নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জিসান রাহমান
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আকিব মেহেদী
  • নুর নবী দুলাল
  • হাইয়ুম সরকার

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

ইকরামুল শামীম এর ব্লগ

পণ্য বর্জনের নামে ভন্ডামী: বাঙ্গালি মুসলমান সুবিধাবাদী


রোহিঙা পূনর্বাসন চুক্তিতে বিশ্বের প্রায়দেশ জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত হওয়া অধিবেশনে হ্যাঁ ভোট দিয়েছে কিন্তু চায়নাদের একমাত্র না ভোটের কারণে চুক্তিটি পাস হয়নি জাতিসংঘ পরিষদে। সুতরাং চায়না পণ্য বর্জন করা কি বাঞ্ছনীয় নয়? যে ভাবে আপনারা ইজরাঈলী পণ্য বর্জন করার জন্য স্লোগান তুলেছেন বা তুলেন??

ইজরাঈলী পণ্য হাতেগোনা কয়েকটা তাই আপনাদের আওয়াজ উচ্চস্বরে, অর্থাৎ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানানো আর নিজেকে ইসলামের খাঁটি অনুসারী হিসেবে জাহির করে ভন্ডামী বৈ আর কিছুই নয়।

নাস্তিকতা : ধর্মকে পুঁজি করে স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত, আর তা বললেই হয়ে যাই নাস্তিক


নাস্তিকতা: শুধু "নাস্তিক" শব্দটি মুখস্ত করে রেখেছেন কিন্তু " নাস্তিক " কাকে বলে তার সম্পর্কে আপনাদের বিন্দু জ্ঞান আছে বলে মনে হয় না। যদি থাকতো তাহলে কাউকে "নাস্তিক" আখ্যায়িত করে রোষানলে ফেলবার পাঁয়তারা করতেন না। আপনারা শুধু " নাস্তিক " শব্দটি মুখস্ত রেখেছেন এই জন্য যে, ধর্মের বিরোধীতা না করে আপনাদের ধর্মের নামে ভন্ডামি তথা মুখোশ উন্মোচনে করতে গেলে তখন যেন শব্দটির সুবিধাভোগ করতে পারেন এবং ধর্মের দোহাই দিয়ে আবেগময়ী বাঙ্গালিদের ধোঁকা দিতে পারেন।

সেই কিশোরী: আমার ক্ষণিক প্রেম


১.
নীশির শেষভাগে চাঁদের আলো দেখতে যেমন সুন্দর ঠিক তার চাইতে বেশি সুন্দর ছিল তার চাঁদনীমাখা মুখ।
কালো থ্রিপিছ, মাথায় উড়না দেওয়া তের চৌদ্দবছরের এক কিশোরী আমার হাতে এক গ্লাস জল দিয়ে এক চিমটি হাসি দিল। আমি আঁড় চোখে এক পলক দেখলাম। দেখা মাত্রই বুকের ভিতর কেমন যেন উদ্ভুত টান অনুভব হইল।
**
সেইদিন বিকেলে চট্টগ্রামের এক বন্ধু ফোন করে কেমন আছি জানতে চাইলো। বললাম-
- বিকেলে ঢাকা থেকে মা বাবা কে নিয়ে ফিরেছি। মন যে প্রায় অসুস্থ থাকে তাতো জানোস'ই। চল, কোথাও থেকে ঘুরে আসি।
- কই যাবি? আমারও দু একদিন ছুটি আছে।

জামায়াত-শিবির ইসলামের জন্য একটি ক্যান্সার


এইবার পূজায় দশমীর দিন আমি মন্দিরে গিয়েছিলাম। যাওয়ার পর দেখলাম হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মের প্রতি কত যত্নবান। কয়েকমাস আগে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে গিয়েছিলাম। সকালবেলায় হোটেল থেকে বের হলাম, হনুমান মন্দিরের পাশে চা দোকানে দাঁড়িয়ে চা বিড়ি নিচ্ছিলাম, লক্ষ করলাম, যারা স্কুল-কলেজে, অফিস-আদালতে যাচ্ছেন তাদের সব বয়সের নারী-পুরুষ মন্দির প্রবেশ করে পূজো দিচ্ছে। এমনকি প্রতিটা মোড়ে মোড়ে ছোট্ট ছোট্ট মূর্তি সাজিয়ে রেখছে এবং তার পূজো করছে।

বেশ্যা এবং আমি : নিস্তব্দ নিশীতে আপোষহীন


১.
কাকতালীয় ভাবে সে দিন একটা বেশ্যার সাথে পরিচয় হইল।

আমি এখন মন খারাপ সংগঠনের দুর্ভাগ্য সদস্য । তাই মাঝে মাঝে একাকীত্ব অনুভূতিতে বেরিয়ে যাই অচেনা গন্তব্যে। সেই দিন বিকেলের প্রায় শেষ দিকে হালকা আলোতে লেকের পাড়ে বসে সিগেরেট ফুঁকছিলাম। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম, লাল টকটকে জামা পরিহিত একজন ২৪/২৫ বছর বয়সী একটি মেয়ে আমার দিকে আসছে। আমি ভেবেছিলাম আমার পাশ দিয়ে সামনের দিকে চলে যাবে। কিন্তু না, এসে আমার পাশে বসলো। তাকিয়ে থাকার মত অপরুপ, কালো টিপ, খোলা চুল, হালকা খয়েরী লিপস্টিক আর নোখগুলো কাঠবেলীর মত, হাতে অদ্ভুত সুন্দর একটা ব্যাগ। শরীরে একধরনের মিষ্টি সুগন্ধ পারফিউম ব্যবহার করেছে।

রোহিঙ্গা আপদ: নোবেল প্রাইজ ফন্দি।


১৯৭১ সালে মানবিকতা এবং দেশ বিরোধিতা করার কারণে জামায়াত নেতাদের রাজাকার ঘোষিত করে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রোহিঙ্গারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানকে সাপোর্ট করেছিলো এই বলে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালীরা নাকি হিন্দু মুসলমান। কাদের মোল্লা এবং সাকা রাজাকারসহ অন্যান্য রাজাকারদের ফাঁসি দিলেন, তাহলে এখন কেনো রোহিঙ্গাদের জায়গা দিয়েছেন? রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিকতা দেখিয়ে তিনি কি পরোক্ষভাবে রাজাকারদের সমর্থণ করে নোবেল প্রাইজ পাওয়ার ফন্দি করছেন, নাকি বিশ্বের ধনী রাষ্ট্র থেকে ভিক্ষা নিয়ে নিজ থলে ভরাটের আশায় রোহিঙ্গাদের জায়গা দিচ্ছেন?

গোলাম আজম ভাষা সৈনিক ছিলেন না বরং বাংলা ভাষার বিরোধীতা করেছিলো


ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত বিকাশ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি হলেও মূলত এর সূত্রপাত হয় ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ' তমুদ্দুন মজলিস ' এর মাধ্যমে এবং প্রথম প্রবল রাজনৈতিক আন্দোলন হয় ১৯৪৮ সালে।

বাঙ্গালী মুসলমান মানেই সুবিধাবাদী এবং ক্ষমতা লোভী: ইকরামুল শামীম


মাটি দিয়ে তৈরি করলে মূর্তি, পাথর দিয়ে ভাস্কর্য, হাতে কিংবা ক্যামেরায় স্থীর চিত্র।

বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসা ব্যাতীত প্রতিটি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল তথা বড় আলেমের কক্ষে সরকার দলের নেতা নেত্রীর ছবি, বড় বড় রেস্তোরাঁর দেওয়ালে বিভিন্ন প্রাণীর আঁকা চিত্র, হুজুরেরা যে টাকা নিয়ে ঘুরছে তাতেও ছবি আছে। ইসলাম ধর্মে স্পষ্ট নিষেধ আছে এবং বলাও আছে, যে ঘরে প্রাণী কিংবা কারো ছবি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেস্তা প্রবেশ করে না। এমনকি নামাজ পড়লেও নামাজ হবে না। তাহলে কিভাবে মৌলভীরা ছবি তুলে, টিভির পর্দায় কিংবা খবরের শিরোনাম হয় আমার বোধগোম্য হচ্ছে না।

ভিতরের সত্ত্বা ফাঁসি দাও


নামাজ পড়ে না এক ওয়াক্ত
অথচ রোহিঙ্গা নিয়ে বাঙ্গালী মুসলিম ব্যস্ত,
হিন্দুস্থানে মুসলিম চল্লিশ কোটি
বৌদ্ধেরও জন্মভূমি বাংলার মাটি,
তবে যদি বৌদ্ধরা বিতাড়িত হয়
তাহলে হিন্দুস্থানে কেন মুসলিম রয়!
দু'কোটি হিন্দু বাঙ্গালী নির্যাতনের স্বীকার
আশ্রয় দেয় ভারত সরকার,
তখনতো মুসলিম পাঠায়নি
তবে কেন অবুঝের মত জঙ্গী বাণী!
মা-বাবা, ভাই-বোন, পাড়া-পড়শির নেয় না খবর
কিন্তু ত্রান উঠিয়ে কক্সবাজার রঙো সফর,
হায়রে বাঙ্গালীর ভন্ডামি দরদ
আর কতকাল অন্ধ মরদ!
বাংলাদেশের মুসলিম কেন করে ধর্ষণ
মুসলিম কেন হয় খুন

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

ইকরামুল শামীম
ইকরামুল শামীম এর ছবি
Offline
Last seen: 18 ঘন্টা 23 min ago
Joined: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 7, 2017 - 7:42অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর