নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অবাক ছেলে
  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

গোলাপ মাহমুদ এর ব্লগ

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২১) মুহাম্মদ এর আল্লাহর বৈশিষ্ট্য - তিন


ইসলাম নামক মতবাদের একান্ত প্রাথমিক ও অত্যাবশ্যকীয় শর্ত হলো "বিশ্বাস (ইমান)!" মুহাম্মদ ও তার আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস। ইসলামের এই প্রাথমিক ও অত্যাবশ্যকীয় সংজ্ঞা অনুযায়ী যে-ব্যক্তি বা জনগোষ্ঠী স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদের (সাঃ) ও তার প্রচারিত বাণী ও মতবাদে বিশ্বাসী নয়, তাঁরাই বিপথগামী, লাঞ্ছিত, পথভ্রষ্ট এবং অনন্ত শাস্তির যোগ্য। মুহাম্মদ তার স্ব-রচিত ব্যক্তি-মানস জীবনীগ্রন্থ (Psycho-biography) কুরআনে অত্যন্ত দ্ব্যর্থ-হীন ভাষায় অসংখ্যবার বিভিন্নভাবে তা ঘোষণা করেছেন ।

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২০) মুহাম্মদ এর আল্লাহর বৈশিষ্ট্য - দুই


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার জবানবন্দি কুরআনে বার বার ঘোষণা করেছেন যে তার আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে অনুগ্রহ করেন, যাকে ইচ্ছা তাকে করেন অনুগ্রহ-বঞ্চিত ও অভিশপ্ত! তিনি যাকে ইচ্ছা তাকে বিশ্বাসী বানান, যাকে ইচ্ছা তাকে বানান অবিশ্বাসী। তিনি যাকে ইচ্ছা তাকে চালান সরল পথে, যাকে ইচ্ছা তাকে চালান বিপথে; যাকে ইচ্ছা তাকে করেন ক্ষমা, যাকে ইচ্ছা তাকে দেন শাস্তি! তিনি আরও দাবী করেছেন যে তার আল্লাহ ইচ্ছা করলেই সবাইকে বিশ্বাসী বানাতে পারতেন, কিন্তু সে ইচ্ছা তিনি করেন না। আর কী কারণে আল্লাহর সেই অনিচ্ছা, তাও মুহাম্মদের জবানবন্দিতে সুস্পষ্ট (৩২:১৩)।

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (১৯) মুহাম্মদ এর আল্লাহর বৈশিষ্ট্য – এক


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার জবানবন্দি কুরআনে বার বার ঘোষণা করেছেন যে ‘তার আল্লাহ’ স্বয়ং অবিশ্বাসীদের পাপাচারে উদ্বুদ্ধ, বিভ্রান্ত ও গোমরাহ করে সৎপথ থেকে বাধা প্রদান করেন ও তাঁদের মনের ব্যধি আরো বাড়িয়ে দেন! তিনি দাবী করেছেন যে তার আল্লাহ অবিশ্বাসীদের প্রত্যেক জনপদে সর্দার নিয়োগ করেন ও শয়তান-কে তাঁদের বন্ধু বানিয়ে দেন! অতঃপর তিনি তাঁদের সাথে কৌশল করে তাঁদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যান! শুধু তাইই নয়, তিনি আরও দাবী করেছেন যে তার আল্লাহ কাফেরদের সাথে চক্রান্ত ও ছলনা করেন, যার ছলনা “সবচেয়ে উত্তম!”

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (১৮) ‘আল্লাহর’ হীনমন্যতা ও পাশবিকতা!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার স্ব-রচিত জবানবন্দি কুরআনে তার বশ্যতা অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে বার বার ঘোষণা করেছেন যে অবিশ্বাসীদের বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট করার পিছনের যে সত্তা ও শয়তানের যাবতীয় অপকর্মের পেছনের যিনি গডফাদার, তিনি হলেন ‘আল্লাহ' স্বয়ং; যার বিস্তারিত আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে। তিনি আরও দাবী করেছেন যে, তার আল্লাহ স্বয়ং অবিশ্বাসীদের কানে-চোখে-মনে "সিল-মোহর" মেরে বিশ্বাসী হওয়ার পথ রুদ্ধ করে দেন ও তাঁদের অভিসম্পাত ও ধ্বংস কামনা করেন!

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

স্বয়ং আল্লাহ অবিশ্বাসীদের অন্তর-কর্ণ-চক্ষুর ওপর মোহর মেরে করেন বিকলাঙ্গ:

কুরআন অনলি: (১৭) শয়তানের গডফাদার ও মুহাম্মদের আল্লাহ!


দ্বিতীয় অধ্যায়:"মুহাম্মদের আল্লাহ!"

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার স্ব-রচিত ব্যক্তি-মানস জীবনী গ্রন্থ (Psycho-biography) কুরআনে বার বার ঘোষণা করেছেন যে ধর্মশাস্ত্রের নিকৃষ্টতম চরিত্র 'শয়তান' এর যাবতীয় কর্মকাণ্ডের পেছনের মদদদাতা যিনি, তিনি হলেন এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা স্বয়ং! যে স্রষ্টাকে তিনি 'আল্লাহ' নামে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি আরও দাবী করেছেন যে আল্লাহর অনুমতি ছাড়া শয়তানের কিচ্ছু করার ক্ষমতা নেই ও স্বয়ং আল্লাহ অবিশ্বাসীদের বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট করেন!

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (১৬) তাঁরাও ছিলেন 'আল্লাহ' বিশ্বাসী!


অধিকাংশ ইসলাম বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী মানুষের এক সাধারণ ধারনা এই যে, ইহুদী-খৃষ্টান ও মুসলমানরা একই ঈশ্বরে বিশ্বাসী।বিষয়টি সত্য নয়। ইহুদীদের ঈশ্বরের নাম ‘জিহোভা বা ইয়েওয়েহ্‌ (YHWH)’, খৃষ্টানদের ঈশ্বরের নাম ‘ট্রিনিটি (পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মা)' আর মুসলমানের ঈশ্বরের নাম ‘আল্লাহ’।ইসলাম ধর্মের বহু আনুষ্ঠানিকতা (Rituals) যেমন মুহাম্মদ পূর্ববর্তী অন্যান্য ধর্ম থেকে অনুকরণ করা, তেমনি এই 'আল্লাহ' নামটিও স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কোন মৌলিক আবিষ্কার নয়। মুহাম্মদ তার সৃষ্ট ঈশ্বরের নামটি রেখেছেন তার পরিপার্শ্বিক তৎকালীন আরবদের প্রধান দেবতা বা ঈশ্বরের নামের অনুকরণে।মুহাম্মদের বংশ কুরাইশ

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (১৫) মুমিনদের অবিশ্বাস ও নবীর হুশিয়ারি!


ইসলামের ইতিহাসের তৃতীয় খুলাফায়ে রাশেদীন হযরত উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) এর শাসনামলে (৬৪৪-৬৫৬ খ্রিস্টাব্দ) সংকলিত বর্তমান কুরআনের প্রথম চ্যাপ্টার-টি হল ‘সুরা ফাতিহা’, যা মূলত: একটি প্রার্থনা বা দোয়া। বিছমিল্লাহ হির-রাহমা-নের-রাহিম ও সুরা ফাতেহা কুরআনেরই অংশ কি না, এ ব্যাপারে সাহাবীরাও একমত ছিলেন না। বিশিষ্ট সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ সুরা ফাতিহাকে কোরানের সুরা হিসেবে কোনোদিনই স্বীকার করেননি। আর প্রবক্তা মুহাম্মদ (আল্লাহ) এটিকে বর্ণনা করেছেন “সাতটি বার বার পঠিতব্য আয়াত” হিসাবে (কুরআন: ১৫:৮৭)। [1] সংকলিত কুরআনের এই প্রার্থনাটির পর সর্বপ্রথম যে বাণী তা হলো হিং-টিং-ছট জাতীয় শব্দ, "আলিফ-লাম-মীম (

কুরআন অনলি: (১৪) মুহাম্মদের চ্যালেঞ্জ ও বিশ্বস্রষ্টা!


অবিশ্বাসীদের যৌক্তিক দাবী ও চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় 'স্রষ্টার' নামে মুহাম্মদ কীরূপে নিজেই নিজের সার্টিফিকেট প্রদান করেছিলেন, আত্মপ্রশংসা করেছিলেন ও যদি তিনি নিজে 'কুরআন' রচনা করতেন তবে স্রষ্টা তাকে যে ভয়ানক শাস্তি দিতো বলে দাবী করেছিলেন, মৃত্যুকালে তার ঠিক অনুরূপ শাস্তিই তিনি কীরূপে ভোগ করেছিলেন; ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে।মুহাম্মদেরই নিজস্ব জবানবন্দি 'কুরআনের' আলোকে আমারা জানতে পারি, অবিশ্বাসীরা যেমন বিভিন্নভাবে মুহাম্মদ-কে তার নবুয়তের প্রমাণ হাজির করার 'চ্যালেঞ্জ' জানিয়েছিলে, ‘স্রষ্টার’ মুখোশে মুহাম্মদ ও তেমনই তাঁদের উদ্দেশ্যে পাল্টা অভিযোগ ও 'চ্যালেঞ্জ' ছুঁড়ে দিয়েছিলেন। স্রষ্

কুরআন অনলি: (১৩) আত্ম-সনদ ও আত্মপ্রশংসা আর অজুহাত!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) যে তার 'আল্লাহর নামে' নিজে নিজেরই বাণী প্রচার করে চলেছেন, এ বিষয়ে অবিশ্বাসীরা ছিলেন নিঃসন্দেহ!কী কারণে তাঁরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন; তাঁদের যুক্তি ও চ্যালেঞ্জর মোকাবিলায় মুহাম্মদ তাঁদের কী জবাব দিয়েছিলেন; কী কারণে 'আইয়্যামে জাহিলিয়াত' তত্বটি ইসলামের ইতিহাসের হাজারও মিথ্যাচারের একটি; ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে।মুহাম্মদের জবানবন্দি কুরআনের আলোকে আমরা আরও জানতে পারি, অবিশ্বাসীদের যুক্তি ও চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় মুহাম্মদ তার 'আল্লাহর' নামে নিজেই নিজের সাফাই গেয়েছিলেন!

কুরআন অনলি: (১২) কাফেরদের যুক্তি ও আইয়ামে জাহেলিয়াত!


মুহাম্মদের সমসাময়িক অবিশ্বাসীরা যখন তাঁদের সম্মুখে স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে তার নবুয়তের প্রমাণ স্বরূপ তারই দাবীকৃত যে কোন একটি প্রমাণ হাজির করতে বলেছিলেন, তখন মুহাম্মদ তাঁদের সঙ্গে কী ধরনের ব্যবহার করেছিলেন তার আলোচনা গত দু'টি পর্বে করা হয়েছে। মুহাম্মদের প্রচারণার শুরু থেকেই অবিশ্বাসীরা সর্বদাই অভিযোগ করেছেন যে, মুহাম্মদ যা কিছু প্রচার করতেন, তা পূর্ববর্তীদের উপকথা বৈ আর কিছুই নয়; যা তাঁরা বহু আগে থেকেই শুনে আসছেন!অন্যদিকে, মুহাম্মদ দাবী করেছেন যে, সম্পূর্ণ কুরআন তার আল্লাহর কাছে লিখিত আছে "সম্মানিত, উচ্চ পবিত্র পত্রসমূহে” (কুরআন: ৮০:১৩-১৫)। তার এই দাবীর সত্যতার প্রমাণস্ব

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

গোলাপ মাহমুদ
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: রবিবার, সেপ্টেম্বর 17, 2017 - 5:04পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর