নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

বাপ্পার কাব্য এর ব্লগ

বিবেক


প্রতিটি মানুষের ভেতরেই একটা শূন্যতা কাজ করে, মানুষকে অস্থির করে তোলে, হৃদয়ে সৃষ্টি করে অপূর্ণতার এক অনুভূতি। প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ উপায়ে চেষ্টা করে অপূর্নতার এ অনুভূতিতে চেপে রাখতে এবং একটা সময় পর্যন্ত আমরা সফলও হই। আমাদের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততা, হাসি-আড্ডা, ভোগ-বিলাস, পারিবারিক সুখ-দুঃখের স্রোতের নিচে চাপা পড়ে যায় এ শূন্যতা। তবুও একেবারে দূর হয় না। একাকী মুহুর্তগুলোতে থেকে থেকে ঐ অনুভুতি মাথা চাড়া দেয়।

মোবাইল


মোবাইল যে মানুষের জীবনের কতগুলো মূল্যবান সময় নিয়ে নেয় তা বোঝার ক্ষমতাও দিন দিন হারিয়ে ফেলছি। এক সময় ছিলো যখন সারাদিনের পরিশ্রম শেষে মানুষের রিল্যাক্স করার মাধ্যম ছিলো পরিবার। বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানের সাথে সময় কাটিয়েই মানুষ সারাদিনের কষ্ট ভুলে যেত। পরিবারের মধ্যেই শান্তি খুঁজে পেত।

এখন মানুষ সারাদিনের পরিশ্রমের পর মোবাইল নিয়ে শুয়ে বসে রিল্যাক্স করে। ফেসবুকিং, ইউটিউব বা গেম। এখন মানুষের মনে শান্তি দেয়!!

ফেসবুকের শক্তি


ফেসবুকের শক্তি সম্পর্কে নিশ্চয়ই কারো কোনো সন্দেহ নেই। সামাজিক যোগাযোগের শক্তিশালীতম মাধ্যম জুকারবার্গের এই ফেসবুক। সত্যাসত্য যাচাই না করে ফেসবুকের নানা জায়গায় আমরা লাইক দিয়ে, শেয়ার করে নানা ধরণের বিপদ ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছি প্রতিদিন। আপনার দেওয়া ভুয়া খবরের একটি শেয়ার গোটা একটা সম্প্রদায়কে বিপন্ন করতে পারে, অস্থিতিশীল করে ফেলতে পারে পুরো একটি রাষ্ট্রকে। কে কই লাইক দিলেন, কে কী শেয়ার করলেন; এর উপর নির্ভর করে একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব এবং ক্ষেত্র বিশেষে একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাও। ফেসবুক ব্যবহারের সময় কমন সেন্স খাটিয়ে নিচের এই গোল্ডেন রুলগুলো মেনে চললে সেইসব বিপদ অনে

আমাদের দেশের বিশাল একটা জনগোষ্ঠি ডিপ্রেশনে ভুগছে।


আজ অব্দি এতবড় লিখা লিখেছি বলে আমার জানা নেই তবে আজ লিখলাম। হয়তো এটা কারও ভালোও লাগতে পারে আবার কারও বা নাও লাগতে পারে তবুও বলবো একটু পড়ার জন্য। আমি তাদের অনেকের সাথে কথা বলেছি। নিজেকে ডিপ্রেশন বিশারদ টাইপ কিছু মনে করি না, কিন্তু আমার মনে হয়েছে, তারা যদি কারো কাছে নিজেদের কথাগুলো বলে হালকা হতে পারে, এতোটুকু তো আমি করতেই পারি। সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটা নিয়ে মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগছে – সেটা বেকারত্ব। বিডি জবসে লক্ষ লক্ষ সিভি, চোখের সামনে লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার।

সুইসাইড


বছর খানেক আগে ব্লগে একজনকে পোষ্ট করতে দেখলাম ''সুইসাইড করতে চাই। পটাসিয়াম সায়ানাইড কোথায় পাওয়া যায় তা কি কেউ জানেন?''

সেই পোষ্টের কিছু কমেন্ট ছিল এরকম...

বিজয় দিবস


আবারো বছর ঘুরে এলো বিজয় দিবস। ছোট বেলায় দেখতাম, পাড়ার মোড়ে দোকানে ছোট ছোট পতাকা ঝুলছে। মাইকে বাজছে বিজয়ের গান। বড় ভাইয়েরা দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছে আর আমরা এক কোনায় দাড়িয়ে শুনছি তারা কি বলে। সিঙ্গারা সমুচা পাওয়া যাবে-দাড়িয়ে থাকার সেটাও একটি উদ্দেশ্য ছিলো।
আজ বড় হয়ে গেছি। এখনও বছর ঘুরে ঘুরে আসে বিজয় দিবস। ৩৬৪ দিন পর আবার এসেছে ১৬ ডিসেম্বর। আবারো রাত ১২ টায় প্রধানমন্ত্রী আর রাষ্ট্রপতি পুষ্প অর্পণ করবেন স্মৃতিশৌধে আবারও শীতের সকালে কম্বলের নীচ থেকে বের হতে চাইবে না শরীর।

বিশ্বাস


গাছের ডালে বসে থাকা একটা পাখি,
কখনওই ডাল ভেঙ্গে পড়ার ভয় পায় না!
কারন তার বিশ্বাসটা ঐ গাছের উপর থাকে না,
থাকে তার নিজের ডানার উপর!
নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন, স্রষ্টা কাউকেই সাধারণ
করে বানাননি!

ভার্চুয়াল চিঠি-১


ভাবছি ভার্চুয়াল চিঠিটা তোর কাছে আর লিখবো না কিন্তু কি আর করা, না লিখলে তোকে আবার কথাগুলো না বলাই থেকে যাবে, তাই আর কোন চিন্তা না করেই লিখতে বসে গেলাম...

নিঃসঙ্গ পথিক


যদি বলি ভুলের শহরের আমি এক নিঃসঙ্গ পথিক তবে কিঞ্চিৎ ভুল হবে না জানি; সমুদ্রের নোনাজলে নোনতা তাহার ব্রহ্মাণ্ড কখনো ভুলের শহরে ভূলুণ্ঠিত কিছু আশা, কিছু বিরাগী ইচ্ছে, হাতে নিয়ে দাড়িয়ে থাকি, হয়ে একটি মৃত বৃক্ষের কাণ্ড।
মাঝে মাঝে হতাশার পঙ্কিল বায়ুতে ছুঁয়ে যায় পরাণ আহুত ধ্বনি বারংবার বাজে, এই পথিকের কণ্ঠে ।
মায়ার মায়ায় সেই শহরের আকাশ কখনো হয় ভারী আকাশ আকাশেতে উত্তাল হয়ে, নিজ আঙ্গিকেই দেয় আড়ি।
ভুলের শহরের মহান দানব, ভুলেই ভুলেতে থাকি
এতটুকু ক্ষুধা উৎসর্গ করি, মাতালের আর কি বাকী?

স্যাক্রিফাইস


"নিজের ফ্যামিলি বাদে দুনিয়ায় আর কারো জন্য স্যাক্রিফাইস করতে নাই, যাকে খুশি করার জন্য প্রচন্ড কষ্ট সহ্য করে স্যাক্রিফাইস করবা, একদিন সে তোমাকে উল্টো আরো বাজে রকমের কষ্ট দিয়ে বুঝিয়ে দিবে, তুমি আসলে ভীষণ বোকা একটা মানুষ!!
বোকা মানুষগুলো রাগ করতে পারে না, প্রচন্ড রাগ উঠলেও কিভাবে জানি তার সবটুকু রাগ একবারে কষ্টে পরিণত হয়, বুকের ভেতরের অতটুক জায়গায় অমন বিশাল কষ্ট রাখা যায় না, বুকটা ভারী হয়ে আসে!!
খুব বেশি পরিমাণ কষ্ট সহ্য করতে তবুও বোকা মানুষগুলার সমস্যা হয় না, সবই অভ্যাসের বিষয়, একদিন দুইদিন খুব বেশি খারাপ লাগে, তারপর অতটা আর গায়ে লাগে না!!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

বাপ্পার কাব্য
বাপ্পার কাব্য এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 4 দিন ago
Joined: সোমবার, নভেম্বর 13, 2017 - 4:27অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর