নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মারুফুর রহমান খান
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

কাঙালী ফকির চাষী এর ব্লগ

একজন শিক্ষককে মাথায় মল ঢেলে লাঞ্চনা৷


জানি ধর্মপন্থীগণ ছিঃ ছিঃ আর বিধর্মী কিংবা ধর্মহীনরা অনেকেই মনে মনে খুশি হয়েছেন আর কারণ খুঁজছেন৷ আমার কাছে শ্যামল কান্তি যেমন শিক্ষক তেমনি এই মাদ্রাসার শিক্ষকও৷ আমরা আগেও যেমন শ্যামল কান্তির পক্ষে ছিলাম এখনও তাই আছি শুধু রথ বদল হলো ধর্মান্ধদের৷ তারা তখন বিপক্ষে ছিলো বলে এই নয় আমরা তাদের মত মাথায় গোবর নিয়ে চলবো৷ এটাও হতে পারে একটি শিক্ষা৷ যেমন সেদিন আমাদের খারাপ লাগা দেখে তাদের আনন্দ হয়েছিলো, আজ আমরা তাদের মন্দ লাগাতে সাথি হলাম৷

সম্প্রীতির নামে হিন্দু মুসলিমের গলাগলি প্রচার আরেক ভন্ডামী


আমি জ্ঞানে ক্ষুদ্র হতে পারি কিন্তু এতটা ক্ষুদ্র নই যেখানে নাস্তিকতা করে সম্প্রীতির নামে ছবি বিলাবো ধর্মে ধর্মের৷ যেখানে ব্রাহ্মণের সাথে হুজুরের গলাগলি প্রচার করে ধর্মকে অক্সিজেন দেব মানবতার নামে৷ আমি মূর্খ হতে পারি কিন্তু এতটা মূর্খ নই যে সম্প্রদায়ে সাম্প্রদায়িকতা থাকবে না, এটা মনে করবো৷ একটা ছবি প্রচার করে আবেগ আনার পাগল আমি নই৷ আমি খুব ভালো করেই জানি ধর্ম মরলে সম্প্রদায় মরবে, সম্প্রদায় মরলে মরবে নাস্তিক৷ এগুলো মরলেই জন্ম নেবে মানুষ৷ আমি জানি মানুষ ভূতকে ভয় পায় কেনো? কারণ ঈশ্বর না মরলে ভূতের মৃত্যু অসম্ভব৷

হে মাবুদ নাকি হে মহাভূত !?


বিচিত্র আমাদের এই ধর্মপুর আর বিচিত্র সব চরিত্র এখানে৷ সব সম্ভবের দেশ ধর্মপুর হলে, এখানে নানা জনের নানা মত, নানান পথ আর তাতেই তৈরী সৎ অসৎ৷

দেখবেন সুকুমার রায়ের একটা কবিতায় মাঝির জীবন বারো আনায় মিছে হলেও বাবুর জীবন ষোলআনায় মিছে হিসেব দিলেন মাঝি৷ গরীব মাঝি মূর্খ হলেও এতটা মূর্খ যেখানে সূর্য, চন্দ্র, পানির স্রোত, সাগরের লবণ এসবে ঈশ্বর লাগিয়ে বলবে এসব তারই খেলা৷ মাঝি সাতারের কথা বলেছেন যেখানে জানলেন নাতো মরলেন, ঈশর দিয়ে খাঁটি করার কথা ছিলোনা কথা আর না বাড়াই, সরাসরি তাই করি যেখানে রোগ সাড়ায়৷

ঈশ্বর বানালো যারা, নাস্তিক ও বানালো তারা৷ মাঝখানে শুধু অনুভূতি


নাস্তিকরা যখন কোন যুক্তি তুলে তখন ধার্মিকদের দেখেছি প্রমাণ চাইতে৷ রেফারেঞ্জ না দিলে তরকারিতে যেন নুনটা কম হয়ে গেলো! প্রমাণ ছাড়া আল্লাহ খোদা বিশ্বাস করা গেলেও মানুষের কথা একেবারে অখাদ্য৷ কেউ এসে একটা সুখবর দিলো ভাই আবুলের বাচ্চা হয়েছে, আরেকজন বললো কই রেফারেঞ্জ দেনতো দেখি! অবশ্য আবুলের নয় আবুলের বউয়ের হয়েছে৷ এই রেফারেঞ্জ নামক জিনিসটা গ্রন্থ হতে দিলে হয় দলিল আর না দিলে দলিত৷ সব নাকি কোরআনে আছে, আবুলের বউয়ের বাচ্চা হয়েছে সেটাও আর বাদ যাবে কেন? দেন রেফারেঞ্জ নইলে বিশ্বাস হলো না বলে৷

সুরা মন্ত্র এসব যতক্ষণ আপনার ভাষায় বোধগম্য হবেনা ততক্ষণ আপনি ধর্ম পাবেন


যতক্ষণ সুরা মন্ত্র অন্য ভাষায় থাকবে এবং আপনি বুঝবেন না ততক্ষণ আপনার পূন্য হবে, আপনার প্রার্থনা হবে, আর যখন আপনি আপনার ভাষায় পড়বেন বুঝবেন তখন আপনি দেখবেন এগুলা আর দশটা কথার মতই স্বাভাবিক কথা৷ সারাদিন এত কথা বলেন, তাতে যদি আপনার পূন্য না হয় তবে মুখস্ত কিছুতে পূন্য হবে এমন ভাবার ও কোন কারণ নেই৷ মুখস্ত বিদ্যা সব সময় ভয়ের ছিলো৷ মুখস্ত বিদ্যার সনদে যেমন শিক্ষিত অশিক্ষিত মূল্যায়ন করেনা তেমনি মুখস্ত সুরা মন্ত্রে ও মানুষ মূল্যায়ন করেনা৷ ঐ সনদ যেমন টাকা কামানোর মাধ্যম, এ মুখস্ত প্রথাও তার ভিন্ন নয়৷ এক পড়ুন আর দশ লাইন, নিজের ভাষায় বুঝে পড়ে দেখুন৷ আপনি বুঝবেন আপনি চলতি জীবনে যা বলেন করেন তার চেয়ে

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী মৃত্যুদন্ড মানতে নারাজ দেশগুলোই বিমান হামলায় অমানবিক


ধর্ষনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড এমন দাবীতে অনেকেই আছেন যারা বিপক্ষে অবস্থান করেন ৷ কেউ কেউ এটাকে অমানবিক হিসেবে দেখেন যদিও সর্বোচ্চ শব্দটি আছে৷ প্রথমত সর্বোচ্চ কার উপরে যায় ? তার উপররেই যাবে নিশ্চই যে মৃত্যুদন্ডের যোগ্য৷

খোলা জায়গায় প্রস্রাব দমনের নামে আরবি ভাষা প্রতিষ্ঠার পায়তারা


বাংলার জন্য যতই বাঙালির রক্ত ঝরুক, রক্তের উপর আমরা দাড়িয়ে প্রস্রাব করতে পারি এটাও হয়তো আমাদের রক্তে মেশা৷ একেতো বাঙালির রক্তে বহু জাতির রক্ত, তার উপর নিজের মনের হীনতা৷ আমরা গর্ব করে বিশ্বকে বলতে পারি যে ভাষার জন্য এত রক্ত কখনো কোন জাতি দেয়নি কিন্তু আমাদের দেখে বিশ্ব জেনে নেয়, শহীদের সাথে আমরা কতটা প্রতারণা করেছি৷ মীর জাফর চরিত্রটা বাঙালির ছিলো এখনো আছে৷

বাংলাদেশে মালাউন রবীন্দ্রনাথ ও রবীনিন্দা


বিশ্বে যখন রবীর চর্চার বাতাস বয়,
বাংলাদেশে মগজের তখন পতন হয়৷

বাংলা মেইল ৭১ এর একটা লেখা পড়লাম৷ খুব ভালো করে মগজ ধোলাই চলছে৷ প্রায় ১২ হাজার ভিউ ছিল লেখাটির আর অহরহ মন্তব্য৷ মন্তব্যের অবস্থা দেখে বুঝলাম এদেশের মগজগুলো কতল হয়েছে সাম্প্রদায়িকতা আর ধর্মের তরবারিতে, যেখানে মশির চেয়ে ঐশী বড়৷

বাংলা মেইল ৭১ লিখেছেন-
>
“মূর্খের দেশে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়, তারাতো ঠিকমতো কথাই বলতে জানেনা! – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
<

দুধ নাকি স্তন?


সহীহ বোখারী হতে পহেলা বৈশাখ হারাম এবং কানার বাজার


ইলিশ মাছ প্রসঙ্গে একটা ব্যঙ্গ পোস্টকে এমন ভাবে টানা শুরু করলো যেন সত্যি সত্যিই ইসলাম হতে ঘোষণা হলো ইলিশ হিন্দু মাছ৷ তবে খোঁজে পেলাম ইলিশে হিন্দুর উৎপত্তিটা কোথায়৷ মাঝে মাঝে প্রতিবাদীরা ধার্মিকের চেয়ে অবুঝ হয়ে উঠে, আমার মত পুরা না শুনে পন্ডিতি করলেতো আরো বিপদ৷

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঙালী ফকির চাষী
কাঙালী ফকির চাষী এর ছবি
Offline
Last seen: 9 ঘন্টা 22 min ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 29, 2017 - 2:02পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর