নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • শ্মশান বাসী
  • আহমেদ শামীম
  • গোলাপ মাহমুদ
  • সলিম সাহা

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

রক্তিম বিপ্লবী এর ব্লগ

কেন্দ্রের নয়া গবাদি বিধি ও লেডি জাস্টিশিয়ার মূর্তি অপসারণ প্রসঙ্গ


*পাঠকরা আপনাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ লেখাটি বেশ বড় হয়েছে কিন্তু এতে রাজনীতি,অর্থনীতি,ধর্ম আর ও অনেক বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে ,আশা করি আপনারা লেখাটি ধৈর্য ও মনযোগ সহকারে পড়বেন।ধন্যবাদ ।
-----------------------------------
ভারত ও বাংলাদেশ এই দুই দেশেই ধর্মান্ধ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ ঘটছে যার চরম নিদর্শন ভারতে কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া গবাদি বিধি ও অন্যদিকে বাংলাদেশে ন্যায়ের মূর্তি জস্টিশিয়াকে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গন থেকে অপসারণ ।

তিন তালাক বিতর্ক ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা



মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন -"আমরা তালাক বিলটিতে সমর্থন করেছিলাম। ভেবেছিলাম ভালো কিছু হবে তাই এতদিন কিছু বলিনি। কিন্তু এখন দেখছি বিলে অনেক গোলমাল রয়েছে। এই তালাক বিল মুসলিম মেয়েদের ক্ষতি করবে। মেয়েরা আরও বিপদে পড়বে।কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দেগে তিনি বলেন,ওরা মুসলিম মেয়েদের ক্ষমতায়নের পরিবর্তে ক্ষতি করবে"।

দুই হত্যাকান্ড কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন কেন ?


বর্তমান সময়ে দেশে সবথেকে আলোড়নকারী খবর হল -মালদহের বাসিন্দা আরাফাজুল খানকে রাজস্থানে হত্যা করে পুড়িয়ে মারার ঘটনা ।হত্যা কারি শম্ভুলাল রেগর, প্রথমে কুপিয়ে তারপর পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে ।এই নৃশংস হত্যাকান্ড দেশকে নড়িয়ে দেয় এবং দেশজুড়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হয় ।মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যথার্থই বলেছেন -"রাজস্থানে বাংলার এক শ্রমিকের নৃশংস হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা করছি আমরা ।" সত্যি এই হত্যাকান্ড আমাদের সভ্য সমাজের কাছে চরম লজ্জার ,ওই হত্যাকারীর আইনানুগ কঠোর শাস্তি হওয়াই বাঞ্ছনীয় ।আশাকরি রাজস্থান সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখবেন ।বিশেষত দেশ জোড়া প্রতিবাদের পর কেন্দ্রী

লাভ জেহাদ কি এবং এর যথার্থতা কতটুকু ?


ভারতে গত উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনের সময়কালে বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী সংগঠন লাভ জেহাদ ইসুটি তুলে ধরে। লাভ জেহাদ কথার অর্থ বলতে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি বোঝাতে চাইছে -মুসলিম পুরুষরা হিন্দু নারীদের ফুসলিয়ে ফুসলিয়ে তাদের বিয়ে করে হিন্দু থেকে মুসলমান হিসাবে ধর্মান্তরিত করে এবং নারী স্বাধীনতা হরণ করে তাদের বোরখার মধ্যে আবদ্ধ করে। এই বিষয় নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়াতে আলোচনা হয়েছে, বহু পত্রপত্রিকাতে লেখালেখি হয়েছে বিস্তর। তবে তাদের বেশিরভাগই বড্ড বেশি একদেশদর্শী সমলোচনা। তাই প্রকৃত সত্য তুলে ধরার নৈতিক কর্তব্য বোধ থেকেই এই লেখার উন্মেষ। এই লেখাটিতে লাভ জেহাদ সম্পর্কে চুলচেরা বিশ্লেষণ করব। বিশেষ করে যারা নতুন ক

আমার ইচ্ছা


আমি এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ।বহু সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে জীবনে প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করতে পেরেছি। পরিবারের সদস্যদের আশা আমিই তাদের আর্থিক দুরবস্থা ঘোঁচাবো ও আর্থিক সমৃদ্ধি ঘটাবো ।নিজের পড়াশোনা ও আনুষাঙ্গিক খরচ নির্বাহের জন্য শিক্ষকতা করি ।আমি অনেক বিষয়েই শিক্ষা দিতে পারি তবে ছাত্রছাত্রীরা প্রধানত আমার কাছে দর্শন ও ইতিহাস শিক্ষণের জন্য আসে । আমার শ্রেণী কক্ষে জ্ঞানের অবাধ বিচরণ- শিক্ষা ,সাহিত্য ,বিজ্ঞান ,ধর্ম ,দর্শন ,ইতিহাস প্রভৃতি বিষয়ের অবাধ বিচরণ জ্ঞান সেখানে মুক্ত ।আসলে আমি শিক্ষক হিসাবে হেনরি লুইস ভিভিয়ান ডিরোজিও কে নিজের আদর্শ বলে মনে করি ।ডিরোজিওর শিক্ষার আদর্শে অনুপ্রাণিত

কুরবানী ও বর্বরতা


পৃথিবীর ইতিহাসে বর্বরতম ও নিষ্ঠুর যে প্রথা গুলি প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হল মুসলমানদের মধ্যে প্রচলিত কুরবানী প্রথা I এখন প্রশ্ন হল এই প্রথা চালু হল কি ভাবে ? প্রচলিত মতানুসারে ইহা পরমকরুণাময় আল্লাহের ইচেছই হয় ?

ভারতের স্বাধীনতা, দেশভাগ ও অখন্ড ভারতের স্বপ্ন!


প্রতিবছর 15 ই আগস্ট এই দিনটি মন আনচান করে ওঠে ।মনের মধ্যে নানা স্মৃতি ভিড় করে ওঠে , একদিকে মন আনন্দে ভরে ওঠে ও অন্যদিকে বুক যন্ত্রণায় ছটফট করে ।মন আনন্দে ভরে ওঠে এই কারনে যে দীর্ঘ একশো নব্বই বছরের সংগ্রামের পর ভারতবর্ষ ব্রিটিশ শাসনের পরাধীনতার নাগপাশ থেকে মুক্ত হতে পেরেছে ।অন্যদিকে বুকের মধ্যে যন্ত্রণা হয় এই কারণে যে -লক্ষ লক্ষ, কোটি কোটি মানুষের বছরের পর বছর সংগ্রামকে দূরে সরিয়ে রেখে ভারতবর্ষকে ভাগ করা হল ।ভারতবর্ষ - ভারত ও পাকিস্তান নামে এই দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হল ।দেশভাগের ফলে চারিদিকে এক ভাতৃঘাতি দাঙ্গা দেখা যায় ,যার ফলে ছিণ্ণমূল হল কোটি কোটি মানুষ ,প্রাণ হারাল কুড়ি লক্ষের

মুমিন ভাইয়েরা এত ধর্মান্ধ হয় কেন এবং তাদের বোঝানো কেন এত কঠিন ?


আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু আমাকে বলল-"ভাই আমি তোমার কিছু লেখা পড়েছি এবং তুমি খুবই খারাপ কাজ করছ "।তখন অন্য বন্ধুরা জিজ্ঞাসা করল ও কি খারাপ কাজ করছে ? তখন বন্ধুটি বলল ওকেই জিজ্ঞাসা কর ? ও খুব খারাপ খারাপ কথা লিখছে । খুবই উত্তেজিত ভাবে বলল-দেখ ভাই আমি আমার ধর্মকে খুবই ভালোবাসি ,আমি শুধু এটাই জানি- "আমি আমার ধর্মকে খুবই ভালোবাসি এবং অন্য ধর্মকে আসন্মান করব না ব্যাস "।

এখন প্রশ্ন হল এই বন্ধুটি কে ? ও এরকম ভাবে কেন ? ওর প্রকৃতি কি রূপ ?

ধর্মান্ধতার সৃষ্টি হয় কিভাবে ?


বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল ধর্মান্ধতা। এই ধর্মান্ধতা বা ধর্মকে প্রতিষ্ঠার জন্যই অতীত ও বর্তমানকালে বিভিন্ন সময় যুদ্ধবিগ্রহ দেখা দিয়েছে। রক্তের বন্যা বয়ে গেছে সাধারণ মানুষের। কারণ ঈশ্বর, আল্লা বা ভগবানকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে, তাকে খুশি করতে হবে। দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি এই ধারা আজ ও একই ভাবে চলে আসছে। আর আমরা কবে মানবিক হব?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রক্তিম বিপ্লবী
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 4 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 29, 2017 - 3:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর