নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

মুফতি মাসুদ এর ব্লগ

স্মৃতিচারণ - ১৪


মালিবাগ মাদ্রাসা, ঢাকা। প্রতি কোরবানির ঈদের অাগে মাদ্রাসায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। কোরবানির চামড়া কালেকশন করার পোস্টারিং, মাদ্রাসা ফান্ডের টাকায় নাস্তা-পানি, সারাদিন ঘোরাঘুরি করা এসবে বেশ মজা! ঈদের দু'তিনদিন অাগ হতে একেবারে স্বাধীন, খাওয়াদাওয়া, ঘোরাফেরা.... ইত্যাদি।

স্মৃতিচারণ - ১৩


When অাই অ্যাম ইন জাহেলিয়াত

স্মৃতি - ১: ১৯৯০ সাল, ভালোমন্দ বোঝার বয়স তখনো হয়নি। সবার মুখে মুখে শুনতাম 'বাকের ভাই' নামটা। মনে করতাম, বাকের ভাই কোন মহান ব্যক্তি নিশ্চয়ই! বাকের ভাইয়ের ফাঁসি হবে বলে সবাই কাঁদতো। অামি ফাঁসি কাকে বলে জানতাম না। ভাবতাম, ফাঁসি মানে হচ্ছে অসুস্থ হওয়া, অনেক অসুস্থ হওয়া!
অামার বাবা মসজিদের ইমাম হওয়ার কারণে টিভি দেখতেন না, কিন্তু বাকের ভাইয়ের ফাঁসির দিন এক বাসায় গিয়ে অামাকে কোলে নিয়ে বসে টিভি দেখেছেন। যারা টিভি দেখেছে সবাই কেঁদেছে, এমনকি বাবাও! অামিও কেঁদেছি, ফাঁসির কারণে না, অন্যদের কান্না দেখে!

কুমার বিশ্বজিতের গানের ইসলামিক সংস্করণ : মুফতি অাবদুল্লাহ অাল মাসুদ।


তোরে তেঁতুলের মত করে সাজিয়ে,
বোরকার খাঁচাতে রাখবো।
অার হুজুরের চোখ দিয়ে তাকিয়ে,
ঈমানের জোর নিয়ে দেখবো।
মুমিন ছুঁই ছুঁই করে রে,
মুমিন ছুঁই ছুঁই করে রে,
যেন জিভেজল এসে গেছে!
তোরে তেঁতুলের মত করে সাজিয়ে,
বোরকার ভেতরে রাখবো।
অার হুজুরের চোখ দিয়ে তাকিয়ে,
ঈমানের জোর নিয়ে দেখবো।

তোর কোমরের দোলানোর ছন্দ,
তাহাজ্জুদের নামাজে বাজেরে।
তোর বিভাজিকার উচ্চ অালোড়ন,
মুমিনের অঙ্গ জাগাবে।

তোর ঘনকালো মেঘকেশ দেখিলে,
ঈমানের বারোটা বাজেরে।
তোর চোখ দুটো ব্যান্ডেজ বাঁধিয়ে,
ঈমানের হেফাজত করবো।

অামার খুনের বিচার চাই না


27-11-17

ভূমিকা : গত ২০/১১/১৭ তারিখে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলাম, অামাকে দুজন লোক মার্ক করছিল সে বিষয়ে। তখন বিষয়টি খুব বেশি অামলে নিইনি, কিন্তু এর কয়েকদিন পরেই ভারতে অস্ত্রসহ এবিটির স্লিপার সেলের কয়েকজন ধরা পড়লো! এখন সেই দুজন লোকের চাহনি নিয়ে পুরোপুরি সন্দিহান অামি।

অামি ঢাকায় থাকতে শেষের কয়েকদিন ছোট্ট একটি ব্যাগে সবসময় ছুরি নিয়ে ঘুরতাম। অামার ফ্ল্যাটে অামি একাকী থাকতাম, ঘুমের সময়েও বালিশের নিচে ছুরি রাখতাম!

এবার কয়েকটি ভবিষ্যৎ দৃশ্য কল্পনা করে অাসি চলুন, যা ২০১৭ এর শেষনাগাদ কিংবা ২০১৮ এর শুরুতে ঘটতে পারে -

স্মৃতিচারণ - ১০; অা সেপারেশন


মহাত্মা গান্ধীকে একবার এক অামেরিকান সুন্দরী সাংবাদিক একসাথে রাত কাটানোর প্রস্তাব দিল, গান্ধীজি রাজি হয়ে গেলেন। সুন্দরী সাংবাদিক সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে গান্ধীজির সামনে দাঁড়ালেন, গান্ধীজি তাকিয়ে দেখলেন, এরপর দুজনই একসাথে ঘুমালেন।
গান্ধীজি সুন্দরীর প্রতি বিন্দুমাত্রও অাগ্রহ দেখালেন না।

বুদ্ধদেব সংসারের মায়া ত্যাগ করে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ে পেছন ফিরে তাকাননি, যদি সন্তানের প্রতি টানের পাকে বাঁধা পড়েন?

স্মৃতিচারণ - ৬


২০০২ সাল। ভাঙ্গাড়ির দোকান ও পুরাতন বইয়ের দোকান থেকে সস্তায় গল্প, কবিতা, উপন্যাসের বই কিনে পড়তাম।
অামার ছাত্রজীবনের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুর সাথে প্রতি বৃহস্পতিবার যেতাম কাকরাইল মসজিদে তাবলীগী বয়ান শুনতে। বন্ধু অামার সংস্কৃতিমনা ও সুসাহিত্যিক ছিল।
সে তখনই একটি ছোট্ট কিশোর পত্রিকার সম্পাদক ছিল; অসাধারণ সৃজনশীলতা ছিল অামার বন্ধুর!
তাবলীগী বয়ান শুরু হতো মাগরিবের নামাজের পর। তাই অামরা বয়ানের পূর্বে বিকেলে রমনাপার্কে গিয়ে প্রকৃতি দেখতাম। কপোত-কপোতীর ডলাডলিও দেখতাম। বন্ধুর ভাষ্যমতে, চটকাচটকি!
একদিন একটি পুরাতন বইয়ের ভেতরে পেলাম কবিতা - "অাবার অাসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে, এই বাংলায়।"

কেন বাড়ছে উগ্রপন্থা? 01-10-17


রিসার্চ - ১ :
অামার মাদ্রাসার ক্লাসমেটদের কেউ কেউ জিহাদবিরোধী ছিল, যদিও বেশিরভাগই জিহাদের সাপোর্টার ছিল। অামিও ১৯৯৯, ২০০০, ২০০১ সালে জিহাদি ভাবধারার ছিলাম। এসময়ে অামার একজন ক্লাসমেট অামাকে শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরিতে নিয়ে যায়, শুরু হলো বইপড়া। চিন্তার জগতে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিল।

মাদ্রাসা পড়ুয়ারা কি জঙ্গিবাদের সমর্থক? এর উত্তর হবে - হ্যা, তবে বাধ্য হয়ে।

প্রিয় টুকটুকি, মামনি অামার !


টুকটুকি, মামনি অামার! অাব্বুকে অাব্বু ডাকতে তুমি শিখেছ অারো দু'বছর পূর্বে। চকলেটকে চক্কা, বিস্কুটকে বিক্কু, কমলাকে কম্মা, ভাতকে বাক, গোস্তকে গুক্কু বলতে তুমি।
গ্রামে গেলে মাঠেঘাটে তোমাকে কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াতাম, তোমার অাম্মু এবং নানু টেনশন করতো - দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে এত সময় কেউ বাইরে থাকে?

তোমাকে নদীরপাড়ে, খোলা ফসলের মাঠে, সবুজ ঘাসের উপরে হাঁটাতাম হাত ধরে ধরে - মনে পড়ে কি মা?
তুমি যা কিনতে চাইতে তা-ই কিনে দিতাম নির্দ্বিধায়। ইমাম সাহেবের মেয়ে হওয়ায় তোমাকে ভালোবাসতো সবাই, অাদর করতো সবাই।

ভালোবাসা : অামার দৃষ্টিভঙ্গি


পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দ 'অাই লাভ ইউ।' এর বিপরীতে অাই হেইট ইউ শব্দটি খুব কমই উচ্চারিত হয়।
তাইতো পৃথিবীতে অাজও ফুল ফোটে, পাখি গান গায়, সাগর মুক্তো ছড়ায়।

ভালোবাসা জগতের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মানবীয় গুণ। দুটি মন যখন ভালোবাসার মোহনায় মিলে যায় তখন তা সৃষ্টি করে পবিত্রতা, সৃজন করে মহাকাব্য।
প্রকৃতি অামাদেরকে শেখায় ভালোবাসতে। ভালোবাসা থেকেই হয় কাছে অাসা, অার কাছে অাসা থেকেই সূচনা হয় মহামিলনের, মহাকাব্যের।

মোহাম্মদী লেজের ফায়দা বহুবিধ !


ভূমিকা : মাদকব্যবসায়ী, নারী পাচারকারী, ধর্ষক, খুনি, প্রতারক ও গডফাদারদের শেষ ঠিকানা ধর্ম। তাহের মেয়র, শামীম এন্ড সেলিম ওসমান, জয়নাল হাজারী, হাজী সেলিম, বদি সহ সব গডফাদারদের ফার্স্ট চয়েস হচ্ছে মোহাম্মদের লেজ। ছ্যাঁকামাইসিনের রোগী, বুড়োত্বের যোগী, বসের উচ্ছিষ্ট-ভোগীর শেষ অাশ্রয় ইসলাম।
মোহাম্মদী লেজের ফায়দা বহুবিধ -
দুনিয়ায় হুজুর ও ঈমানদারদের সার্টিফিকেট প্রাপ্তি, অার পরকালে মদ-গাঁজা-হুর-ইয়াবার অফুরন্ত সাপ্লাই।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মুফতি মাসুদ
মুফতি মাসুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 2 দিন ago
Joined: সোমবার, আগস্ট 14, 2017 - 6:00অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর