নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

সলিম সাহা এর ব্লগ

জরিপ ছাড়া কোটা বাতিলের গেজেট দিলে সরকার মহাভুল করবে


কোটা সংস্কার, কোটা বাতিল ও কোটা থাকার বিষয় নিয়ে যে রাজনীতির খেলা প্রদর্শন চলছে, সে খেলা সরকারকেই বুদ্ধিমত্তার সাথে মীমাংসা করতে হবে। আর যদি এই খেলাতে সরকার নির্বুদ্ধিতা সম্পন্ন চাল দিয়ে ফেলে, তাহলে এর মাশুল সরকারকেই দিতে হবে। কোটা সংস্কার, কোটা বাতিল ও কোটা রাখা এটা ছাত্রদের অধিকার, বা ছাত্রদের বিষয়। কিন্তু যদি দেখা যায় যে, ছাত্র সমাজের মধ্য হতে অল্প কিছু সংখ্যক ছাত্র রাজনৈতিক মদদে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাহলে সরকারকেই তা শক্ত হাতে দমন করতে হবে। তবে তাঁর পূর্বে সরকারকে নিশ্চিত হতে হবে যে, মূলত কত শতাংশ ছাত্র কোটা বাতিল চাই, কত শতাংশ ছাত্র কোটা সংস্কার চাই ও কত শতাংশ ছাত্র কোটা

কোরআন জানুন (পর্ব-৮)


আবু বকর তাঁর খেলাফতি কালে প্রচলিত কোরআনের আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে, নিজেকে আবু সুফিয়ানের একনিষ্ঠ আদর্শ পালনকারী হিসাবে ব্রতী করে রেখেছিলেন। এতে করে ভিতরে ভিতরে ওসমান আবু বকরের প্রতি ক্ষুদ্ধ হয়ে, ধিরে ধিরে আলীর সাথে সম্পর্ক রেখে চলছিলেন। অন্যদিকে ওমরও আবু বকরের মতো আবু সুফিয়েনের নির্দেশ পালনকারী, আজ্ঞাবহে পরিণত হয়ে যায়। ইতিমধ্যে আবু বকর অসুস্থ হয়ে পড়লে, আবু সুফিয়ান ওসমান অপেক্ষা ওমোরকেই বেশি বিশ্বাসী মনে করে। এবং ওমরকে তিনি তাঁর ইচ্ছামতো পরিচালিত করতে পারবেন, ও ওসমান তাঁর ইচ্ছামতো পরিচালিত হবে না, এটা সে নিশ্চিত হয়ে যায়। আর সে জন্যই ওমর অপেক্ষা ওসমান বয়সে বড় হওয়া সত্ত্বেও, আবু সুফিয়ানের নির্দেশে,

কোরআন জানুন (পর্ব-৭)


ওমোরের লাথির আঘাতে দরজা ভেঙ্গে ফাতেমা পেটে আঘাত পেয়ে পড়ে যায়। এতে করে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ফাতিমা পেটের যন্ত্রনায় অস্থির হয়ে যায়। শুরু হয়ে যায় রক্তপাত। তিনদিন পরে ফাতিমার গর্ভপাত হয়ে যায়। সেখানে অপরিণত অবস্থায় এক মৃত পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। দাফনের পূর্বে সে সন্তানের নাম রাখা হয় মহসিন। ওমোরের লাথির আঘাতে সেই যে রক্তপাত শুরু হল, এই রক্তপাত শেষ পর্যন্ত ফাতিমাকে মৃত্যু পর্যন্ত পৌঁছে দিল। মোহাম্মদ মারা যাওয়ার ৭৬ দিন
(কুড়ি)
পরে, মাত্র ১৯ বছর বয়সে, সকলের বড় ৮ বছরের সন্তান হাসানসহ, হোসেন, যয়নব ও রোকেয়াকে শিশু অবস্থায় চির এতিম করে দিয়ে, ফাতিমা মৃত্যুবরণ করেন।

কোরআন জানুন (পর্ব-৬)


আবু বকরদের কাছে এসে সুফিয়ান প্রস্তাব রাখে, যে- হে আবু বকর, আলী একজন গরীব মানুষ। মোহাম্মদ তাঁর আদরের ছোট কন্যাকে তাঁর সাথে বিয়ে দিয়েছে, সে সূত্রে আলী ও ফাতিমাকে মোহাম্মদ একটু বেশিই ভালোবাসতো। আর সেই ভালোবাসার খাতিরেই, যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও সে আলীকে ইসলামের প্রথম খলিফার ওসিয়ত করে প্রচলিত কোরআনে তা লিপিবদ্ধ করে যায়। যেখানে আবু বকরের মতো বয়োজ্যেষ্ঠ, জ্ঞানী ও সম্মানীয় ব্যক্তি, ওসমানের মতো ধনাঢ্য ব্যক্তি ও ওমোরের মতো সাহসী মানুষ বর্তমান, সেখানে ইসলামের প্রথম খলীফা হিসাবে আলী একেবারেই বা-মানান। তাই আমি বলি কি-যে, আলীকে ইসলামের প্রথম

(সতেরো)

কোরআন জানুন (পর্ব-৫)


মোহাম্মদ ১১ হিজরী সনের ১৯ এ সফর সোমবার বেলা প্রায় ১১টার সময় মৃত্যুবরণ করেন, তাঁর মৃতদেহ দাফন করা হয় বুধবার দিন শেষে রাত আনুমানিক ১টার সময়। মোহাম্মদের মৃতদেহ সমাধিস্থ করার পরে, আবু বকর, ওসমান ও ওমোর তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে আলোচনায় বসে যে- আলীকে বাদ দিয়ে কাকে ইসলামের প্রথম খলীফা নিযুক্ত করা যায়। কিন্তু আলী তাঁদের আলোচনায় শরিক না হয়ে, মোহাম্মদের মৃতদেহ দাফনের পরে তাঁর সমর্থকদিগকে ঘরে ফিরে যেতে বলেন, ও নিজেও ঘরে ফিরে আসেন।

কোরআন জানুন (পর্ব-৪)


বিদায় হজ্জের সময় প্রচলিত কোরআনের মধ্যে সূরাত বেলায়েতে “আমি জ্ঞানের শহর আলী তাঁর দরজা” এবং “আমার মৃত্যুর পরে ইসলামের প্রথম খলীফা হবে আলী” ঘোষণাটি যখনই লিপিবদ্ধ হয়, তখন থেকেই মোহাম্মদের প্রচারিত ধর্ম ইসলামে দলের ভাগাভাগির সৃষ্টি হয়ে যায়। মোহাম্মদের মৃত্যুর পরে আলীকে ইসলামের প্রথম খলীফা মানতে কোন আপত্তি না করা একটি দল, ও আলীকে ইসলামের প্রথম খলীফা মানতে আপত্তি করা আরেকটি দলে ভাগ হয়ে যায়। যে পক্ষটি মোহাম্মদের মৃত্যুর পরে আলীকে ইসলামের প্রথম খলীফা মানতে আপত্তি করে, তাঁরা তাৎক্ষনিক মানসিকভাবে বিভক্ত হলেও প্রকাশ্যে তাঁরা তাঁদের মনোভাব ব্যক্ত করে নাই। প্রকাশ থাকে যে, এই বিদায় হজ্জের সময় কে বা কারা ক

ভাগ্য রজনীতে আল্লাহ গরীব মানুষের ভাগ্যে যাহা লিপিবদ্ধ করলেন


আপনারা সকলেই জানেন,গতকাল মুসলমানদের বাৎসরিক ধর্মিয় উৎসব, শবে বরাত উদযাপিত হয়ে গেলো। এই রাতে আল্লাহ পৃথিবীর খুব নিকট তম আসমানে নেমে এসে, সৃষ্টির মনুষ্য প্রজাতির ভাগ্য এক বছরের জন্য পুনঃ নির্ধারণ করেন। গতকাল আল্লাহ যখন ভাগ্য বন্টনের জন্য নিজ আসনে সমাসীন হোন,তখন ঘড়িতে বাজে রাত ১০ টা ৪৫ মিনিট।

ভাগ্য লিপিবদ্ধের জন্য আল্লাহ যখন কাজ শুরু করেন ,তখন ফেরেস্তারা প্রথমেই পেশ করেন ধনিদের ভাগ্য তালিকা লিপিবদ্ধ করতে। আল্লাহ ধনিদের ভাগ্য লিপিবদ্ধ করতে করতে রাত ২ টা বাজিয়ে ফেলেন।

কোরআন জানুন (পর্ব-৩)


এখানে পাঠকমণ্ডলীর অবগতির জন্য প্রচলিত কোরআনের মূল আয়াত সংখ্যার ব্যাপারে একটি অজানা তথ্য উপস্থাপন করতে চাই। তথ্যটি হল- মোহাম্মদের জীবদ্দশায় প্রচলিত কোরআনের আয়াত সংখ্যা ছিল প্রায় আঠারো হাজারের মতো। সেখানে আবু বকর মোহাম্মদের সাথে কি-কি দুর্ব্যবহার করেছে, ওমর কীভাবে মোহাম্মদকে ক্ষমতার দাপটে অপমান অপদস্থ করেছে, ওসমানের এত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও মোহাম্মদ পরিবার ও ইসলামের জন্য কানা কড়িটিও কেন খরচ করে নাই, আলী ও ফাতিমা দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে মোহাম্মদ ও ইসলামের জন্য নিজেদেরকে উৎসর্গ করেছিলেন, উমাইয়া বংশ কি কারণে ইসলামের চিরশত্রু, ও কি কারণে তাঁরা ইসলাম ধর্মকে সুযোগ পেলেই ধংশ করে দেবে, সে সকল বিষয়ে

কোরআন জানুন (পর্ব-২)


এখানে উল্লেখ না করলেই নয় যে, আপনারা এযাবৎ জেনে এসেছেন যে, পবিত্র প্রচলিত কোরআনের আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬টি, যা প্রতিটি প্রচলিত কোরআনের শুরুতেই লেখা রয়েছে। কিন্তু প্রচলিত কোরআনের ১১৪টি সূরাত এর শুরুতে লেখা আয়াত সংখ্যা গণনা করলে দেখা যায় যে, প্রচলিত কোরআনের আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬টি নয়, বরং এর আয়াত সংখ্যা ৬২৩৬টি। বর্তমানে প্রচলিত কোরআনে আয়াত সংখ্যা কম আছে ৪৩০টি। প্রচলিত কোরআনের আয়াত সংখ্যা কম এটা আমি আবিস্কার করি ১৯৮২ সালে। আর ১৯৯৫ সালে ঢাকা মিরপুর ১ নম্বর এ অবস্থিত বাংলাদেশ বাউল সমিতিতে আমি প্রচলিত কোরআনের আয়াত সংখ্যা ৬২৩৬টি বলায়, বাংলাদেশ বাউল সমিতির সদস্য শিল্পী লতিফ সরকার, আওয়াল সরকার, লিয়াকত সরকার, রতন সরকারসহ আর ও অনেকে আমাকে মারতে উদ্যত হয়। তখন বাউল শিল্পী আবুল সরকার (মানিক গঞ্জ) আমাকে মারের হাত থেকে রক্ষা করেন। তিনি বলেন, গুরুজিকে আমি নিজে মারবো, কিন্তু তাঁর আগে কোরআনের আয়াত গুণে দেখতে হবে তাঁর কথা সঠিক কি না।

কোরআন জানুন (পর্ব-১)


মানবকুলের মধ্যে তাঁরাই শ্রেষ্ঠ, যারা প্রচলিত কোরআন বা মোহাম্মদ এর মুখ নিঃসৃত বানী বা এই হাদিসকে পাঠ করে, ও এর মর্মার্থ অনুধাবনের মাধ্যমে মূল কোরআন চিনতে পারে, এবং প্রচলিত কোরআনের নির্দেশ মতো মূল কোরআনের উপাসনা করে। তবে তাঁর থেকেও শ্রেষ্ঠ তাঁরা, যারা সমগ্র মানবমণ্ডলীর, সকল ভাষাভাষীর মানুষ যেন তাদের নিজস্ব ভাষায় পবিত্র প্রচলিত কুরআন বুঝতে সক্ষম হয়, সে জন্য ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় অনুবাদের মাধ্যমে পবিত্র প্রচলিত কোরআনের সঠিক মর্মার্থ উপস্থাপন করে, ও প্রচলিত কোরআনের নির্দেশ মতো মূল কোরআনে উপাসনা করে।

বোর্ডিং কার্ড

সলিম সাহা
সলিম সাহা এর ছবি
Offline
Last seen: 2 ঘন্টা 48 min ago
Joined: শুক্রবার, মার্চ 23, 2018 - 5:14অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর