নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

দুর্জয় দাশ গুপ্ত এর ব্লগ

কে কি করলো সেদিকে খেয়াল না রেখে নিজের ইচ্ছে আর স্বপ্নটাকে প্রাধান্য দিতে হবে তবেই সফলতা আসবে


এদেশে প্রতিদিন কতটা ছেলে কিংবা মেয়ে আত্মহত্যা করে এই হিসেব করার সময় কি আমাদের আছে? যে মানুষটা সারাদিন কোন কাজ না করে বাসায় বসে থাকে তারও এই সময়টা নেই। পত্রিকার পাতায় কিংবা রাতের সংবাদে যখন শুনা যায় ২০-২৫ বছরের একটা মানুষ আত্মহত্যা করেছে তখন অবশ্যই আমরা ভেবে নেই এর প্রধান কারণ প্রেমে ব্যর্থতা। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে সেটা না ও হতে পারে।

ডিপ্রেশন শব্দটাই একদিন অনেক ডিপ্রেশনে ভোগবে..


একটা মানুষ একটু সুখের আশায় ছুটে বেড়ায় এই শহর থেকে অন্য শহরে। কেউ কেউ আবার দেশ পেরিয়ে ছুটছে অন্য কোন দেশে। তৈরি হয় নতুন ঠিকানা। শুরু হয় নতুন যুদ্ধ। কে যুদ্ধে জয়ী হলো আর কে পরাজয় বরণ করলো তার উপর নির্ভর করে কে কতদিন সুখী হয়ে বাঁচবে। এই শহরের সবচেয়ে প্রাচীন আর ভয়ানক রোগের নাম ডিপ্রেশন। রাতের আঁধারে এই একটা রোগ একে একে সবাইকে আক্রমণ করে। চোখের নিচের কালো দাগগুলো দেখলেই বুঝা সম্ভব মানুষগুলো শেষ কবে রাতের বেলা একটু আরাম আর আয়েশ করে ঘুমিয়েছে ঠিক নেই। ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে আসার জন্যও প্রয়োজন ছোটখাটো যুদ্ধের। আবার বের হতে না পারলে নিশ্চিত মৃত্যু।

যুদ্ধ, যুদ্ধ আর যুদ্ধ...

নতুন বছরের শ্রেষ্ঠ উপহার নিয়ে এলো "ব্যান্ড সহজিয়া"



অ্যালবামঃ ঘোড়া
ব্যান্ডঃ সহজিয়া

ব্যান্ড সহজিয়া তাদের প্রথম অ্যালবাম রিলিজ করেছিলো ২০১৩ সালের নভেম্বরে। ৯টি গান নিয়ে করা প্রথম অ্যালবাম ছিলো "রঙমিস্ত্রী"। প্রথম অ্যালবাম রিলিজ হওয়ার পর থেকেই শ্রোতাদের কাছে প্রতিটা গানই ভিন্নধারার মনে হয়েছে। কাব্যিক লিরিক আর সাধারণ সুরে করা এক একটা গান কত সহজ আর সুন্দর করে অসাধারণে রূপ নিয়েছে সেটা এ প্রজন্মের শ্রোতাদের আগ্রহ থেকেই বুঝা যায়।

কখনোই নিজেকে একজন লেখক কিংবা গল্পকার মনে হয় না।


সেই ছোটবেলা থেকেই বইপড়ায় আগ্রহ অনেক। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি গল্প কিংবা কবিতার বইও পড়া হতো। কিন্তু একজন লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার বিষয়টা ছিলো সম্পূর্ণ আলাদা। মাঝেমধ্যে বসে ডায়রি লিখা হতো। ভালো কিংবা খারাপ দুটো সময়েই ডায়রি লিখতে ভালো লাগতো। আমার কাছে ডায়রি একটা বন্ধুর মত। সেই থেকেই শুরু। তারপর একটু একটু করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা। তবে কখনোই নিজেকে একজন লেখক কিংবা গল্পকার মনে হয় নি। মানুষের জীবনের বাস্তবিক গল্পের চেয়ে বড় গল্প আর কি হতে পারে। এসব চিন্তা-চেতনা থেকেই গল্প লিখা শুরু। ২০১৬ সালের শুরু থেকে পুরোদমে গল্প লিখা শুরু করি। ফেইসবুকের জনপ্রিয় কয়েকটা পেজে অনেকদিন গল্প লিখতাম। যখন এসব পে

ডুব - রিভিউ পর্ব ১



ইচ্ছে ছিলো মুভিটা ঢাকায় দেখি। কিন্তু নিজের শারীরিক অসুস্থতা আর পারিবারিক কিছু কাজে সিলেটেই আটকে গেছি। এই দিনটার অপেক্ষায় ছিলাম অনেক দিন থেকেই। শেষ পর্যন্ত বলাকার জায়গায় নন্দিতায়ই দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। কাল রাত থেকেই অপেক্ষায় সকাল সাড়ে দশটা কখন বাজবে। যদিও শো শুরু হবে সাড়ে এগারটায় কিন্তু আগে আগে যেতে হবে। না হলে আবার টিকেট পাওয়া সম্ভব না।
যাই হোক সাড়ে এগারটা থেকে তার পরের ঠিক ১ ঘন্টা ৫০ মিনিটের গল্পটা বলি।

শিরোনামহীন নামটাই আজকের দিনের প্রধান শিরোনাম।


একের পর এক ধাক্কা। কিন্তু ধাক্কাটা কার বেশি লাগছে? যারা নিয়মিত গান শুনিয়ে মন মাতিয়েছে তাদের? না যারা গান শুনে শুনে বড় হয়েছে, গানেই নিজেদেরকে খুঁজে পেয়েছে এতগুলো বছর ধরে তাদের?

জীবনের গল্প


কেউ চায় প্যারিসের আকাশ, কেউ বা একটু সুখ। আবার কেউ একটু ভালো করে বাঁচতে। জীবনটা খুবই ক্ষুদ্র। তবে এই ক্ষুদ্র জীবনটাই প্রতিদিন নতুন কিছু শেখায়। কাউকে স্বপ্ন দেখতে আবার কারোও স্বপ্ন ভাঙতে। তারপরেও মানুষেরা হাসে। আচ্ছা একটা হাসির পেছনে কতগুলো কারণ থাকে? কতটা কারণ সুখী হওয়ার আর কতটা স্বপ্ন ভাঙার??

"নীলাঞ্জনা"


কখনো কি আকাশের কান্না দেখেছো?
দেখো নি তো? জানতাম আমি!!
কখনো কি আকাশের কবিতা শুনেছো?
শুনো নি তো? এটাও জানতাম!!
কখনো মায়া নিতে একবার তাকিয়েছো আকাশ পানে?
হয়তো ভাবছো তাকানোর প্রয়োজনই পড়ে নি।

একবার শুনেছিলাম নীলাঞ্জনা আকাশ দেখার সময় পায় না।
গভীর সমুদ্রের বিশাল ঢেউ, মেঘালয়ের উঁচু পাহাড়, প্যারিসের আকাশ সবকিছুই তুচ্ছ হয়ে যায় নীলাঞ্জনার হাসিতেই।
সেই নীলাঞ্জনাই কেন আয়োজন করে আকাশ দেখবে?

প্রথম ভুলটা আমাদেরই।


আজ আমরা যাদেরকে জঙ্গি বলে জানি তারাও একদিন স্কুল মাঠে সবার সাথে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীতে গলা মিলিয়েছে। এরাই সবার মতো লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছে। আর আজ তারাই এই দেশের স্বাধীনতা দিবসে হামলা করে একের পর এক পুলিশ, Rab আর সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে। এর পেছনে তারা যতোটা দায়ী ততোটা দায়ী আমরাও। এক একটা পরিবারই এক একটা জঙ্গী জন্ম দেওয়ার পেছনে প্রধান কাজটা করেছে।

বোর্ডিং কার্ড

দুর্জয় দাশ গুপ্ত
দুর্জয় দাশ গুপ্ত এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 2 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, আগস্ট 17, 2017 - 11:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর