোমার আপসহীন আগুন কত মানুষ দেখেছে!
পদে পদে তোমার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকার, মৌলবী, ধর্মান্ধ ভক্ত।
যখন লড়েছ, ভয় তোমারও হয়েছে।
তুমি ভেবেছ, "এই বুঝি কেউ এসে আমার মুন্ডপাত করে।"
ভয় সবাই পায়। সেই ভয়তেও তুমি আপসহীন।
যত দেখি ততই মুগ্ধ হয়ে যাই,
শরীরের প্রতিটা লোম খাড়া হয়ে যায় যখন
তোমাকে বাংলা নির্বাসনের সময়গুলোতে অনুভব করি।
রক্তের মধ্যে গরম স্রোত বয়ে যায়।

অগ্নি কন্যাকে নতুন কি আর ভাষা দেবো!
যে নিজে জ্বলন্ত আগুন তাকে
ভাষার আগুনে উজ্বল করার ভাষা কম হয়ে যাবে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সৌম্যজিৎ দত্ত
সৌম্যজিৎ দত্ত এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, মে 17, 2018 - 8:39অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর