নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

রহমান বর্ণিল এর ব্লগ

ঠাকুর ঘরের দেবতা কখনো মসজিদে ঢুকে আল্লাহর সাথে বিবাদে জড়ায় না।


অগ্রাহায়নের শেষ ভাগে এসে আমাদের গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে তখন উৎসবের আমেজ লেগে যেত। একদিকে সদ্য সমাপ্ত বর্ষা বিদায়ী হেমন্ত প্রকৃতির স্নিগ্ধতা, অন্যদিকে আগমনি শীতের প্রকৃতি জোড়া রিক্ততা আভাস, সব মিলিয়ে এক অপ্রার্থিব সৌন্দর্যের অবতারনা। গাছে গাছে সবুজের সম্মোহনী চেহারা, পত্রপল্লবে নবজীবনের উচ্ছাস। দিগন্তজোড়া পাকা ফসলের বিচানো জমিন, নিন্মে অপরুপ বাংলার চিরায়িত সোনালী মাঠ, ঊর্ধে ডানা মেলা বলাকায় শিল্পিত নীল আকাশ। ভোরের দোয়েলের ডাক, সাথে ময়না, শ্যমা, চড়ুই, শালিক সহ আরো হাজার প্রজাতির পক্ষির ডানা ঝাপটানোর কলতানে মুখর বনানী। ধর্মের প্রাচির ডিঙিয়ে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্যের সম্পর্ক এসব দেখেই কেটেছে আমা

রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিরন্নকে অন্ন ভিক্ষা করতে দেখেছি, পরাধীন দেশেও কাউকে কখনো দেখিনি স্বাধীনতা ভিক্ষা করতে।


১৯৭৪ এর দুর্ভিক্ষের সময় শেখ মুজিবের উপর ক্ষেপে গিয়ে কবি রফিক আজাদ লিখেছিলেন "ভাত দে হারামজাদা, নইলে মানচিত্র চিবিয়ে খাব" রফিক আজাদের 'ভাত দে হারামজাদা' কবিতাটিতে পৃথিবীর সব মুক্তির ঊর্ধে ক্ষুধা মুক্তির অবশ্যকতা ফুটে উঠেছিলো। এই কথাটির মর্মাথ- এক বাসন গরম ভাতের উপযোগিতা ক্ষুধার্তের কাছে একটা দেশের স্বাধীনতার চেয়ে বেশি। কিংবা এটা বলা যায় অর্থনৈতিক মুক্তি পরাধীনতার মুক্তি অপেক্ষা বেশি প্রয়োজন। কারন অর্থনৈতিক মুক্তি ব্যাতিত বিজয় চেতনা মুল্যহীন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাঙা থালা হাতে আমি মানুষকে অন্ন ভিক্ষা করতে দেখেছি, পরাধীন দেশেও কখনো কাউকে দেখিনি স্বাধীনতা ভিক্ষা করতে।

ধর্মান্ধতা কোন ধর্ম নয়, বিশ্বব্যাপী বিপন্ন মানবতার প্রধান কারণ


প্রাচীন মহা-ভারতে ধর্মের নামে নরবলির প্রথা প্রচলিত ছিলো। ভারত-বর্ষের হাজার বছরের আগের ইতিহাসে চোখ বুলালে জানতে পারা যায়, নরবলির প্রথা কেবল সনাতন ধর্মেই ছিলো না, ইসলাম ধর্মের নামে নানান ভন্ড পীর-মোর্শেদ, কথিত দরবেশ-আউলিয়াও এই নরবলিতে প্রোরোচিত করতো। আজো উপমহাদেশের নানান জায়গায় নরবলির মতো এই জঘন্য প্রথার বিচ্চিন্ন ঘটনা শুনতে পাওয়া যায়!

সমাজতাত্ত্বিক বিপ্লব: কার্লমার্কস থেকে চে


পৃথিবীর সমস্ত শোষিতের ইতিহাসই শ্রেনী সংগ্রামের ইতিহাস। আর এই শোষিত মানুষের পক্ষে মানব ইতিহাসের যে ক'জন বিপ্লবী সংগ্রাম করেছিলেন, তাদের মধ্যে আমি এগিয়ে রাখি চে গুয়াভারা আর কার্ল মার্কসকে। মার্ক্সই তার গবেষণায় প্রথম দেখিয়েছিলেন ধনতান্ত্রিক অর্থব্যাবস্থার প্রভূরা কিভাবে শ্রমিক শ্রেনীর ঘামে রক্তে পুঞ্জিভূত সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে!

কবিতা: জন্মদাগ


জন্ম দাগ

রোজ প্রত্যুশে ঘুম ঘুম চোখে
প্রেয়সির একটি উষ্ম চুম্বন
আমাকে নিয়ে যায় শতাব্দি সমান
পুরানো অতীতে।

যেখানে আমার পুর্ব পুরুষের দেহে উষ্মতায় সৃষ্ট
ভালোবাসার ফসল আজকের এই 'আমি'।
কামনার আগুনে দগ্ধ হয়ে আজ থেকে
সহস্র বছর পুর্বে আমারই কোন পূর্বপুরুষ
প্রতি রাতে নিশ্চুপ আঁধারে তার প্রিয়তমার
শরীরের সমস্ত অঙ্গ পত্যাঙ্গ
হাতড়ে বেরিয়েছিলো।

প্রেরণার গল্প


এক লোক রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় দেখলো রাস্তার পাশে একটা হাতিশালায় অতিকায় কয়েকটি হাতি শুধু মাত্র সামনের পায়ে ছোট্ট একটি দড়ি দিয়ে বাঁধা। কোন শিকল বা কোন খাঁচা নয়। এই দড়ি এতো বড় প্রাণীর পক্ষে ছিড়ে ফেলা মামুলি ব্যাপার। যেকোন সময় চাইলে এটি ছিড়ে তারা মুক্ত হয়ে চলে যেতে পারে কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে তারা তা করে না। কারণটা তাকে ভাবাচ্ছিল।

দু:শাষন


দু:শাষন

ত. রহমান।

রাজা ঢুকলো রঙ্গ শালায়
আহারাদি সেরে,
এমন সময় রাজ প্রহরী
উঠলো কড়া নেড়ে।

জাহাপনা বলছি আমি
নিতান্তই এক গোলাম,
নিতে যদি আজ্ঞা হয়
এক সে প্রজার সেলাম।

মানবতা বনাম রাষ্ট্রচিন্তা


প্রসঙ্গ: রোহিঙ্গা

বড় সন্তানের বয়স ৯বছর। মোট সন্তান সংখ্যা ৮জন। এটা কেবলমাত্র একজন রোহিঙ্গা নারীর সন্তান প্রজননের চিত্র হলেও বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া প্রায় সব রোহিঙ্গা নারীর সন্তান প্রজননের প্রবণতা এ রকমই। লেখাটি পড়ে আমাকে মানবতা বিরোধী ভাববেন না। কারন মানবিক কারনে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আমরা আশ্রয় দিলেও তাদের সন্তান প্রজননের প্রশ্রয়ের ব্যাপারে আমাদের ক্ষাণিকটা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ বলে মনে করি।

গল্প : কামিনী


বিকেলে মহাজন বাড়ি থেকে ফিরে এসে কামিনী তার ঘরে ঢুকে দরজায় খিল দিয়েছে। তারপর আর একবারের জন্যও বের হয়নি। সন্ধ্যা পেরিয়ে এখন রাত হতে চলেছে। বৃদ্ধা মরিয়ম এর মধ্যে বার দু'য়েক এসে কামিনীকে ডেকে গেছে, কিন্তু কামিনীর সাড়া মেলেনি। দরজাও খোলেনি। সারাটি বিকেল, সমস্তটি সন্ধ্যা কামিনী বদ্ধ ঘরে একলা পরে কেঁদে কেঁদেই কাটিয়েছে। ঘেন্নায় তার শরীর এখনো ঘিন ঘিন করছে। মহাজনের হাত সমবেদনাচ্ছলে যখন কামিনীর পিঠের উপর রাখলো কামিনী সেটাকে পিতৃসুলভ স্নেহ বলেই মনে করেছিলো। কিন্তু স্নেহের সীমা অতিক্রম করে পঞ্চাশোর্ধ মহাজনের হাত যখন সরিসৃপের মতো কিলবিল করে শরীরে অপেক্ষাকৃত নরম অংশের দিকে আগাচ্ছিলো, কামিনী তখন বুঝতে পরলো

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রহমান বর্ণিল
রহমান বর্ণিল এর ছবি
Offline
Last seen: 12 ঘন্টা 17 min ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 22, 2017 - 9:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর