নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নরসুন্দর মানুষ
  • রাহুল মল্ল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

রহমান বর্ণিল এর ব্লগ

অচিন পাখি


সে দিন প্রত্যুশে একটা অচেনা পাখির ডাকে আমার ঘুম ভাংলো। শোবার ঘরের সাথে লাগোয়া বারান্দা। বারান্দার এক কোনে টবে লাগানো একটা নাইট কুইন, গোটা দুই গোলাপ, কয়েকটা বেলি সাথে একটা রজনীগন্ধার ঝোঁপ। পাখির ডাকটা সেখান থেকেই আসছে। বিচানার পাশে জানালার শার্টারটা খুলে দিলাম। কিন্তু পাখিটিকে দেখা গেলো না। ঘুম জড়ানো চোখে টলতে টলতে বারান্দায় এসেও পাখিটিকে আর খুঁজে পাইনি। বারান্দায় দাঁড়িয়ে সন্মুখে শুন্য সু-বিশাল নীলাকাশটিই কেবল চেখে পড়লো।

রুপকথার এক বুড়ির গল্প!


ভোলাহাটের নাম শুনার বা শুনেও মনে রাখার কোন কারণ নেই, অন্তত এই রাজনীতিক দ্বিধাবিভক্ত বাংলাদেশে তো কোনভাবেই নেই। জাতির মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাস পর্যন্ত যে দেশে রাজনীতিক পক্ষপাত মুক্ত নয়, সে দেশে সত্য ইতিহাস মহাকালের আবর্তে বিলীন হবে এ তো জানা কথা। এদেশে পাকিস্তানের দোসর রাজাকার, হিংস্র হায়েনারা মুক্তিযুদ্ধের সনদ বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধ হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস এবং বহু ঘটনাবলী সমৃদ্ধ জায়গার নাম ইতিহাসে আসার সুযোগ তৈরী হয়নি। ইতিহাস মনে রাখেনি জীবনবাজি রেখে মুক্তিবাহিনীদের সাহায্য করা অনেক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক মানুষের নাম। কালের ধুলিতে চাপা পরে গেছে কত বীরত্মগাঁথা, কত ত্য

রক্তগঙ্গার ওপার থেকে


ঘন জারুলের ঝোপ, আম, কাঁঠাল আর বাতাবি লেবুর ছায়াচ্চাদিত মফস্বলের একটি দো'তলা বাড়িটিতে ঋদ্ধিদের গত পঞ্চাশ বছরের বসতি। ঋদ্ধির জন্মের বছর খানেক আগে তার বাবা বানিয়েছিলেন এই বাড়িটি। ঋদ্ধিদের এই বাড়িটা পশ্চিমমুখী। বাড়ির পুর্ব পাশ দিয়েই চলে গেছে রেল লাইন। রোজ বিকেলে একটা ট্রেন ভেঁপু বাজিয়ে দুর দিগন্তের দিকে ছুটে যায়। ঋদ্ধি বাড়ির একেবারে পেছনের বারান্দায় এসে প্রতিদিন বিকেলে অপেক্ষা করে দিগন্তগামী সেই ট্রেনটির জন্য। কিন্তু প্রতিবারই সেই ট্রেনটি ঋদ্ধির বুকের ভেতর জমানো সব আশা, চোখের কোনে আশ্রয় নেয়া সব স্বপ্ন ছিড়েকুড়ে নিয়ে দিগন্তে মিলিয়ে যায়।

কজ, দ্যা ওয়ার্ল্ড ইজ অনলি ফর ফিটেস্ট এন্ড ফাইটারস!


মেধা! প্রতিটি মানুষের মধ্যে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। জীবন চলার পথে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষ তার মেধার বিকাশ ঘটায় বিভিন্ন উপায়ে। কেউ পরীক্ষায় নম্বর তোলায় মেধাবী, কেউ শিল্প সাহিত্যে মেধাবী, কেউ ক্রীড়া নৈপূন্যে, কেউ সংগিত চর্চায়, কেউ আবৃতি শিল্পে, কেউ সাংগঠনিক কাজে, কেউ রাজনীতিতে। মেধা বিকাশের এত এত উপায়ের মধ্যে সব থেকে কম উপযোগিতাপূর্ণ উপায় হচ্ছে পরীক্ষায় অধিক নম্বর তোলা। বস্তুত এটা কোন মেধা নয়, এটা একরকম কৌশল। এই কৌশল রপ্ত করতে না পেরে অনেক মেধাবীকে 'খারাপ ছাত্র' তকমা নিয়ে ঘুরতে হয়।

প্রতিটি ধর্মে স্বর্গের পাশাপাশি নরকের অস্তিত্তই প্রমাণ করে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও তাঁর হুকুমমতের উল্টো মতাদর্শের মানুষ থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন।


একই মাতৃ জঠরে জন্ম নেয়া দুই সহোদর ভাইয়ের মধ্যেও মতাদর্শগত পার্থক্য থাকতে পারে। একই মাতৃস্তন্যে লালিত, একই পিতার ঔরষে জন্ম, সেই একই জল-হাওয়ায় আশৈশব বেড়ে উঠা। একই পারিবারিক অনুশাষনে যাপিত জীবন, অথচ চিন্তায়-চেতনায়, আদর্শে, মতাদর্শে বহু যোজন দুরত্ব। একজন প্রথাগত সংস্কারাবদ্ধ, ধর্মীয় অনুশাষনে অত্যন্ত কনজার্বেটিভ অন্যজজন যুক্তি শাস্ত্রের ধারক। সংস্কার, ধর্ম, সামাজিক রীতিনীতি সর্বক্ষেত্রে যুক্তির প্রাধান্যে বিশ্বাসী। এর থেকে এটাই প্রতীয়মান যে, প্রতিটি মানুষই সাতন্ত্র সংস্কার দ্বারা গঠিত।

মানবতা নয়, পাকিস্তান ভোট দিয়েছে ধর্মের বিবেচনায়।


রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত বাংলাদেশকে ভোট দেয়নি, কিন্তু পাকিস্তান দিয়েছে এই খুশিতে যে সকল ইমানদার পাক-প্রেমিক ভাইয়েরা বগল বাজাতে শুরু করেছেন, তারা শুনুন, রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে ভুল ভাবে উপাস্থাপন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে। মিয়ানমার সামরিক বাহিনী কর্তৃক রাখাইন জনগোষ্ঠির উপর বর্বরোচিত নির্যাতনকে 'মানবতা'র সমস্যা না বলে উপস্থাপন করা হয়েছে 'ধর্মীয়' সমস্যা হিসেবে। যার কারণে রাখাইন মুসলিম জনগোষ্ঠির পক্ষে নিয়ে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মালদ্বীপ বাংলাদেশকে ভোট দিলেও, অমুসলিম মিয়ানমারের পক্ষ নিয়ে বাংলাদেশকে ভোট দেয়নি অমুসলিম দেশ নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা।

সেদিন মানুষের জন্য আমাদের প্রাণ কাঁদেনি, কেঁদেছিলো ধর্মের জন্য।


মিয়ানমারে উগ্র বার্মিবাদীদের হাতে যখন রাখাইনরা নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলো, তখন আমাদের দেশের মানুষের মানবতা অন্তত প্রথম বারের জন্য হলেও উঁকি দিয়েছিলো। আমরা যারা মানুষের জন্য মানুষের মন সিক্ত হওয়ার মতো জগৎশ্রেষ্ঠ সুন্দর দৃশ্যটি দেখার অপেক্ষায় ছিলাম, তারা খুশি হলাম এই ভেবে যে, যাক আমরা শেষ পর্যন্ত মানুষ হতে পারলাম! মানুষের জন্য কাঁদার মানসিকতার মতো মনোহরবৃত্তি জগতে আর কিছু নেই। আমরা সেটা রপ্ত করে ফেলেছি!

প্রাগৈতিহাসিক সাম্প্রদায়িক মনোভাব, ধর্মঘেষা শিক্ষাব্যবস্থা এবং মধ্যপন্থি মেজরিটি সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রধান কারণ।


যে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাম্প্রদায়িক উস্কানিমুলক প্রশ্ন করা হয়, সেই দেশে একটা হিন্দুপল্লিতে মুসলমান কর্তৃক আগুন দেয়াকে বড় কোন অঘটন হিসেবে না ভাবলেও চলবে! অন্তত আমি ভাবি না। রংপুরের সংখ্যালঘু নির্যাতনের মানসিকতা এ দেশের মুসলমানদর মধ্যে একদিনে তৈরী হয়নি। বহুকাল আগেই এই ধর্মীয় সন্ত্রাসের বীজ রোপিত হয়েছিলো এ দেশে।

বিশুদ্ধ চিত্তই প্রকৃত তীর্থ।


ধর্মের আনুসাঙ্গিক বিধানই কেবল মানুষ্য অন্তরকে শুদ্ধ করে না। ধর্মই যদি সিদ্ধি লাভের একমাত্র রাস্তা হতো তবে ভ্রক্ষান্ডে ধর্মের এতো বিভাজন, এত বিভেদ তৈরী হতো না। মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-প্যাগোডার নিরেট তক্তোপোসের উপর শুধু কপাল চাপরালেই, শুধু ফোটা কাটলে, স্নান করলে, পুঁথি পাঠ করলেই ধার্মিক হওয়া যায় না।

বিপ্লব ও সংহতি নয়, ইতিহাসের এক নির্লজ্জ অধ্যায়!


৭ই নভেম্বর কোন 'বিপ্লব ও সংহতি'র দিন নয়, ১৫ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে পাক-অনুচররা যে মিশন শুরু করেছিলো, তার ফিনিশিং টাচ! বাংলাদেশের ইতিহাসে বেইমানি আর ক্ষমতার জন্য নৃসংশ হত্যাকান্ডের এক নির্লজ্জ অধ্যায়! অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে ইতিহাসের এমন নৃসংশ হত্যাযোজ্ঞ আর মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক, দেশের পরীক্ষিত সূর্য্য সন্তানদের হত্যার এই মিশনকে বিএনপি প্রতিবছর উৎসবের মধ্য দিয়ে পালন করে! ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে এত সাক্ষ্য, প্রবীণ প্রত্যাক্ষদর্শী এত মানুষ এখন জীবিত অথচ ইতিহাসের তিনজন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ আরো অসংখ্যা স্বদেশী হত্যার এই দিনটিতে একটা রাজনৈতিক দলের কি নির্মম রসিকতা!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রহমান বর্ণিল
রহমান বর্ণিল এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 41 min ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 22, 2017 - 9:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর