নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ক্যাম পাশা
  • সলিম সাহা
  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান
  • লুসিফেরাস কাফের

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

রহমান বর্ণিল এর ব্লগ

জীবিত একরাম আর ফিরে আসবে না জানি, কিন্তু মৃত একরামদেরও একটা বিরাট শক্তি আছে!


পার্থক্য হচ্ছে পঁচাত্তরের সেই ঘাতক বুলেট আপনার বাবাকে আজীবন বাঙালির কাছে মহাপুরুষের পরিচিতি দিয়েছে। আর সেদিন রাতে তাহিয়া-নাহিয়ানের বাবার বুকে গর্জে উঠা বুলেট তাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার তকমা দিয়ে দিবে। আমি একথা বলছি না যে, একরামুল হক নির্দোষ। আবার এটাও বলছি না যে, সে ইয়াবা কারবারের সাথে জড়িত। আমি শুধু এটা বলতে চাইছি, ভুল বা অন্যায় কে করে না? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন, আপনার দ্বারা কখনো কোন ভুল হয়নি? বঙ্গবন্ধুও কি ভুলের ঊর্ধে ছিলেন? হয়তো আমরা মানুষ বলেই এমন দাবি করতে পারি না। আর এখানেই মানুষ আর অন্য সৃষ্টিতে পার্থক্য। এটাই মানুষের শ্রেষ্টত্ব।

পাবলিক টয়লেটে তিন টাকা বাঁচানোর জন্যও 'মুক্তিযোদ্ধার সন্তান' শব্দটি উচ্চারিত হতে শোনা যায়!


এই কথাটি খুবই জোর দিয়ে বলা যায় যে, আমাদের মহান মুক্তির সংগ্রামীদের মধ্যে এমন একজন মুক্তিযোদ্ধাও ছিলেন না, যাঁরা কেবলমাত্র দেশকে শত্রু মুক্ত করা ছাড়া অন্য কোন লাভের আশায় প্রত্যাক্ষ সমরে অংশ নিয়েছিলেন।

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে!


গত শতকের মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকাতে চলতে থাকা বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে কাজ করে সারা বিশ্বের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন একজন তরুণ। ষাটের দশকে পশ্চিমা বিশ্বে সাদা আর কালোর মধ্যে ভেদাভেদ চরম পর্যায় চলে গিয়েছিল। সেই সময় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে নিজের শক্ত অবস্থান তুলে ধরেন আমেরিকান এক মানবাধিকার কর্মী মাত্র ত্রিশ বছরের যুবক মার্টিন লুথার কিং। সারা বিশ্বকে তিনি দেখিয়েছেন তরুণরা চাইলে যেকোন বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে। আর তারুণ্যের এই প্রতিবাদ কখনোই ব্যর্থ হওয়ার নজির নেই। নানান ভয়ভীতি আর ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি থেমে যাননি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। লু

ধর্ষণের দায় নারীর পোশাকের নয়, পুরুষের অনিয়ন্ত্রিত প্রবৃত্তির!


আজ থেকে প্রায় বছর দশেক আগের কথা। চট্টগ্রাম হালিশহর এ ব্লক-বি ব্লক এলাকায় একটা মানসিক ভারসম্যহীন মেয়ে ছিলো। প্রায়শই মেয়েটির পরনে তেমন কোন জামা-কাপড় থাকত না। আমার স্মৃতি যদি বিশ্বাসঘাতকতা না করে, তবে আমার মনে আছে মেয়েটি অধিকাংশ সময় গর্ভবতী অবস্থায় থাকতো। আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসনে এ দেশের মেয়েরা পশ্চিমা ঢংয়ে চলতে গিয়ে যে বোরকা-হিজাব পরিত্যাগ করেছে, আমাদের দেশের বিরাট ছাগু সম্প্রদায়ের মতে দেশে প্রকটাকার ধারন করা ধর্ষণের কারণ সেটা, কিন্তু সেই বিরাট বিজ্ঞ গোষ্ঠীর প্রতি আমার প্রশ্ন- সেই মানসিক ভারসম্যহীন মেয়েটি কি করণে কিছুদিন পরপর গর্ভবতী হতো?

নারীর প্রথম পরিচয় সে একজন মানুষ।


সব রমনীর মধ্যে 'নারী' বাস করে না। সংসারে স্নেহের আধার নারী যেমন আছে, তেমনি তার ব্যতিক্রমও নেহায়েত কম নেই। হিন্দু পুরাণের দেবী 'লক্ষী'র সাথে চরিত্রগত মিল থাকায় নারীকে 'লক্ষী' বলে সম্ভোদন করতে দেখা যায়। তবে এই বিশ্ব সংসারে দেবী যেমন আছে, তেমনি আছে নারী অসূরও।

অনেক দিন আগের কথা। নিউ মার্কেটে এসে গাড়ি থেকে নামলাম। মধ্য চৈত্রের প্রচন্ড রোদের কারণে সামনে এগুতে সাহস পাচ্ছিলাম না। যাত্রী চাউনিতে গিয়ে বসে পড়লাম। সামনে হকাররা ঝাল মুড়ি, আখের রস, লেবুর শরবত সহ আরো নানান জিনিস বিক্রি করছে। খেয়াল করলাম তিনটা মেয়ে আখের রসওয়ালার সাথে উচ্চস্বরে চেচামেচি করছে। বোধহয় টাকা পয়সা সংক্রান্ত সমস্যা।

একজন মানুষের ডাকে একটি ঘুমন্ত জনপদ জেগে উঠেছিলো!


৭১ এর ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক সময়ে পূর্ববঙ্গে বঙ্গবন্ধু বিরোধী কোন মানুষ ছিলো না। [শুধুমাত্র কিছু রাজাকার বাদে। কারণ দেখতে মানবাকৃতির হলেও বাঙালি চেতনার মানুষের কাছে তারা ঠিক মানুষ নয়। সুতরাং তৎতকালীন পূর্ববঙ্গের মানুষের তালিকা থেকে তাদের বাইরে রাখলে হিসেবটা খুব বেশি ভুল হবে না। ] আমি যতবার বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণটি শুনি, ততবারই এক অবিশ্বাস্য মুগ্ধতায় আপ্লুত হয়ে পড়ি। আমার কাছে কখনোই এই ভাষণটিকে কেবলমাত্র একটি ভাষণ মনে হয়নি। মনে হয়েছে একটি ভাবী রাষ্ট্রের মৌখিক সংবিধান। মনে হয়েছে একটি প্রজন্মের জেগে উঠার মন্ত্রণা। মনে হয়েছে একটি শোষিত জাতির মুক্তির সনদ।

আসুন বগল বাজায়!


ঘটনার আকস্মিকতা সামলে উঠতে ক্ষানিকটা সময় লেগেছে এই যা! নইলে অসংখ্য শুয়োরের বাচ্ছার দেশে একজন জাফর ইকবালের এই দশা অপ্রত্যাশিতও নয়, অতর্কিতও নয়।

মূর্খ, ধর্মব্যবসায়ী, কপটাচারী কাঠমোল্লাদের হাটে, ঘাটে, মাঠে করা জিহাদি বয়ান দ্বারা অনুপ্রানিত হয়ে নষ্ট বীর্যের প্রজন্ম জাতির মেধা ধ্বংস করার জন্য হামলে পড়েছে।

দেশের ধর্মান্ধ গোষ্ঠির এই আশানুরূপ সাফল্যে আসুন মহা উচ্ছাসে বগল বাজায়!

ইশ্বর থাকেন ঐ ভদ্র পল্লিতে!


ইশ্বর থাকেন ঐ ভদ্র পল্লিতে, এইখানে এই বিপন্ন মানবতার মাঝে তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বিশ্বব্যাপী মানুষ আর মানবতা হত্যার সব থেকে বড় অস্ত্র হচ্ছে ধর্ম! এই হন্তারকের তালিকায় ইসলাম ধর্মের নাম সবার উপরে থাকলেও পিছিয়ে নেই দুনিয়ার তাবত ধর্মসমুহও!

পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে এ যাবত মানবসৃষ্ট যত মানবতার হত্যার ঘটনা ঘটেছে, তার পেছনে সব থেকে বেশি ভুমিকা রেখেছে "ধর্ম"! কারো ধর্মানুভুতিতে আঘাত লাগার সম্ভাবনায় ইতিহাসের চুলছেড়া বিশ্লেষণ যদি নাও করি, যদি শুধু মাত্র বিশ্বব্যাপী ঘটে যাওয়া অতি সাম্প্রতিক ধ্বংসাত্বক ঘটনা সমুহের উপরও ফোকাস করি, তাহলেও আমার উপরের কথাটির সত্যতা মেলে।

ভাষা সৈনিক; ভাসা সৈনিক!


৫২'র ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহনকারীদের সম্ভোধন নিয়ে এদেশের তরুন প্রজন্মের কাছে দুই ধরনের মতবাদ প্রচলিত আছে। প্রথমটি হচ্ছে- ভাষা সৈনিক, দ্বিতীয়টি- ভাসা সৈনিক। তবে ভাষা সৈনিক অনেক থাকলেও আমাদের দেশে 'ভাসা সৈনিক' আছে কেবল একজন! তিনি গো-আযম! জনশ্রুতি আছে গো-আযম একবার পাকিস্তান গিয়ে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর শিশ্ন নির্গত বীর্যে ভাসতে ভাসতে পাকিস্তান থেকে এই বঙ্গদেশে ফিরে এসেছিলো। ভেসে ভেসে আসার কারণে তাকে 'ভাসা সৈনিক' বলা হয়!

জহির রায়হানের অন্তর্ধান বাংলা সাহিত্য জগতের এক বিরাট বিয়োগাত্মক!



ষাটের দশকে বাংলা সাহিত্য জগত যখন ভয়ের কাছে নতী স্বীকার করে আর জাগতিক মোহে পড়ে সমাজ সত্যকে এড়িয়ে যেতে শুরু করেছিল ঠিক সেই সময় সমাজ ও রাজনীতি সচেতন জহির রায়হান প্রবেশ করেন শিল্প-সাহিত্য জগতে। 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে তিনি তুলে ধরেছেন যুগ-যুগান্তরের আবহ-সংকুল অথচ বিবর্তনহীন পূর্ব বাংলার গ্রামীণ জীবনের ছায়াচিত্র। ক্ষুদ্র একটি গ্রামের একান্নবর্তী পরিবারের সংঘাতময় জীবনের কাহিনী তিনি বর্ণনা করেছেন এক সম্মোহনী মুগ্ধতায়।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রহমান বর্ণিল
রহমান বর্ণিল এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 1 দিন ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 22, 2017 - 9:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর