নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • নগরবালক
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

বিশ্ব চাকমা এর ব্লগ

পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের মধ্য ভ্রাতৃঘাটি যুদ্ধ চলছে , না সামরিক শাসনের পরিকল্পনার অংশের নাম "অপারেশন সার্চলাইট"চলছে !


স্বাধীনতার যুদ্ধের শুরুর সময় ২৫শে মার্চের পর 'টিক্কা' খানের নামটি বাঙালিদের মনে ভয়ের সৃষ্টি করে। টিক্কা খান ছিলেন "অপারেশন সার্চলাইটের" প্রধান পরিচালক, একই সঙ্গে তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর এবং সামরিক আইন প্রশাসক। লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান ছিলেন খুব শক্ত মেজাজের মানুষ। ২৫শে মার্চ রাত্রের সেই যে গোপন পরিকল্পনা,একই সঙ্গে বাঙালী সৈনিক ,পুলিশ ও সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বন্ধী করা,বিশ্ববিদ্যালয় ও সংবাদপত্র অফিসে আক্রমণ ,শেখ মুজিবকে আটক ও প্রতিটি শহরে ভীতির অবস্থা সৃষ্টি করা, এই পরিকল্পনার সামরিক নাম হচ্ছে "অপারেশন সার্চলাইট"।

ধর্ষণের জন্য পোশাক দায়ী নয়, দায়ী মানুষের মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি।


এ মাসে ১১ তারিখ থেকে চ্যানেল টুয়েন্টিফোরে 'জাগো বাংলাদেশ' নামে একটি অনুষ্ঠান প্রচার হয়েছে। সপ্তাহে প্রতি রবিবারে সাড়ে আটটায় দেখানো হয় অনুষ্ঠানটি। এই অনুষ্ঠানটি ভারতের "সত্যমেভ জয়তু" থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশে প্রচারিত হচ্ছে।ভারতের 'সত্যমেভ জয়তে' অনুষ্ঠানে উপস্থাপক আমির খান, আর 'জাগো বাংলাদেশে' মোশারফ করিম।

'মানবতার মা' হয়ে উঠেছে বিশ্বের নিকৃষ্ট স্বৈরশাসকের তালিকায় প্রথম ।


আজ থেকে ১৮ বছরের আগে কথা ,আমরা সবেমাত্র অষ্টম শ্রেণীতে পড়তাম। ক্লাসে একদিন আমাদের স্যার জিজ্ঞেস করলেন,কোন বিষয়ের স্যার ছিলেন মনে করতে পারছি না । স্যার জিজ্ঞেস করলেন আমাদের এক সহপাঠীকে - পৃথিবীতে একজন বিখ্যাত মানুষের নাম বলুন !
সহপাঠী চট করে বলে ফেললেন-স্যার , হিটলার।
স্যারের চোখ কপালে উঠে গিয়ে বললেন , আরে হিটলার ছিলেন পৃথিবীর কুখ্যাত মানুষ, আমি জিজ্ঞেস করেছি বিখ্যাত মানুষের নাম !
আমরা সবাই ক্লাসে হো হো করে হেসে উঠলাম ।

পাহড়ে শান্তি স্থাপনের নাম করে কারা অশান্তি সৃষ্টি করে যাচ্ছে ।



এদেশের গর্বিত সেনাবাহিনীদের অপর নাম জলপাই রঙের রাষ্ট্রীয় ধর্ষক এবং কালো চকচকে বুটধারী সন্ত্রাসী। এখন প্রশ্ন হতে পারে, কয়েকজন সেনাবাহিনী ধর্ষণ করেছে ,এর দায় কি সমগ্র সেনাবাহিনীদের ওপরে চেপে দেওয়া যায় ?

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অবনতি; এর দায় কার !


মানুষের প্রতিটি পেশা মহৎ হয়ে উঠে যখন সে পেশাকে সততাভাবে পালন করে থাকে। অসততাভাবে পালন করলে মহৎ পেশাও খারাপ পেশায় পরিণত হয়। হাজারো পেশার মধ্য একটি পেশা বিশ্বজনীনভাবে স্বীকৃত মহৎ পেশা হিসেবে,পেশাটি হচ্ছে- শিক্ষকতা। সময়ের স্রোতে এই পেশাকেও ব্যবসায়িক পেশায় রূপ দেয়া হয়েছে।শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, এই ভাবসম্প্রসারণটি কতবার যে পড়তে এবং লিখতে হয়েছে আমাদের স্কুলের জীবনে তা প্রতিটি ছাত্রছাত্রীরা জানে।

কারোর জন্য বুক, কারোর জন্য পিঠ ; জাতীয় ক্রিকেট দলের বিমাতার আচরণ।


লেখাটার শুরুতেই বলে দিচ্ছি,যারা খেলার সাথে রাজনীতি মেশানো উচিত নয় মতাদর্শে আদর্শিত এই লেখাটি থেকে দূরে থাকুন, অনেক দূরে। আমি প্রতিটি খেলার মাঝে রাজনীতির গন্ধ পাই, তাই আপনাদের গভীরে গিয়ে পড়ার দরকার নেই এই লেখাটি। আমার এই লেখাটি রাজনীতি এবং খেলার মিশ্রিত একটি লেখা, ক্ষোভও ধরে নিতে পারেন, কারণ আমি এখনও ভুলিনি গতবছরের ১৫ই জুনের দিনটি, ভুলিনি আজও পাহাড়ে সেই জুন মাসের ভয়াভহ ভূমিধ্বসের হারিয়ে যাওয়া ১৫০ জনের অধিক তাজা প্রাণ।

পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের জোয়ারে পিষ্ট হচ্ছে পাহাড়ের আদিবাসীরা;এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ আগ্রাসী হয়ে উঠেছে ফ্যাসিবাদের ন্যায়।


(১) বাংলাদেশের সেনাবাহিনীদের পক্ষে সাফাই গাওয়ারা যুক্তি দেখায় পার্বত্য অঞ্চলে প্রযুক্তির আলো দেখিয়েছে সেনাবাহিনীরা ,শিক্ষার জায়গা প্রশস্ত করে দিয়েছে ,রাস্তাঘাট তৈরি করে দিয়েছে যোগাযোগের সুবিধার্থে ইত্যাদি ইত্যাদি। সরকার বিভিন্ন কোটার সুবিধা দিচ্ছে পাহাড়িদের,তারপরেও পাহাড়িরা অসন্তুষ্ট। এবিষয়ে আলোচনার আগে বলে রাখি- বাঙালি জাতীয়তাবাদ খুব ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করছে, সংখ্যাগরিস্টতা জোরে আগ্রাসী হয়ে উঠছে । এমন আগ্রাসী হয়ে উঠেছে এদেশে যে অন্য জাতিসত্তার বাস আছে সে বাস্তবতাটা ভুলে যাচ্ছে,এবং ভুলে যায় ব'লে সংখ্যালঘুদের তাঁদের সমান মর্যাদায় এবং সমান অধিকারে অন্তর্ভুক্ত করতে চায় না। সংখ্যাগর

নিঝুম মজুমদারের উগ্র জাতীয়ত্তাবাদ ও সেনাবাহিনীদের গুণগান।


প্রথমে বলে রাখি নিঝুম মঝুমদার একজন ধুর্ত ব্যক্তি ,এবং উগ্র জাতীয়তাবাদী বাঙালি সাম্প্রদায়িক মানুষ। উনাকে বারে বারে বলা হচ্ছে যে কমেন্ট অপশন সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেবার জন্য,জবাবে বলেছেন- কে নাকি পর্ণ মুভি সাইট কমেন্টে দিয়ে দিয়েছেন। সেই থেকে উনি আর সবার জন্য উন্মুক্ত রাখেন না ,হাস্যকর একটা যুক্তি দেখালেন। এতবড়ো একটা ঘটনাকে মিথ্যা বানোয়াট বলে প্রচারে নেমেছেন,কিন্তু কাউকে কথা বলার সুযোগ দিবেন না !

প্রসঙ্গ : নিঝুম মঝুমদার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা।


নিঝুম মঝুমদার নামে ভদ্র লোকটা লন্ডনে বসে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা নিয়ে ফাঁকা মাঠে একের পর এক গোল দিয়ে যাচ্ছেন , ফাঁকা মাঠ বলছি এজন্য যে,উনার পোস্টের কমেন্ট অপশন উন্মুক্ত না রেখে একের পর এক পোস্ট প্রসব করে যাচ্ছেন।কমেন্ট অপশন সবার জন্য উন্মুক্ত না করে পাহাড়ি জনগোষ্টীর ওপর সন্ত্রাসী, রাজাকার,বিচ্ছিন্তাবাদী বিভিন্ন বিভ্রান্তিমূলকের ট্যাগ লাগিয়ে দিয়ে বাঙালি জাতীয়ত্ববাদকে উস্কে দেওয়া কতটুকু সততার মধ্য পড়ে তা নিঝুম সাহেব বুঝবেন নিশ্চয়।আমার চাবানোর দাঁত আর খাওয়ার দাঁত আলাদা না ,তাই আমি স্পষ্ট করে বলছি- পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৌতিক সমস্যা নিয়ে নিঝুম মঝুমদারের প্রতিটি লেখায় অসততা আছে

বোর্ডিং কার্ড

বিশ্ব চাকমা
বিশ্ব চাকমা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 2 দিন ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 1, 2017 - 6:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর