নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • সরকার আশেক মাহমুদ
  • সজল-আহমেদ
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

নগরবালক এর ব্লগ

এতো ভালোবাসার রোহিঙ্গা লইয়া এখন আমাদের ধর্মপ্রাণ মুমিনরা কি করিবেন?


একটা নোবেলের জন্য ললুপ হইয়া তিনি আমাদের ১০লাখ রোহিঙ্গাতো দিলেন, কিন্তু এদের নিয়ে এখন যে জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি গুলো প্রকোট হচ্ছে সে গুলোকে তিনি কিভাবে সমাধান করবেন? এই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই বা আদৌ কবে শুরু হবে? আমরা শালার একটা জাতিই মাইরি, ধর্মের দোহাই দিয়া যে যাহাই করুক আমরা খুশি হইয়া তাহা গ্রহন করি, আর প্রতিবারই ধর্মের উপর্যুপরী আঘাতে কুপকাত হইয়া বলি “ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাঁচি”। এই দেশ থেকে যতদিন ধর্মান্ধতা দূর হবে না, ততদিন এই দেশের কোনো সেক্টরেই উন্নয়ন উন্নতি সম্ভব না। আর যারা বর্তমান উন্নয়নকে উন্নয়ন মনে করে থাকেন তাদের জন্য আমার পরামর্শ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্র গুলোর মাঝে কোনটি ধর্মকে পূঁজি রেখে তাদের উন্নতি করে পেরেছে খুঁজে দেখবেন।

বর্ষ সেরা চামচার আত্মপ্রকাশ; প্রজ্ঞাপনের দাবি ও সাংবিধানিক ভিত্তির বাস্তবতায় কোটা আন্দোলন লেজে গোবরে


মিস্টার ইকবাল যদি সত্যি অনুধাবন করে থাকেন যে “রাজাকার” একটি ভয়ঙ্কর বাজে শব্দ, তবেএই বাজে শব্দকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের শাষন ব্যবস্থার মূল স্তম্ভে দাঁড়িয়ে যখন আমার বাবাকে তুলে এমন গালি দেয়া হলো তখন মিস্টার ইকবাল কেন কিছু লিখলেন না? কেন তার দু-দুটো কলামের কোথাও তিনি প্রতিবাদ করে বললেন না, আন্দোলনরত ছাত্রদের বাবা তুলে এভাবে “রাজাকারের বাচ্চা” বলা মোটেই উচিত হয় নি? তাকে যদি আজ আমি রাজাকারের দৌহিত্র বলি তবে কি তার কষ্ট লাগবে না? অবশ্য কষ্ট লাগলেও সত্যতা আছে কারন তার নানা আসলেই রাজাকার ছিলেন, এবং তা মিস্টার ইকবালের মা আয়েশা ফায়েজ তার নিজের লেখা “জীবন যে রকম” বইয়ের ৭৪পৃষ্ঠায় উল্লেখই করেছেন। কিন্তু মতিয়ার এই গালি তো আদৌ কোনো স্তম্ভনেই, তার প্রতিবাদ করার সৎসাহস কেন মিস্টার ইকবালের হলো না?

২৫ এপ্রিল দুজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছিলো, একবার তাদের মানুষ বলুন।


২৬ তারিখ ২০১৬তে বিকালের দিকে ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখলাম, জুলহাজ রক্তের মাঝে পড়ে আছে, পাশে তাকে ঘিরে কিছু মানুষের কন্ঠস্বর, জুলহাজের মরদেহর সাথে একবৃদ্ধা নারী, চুল সব পাকা, মেক্সিপরা। জুলহাস উপুড় হয়ে পড়ে আছে, মুখ দেখা যাচ্ছে, পরনে টি-শার্ট আর থ্রি-কোয়ার্টার। বৃদ্ধা মহিলা কাকে যেন বলছেন এভাবে ধরো, ধরে টেনে নিয়ে আসো। জানেন বৃদ্ধা রক্তের উপর দাঁড়িয়ে ছিলো, কার রক্ত জানেন? ওই বৃদ্ধানারীর গর্ভের সন্তানের রক্তের উপর................

প্রতিষ্ঠানিক শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে না ?


শুধু একটু ভাবুন আমাদের শিক্ষাপদ্ধতি, পাঠদান পদ্ধতি সরকার পরিবর্তন করছেন, যুগউপোযোগী করে গোড়ে তোলার চেষ্টা করছেন রাত দিন, কিন্তু এর সুফল কখনো কি আসবে যদি শিক্ষার্থীদের মননের মাঝে শিক্ষা গেঁথে না দেয়া যায়? ভয় নিয়ে কখনো শেখা যায় না, শিক্ষা আমরা লাভ করি নির্মল মানসিকতায় থেকে। আমাকে আমার এক স্যার সব সময় তিরস্কার করতো, কারন আমার সমাজের পড়া মুখস্ত না থাকলেও গান কবিতা ঠিকই মুখস্ত থাকতো, থাকবে না কেন বলুন তো? ওটা আমি বিনোদনের মাধ্যমে গ্রহন করছে, গান কবিতার না শিখার জন্য আমার কোনো শাস্তির ব্যবস্থা নেই, কোনো হুমকি নেই পাশ ফেইলের, ওটা আমার বিনোদনের জায়গা। একটু ভাবুন পাঠ্যসূচি ভূক্ত এইসব পড়া কেন আমরা ধারণ করতে পারছি না, কারন ভয় আছে, শাস্তি আছে, পাশ-ফেইল আছে। বিশ্বাস করুন শুধু মাত্র শিক্ষার্থীদের উপর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবারের মানসিক চাপটা সরিয়ে দেয়া যায়, যদি শিক্ষাকে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তবে দেশে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বাড়বে।

ছেলেশিশুরা যৌন নির্যাতন থেকে নিরাপদ?


বাংলাদেশ তথা ভারতবর্ষে নিরবে যে অপরাধটি নিবির্ঘ্নে চলছে, যা নিয়ে কখনো কোনো উচ্চবাক্য বিনিময় হয়না তা হলো ছেলে ধর্ষণ। প্রতিদিন হচ্ছে, কেউ বা মানসিক ভাবে ট্রমাটিক হয়ে যাচ্ছে, কেউ হয়ে যাচ্ছে হোমোফোবিক, কেউবা হোমোসেক্সুয়াল, আবার কেউ বা আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটাচ্ছে, কিন্তু পরিবার গুলো এইধরনের ঘটনার রেশ ধরে ঘটা আত্মহত্যার ঘটনাগুলোকে সামনেই আসতে দেয় না। কারন সমাজে উঁচু মাথায় বাঁচতে হবে, পোষাকী সমাজে নিজের পোষাকটি উজ্জ্বল রাখতে হবে। অনেক বাচ্চা ছেলে তার পরিবারের কাছে যখন শেয়ার করে তার এমন অভিজ্ঞতার কথা, পরিবার তখন বাচ্চাটিকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেয়, কেউই সহজে মানতে প্রস্তুত নয় ছেলে শিশুটিও ধর্ষনের শিকার হচ্ছে, বা অন্য যেকোনো ভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

কোটা আন্দোলন সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর উষ্মা এবং জাফর ইকবালের চামচামী।


কোটা সংস্কার আন্দোলন ছাত্ররা করেছে নিজস্ব তাড়না থেকে, সেটাকে মিস্টার ইকবাল যথেষ্ট কম গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন বলে আখ্যা দিলেন। যার জন্য ঢাকার রাস্তাঘাট বন্ধ করা নিতান্তই অযৌক্তিক তার কাছে। কিন্তু এই যে গতমার্চেই ৭ই মার্চের ভাষণ উদ্‌যাপন, উন্নয়নশীল দেশের ভুয়া স্ট্যাটাস পাবার উদ্‌যাপনকে ঘিরে সমস্ত ঢাকা শহর যখন আওয়ামী লীগই বন্ধ করে দেয় কই তখন তো দেখলাম কোনো গার্মেন্টস কর্মী, রিক্সাচালক কিংবা এম্বুলেন্সের রোগী নিয়ে কথা বলতে? কখন বললেন? যখন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে একটা ঝাড়ি তাকে দিয়েছে। প্রায় প্রতি সপ্তাতেই ঢাকার কোনো না কোনো এলাকায় আওয়ামীলীগের কোনো না কোনো সমাবেশ চলতেই থাকে, এইতো গেলো ৩১মার্চ সম্পূর্ন মিরপুর বন্ধ করে দিয়ে তারা দূর্নীতি বিরোধী সমাবেশ করলো, তখন তো মিস্টার ইকবাল লিখলো না আহারে, একটা ছেলেমেয়ে যদি পরীক্ষা দিতে যেতে দেরি হয়?

এমন এক্টিভিজম চাই না।


বাংলাদেশের ট্যাবু রিলেটেড যেসব বিষয় আছে সেই সব বিষয়ে সামাজিক সচতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যারা এক্টিভিজমের সাথে জড়িত তাদের অধিকাংশের মধ্যে প্রচন্ড পরিমানে "ব্যক্তিত্বহীনতার" উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

কোনো মুভমেন্ট নতুন করে শুরু করলে সর্বপ্রথম বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে, প্রচলিত, সমাজব্যবস্থা ও ধর্ম, সেটাই খুউব স্বাভাবিক। কিন্তু সেই বাঁধার মুখে যদি কেউ নতি স্বীকার করে, বা নেতিয়ে যায়, তাইলে আর মুভমেন্ট বা এক্টিভিজমের মতো বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত হবার কি দরকার ছিলো? যারা এমন নেতিয়ে যায়, তারা কি ভাবে, সমাজের বা ধর্মে প্রচলিত একটা ভুল কনসেপ্টকে তিনি তার একটা কাজ বা বক্তব্য দ্বারা সংশোধন করে ফেলবেন?

এদের মতো এক্টিভিস্টদের কারনে মুভমেন্ট গুলো মুখথুবড়ে পড়ে, এবং দাবী আদায়ে কোনো উন্নতি আসেই না, বরং তাদের এই নতি স্বীকার করা, দেখে অন্য এক্টিভিস্টরা নিরুৎসাহিত হয়, এবং ট্যাবু সম্পর্কিত মুভমেন্ট গুলো আরো অন্ধকারে চাপাপড়ে।

সার্বভৌমত্ব, কোটা, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ।


এই ৫৬ ভাগ কোটার সংস্কৃতি শুধু মাত্র ভোটের রাজনীতিকে, সন্ত্র্রাসের রাজনীতিকে, উগ্রবাদের রাজনীতিকে জিয়ে রাখার একটা প্রক্রিয়া মাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এইটুকু বোঝার মতো আক্কেল জ্ঞান অন্তত আমাদের আছে। কোটার দোহাই দিয়ে মেধাধারী প্রতি ১০০ জনের মধ্যে যে ৫৬জনকে বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে তারা কিন্তু জানে, এবং বোঝে আপনার এই ধাপ্পাবাজির বক্তব্যের সারর্মম, তাই এই ক্ষ্যান্ত দেন। নির্বাচন আপনি আপনার মতো করবেন আমরা জানি এবং মানি। দ্যাশটা আপনার বাপের এটাও আমরা মানি। এখানে যদি আপনি ৪০% ছাত্রলীগ কোটা ও চালু করেন নপুংশক এই জাতির সাহস নাই আপনারে কিছু বলার। সর্বোচ্চ এটা করতে পারি যে সবাই মিলে দলে দলে ছাত্রলীগে যোগ দিতে পারি।

বৈচিত্রময় যৌন পরিচয়ের মানুষগুলোর মুক্তিযুদ্ধ।


প্রায় বছর বছর চারেক আগে “রূপবান” নামক একটা ম্যাগাজিন বৈচিত্রময় যৌন আকাঙ্খার মানুষগুলোর থাকার প্রমান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলো। যাত্রার দ্বিতীয় বছরেই সেই ম্যাগাজিনের সম্পাদকে কুপিয়ে মারা হয়েছিলো। কিন্তু রূপবানএকটা কাজ করেছে তা হলো বাংলাদেশে "তারা আছে" এটা ব্যাপক আকারে জানিয়ে গেছে। জুলহাস মান্নান হয়তো দুইবছরে অতটা সাড়া ফেলতে পারে নি, কিন্তু তার মৃত্যু মেইনস্ট্রিম মিডিয়া থেকে শুরু করে সব শ্রেণীর মানুষে কাছে একটা মেসেইজ দিয়ে ছিলো “তারা আছে”। কিন্তু আহা, মুক্তিযুদ্ধের সাথে যদি কোনো বৈচিত্রময় যৌন আকাঙ্খার মানুষ থেকে থাকে, এবং তারা যদি স্বাধীনতা পরবর্তীতে, স্বপরিচয়ে নিজের পরিচয় তুলে ধরে বলতেন হ্যা আমি একজন বৈচিত্রময় যৌন আকাঙ্খার মানুষ এবং আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা।

অদিতি বৈরাগী নারী দ্বারা মলেস্টেসনের শিকার। (কাজী মাহিনের জবাবের প্রতিউত্তর)


এবার পাঠক ও ব্লগারদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলি, এই কাজী মাহিন তার সেই পোষ্টে সরাসরি প্রশ্ন করে লিখেছেন অদিতি নাকি ফলোয়ার বাড়ানোর ধান্ধায় এবং ছাত্রলীগের ছেলেদের একহাত নেবার সহজ তরিকা হিসেবে ওই মলেস্টিং-এর পোষ্ট দিয়েছিলো।

আমার কথা হলো, কাজী মাহিন যদি সত্যি ঘটনার সত্যতা নিয়ে চিন্তিত থাকতেন তবে তিনি তার পোষ্টে “মুজিবসেনা” , “ছাত্রলীগ” , “ফলোয়ার বাড়ানোর ধান্ধা” এই সব শব্দ কেন ব্যবহার করেছেন। বিরক্ত, উত্যক্ত বা উপদ্রব তো তিনি স্পষ্টত করেছেন তার পোষ্টে এইধরনের শব্দ ব্যবহার করে। একজন নির্যাতিতাকে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ, উকিল জেরা করাতে পারে, কাজী মাহিন কে এমন প্রশ্ন তোলার? ধরে নিচ্ছি অদিতি ওই পোষ্ট পাবলিকলি করে, কাজী মাহিন সহ সবাইকে জেরা করার পরোক্ষ অধিকার প্রদান করেছে। তাহলে সেই সূত্রে কাজী মাহিনের পোষ্টের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেয়ার অধিকারও আমার আছে। আমি তো কাজী মাহিনের মতো একটা নির্যাতিতা মেয়েকে বলিনি কোনো রাজনৈতিক দলকে হেয় করার উদ্দেশ্যে এমন কাজ সে করেছে। বরং কাজী মাহিন তার পোষ্টের সার্বিক ভাষায় স্পষ্টত দাবী করেছেন ওই মেয়ে “ফলোয়ার বাড়ানোর ধান্ধায়, ছাত্রলীগের ছেলেদেরকে একহাত নেয়ার সহজ তরিকা” হিসেবে ওই পোষ্ট করেছে। এখন পাঠক আপনারাই বলুন যা অদিতি বলেনি, তা অদিতির বয়ান বলে তাকে এমন প্রশ্ন করাকে কি বিব্রত করা বলে না? বিরক্ত করা বলে না? উত্যক্ত করা বলে না? উপদ্রব করা বলে না?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

নগরবালক
নগরবালক এর ছবি
Offline
Last seen: 4 ঘন্টা 20 min ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - 11:50পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর