নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • নগরবালক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

মুফতি মাসুদ এর ব্লগ

অাল্লাহ কি বাংলা সিনেমার ভিলেন ?


একটা বাংলা সিনেমার নাম “খাইছি তোরে!”
অারেকটি সিনেমার নাম “ঢাকাইয়া পোলা বরিশালের মাইয়া।”
এছাড়াও রিক্সাওয়ালার প্রেম, কোপা শামসু, মা বড় না বউ বড়, বাসর হবে মাটির ঘরে, ভালবাসা দিবি কিনা বল, টপ রংবাজ, মন বসেনা পড়ার টেবিলে ইত্যাদি অারো বহু সৃজনশীল নাম পাবেন অাপনি বাংলা ছিঃনেমায়!

অাগুনের রাজতখত


পাহাড়ে চড়েছি। বসে অাছি নিরিবিলি। নিভৃতে এলে অামি কিছুক্ষণের জন্য হলেও নিভৃতচারী হয়ে যাই।
চারদিকটা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। অনেক পাহাড়ের গায়ে পোড়া দাগ দেখা যাচ্ছে। লতাগুল্ম, শনের বন পোড়ানো হয়েছে; দেখলে বোঝা যায়। এজন্য প্রজাপতির দেখা মিলছে না। পাখিও সহজে চোখে পড়ছে না।
দেখেই যাচ্ছি, দেখেই যাচ্ছি, পোড়া পাহাড়..... পোড়া বন..... পোড়া শন...পোড়া লতাগুল্ম!
হঠাৎ একটি পাহাড় বললো, কেমন অাছ গো জীবনানন্দের শিষ্য? অামি অবাক........ ভালো অাছি হে তাপসী!
এরপর অাবার বললাম - পাহাড়, তুমি এতবছরের ধ্যান ভেঙে ফেললে? তোমার নিরব তপস্যার নিশাবসান ঘটালে?

হিন্দুসলামিক ভারত : ধর্মনিরপেক্ষতার ডায়রিয়া এবং অামাশয়!


ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার বিবর্তিত নাম হচ্ছে হিন্দুসলামিক ধর্মনিরপেক্ষতা।
তিনদিকে বিদ্বেষভাবাপন্ন দেশ, এর ওপরে রুশ-মার্কিন রেষারেষিতে নিরপেক্ষতা ধরে রাখার চেষ্টা, দেশের 25% মুসলিম ভোট, সবকিছু মিলিয়ে ভারতের গণতান্ত্রিক মেজাজ খুব একটা খোশ হালতে নেই।
যদিও সরকারি হিসেবে ভারতের মুসলিম হার 14.2% তথা 172 মিলিয়ন দেখানো হলেও বিশেষজ্ঞ মতে এটা 25% তথা 250 মিলিয়নের কম নয়!

চলুন অনুভূতির চর্বিত চর্বণ করি !


অনুভূতি নামক বেদাতি বে-শরা শব্দ এখন হরহামেশাই ব্যবহার করছে রাজনীতিবিদেরা। সব কিছুতে শুধু অনুভূতি অার অনুভূতি!
অাসুন অামরাও অনুভূতি নামক শব্দের অহর্নিশ ব্যবহার শুরু করি.....
যেমন, নামাজের নাম হবে নামাজানুভূতি।
রোজার নাম হবে রোজানুভূতি।
জিহাদের নাম হবে জিহাদানুভূতি।
হজ্বের নাম হবে হজানুভূতি।
জাকাতের নাম হবে জাকাতানুভূতি।
নবীজির দিনের সুন্নতের নাম হতে পারে দিনানুভূতি। রাতের সুন্নতের নাম রাতানুভূতি, সহবতানুভূতিও হতে পারে।
নবীজির খুনখারাবির নাম হতে পারে খুনানুভূতি।
হিজাবের নাম হতে পারে হিজাবানুভূতি, এবং বোরকার নাম বোরকানুভূতি।

ইহা সহীহ হিন্দুত্ব নহে !


ভারতে ইদানীং ‘জয় শ্রীরাম’ শব্দটা বেশ শোনা যাচ্ছে। ক্রমেই ধর্মান্ধতা চেপে বসছে ভারতের ঘাড়ে। পাকিস্তানের ক্রমাগত ধর্মীয় সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ ভারতবাসীর কাছে হিন্দুত্বের শান্তির বার্তা বিতরণ করছে অারএসএস, শিবসেনা, বিজেপি ও বজরং দল।
রাস্তাঘাট, খোলামাঠ, পরিবহন প্রভৃতি স্থানে হাঁটতে গেলে মাঝেমধ্যে কানে অাসে ‘জয় শ্রীরাম’ নামক শান্তিবাণী (?), যা ক্রমেই খাচ্ছে ভারতীয়দের মননশীলতা ও সৃজনশীলতা।

ভগবানের দেশে অাবারো শিশু ধর্ষণ ও হত্যা : ভগবান তখন অাল্লাহকে দোষারোপ করছিলেন!


সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেছি। ফেসবুকে চোখ বুলিয়েছি। চোখের পাপড়ি ভিজে গেল, খবরটি পড়ার পর। বাংলাদেশে শিশু পূজাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। ধর্ষকরা ছিল মুসলমান। ভারতে অাট বছর বয়সী অাসিফাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষকরা হিন্দু।
হিন্দু ধর্ষকদের মুক্তির দাবিতে মিছিল করেছে বহু হিন্দু। কারণ ভারত হচ্ছে ভগবানের দেশ, যেমন বাংলাদেশ হচ্ছে অাল্লাহর দেশ। অাল্লাহ এবং ভগবানরা মিলেমিশে নিজেদের জন্য অালাদা অালাদা দেশ ভাগ করে নিয়েছে।
অাল্লাহর দেশে হিন্দুদেরকে ধর্ষণ করা হয় অাল্লাহর নামে, বাকি মুসলিমরা নিশ্চুপ। ভগবানের দেশে মুসলিমদেরকে ধর্ষণ করা হয় ভগবানের নামে, বাকি হিন্দুরা চুপ।

মাত্র ২৭০০ টাকায় হোন একজন ব্যাংকের মালিক !


মাত্র ২৭০০ টাকা দিয়েই অাপনি হতে পারেন একজন গর্বিত ব্যাংক মালিক!

ওয়াশিকুর স্মরণে : একজন এক্স মোল্লা


যেদিন ওয়াশিকুরকে হত্যা করা হয় সেদিন অামি ছিলাম মসজিদের ইমাম। তখন কাউকে অামার ক্ষোভের কথা বলতে পারিনি। একটি টগবগে যুবককে হত্যা করা হয়েছিল, যে বয়সে অামার চেয়ে ছোট ছিল। অামি যে কয়দিন পৃথিবীর অালো-বাতাস ভোগ করেছি সে তার চেয়ে কম সময় ভোগ করেছে।
ওয়াশিকুরের এমন কোন রোগ হয়নি যদ্দরুণ তাকে মরতে হয়েছে। ওয়াশিকুর এমন কোন অপরাধ করেনি যদ্দরুণ তার প্রাণ হনন করা যেতে পারে।

সংখ্যাগুরুর অাল্লাহ, ভগবান এবং ঈশ্বর


অাল্লাহর সাথে বনিবনা করার চেষ্টা করেছি অামি, পারিনি!
এরপর ভগবানের সাথে অাপোষ করার চেষ্টা করেছি, এখানেও ব্যর্থ!
ঈশ্বরের সাথে মিলতাল করার চেষ্টা করেছি, এটাও নিষ্কল!
অনেক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও অাল্লাহ, ভগবান এবং ঈশ্বরের সাথে শেষপর্যন্ত অামার বনিবনা হয়নি, কারণ এরা সবসময় সংখ্যাগুরু, ধনী এবং ক্ষমতাবানের পক্ষে।
বাংলাদেশের অাল্লাহ মুসলিমের পক্ষে। ভারতের ভগবান হিন্দুর পক্ষে। পশ্চিম অাফ্রিকার ঈশ্বর খ্রিষ্টানের পক্ষে। বার্মার বুদ্ধদেব বৌদ্ধের পক্ষে।

অনুভূতিতে বিনিয়োগ


অামি একটি কথা প্রায়ই বলে থাকি, ধর্ম টিকিয়ে রেখেছে মোল্লারা একথাটা সর্বৈব ভুল। ধর্ম টিকিয়ে রেখেছে ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদরা।

রাজনীতিবিদেরা যেমনভাবে মশা পোষে, চোর-ডাকাত পোষে, দেশে হিংসা পোষে ঠিক তেমনিভাবে তারা ধর্মও পোষে তথা মোল্লা পোষে। যেহেতু হিংসাকে জিইয়ে রাখার সর্বোত্তম অস্ত্র হচ্ছে ধর্ম।

বাংলাদেশের মোল্লারা যতটা ঘৃণা করে সৌদির বর্তমান যুবরাজকে, রাজনীতিজ্ঞ ও ব্যবসায়ীরা তারচে সত্তরগুণ বেশি ঘৃণী করছে তাকে!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মুফতি মাসুদ
মুফতি মাসুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 13 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, আগস্ট 14, 2017 - 6:00অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর