নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

রহমান বর্ণিল এর ব্লগ

প্রতিটি ধর্মে স্বর্গের পাশাপাশি নরকের অস্তিত্তই প্রমাণ করে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও তাঁর হুকুমমতের উল্টো মতাদর্শের মানুষ থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন।


একই মাতৃ জঠরে জন্ম নেয়া দুই সহোদর ভাইয়ের মধ্যেও মতাদর্শগত পার্থক্য থাকতে পারে। একই মাতৃস্তন্যে লালিত, একই পিতার ঔরষে জন্ম, সেই একই জল-হাওয়ায় আশৈশব বেড়ে উঠা। একই পারিবারিক অনুশাষনে যাপিত জীবন, অথচ চিন্তায়-চেতনায়, আদর্শে, মতাদর্শে বহু যোজন দুরত্ব। একজন প্রথাগত সংস্কারাবদ্ধ, ধর্মীয় অনুশাষনে অত্যন্ত কনজার্বেটিভ অন্যজজন যুক্তি শাস্ত্রের ধারক। সংস্কার, ধর্ম, সামাজিক রীতিনীতি সর্বক্ষেত্রে যুক্তির প্রাধান্যে বিশ্বাসী। এর থেকে এটাই প্রতীয়মান যে, প্রতিটি মানুষই সাতন্ত্র সংস্কার দ্বারা গঠিত।

মানবতা নয়, পাকিস্তান ভোট দিয়েছে ধর্মের বিবেচনায়।


রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত বাংলাদেশকে ভোট দেয়নি, কিন্তু পাকিস্তান দিয়েছে এই খুশিতে যে সকল ইমানদার পাক-প্রেমিক ভাইয়েরা বগল বাজাতে শুরু করেছেন, তারা শুনুন, রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে ভুল ভাবে উপাস্থাপন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে। মিয়ানমার সামরিক বাহিনী কর্তৃক রাখাইন জনগোষ্ঠির উপর বর্বরোচিত নির্যাতনকে 'মানবতা'র সমস্যা না বলে উপস্থাপন করা হয়েছে 'ধর্মীয়' সমস্যা হিসেবে। যার কারণে রাখাইন মুসলিম জনগোষ্ঠির পক্ষে নিয়ে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মালদ্বীপ বাংলাদেশকে ভোট দিলেও, অমুসলিম মিয়ানমারের পক্ষ নিয়ে বাংলাদেশকে ভোট দেয়নি অমুসলিম দেশ নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা।

সেদিন মানুষের জন্য আমাদের প্রাণ কাঁদেনি, কেঁদেছিলো ধর্মের জন্য।


মিয়ানমারে উগ্র বার্মিবাদীদের হাতে যখন রাখাইনরা নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলো, তখন আমাদের দেশের মানুষের মানবতা অন্তত প্রথম বারের জন্য হলেও উঁকি দিয়েছিলো। আমরা যারা মানুষের জন্য মানুষের মন সিক্ত হওয়ার মতো জগৎশ্রেষ্ঠ সুন্দর দৃশ্যটি দেখার অপেক্ষায় ছিলাম, তারা খুশি হলাম এই ভেবে যে, যাক আমরা শেষ পর্যন্ত মানুষ হতে পারলাম! মানুষের জন্য কাঁদার মানসিকতার মতো মনোহরবৃত্তি জগতে আর কিছু নেই। আমরা সেটা রপ্ত করে ফেলেছি!

প্রাগৈতিহাসিক সাম্প্রদায়িক মনোভাব, ধর্মঘেষা শিক্ষাব্যবস্থা এবং মধ্যপন্থি মেজরিটি সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রধান কারণ।


যে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাম্প্রদায়িক উস্কানিমুলক প্রশ্ন করা হয়, সেই দেশে একটা হিন্দুপল্লিতে মুসলমান কর্তৃক আগুন দেয়াকে বড় কোন অঘটন হিসেবে না ভাবলেও চলবে! অন্তত আমি ভাবি না। রংপুরের সংখ্যালঘু নির্যাতনের মানসিকতা এ দেশের মুসলমানদর মধ্যে একদিনে তৈরী হয়নি। বহুকাল আগেই এই ধর্মীয় সন্ত্রাসের বীজ রোপিত হয়েছিলো এ দেশে।

বিশুদ্ধ চিত্তই প্রকৃত তীর্থ।


ধর্মের আনুসাঙ্গিক বিধানই কেবল মানুষ্য অন্তরকে শুদ্ধ করে না। ধর্মই যদি সিদ্ধি লাভের একমাত্র রাস্তা হতো তবে ভ্রক্ষান্ডে ধর্মের এতো বিভাজন, এত বিভেদ তৈরী হতো না। মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-প্যাগোডার নিরেট তক্তোপোসের উপর শুধু কপাল চাপরালেই, শুধু ফোটা কাটলে, স্নান করলে, পুঁথি পাঠ করলেই ধার্মিক হওয়া যায় না।

বিপ্লব ও সংহতি নয়, ইতিহাসের এক নির্লজ্জ অধ্যায়!


৭ই নভেম্বর কোন 'বিপ্লব ও সংহতি'র দিন নয়, ১৫ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে পাক-অনুচররা যে মিশন শুরু করেছিলো, তার ফিনিশিং টাচ! বাংলাদেশের ইতিহাসে বেইমানি আর ক্ষমতার জন্য নৃসংশ হত্যাকান্ডের এক নির্লজ্জ অধ্যায়! অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে ইতিহাসের এমন নৃসংশ হত্যাযোজ্ঞ আর মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক, দেশের পরীক্ষিত সূর্য্য সন্তানদের হত্যার এই মিশনকে বিএনপি প্রতিবছর উৎসবের মধ্য দিয়ে পালন করে! ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে এত সাক্ষ্য, প্রবীণ প্রত্যাক্ষদর্শী এত মানুষ এখন জীবিত অথচ ইতিহাসের তিনজন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ আরো অসংখ্যা স্বদেশী হত্যার এই দিনটিতে একটা রাজনৈতিক দলের কি নির্মম রসিকতা!

একশো টাকা পেঁয়াজ


ভর দুপুরে চরবাজারে
জ্ঞান হারালো ভোলা,
গমগমিয়ে উঠলো হঠাৎ
সমস্ত হাটখোলা।

কি বা হলো কেমনে হলো?
উঠলো শোরগোল,
হাটের মানুষ ভীর জমালো
বাজলো যেন ঢোল।

মাছ বাজারের হরি এলো
গাছ বাজারের গৌরি,
সবজি হাটের সলিম-কলিম
চলে আসলে দৌড়ি।

কেউ বা বলে বাতাস কর
মাথায় ঢাল পানি,
কেউ বা বলে টিপে ধর
কড়ে আঙুলের কানি।

বাতাস দিলো, পানি দিলো
ফিরলো না তো হুঁস,
কেউ বা বলে খাওয়ায় দেখ
গেলাস ক্ষানিক জুস।

জুস খাওয়ালো, ঠুস খাওয়ালো
লাভ হলো না কোন,
একজন বললো ডাক্তার লাগবে
আমি বলছি শোন।

দারিদ্র্যের কাছে ধর্ম এক নিষ্ঠুর প্রহসন!


বেশ্যাবৃত্তি নি:স্বন্দেহে সীমা লঙ্ঘন। কিন্তু স্বামি পরিত্যেক্তা নিরুপায় যে মেয়েটি সন্তানের মুখে আহার তুলে দেয়ার জন্য পতিতাবৃত্তির এই ঘৃন্য পথটি বেচে নেয় ধর্মে তার জন্য আলাদা কোন বিধান আছে কি না আমার জানা নাই।

নারীদের অন্ত:পুরে থাকার জন্য ধর্মে সুস্পষ্ট নির্দেশ দেয়া আছে। পুরুষের সহচর্যে আসা সমগ্র নারী জাতের জন্য নিষেধ। কিন্তু বিকল বৃদ্ধ অসহায় বাবা, সয্যাশায়ী মা, পঙ্গু স্বামী অথবা অসহায় সন্তানের পেটের ভাত যোগাতে যে মেয়েটি পুরুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তায় ইট ভাঙা কিংবা সিমেন্ট ঢালাইয়ের কাজ করতে বাধ্য হয়, ধর্ম কি তার জন্য রোজ হাসরের অন্তিম বিচারের দিন একটু শিথিল হবে?

অবিকল মানুষের মতো একটা গন্ডার জাতি পাকিস্তান।


মানুষ এবং অনন্য কয়েক প্রজাতির প্রাণী সৃষ্টির পর সৃষ্টিকর্তা 'গন্ডার' সৃষ্টির দিকে মনোনিবেশ করলেন। এবং তিনি অসংখ্য 'গন্ডার' সৃষ্টি করলেন। এদের মধ্য থেকে একদল গন্ডার সৃষ্টিকর্তাকে জিজ্ঞেস করলো -আমাদের নাম কি? সৃষ্টিকর্তা বললেন- তোমরা 'গন্ডার'।
সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলো পুর্বে সৃষ্ট কিছু সুদর্শন এবং বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ। ওই গন্ডার গুলো সৃষ্টিকর্তাকে জিজ্ঞেস করলো- এদের নাম কি?
সৃষ্টিকর্তা জবাব দিলেন- এরা 'মানুষ' সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। এবার ওই গন্ডারের দল বিদ্রোহ করে বসলো। বললো- আমরা গন্ডার হয়ে পৃথিবীতে যাবো না, আমাদের মানুষ বানিয়ে দিতে হবে।

পথ আজ হঠাৎ এ কি পাগলামি করলে!


পথ আজ হঠাৎ এ কি পাগলামি করলে!

সেদিন রাঙামাটি থেকে ফিরছিলাম। টিকিটের নম্বর মিলিয়ে বাসের সিটে বসতে যাবো, দেখলাম সহযাত্রী ষোড়শী তরুনী। অত্যান্ত সুশ্রী। আমার সিটটা জানালার পাশেই ছিল। তরুনী উঠে জায়গা করে দিলে বসে পরলাম।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রহমান বর্ণিল
রহমান বর্ণিল এর ছবি
Offline
Last seen: 12 ঘন্টা 1 min ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 22, 2017 - 9:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর