নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • নরমপন্থী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

রক্তিম বিপ্লবী এর ব্লগ

বিষাক্ত রাজনীতি:- সপ্তম পর্ব-


1992 সালের 6 ই ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়! এটি শুধু মাত্র কোন একটি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা ছিল না; এর সঙ্গে আরও অনেক কিছু জড়িত ছিল। ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ বর্হিবিশ্বের কাছে তীব্র আঘাত প্রাপ্ত হয় ও ভারতের মর্যাদা ভূলুন্ঠিত হয়। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর দেশ ও বিদেশে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সারা দেশে বিভিন্ন জায়গায় ছোট বড় দাঙ্গা শুরু হয়, গোটা দেশে কার্ফিউ জারি করা হয়। এই ঘটনার পর গোটা দেশ প্রায় দু মাস সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাতে জ্বলতে থাকে; দাঙ্গার প্রভাবে গুজরাটে 246, মধ্যপ্রদেশে 120, আসামে 100, উওরপ্রদেশে 201, এবং শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে 900 জনের অধিক মানুষ এই হিংসার বলি হয়। গোটা দেশে প্রায় দু হাজারের ও অধিক মানুষ এই হিংসায় প্রাণ হারান (বেসরকারি সূত্রে মৃতের সংখ্যা ছিল আরও অধিক); তবে এর মধ্যে মুম্বাই হিংসা ছিল সর্বাধিক ভয়ংকর যা বিশেষ আলোচনার দাবি রাখে, পরবর্তী সময়ে এটি বিস্তারিত আলোচিত হবে।

বিষাক্ত রাজনীতি:- পঞ্চম পর্ব-


বাবরি মসজিদ ও রাম মন্দির বিতর্কটি বহু পুরানো। এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি হল বাবরের সেনাপতি মীর বাকি খান 1528 খৃষ্টাব্দে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেন। তবে কট্টরপন্থী হিন্দুদের দাবি ছিল ওই স্থানে আগে একটি মন্দির ছিল যা ভগবান রামচন্দ্রের জন্মস্থান। কট্টরপন্থী হিন্দুদের আরও দাবি হল- বাবরের সেনাপতি মীর বাকি খান রাম মন্দির ধ্বংস করেই বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। ঐতিহাসিক রেকর্ড থেকে জানা যায় 1853 সালে ওই স্থানটি নিয়ে প্রথম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। 1885 সালে মহান্ত রঘুবর দাস প্রথম এই মন্দির নিয়ে মামলা করেন কিন্তু তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার ও ফৈজাবাদ আদালত মনে করেন প্রায় 356 বছর আগের ঘটনা নিয়ে রায় দেওয়া ঠি

বিষাক্ত রাজনীতি:- চতুর্থ পর্ব-


যে সমস্যাটি ভারতীয় রাজনীতি ও সমাজ জীবন চিরতরে পাল্টে দিয়েছিল সেই ঘটনাটি ছিল এইরকম- মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরের নামজাদা উকিল মহম্মদ আহমদ খান দুটি বিবাহ করেন। বড় স্ত্রী ছিলেন সাহাবানু। বাষট্টি বছর বয়সী ও পাঁচ সন্তানের জননী সাহাবানু যখন তার স্বামী মহম্মদ আহমদ খানের কাছে ভরণপোষণ সংক্রান্ত অর্থ চাইতে যায় তখন তার স্বামী প্রচন্ড রাগে তালাক, তালাক, তালাক বলে তিন তালাক দেয়, 6 ই নভেম্বর 1978। অর্থাৎ এরপর থেকে তাদের মধ্যে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক শেষ। এরফলে ইসলামি আইন অনুযায়ী শুধু বিয়ের সময় দেনমোহর ও বিচ্ছেদের 90 দিন পর্যন্ত অর্থাৎ ইদ্দতের সময় পর্যন্ত স্বামীর স্ত্রীকে অর্থ প্রদান করা অর্থাৎ 'নাফকা' ওয়াজিব

বিষাক্ত রাজনীতি:- তৃতীয় পর্ব-


ইন্দিরা গান্ধীর আকস্মিক মৃত্যুর পর দেশে এক রাজনৈতিক শূন্যতার আবির্ভাব হয়, কে হবে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী এই নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা যায়। অনেকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরুণ নেহেরুর মত কংগ্রেসি নেতাদের সমর্থনে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে রাজীব গান্ধীকে মনোনীত করা হয়। রাজীব গান্ধী ওই দিনই (31শে অক্টোবর 1984) মাত্র 40 বছর বয়সে দেশের কনিষ্ঠতম ষষ্টপ্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। ভারতীয় রাজনীতিতে রাজীব গান্ধীর আবির্ভাব নায়োকচিত্ত ভাবে হয়। তিনি রাজনীতি সম্পর্কে অনাগ্রহী ছিলেন এবং রাজনীতি থেকে সমদূরত্ব বজায় রাখতেন কিন্তু ইন্দিরা

বিষাক্ত রাজনীতি:- দ্বিতীয় পর্ব-


স্বাধীনতার পর শিখ অধ্যুষিত পূর্ব পাঞ্জাব, পাঞ্জাব নামে পরিচিত হয়। এই পাঞ্জাবেই প্রথম দেখা যায় বিষাক্ত রাজনীতির ছোবল। ঘটনাটি ছিল এইরকম- শিখদের প্রথম দিকে দাবী ছিল পাঞ্জাবকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হোক কিন্তু পরবর্তীকালে জার্নেল সিং ভিন্দ্রানওয়ালার নেতৃত্বে এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য পরিবর্তীত হয়ে তা স্বাধীন খালিস্তান গঠন করার আন্দোলনে পরিবর্তিত হয়। যদিও প্রথম দিকে ভিন্দ্রানওয়ালাকে কংগ্রেস ব্যবহার করতে চেয়েছিল, আকালি দলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভুত্ব স্থাপনের উদ্দেশ্যে। কিন্তু এই ভিন্দ্রানওয়ালাই পরবর্তীকালে ভারত যুক্তরাজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শিখদের জন্য স্বাধীন খালিস্তান গঠন করতে উদ্ধত হয়। বলাই

বিষাক্ত রাজনীতি:- প্রথম পর্ব-


বর্তমান ভারতবর্ষের রাজনীতি তীব্র উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এবং এই উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে নতুন নতুন সমীকরণ গড়ে উঠছে। আগামী দিনে দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে কারা তা নিয়ে চলছে চরম উত্তেজনা, চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে প্রতিটি নির্বাচনের। সদ্যসমাপ্ত তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিকে একটু নজর দিলেই দেখা যায় এইসব নির্বাচনে বিজেপি অসম্ভব ভালো ফল করেছে। আসন সংখ্যার নিরিখে দেখতে গেলে বলতে হয়, ত্রিপুরার মোট আসন সংখ্যা-59, বিজেপি-43, বাম-16 টি আসন লাভ করেছে। নাগাল্যান্ডে মোট আসন সংখ্যা- 60, এনপিএফ জোট-29, বিজেপি-এনডিপিপি জোট-29, ও অন্যান্য-2 টি আসন লাভ করেছে। মেঘালয়ে মোট আসন সংখ্যা-59, কং

দারিদ্রতা ও মানবিকতা


ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলাম এমন সময় এক বয়স্কা ভিখারী কাছে এসে ভিক্ষা চাইতে লাগল। অদ্ভুত ভাবে লক্ষ্য করলাম এই নিঃস্ব মহিলাটির মুখের ভাষা পর্যন্ত নেই, শুধু আওয়াজ আসছে আঃ, আঃ, আঃ এবং অঝোর নয়নে চোখের জল বের হচ্ছে। এই ঘটনাটি আমার মননকে ক্ষতবিক্ষত করল আমারা কি রকম সমাজে বাস করি? আমরা কি রকম মানুষ যে একটি নিঃস্ব মহিলার পাশে দাড়াই না?

নতুন সোশ্যাল মিডিয়া আইন ও কিছু আশঙ্কা


@ সকলকে অনুরোধ এই আইনটি আমাদের সকলের জীবনে প্রভাব ফেলবে তাই নিজেদের একটু মূল্যবান সময় বের করে এই লেখাটি পড়ার বিশেষ অনুরোধ রইল
----------------------------------------------------------
বিভিন্ন সংবাদসূত্র থেকে জানা যাচ্ছে উত্তর চব্বিশ পরগণার বাদুড়িয়া সহ অতীতের কয়েকটি ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কড়া আইন আনতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।ফেসবুক,হোয়াটস অ্যাপ সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ালে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।সূত্রের খবর,নতুন আইনের খসড়ায় ধর্মীয় উস্কানিমূলক গুজব ছড়ালে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদন্ডের প্রস্তাব রয়েছে।

ইরফান পাঠান, মহঃসামির স্ত্রী ও মেয়ের ছবি বিতর্ক, বোরখা-হিজাব, ইসলাম ও নারী প্রসঙ্গ


ভারতের দুই স্বনাম ধন্য ক্রিকেটার একজন ইরফান পাঠান ও অন্য জন মহঃসামি নিজেদের পরিবারের সঙ্গে ছবি পোস্ট করায় ইসলামী মৌলবাদীদের রোষানলে পড়েছেন।এবার দেখা যাক বিষয়টি কি এবং এর পিছনে মনস্তত্ব কি? সামি উঁনি নিজের মেয়ে আইরার জন্মদিনের কেক কেটে সেই ছবি পোস্ট করেন,এর উত্তরে মুমিনরা বলেছেন-আপনার স্ত্রীকে হিজাব ছাড়া দেখে দুঃখ পাচ্ছি,কেউ কেউ বলেছেন আমি মুসলমান তাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা দেওয়া যাবে না,কারণ ইসলামে জন্মদিন পালন করা যাবে না।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রক্তিম বিপ্লবী
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 5 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 29, 2017 - 3:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর