নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সরকার আশেক মাহমুদ
  • সজল-আহমেদ
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

কাঙালী ফকির চাষী এর ব্লগ

তিনি ড. জাফর ইকবাল, কখনো স্যার আর কখনো ষাড়!!


তিনি ড. জাফর ইকবাল৷ কখনো স্যার আর কখনো ষাড়৷ স্যার যারাই ডাকছে, তারাই ষাড় ডাকছে৷ ২০১৭ সালে একবার বেশ সমালোচিত হন এবং ছবি ব্যঙ্গ করে নানা ধরণের আখ্যা দিয়েছিলেন যারা, তারাই আবার স্যার স্যার করে প্রাণ দিয়েছেন যখন তিনি রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালের বেডে৷ ওটিতে ঢুকার আগে তিনি যখন জিজ্ঞেস করলেন নিজের মৃত্যুর সম্ভাবনাময় ক্ষনে ওনার হামলাকারী কেমন আছেন!? এবং বললেন ওর যেন কোন ক্ষতি না হয়!! তখন যারা এই কথা নিয়ে মানুষ মানবতার প্রতিক করলেন তাদের স্যারকে, সেই তাদের মধ্যেই আবার কোটা আন্দোলন নিয়ে চেতনাধারী, সুবিধাবাদী, চেতনা ব্যবসায়ী বলে ট্যাগ খাইয়ে হাস্যকর, নিন্দা, ছিঃ ছিঃ কত কি বললেন৷

রমজান সংযম, সংগম, নাকি ধর্ষণ আর সংঘর্ষের মাস!?


নারীবাদ আর নাস্তিক্যবাদ চর্চাকারীদের প্রতি প্রতিটি ধর্মপ্রাণ প্রাণীর বিদ্বেষ আছে, আছে অহরহ অভিযোগ৷ মানুষ না বলে প্রাণী কেন বলছি? মানুষ বলতে ইচ্ছে করেনা কারণ আছে তার অনেক৷ যাই হোক, এত অভিযোগের পরও তারা দেখাতে পারেনা কোন এক নাস্তিক কিংবা নারীবাদী কাউকে ধর্ষণ করেছে, করার পর মেরে ফেলেছে৷ কোথাও দেখাতে পারেনা শিশুদের জোর পূর্বক ধর্ষণ করেছে৷ কিন্তু প্রতিদিনের পত্রিকা রমরমা ধর্ম প্রাণীদের অত্যাচারে৷ দেখা যায় মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্রকে বলাৎকার করছে, যৌন হয়রানি করছে, নয়তো শিশুর পেটে শিশু আসার পর প্রমাণ করে দিচ্ছে এ কাজ মাদ্রাসা শিক্ষকের৷ কি করবে শিশুরা!!

বাংলাদেশের মাহে রমজান এবং রমজানের সময় সংযমের নামে মন মানসিকতা


প্রশ্ন করুন মনকে৷ মনকে ব্যস্ত রাখুন৷ অলস মাথায় ভৰ্তি ছাতায়৷ আর আল্লাহকে নিয়ে আপনাদের ভাবতে হবেনা৷ আপনারা কি করছেন তা ভাবুন৷ আল্লাহ যখন সৰ্বশক্তিমান তখন ওনার, আপনার ভাবনার কিংবা ইবাদতের প্রয়োজন পড়েনা৷ উনি বিচার করবেন বলে বিচারক৷ আপনি আসামি হয়ে বিচার করতে যাবেন না তাহলে বিচারকের মূল্য বিন্দুমাত্র থাকে না৷

ধর্মের স্বার্থে মানবতার নামে চালানো ধার্মীকের বিজ্ঞাপন, এটাই ধর্মের বাজারজাতকরন


চোখ ত্যাড়া কেউ অন্যের দিকে তাকালে দেখে মনে হয় আপনার দিকে তাকাচ্ছে আর আপনার দিকে তাকালে মনে হয় অন্য দিকে তাকাচ্ছে৷ দেখে মনে হওয়া আর বাস্তব ভিন্ন৷ ঠিক ধার্মিক দেখে এটা ভেবে নেয়ার কারণ নেই যে মানবতায় তারা মানুষের দিকে তাকাচ্ছে! আসলে তাদের চোখ কল্পিত স্বর্গে৷ এই লোভে তারা যেমন কাছে টানবে তেমনি ছুড়েও ফেলবে৷

একজন শিক্ষককে মাথায় মল ঢেলে লাঞ্চনা৷


জানি ধর্মপন্থীগণ ছিঃ ছিঃ আর বিধর্মী কিংবা ধর্মহীনরা অনেকেই মনে মনে খুশি হয়েছেন আর কারণ খুঁজছেন৷ আমার কাছে শ্যামল কান্তি যেমন শিক্ষক তেমনি এই মাদ্রাসার শিক্ষকও৷ আমরা আগেও যেমন শ্যামল কান্তির পক্ষে ছিলাম এখনও তাই আছি শুধু রথ বদল হলো ধর্মান্ধদের৷ তারা তখন বিপক্ষে ছিলো বলে এই নয় আমরা তাদের মত মাথায় গোবর নিয়ে চলবো৷ এটাও হতে পারে একটি শিক্ষা৷ যেমন সেদিন আমাদের খারাপ লাগা দেখে তাদের আনন্দ হয়েছিলো, আজ আমরা তাদের মন্দ লাগাতে সাথি হলাম৷

সম্প্রীতির নামে হিন্দু মুসলিমের গলাগলি প্রচার আরেক ভন্ডামী


আমি জ্ঞানে ক্ষুদ্র হতে পারি কিন্তু এতটা ক্ষুদ্র নই যেখানে নাস্তিকতা করে সম্প্রীতির নামে ছবি বিলাবো ধর্মে ধর্মের৷ যেখানে ব্রাহ্মণের সাথে হুজুরের গলাগলি প্রচার করে ধর্মকে অক্সিজেন দেব মানবতার নামে৷ আমি মূর্খ হতে পারি কিন্তু এতটা মূর্খ নই যে সম্প্রদায়ে সাম্প্রদায়িকতা থাকবে না, এটা মনে করবো৷ একটা ছবি প্রচার করে আবেগ আনার পাগল আমি নই৷ আমি খুব ভালো করেই জানি ধর্ম মরলে সম্প্রদায় মরবে, সম্প্রদায় মরলে মরবে নাস্তিক৷ এগুলো মরলেই জন্ম নেবে মানুষ৷ আমি জানি মানুষ ভূতকে ভয় পায় কেনো? কারণ ঈশ্বর না মরলে ভূতের মৃত্যু অসম্ভব৷

হে মাবুদ নাকি হে মহাভূত !?


বিচিত্র আমাদের এই ধর্মপুর আর বিচিত্র সব চরিত্র এখানে৷ সব সম্ভবের দেশ ধর্মপুর হলে, এখানে নানা জনের নানা মত, নানান পথ আর তাতেই তৈরী সৎ অসৎ৷

দেখবেন সুকুমার রায়ের একটা কবিতায় মাঝির জীবন বারো আনায় মিছে হলেও বাবুর জীবন ষোলআনায় মিছে হিসেব দিলেন মাঝি৷ গরীব মাঝি মূর্খ হলেও এতটা মূর্খ যেখানে সূর্য, চন্দ্র, পানির স্রোত, সাগরের লবণ এসবে ঈশ্বর লাগিয়ে বলবে এসব তারই খেলা৷ মাঝি সাতারের কথা বলেছেন যেখানে জানলেন নাতো মরলেন, ঈশর দিয়ে খাঁটি করার কথা ছিলোনা কথা আর না বাড়াই, সরাসরি তাই করি যেখানে রোগ সাড়ায়৷

ঈশ্বর বানালো যারা, নাস্তিক ও বানালো তারা৷ মাঝখানে শুধু অনুভূতি


নাস্তিকরা যখন কোন যুক্তি তুলে তখন ধার্মিকদের দেখেছি প্রমাণ চাইতে৷ রেফারেঞ্জ না দিলে তরকারিতে যেন নুনটা কম হয়ে গেলো! প্রমাণ ছাড়া আল্লাহ খোদা বিশ্বাস করা গেলেও মানুষের কথা একেবারে অখাদ্য৷ কেউ এসে একটা সুখবর দিলো ভাই আবুলের বাচ্চা হয়েছে, আরেকজন বললো কই রেফারেঞ্জ দেনতো দেখি! অবশ্য আবুলের নয় আবুলের বউয়ের হয়েছে৷ এই রেফারেঞ্জ নামক জিনিসটা গ্রন্থ হতে দিলে হয় দলিল আর না দিলে দলিত৷ সব নাকি কোরআনে আছে, আবুলের বউয়ের বাচ্চা হয়েছে সেটাও আর বাদ যাবে কেন? দেন রেফারেঞ্জ নইলে বিশ্বাস হলো না বলে৷

সুরা মন্ত্র এসব যতক্ষণ আপনার ভাষায় বোধগম্য হবেনা ততক্ষণ আপনি ধর্ম পাবেন


যতক্ষণ সুরা মন্ত্র অন্য ভাষায় থাকবে এবং আপনি বুঝবেন না ততক্ষণ আপনার পূন্য হবে, আপনার প্রার্থনা হবে, আর যখন আপনি আপনার ভাষায় পড়বেন বুঝবেন তখন আপনি দেখবেন এগুলা আর দশটা কথার মতই স্বাভাবিক কথা৷ সারাদিন এত কথা বলেন, তাতে যদি আপনার পূন্য না হয় তবে মুখস্ত কিছুতে পূন্য হবে এমন ভাবার ও কোন কারণ নেই৷ মুখস্ত বিদ্যা সব সময় ভয়ের ছিলো৷ মুখস্ত বিদ্যার সনদে যেমন শিক্ষিত অশিক্ষিত মূল্যায়ন করেনা তেমনি মুখস্ত সুরা মন্ত্রে ও মানুষ মূল্যায়ন করেনা৷ ঐ সনদ যেমন টাকা কামানোর মাধ্যম, এ মুখস্ত প্রথাও তার ভিন্ন নয়৷ এক পড়ুন আর দশ লাইন, নিজের ভাষায় বুঝে পড়ে দেখুন৷ আপনি বুঝবেন আপনি চলতি জীবনে যা বলেন করেন তার চেয়ে

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী মৃত্যুদন্ড মানতে নারাজ দেশগুলোই বিমান হামলায় অমানবিক


ধর্ষনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড এমন দাবীতে অনেকেই আছেন যারা বিপক্ষে অবস্থান করেন ৷ কেউ কেউ এটাকে অমানবিক হিসেবে দেখেন যদিও সর্বোচ্চ শব্দটি আছে৷ প্রথমত সর্বোচ্চ কার উপরে যায় ? তার উপররেই যাবে নিশ্চই যে মৃত্যুদন্ডের যোগ্য৷

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঙালী ফকির চাষী
কাঙালী ফকির চাষী এর ছবি
Offline
Last seen: 10 ঘন্টা 4 min ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 29, 2017 - 2:02পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর