নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

রহমান বর্ণিল এর ব্লগ

সফিউল আলম প্রধান'রা এখনো আছে ছাত্রলীগে।


অনুপ্রবেশাতংকে আওয়ামীলীগ নিজ দলের ভিতরে অণুবীক্ষণ যন্ত্র লাগিয়ে বসে আছে, কিন্তু তারা জানছেই না প্রদীপের নিচেরটা অন্ধকার করে দলের ভিতরেই নিয়তই তৈরী হচ্ছে সফিউল আলম প্রধান'রা! বড্ড ভুলো মন এই আওয়ামীলীগ দলটার! যেই দলে অসংখ্য নব্য সফিউল আলম প্রধান রয়েছে, সেই দলে শিবিরের অনুপ্রবেশ আর কতটাই বা ক্ষতি করতে পারে! কতই বা তাদের ক্ষমতা!

সফর আলী


সফর আলী মস্ত মানুষ,
মস্ত প্রেমিক দেশের,
মস্ত তাহার বুদ্ধি বিবেক
নাগাল বিহীন শেষের।

দরিদ্র এই জাতির তরে
ভাবেন অহর্নিশী,
দুখির দুখে কাঁদেন তিনি
সুখির সুখে খুশি।

আহার নিদ্রা ছেড়ে সফর
ভাবতে যখন বসেন,
কেমন করে মুক্তি মিলবে
সে হিসেবটাও কষেন।

এক বরষায়


এবারের বর্ষাটা একটু যেন আগে আগেই চলে এসেছে। চৈত্র শেষ হলো মাত্র ক'দিন আগে। সে হিসেবে এখন মধ্য বৈশাখের বেশি হওয়ার কথা নয়। মানুষ প্রকৃতির সাথে জোড় জবরদস্তি করে, তাই প্রকৃতিও মানুষের সাথে হেঁয়ালি করে। সাধারনত আষাঢ়-শ্রাবণ বর্ষাকাল হলেও আমাদের দেশে এখন বর্ষা আসে ভাদ্র-আশ্বিনে। কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম। এই মধ্য বৈশাখে প্রতিদিন নিয়ম করে দু'বেলা তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে। সাথে প্রবল ঝরো হওয়া। গত কয়েক দিন ধরে এই নিয়ম জারি আছে। মাঝে মাঝে ঘন্টা খানেকের বিরতি দিয়ে আবার শুরু হয়। কিন্তু গতরাত থেকে অবিরাম বারিপ্রবাহ। আমার ঘরটি বাসার একেবারে দক্ষিনে। বিচানার পাশে একটা জানালা। আমি রোজ রাতে বিচানায় শুয়ে খোলা জানাল

ভালোবেসে বাঁধা ঘরে এ কেমন বিচ্ছেদের সুর!


ঢাকা (উত্তর) সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির তথা বিশ-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে তাবিথ আওয়ালের দৌড়-ঝাঁপ শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। ২০১৫ মেয়র নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী আনিসুল হকের সাথে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তাবিথ আওয়াল নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করতে পেরেছিলো। মাঝ পথে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার আগ পর্যন্ত তাবিথ আওয়াল সে বার তিন লক্ষ পঁচিশ হাজার ভোট পেয়েছিলো। যেখানে বিজয়ী আনিসুল হক পেয়েছে চার লক্ষ ষাট হাজার!

বিভেদ


,,,,,,,,, মকছুদপুর গ্রামে মাওলানা সোবহান আহমেদ মকছুদপুরী ছাড়া আরো দুইজন ক্ষ্যাতিমান আলেম আছেন। এদের একজনের নাম মাওলানা ইকবাল হোসেন দেওবন্দী। তিনি ভারতের বিখ্যাত দেওবন্দ এ লেখাপড়া করার কারনে নামের শেষাংশে 'দেওবন্দী' যুক্ত হয়েছে। উনি দেওবন্দী হুজুর নামে সর্বত্রই পরিচিত। অবশ্যই মাওলানা ইকবাল হোসেনের নামের শেষে 'দেওবন্দী' যুক্ত করার পেছনে আরেকটা মুখরোচক গল্প প্রচলিত আছে। ইকবাল হোসেন এই এলাকার অত্যন্ত আমলদার মানুষ। কাউকে জ্বীন-ভুত, দেও-দানব আছড় করলে সেসব তাড়ানোতে পার্শ্ববর্তী দু'চার গ্রামে ওনার জুরি মেলা ভার। সেবার পাশের গ্রামের এক চাষীর মেয়েকে জ্বীনে আসর করলে মাওলানা ইকবাল হোসেনের ডাক পরে। এশার

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ভন্ডের নিরাপদ আশ্রয়!


আর সন্তান নিবে না চিন্তা করে এক লোক ডাক্তারের কাছে গেলো। ডাক্তার তাকে জন্মনিরোধক ইঞ্জেকশন দিয়ে বললো- এবার আপনি নিশ্চিন্তে বাড়ি যান, আপনার আর ভয় নেই। আপনাকে জন্মনিরোধক ইঞ্জেকশন দেয়া হয়েছে।

এর কয়েক মাস পর সেই লোক হন্তদন্ত হয়ে ডাক্তারের চেম্বারে আসলো। আর রেগেমেগে ডাক্তারকে বললো- মিয়া, আপনি কি ছাঁতামাথার ইঞ্জেকশন দিয়েছেন, আমার স্ত্রী আবার কন্সেপ করেছে"। ডাক্তারও সমান উত্তেজিত হয়ে বললো- ধুর মিয়া! আমি তো জন্মনিরোধ ইঞ্জেকশন শুধু আপনাকে দিয়েছি, গোটা শহরের সব পুরুষদের দিইনি!!

সমাজতান্ত্রিক কিউবা; গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।


১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার কমিউনিস্ট পার্টি বাতিস্তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে একদলীয় কমিউনিস্ট শাসন প্রবর্তন করেছিলেন। আমাদের উপমহাদেশীয় গণতন্ত্রের সজ্ঞায় এটাকে স্বাধীনতা বলা যাবে না। আমাদের কাছে স্বাধীনতার মানে হচ্ছে শুধু ভিনদেশী দখলদার থেকে মুক্ত হওয়া। কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতার সজ্ঞা আরো ব্যাপক। অর্থনীতিক মুক্তি ভোগৌলিক স্বাধীনতার থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ক্ষেত্র বিশেষে এর প্রভাব এবং উপযোগিতা নাগরিকের কাছে আরো বেশি। কারণ ক্ষুধার্তের কাছে অন্নের ছেয়ে ইপ্সিত আর কিছু নেই। মানুষের মৌলিক চাহিদা সমুহের মধ্য বস্ত্র আর বাসস্থানের কথা বাদ দিলাম, কারণ লজ্জা নিবারণের জন্য মানুষ যেকোন উপায়ে সেটার ব্যবস

আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারো দানে পাওয়া নয়।


আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা
কারোর দানে পাওয়া নয়।
দাম দিছি প্রাণ লক্ষ-কোটি
জানা আছে জগতময়।

যে জাতির সামনে ১৪ই ডিসেম্বর আছে সেই জাতির অনন্তকাল কান্নার কারণ আছে।


রাও ফরমান আলির উপর যতটা না ক্ষোভ জন্মে তার থেকেও বেশি ঘৃনায় গা ঘিনঘিন করে এদেশীয় দেশদ্রোহী রাজাকার বাহিনীর উপর। কথা সাহিত্যিক অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যেতির্ময় গুহঠাকুরতা, সুরকার আলতাফ মাহমুদ এদের নাম পাকিস্তানিরা শুনেছিলো। কিন্তু ঢাকার কোন জায়গার, কোন গলির, কত নম্বর বাসায় এরা থাকতো সেই খবর ফরমান আলীর জানার কথা নয়, কিন্তু তারপরও জেনেছিলো। শুধু এরা নয় সেই রাত্রে বাংলার প্রায় দুই শত শ্রেষ্ঠ সন্তানের শোবার ঘর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা। শুধুমাত্র একটি রাতে দুইশত মানুষকে তাদের বাসস্থান থেকে তুলে আনা ভিনদেশী হায়েনাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তার জন্য প্রয়োজন ঘরের শত্রু। রাজ

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রহমান বর্ণিল
রহমান বর্ণিল এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 2 দিন ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 22, 2017 - 9:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর