নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাফিন জয়
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • মিশু মিলন
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • জাকারিয়া হুসাইন

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

রহমান বর্ণিল এর ব্লগ

ভালোবেসে বাঁধা ঘরে এ কেমন বিচ্ছেদের সুর!


ঢাকা (উত্তর) সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির তথা বিশ-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে তাবিথ আওয়ালের দৌড়-ঝাঁপ শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। ২০১৫ মেয়র নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী আনিসুল হকের সাথে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তাবিথ আওয়াল নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করতে পেরেছিলো। মাঝ পথে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার আগ পর্যন্ত তাবিথ আওয়াল সে বার তিন লক্ষ পঁচিশ হাজার ভোট পেয়েছিলো। যেখানে বিজয়ী আনিসুল হক পেয়েছে চার লক্ষ ষাট হাজার!

বিভেদ


,,,,,,,,, মকছুদপুর গ্রামে মাওলানা সোবহান আহমেদ মকছুদপুরী ছাড়া আরো দুইজন ক্ষ্যাতিমান আলেম আছেন। এদের একজনের নাম মাওলানা ইকবাল হোসেন দেওবন্দী। তিনি ভারতের বিখ্যাত দেওবন্দ এ লেখাপড়া করার কারনে নামের শেষাংশে 'দেওবন্দী' যুক্ত হয়েছে। উনি দেওবন্দী হুজুর নামে সর্বত্রই পরিচিত। অবশ্যই মাওলানা ইকবাল হোসেনের নামের শেষে 'দেওবন্দী' যুক্ত করার পেছনে আরেকটা মুখরোচক গল্প প্রচলিত আছে। ইকবাল হোসেন এই এলাকার অত্যন্ত আমলদার মানুষ। কাউকে জ্বীন-ভুত, দেও-দানব আছড় করলে সেসব তাড়ানোতে পার্শ্ববর্তী দু'চার গ্রামে ওনার জুরি মেলা ভার। সেবার পাশের গ্রামের এক চাষীর মেয়েকে জ্বীনে আসর করলে মাওলানা ইকবাল হোসেনের ডাক পরে। এশার

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ভন্ডের নিরাপদ আশ্রয়!


আর সন্তান নিবে না চিন্তা করে এক লোক ডাক্তারের কাছে গেলো। ডাক্তার তাকে জন্মনিরোধক ইঞ্জেকশন দিয়ে বললো- এবার আপনি নিশ্চিন্তে বাড়ি যান, আপনার আর ভয় নেই। আপনাকে জন্মনিরোধক ইঞ্জেকশন দেয়া হয়েছে।

এর কয়েক মাস পর সেই লোক হন্তদন্ত হয়ে ডাক্তারের চেম্বারে আসলো। আর রেগেমেগে ডাক্তারকে বললো- মিয়া, আপনি কি ছাঁতামাথার ইঞ্জেকশন দিয়েছেন, আমার স্ত্রী আবার কন্সেপ করেছে"। ডাক্তারও সমান উত্তেজিত হয়ে বললো- ধুর মিয়া! আমি তো জন্মনিরোধ ইঞ্জেকশন শুধু আপনাকে দিয়েছি, গোটা শহরের সব পুরুষদের দিইনি!!

সমাজতান্ত্রিক কিউবা; গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।


১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার কমিউনিস্ট পার্টি বাতিস্তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে একদলীয় কমিউনিস্ট শাসন প্রবর্তন করেছিলেন। আমাদের উপমহাদেশীয় গণতন্ত্রের সজ্ঞায় এটাকে স্বাধীনতা বলা যাবে না। আমাদের কাছে স্বাধীনতার মানে হচ্ছে শুধু ভিনদেশী দখলদার থেকে মুক্ত হওয়া। কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতার সজ্ঞা আরো ব্যাপক। অর্থনীতিক মুক্তি ভোগৌলিক স্বাধীনতার থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ক্ষেত্র বিশেষে এর প্রভাব এবং উপযোগিতা নাগরিকের কাছে আরো বেশি। কারণ ক্ষুধার্তের কাছে অন্নের ছেয়ে ইপ্সিত আর কিছু নেই। মানুষের মৌলিক চাহিদা সমুহের মধ্য বস্ত্র আর বাসস্থানের কথা বাদ দিলাম, কারণ লজ্জা নিবারণের জন্য মানুষ যেকোন উপায়ে সেটার ব্যবস

আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারো দানে পাওয়া নয়।


আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা
কারোর দানে পাওয়া নয়।
দাম দিছি প্রাণ লক্ষ-কোটি
জানা আছে জগতময়।

যে জাতির সামনে ১৪ই ডিসেম্বর আছে সেই জাতির অনন্তকাল কান্নার কারণ আছে।


রাও ফরমান আলির উপর যতটা না ক্ষোভ জন্মে তার থেকেও বেশি ঘৃনায় গা ঘিনঘিন করে এদেশীয় দেশদ্রোহী রাজাকার বাহিনীর উপর। কথা সাহিত্যিক অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যেতির্ময় গুহঠাকুরতা, সুরকার আলতাফ মাহমুদ এদের নাম পাকিস্তানিরা শুনেছিলো। কিন্তু ঢাকার কোন জায়গার, কোন গলির, কত নম্বর বাসায় এরা থাকতো সেই খবর ফরমান আলীর জানার কথা নয়, কিন্তু তারপরও জেনেছিলো। শুধু এরা নয় সেই রাত্রে বাংলার প্রায় দুই শত শ্রেষ্ঠ সন্তানের শোবার ঘর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা। শুধুমাত্র একটি রাতে দুইশত মানুষকে তাদের বাসস্থান থেকে তুলে আনা ভিনদেশী হায়েনাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তার জন্য প্রয়োজন ঘরের শত্রু। রাজ

বাংলা সেই দেশ, যার সীমানায় এসে থমকে গিয়েছিল বিশ্বজয়ী বীর আলেকজান্ডারও।


প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশের মধ্য শেকড়ের একটা নিবিঢ় সম্পর্ক যেমন আছে, তেমনি এই সম্পর্কটি বহু শতাব্দি ধরে অম্ল-মধুরও। এই তিনটি রাষ্ট্রের সম্পর্ক অনেকটা ত্রিভূজ প্রেমের মতো। অবিভক্ত ভারতবর্ষ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পাকিস্তানের সাথে বাংলার সম্পর্ক কখনোই শান্ত স্রোতস্বিনীর মতো ছিলো না। পাকিস্তানের সাথে এপার বাংলার সম্পর্ক সব সময় বর্ষার উন্মত্ত খরস্রোতা। একমাত্র ধর্মের মিল ছাড়া বাংলার সাথে পাকিস্তানের কোন দিক থেকেই সামঞ্জস্যতা নাই। তাই তাদের হিসেব আলাদা। অপর দিকে একমাত্র ধর্মীয় অমিল ছাড়া ভারতের সাথে এদেশের সর্বদিক দিয়েই মিল রয়েছে। ভৌগলিক কারণে এপার বাংলা ওপার বাংলার মানুষ এক এবং

অচিন পাখি


সে দিন প্রত্যুশে একটা অচেনা পাখির ডাকে আমার ঘুম ভাংলো। শোবার ঘরের সাথে লাগোয়া বারান্দা। বারান্দার এক কোনে টবে লাগানো একটা নাইট কুইন, গোটা দুই গোলাপ, কয়েকটা বেলি সাথে একটা রজনীগন্ধার ঝোঁপ। পাখির ডাকটা সেখান থেকেই আসছে। বিচানার পাশে জানালার শার্টারটা খুলে দিলাম। কিন্তু পাখিটিকে দেখা গেলো না। ঘুম জড়ানো চোখে টলতে টলতে বারান্দায় এসেও পাখিটিকে আর খুঁজে পাইনি। বারান্দায় দাঁড়িয়ে সন্মুখে শুন্য সু-বিশাল নীলাকাশটিই কেবল চেখে পড়লো।

রুপকথার এক বুড়ির গল্প!


ভোলাহাটের নাম শুনার বা শুনেও মনে রাখার কোন কারণ নেই, অন্তত এই রাজনীতিক দ্বিধাবিভক্ত বাংলাদেশে তো কোনভাবেই নেই। জাতির মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাস পর্যন্ত যে দেশে রাজনীতিক পক্ষপাত মুক্ত নয়, সে দেশে সত্য ইতিহাস মহাকালের আবর্তে বিলীন হবে এ তো জানা কথা। এদেশে পাকিস্তানের দোসর রাজাকার, হিংস্র হায়েনারা মুক্তিযুদ্ধের সনদ বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধ হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস এবং বহু ঘটনাবলী সমৃদ্ধ জায়গার নাম ইতিহাসে আসার সুযোগ তৈরী হয়নি। ইতিহাস মনে রাখেনি জীবনবাজি রেখে মুক্তিবাহিনীদের সাহায্য করা অনেক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক মানুষের নাম। কালের ধুলিতে চাপা পরে গেছে কত বীরত্মগাঁথা, কত ত্য

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রহমান বর্ণিল
রহমান বর্ণিল এর ছবি
Offline
Last seen: 5 দিন 21 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 22, 2017 - 9:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর