নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • রক্স রাব্বি

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

রহমান বর্ণিল এর ব্লগ

প্রাগৈতিহাসিক সাম্প্রদায়িক মনোভাব, ধর্মঘেষা শিক্ষাব্যবস্থা এবং মধ্যপন্থি মেজরিটি সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রধান কারণ।


যে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাম্প্রদায়িক উস্কানিমুলক প্রশ্ন করা হয়, সেই দেশে একটা হিন্দুপল্লিতে মুসলমান কর্তৃক আগুন দেয়াকে বড় কোন অঘটন হিসেবে না ভাবলেও চলবে! অন্তত আমি ভাবি না। রংপুরের সংখ্যালঘু নির্যাতনের মানসিকতা এ দেশের মুসলমানদর মধ্যে একদিনে তৈরী হয়নি। বহুকাল আগেই এই ধর্মীয় সন্ত্রাসের বীজ রোপিত হয়েছিলো এ দেশে।

বিশুদ্ধ চিত্তই প্রকৃত তীর্থ।


ধর্মের আনুসাঙ্গিক বিধানই কেবল মানুষ্য অন্তরকে শুদ্ধ করে না। ধর্মই যদি সিদ্ধি লাভের একমাত্র রাস্তা হতো তবে ভ্রক্ষান্ডে ধর্মের এতো বিভাজন, এত বিভেদ তৈরী হতো না। মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-প্যাগোডার নিরেট তক্তোপোসের উপর শুধু কপাল চাপরালেই, শুধু ফোটা কাটলে, স্নান করলে, পুঁথি পাঠ করলেই ধার্মিক হওয়া যায় না।

বিপ্লব ও সংহতি নয়, ইতিহাসের এক নির্লজ্জ অধ্যায়!


৭ই নভেম্বর কোন 'বিপ্লব ও সংহতি'র দিন নয়, ১৫ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে পাক-অনুচররা যে মিশন শুরু করেছিলো, তার ফিনিশিং টাচ! বাংলাদেশের ইতিহাসে বেইমানি আর ক্ষমতার জন্য নৃসংশ হত্যাকান্ডের এক নির্লজ্জ অধ্যায়! অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে ইতিহাসের এমন নৃসংশ হত্যাযোজ্ঞ আর মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক, দেশের পরীক্ষিত সূর্য্য সন্তানদের হত্যার এই মিশনকে বিএনপি প্রতিবছর উৎসবের মধ্য দিয়ে পালন করে! ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে এত সাক্ষ্য, প্রবীণ প্রত্যাক্ষদর্শী এত মানুষ এখন জীবিত অথচ ইতিহাসের তিনজন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ আরো অসংখ্যা স্বদেশী হত্যার এই দিনটিতে একটা রাজনৈতিক দলের কি নির্মম রসিকতা!

একশো টাকা পেঁয়াজ


ভর দুপুরে চরবাজারে
জ্ঞান হারালো ভোলা,
গমগমিয়ে উঠলো হঠাৎ
সমস্ত হাটখোলা।

কি বা হলো কেমনে হলো?
উঠলো শোরগোল,
হাটের মানুষ ভীর জমালো
বাজলো যেন ঢোল।

মাছ বাজারের হরি এলো
গাছ বাজারের গৌরি,
সবজি হাটের সলিম-কলিম
চলে আসলে দৌড়ি।

কেউ বা বলে বাতাস কর
মাথায় ঢাল পানি,
কেউ বা বলে টিপে ধর
কড়ে আঙুলের কানি।

বাতাস দিলো, পানি দিলো
ফিরলো না তো হুঁস,
কেউ বা বলে খাওয়ায় দেখ
গেলাস ক্ষানিক জুস।

জুস খাওয়ালো, ঠুস খাওয়ালো
লাভ হলো না কোন,
একজন বললো ডাক্তার লাগবে
আমি বলছি শোন।

দারিদ্র্যের কাছে ধর্ম এক নিষ্ঠুর প্রহসন!


বেশ্যাবৃত্তি নি:স্বন্দেহে সীমা লঙ্ঘন। কিন্তু স্বামি পরিত্যেক্তা নিরুপায় যে মেয়েটি সন্তানের মুখে আহার তুলে দেয়ার জন্য পতিতাবৃত্তির এই ঘৃন্য পথটি বেচে নেয় ধর্মে তার জন্য আলাদা কোন বিধান আছে কি না আমার জানা নাই।

নারীদের অন্ত:পুরে থাকার জন্য ধর্মে সুস্পষ্ট নির্দেশ দেয়া আছে। পুরুষের সহচর্যে আসা সমগ্র নারী জাতের জন্য নিষেধ। কিন্তু বিকল বৃদ্ধ অসহায় বাবা, সয্যাশায়ী মা, পঙ্গু স্বামী অথবা অসহায় সন্তানের পেটের ভাত যোগাতে যে মেয়েটি পুরুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তায় ইট ভাঙা কিংবা সিমেন্ট ঢালাইয়ের কাজ করতে বাধ্য হয়, ধর্ম কি তার জন্য রোজ হাসরের অন্তিম বিচারের দিন একটু শিথিল হবে?

অবিকল মানুষের মতো একটা গন্ডার জাতি পাকিস্তান।


মানুষ এবং অনন্য কয়েক প্রজাতির প্রাণী সৃষ্টির পর সৃষ্টিকর্তা 'গন্ডার' সৃষ্টির দিকে মনোনিবেশ করলেন। এবং তিনি অসংখ্য 'গন্ডার' সৃষ্টি করলেন। এদের মধ্য থেকে একদল গন্ডার সৃষ্টিকর্তাকে জিজ্ঞেস করলো -আমাদের নাম কি? সৃষ্টিকর্তা বললেন- তোমরা 'গন্ডার'।
সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলো পুর্বে সৃষ্ট কিছু সুদর্শন এবং বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ। ওই গন্ডার গুলো সৃষ্টিকর্তাকে জিজ্ঞেস করলো- এদের নাম কি?
সৃষ্টিকর্তা জবাব দিলেন- এরা 'মানুষ' সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। এবার ওই গন্ডারের দল বিদ্রোহ করে বসলো। বললো- আমরা গন্ডার হয়ে পৃথিবীতে যাবো না, আমাদের মানুষ বানিয়ে দিতে হবে।

পথ আজ হঠাৎ এ কি পাগলামি করলে!


পথ আজ হঠাৎ এ কি পাগলামি করলে!

সেদিন রাঙামাটি থেকে ফিরছিলাম। টিকিটের নম্বর মিলিয়ে বাসের সিটে বসতে যাবো, দেখলাম সহযাত্রী ষোড়শী তরুনী। অত্যান্ত সুশ্রী। আমার সিটটা জানালার পাশেই ছিল। তরুনী উঠে জায়গা করে দিলে বসে পরলাম।

ঠাকুর ঘরের দেবতা কখনো মসজিদে ঢুকে আল্লাহর সাথে বিবাদে জড়ায় না।


অগ্রাহায়নের শেষ ভাগে এসে আমাদের গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে তখন উৎসবের আমেজ লেগে যেত। একদিকে সদ্য সমাপ্ত বর্ষা বিদায়ী হেমন্ত প্রকৃতির স্নিগ্ধতা, অন্যদিকে আগমনি শীতের প্রকৃতি জোড়া রিক্ততা আভাস, সব মিলিয়ে এক অপ্রার্থিব সৌন্দর্যের অবতারনা। গাছে গাছে সবুজের সম্মোহনী চেহারা, পত্রপল্লবে নবজীবনের উচ্ছাস। দিগন্তজোড়া পাকা ফসলের বিচানো জমিন, নিন্মে অপরুপ বাংলার চিরায়িত সোনালী মাঠ, ঊর্ধে ডানা মেলা বলাকায় শিল্পিত নীল আকাশ। ভোরের দোয়েলের ডাক, সাথে ময়না, শ্যমা, চড়ুই, শালিক সহ আরো হাজার প্রজাতির পক্ষির ডানা ঝাপটানোর কলতানে মুখর বনানী। ধর্মের প্রাচির ডিঙিয়ে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্যের সম্পর্ক এসব দেখেই কেটেছে আমা

রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিরন্নকে অন্ন ভিক্ষা করতে দেখেছি, পরাধীন দেশেও কাউকে কখনো দেখিনি স্বাধীনতা ভিক্ষা করতে।


১৯৭৪ এর দুর্ভিক্ষের সময় শেখ মুজিবের উপর ক্ষেপে গিয়ে কবি রফিক আজাদ লিখেছিলেন "ভাত দে হারামজাদা, নইলে মানচিত্র চিবিয়ে খাব" রফিক আজাদের 'ভাত দে হারামজাদা' কবিতাটিতে পৃথিবীর সব মুক্তির ঊর্ধে ক্ষুধা মুক্তির অবশ্যকতা ফুটে উঠেছিলো। এই কথাটির মর্মাথ- এক বাসন গরম ভাতের উপযোগিতা ক্ষুধার্তের কাছে একটা দেশের স্বাধীনতার চেয়ে বেশি। কিংবা এটা বলা যায় অর্থনৈতিক মুক্তি পরাধীনতার মুক্তি অপেক্ষা বেশি প্রয়োজন। কারন অর্থনৈতিক মুক্তি ব্যাতিত বিজয় চেতনা মুল্যহীন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাঙা থালা হাতে আমি মানুষকে অন্ন ভিক্ষা করতে দেখেছি, পরাধীন দেশেও কখনো কাউকে দেখিনি স্বাধীনতা ভিক্ষা করতে।

ধর্মান্ধতা কোন ধর্ম নয়, বিশ্বব্যাপী বিপন্ন মানবতার প্রধান কারণ


প্রাচীন মহা-ভারতে ধর্মের নামে নরবলির প্রথা প্রচলিত ছিলো। ভারত-বর্ষের হাজার বছরের আগের ইতিহাসে চোখ বুলালে জানতে পারা যায়, নরবলির প্রথা কেবল সনাতন ধর্মেই ছিলো না, ইসলাম ধর্মের নামে নানান ভন্ড পীর-মোর্শেদ, কথিত দরবেশ-আউলিয়াও এই নরবলিতে প্রোরোচিত করতো। আজো উপমহাদেশের নানান জায়গায় নরবলির মতো এই জঘন্য প্রথার বিচ্চিন্ন ঘটনা শুনতে পাওয়া যায়!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রহমান বর্ণিল
রহমান বর্ণিল এর ছবি
Offline
Last seen: 5 দিন 11 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 22, 2017 - 9:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর