নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

সাহাবউদ্দিন মাহমুদ এর ব্লগ

বিশ্বাসের ভাইরাস - পর্ব তিন! নারী বলেই কি মেয়েরা অবহেলিত?


ফুটন্ত গোলাপের মত একটি শিশুর আগমন ঘটে এই পৃথিবীতে। আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে শিশুটির শারীরিক গঠন। পৃথিবীর সব ধরনের জীব জন্তু পশুপাখি একই নিয়মে বেড়ে ওঠে। মানুষও এটার বিপরীত নয়। বিবর্তনের কারণে আজকে মানুষের এই জায়গায় উপস্থিতি। মানুষের বিবর্তন হয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে, আর এখনও হচ্ছে।

বিশ্বাসের ভাইরাস - পর্ব দুই! ইলিয়াসী তাবলীগ ও অনন্ত জলিলের ভন্ডামি।


বাংলাদেশের একজন আলোচিত ও সমালোচিত ব্যক্তির নাম অনন্ত জলিল। কয়েকটা বাংলা ডিজিটাল মুভি তৈরি করার কারনে বাংলাদেশে তিনি বেশ আলোচিত। আর কয়েকটা পদক্ষেপের কারণে তিনি মোটামুটিভাবে সমালোচিত।

বাংলাদেশ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কারণে অনন্ত জলিল আজকে বাংলাদেশের পরিচিত ও জনপ্রিয় একটা নাম। সেই জনপ্রিয়তা ও পরিচিতি হাতে নিয়ে, তিনি একেক সময় একেক ধরনের খেলা খেলে যাচ্ছেন, আর মাঝে মাঝে তাকে হতে হচ্ছে হাসির পাত্র।

বিতর্কিত ছবি বানিয়ে পরিচালক হওয়া যায়! তবে হুমায়ূন আহমেদ হওয়া যায় না।


মোস্তফা সরওয়ার ফারুকি বাংলাদেশের বড় মাপের একজন পরিচালকের নাম, মোটামুটি ভাবে তার পরিচালিত সবগুলো ছবিই জনপ্রিয়তা পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য - টেলিভিশন - থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার - পিঁপড়াবিদ্যা! নাটক নির্মাণেও তিনি বেশ জনপ্রিয়। তার পরিচালিত নাটকের নাম বলে শেষ করা যাবে না।

অতি সম্প্রতি তিনি একটি ছবি নির্মাণ করেছেন। যৌথ প্রযোজনায়। যে ছবিতে অভিনয় করেছেন ভারতের বিখ্যাত ও হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান খান। ইরফান খানকে রাখার একটাই কারণ কেননা হলিউডের একজন অভিনেতা থাকলে অস্কারে জায়গা পেতে একটু সুবিধা হয়।

বিশ্বাসের ভাইরাস- পর্ব এক! ইমাম সাহেবের সাথে ধর্ম নিয়ে তক্কাতক্কি!


সকালের সূর্য উঠেছে। উঠেছে শামীম! শামীমের ঘরটা ঠিক মসজিদের পাশেই। মানুষ সাধারণত সকালে ঘুম থেকে উঠে সকালের সূর্য উঠার পরে। তবে ইমাম মোয়াজ্জেমরা সূর্য ওঠার আগেই ঘুম থেকে উঠে যায়। ঘুম থেকে উঠে একেকজন একেক কাজ করে। ঠিক তাই মসজিদের ইমাম সাহেবে আর শামীম এর কাজটিও ভিন্ন।

ব্লু হোয়েল আর ধর্মীয় জঙ্গিবাদ একই সূত্রে গাঁথা।


সম্প্রতিক ইন্টারনেটের এক ভয়ংকর খবরের নাম, ব্লু হোয়েল। যে নামটা এখন তরুণ প্রজন্মের আতঙ্কের কারণ। ইদানিং ফেসবুক ও ইউটিউব খুললেই এই নামটি চোঁখের সামনে ভেসে আসছে। এই বিষয়ে একেকজনের একেকরকম মতামত। কারো মতে এটা মিথ্যা এবং বানোয়াট একটা গল্প। আবার কারো জন্যে এটা ধ্রুব সত্য। তবে সত্য-মিথ্যা যাই হোকনা কেন, কোন বিষয়কে হালকা করে দেখা উচিত না।

তবে ইদানিং এই বিষয়টি নিয়ে মানুষ যেমন দুশ্চিন্তা করতেছে। ঠিক একইভাবে এই বিষয়টি নিয়ে হাসি-তামাশাও করতেছে। এই বিষয়টা সত্য না মিথ্যা সেই আলোচনায় না গিয়ে। আমাদের এই বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করা দরকার।

বাঙালিদের জন্মই হয়েছে মানুষকে নিয়ে হাসি-তামাশা করার জন্যে।


ছিছিছি! এইরকম বাজে চেহারার মেয়ে কিভাবে বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় জায়গা পায়! এটা এখন আমাদের দেশের ফেসবুক ব্যবহারকারী বেশিরভাগ মানুষেরই ফেসবুকে স্ট্যাটাস।

তবে আমাদের চিন্তাধারা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। মানুষকে মানুষের চোঁখে দেখতে হবে। যা আমরা বাঙালীরা করিনা। আমাদের কাজই হচ্ছে মানুষের খারাপ দিকগুলো নিয়ে সমালোচনা করা।

ভালো নাস্তিক আর খারাপ নাস্তিক বলে কোনো শব্দ নেই।


আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টের একজন বন্ধু খারাপ নাস্তিকদের উদ্দেশ্যে একটা লেখা লিখেছেন। যেখানে তিনি পরিষ্কার করেছেন উগ্র নাস্তিকদের কারণে ভালো নাস্তিকরা প্রতিনিয়ত বিপদের সম্মুখীন হচ্ছেন।

তিনি সেখানে ভালো নাস্তিক ও খারাপ নাস্তিকের সংজ্ঞা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন কেউ যদি কোন নাস্তিক কে জিজ্ঞেস করে আপনি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেননা কেন? যে কিনা চুপচাপ সে কথাটা হজম করে ফেলবে সেই হচ্ছে ভালো নাস্তিক।

নাস্তিকদের হত্যা করা ফরজ।


নাস্তিকদের হত্যা করা ফরজ। কারণ নাস্তিকরা শুধুমাত্র ইসলাম ধর্মের সম্বন্ধে খারাপ মন্তব্য করে। আর প্রতিনিয়ত ইসলাম কে গালাগালি করে চলেছে, তাঁরা কি অন্য কোন ধর্ম দেখে না? ইসলাম তাঁদের কি ক্ষতি করেছে? যে প্রতিনিয়ত ইসলামকে নিয়ে সমালোচনা করতে হবে? তাই এখনি সময় নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এদেরকে প্রতিহত করতে হবে,যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানে।

আমার দাদার হজ্বে যাওয়া,এবং হজ্ব সম্পর্কে আমার কিছু কথা।


ছোট বেলাটা আমার অনেক আনন্দময় ছিলো। আমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতাম,কিন্তু আমার মোঠেও মাদ্রাসায় পড়ার ইচ্ছে ছিলোনা। আমাকে একপ্রকার জোর করেই মাদ্রাসায় পড়ানো হয়। এটা নিয়ে আমার বাবা আর আমার মায়ের মধ্যে প্রায় ঝগড়া হতো। আমাকে মাদ্রাসায় পড়ানোর একটাই কারণ। সেটা হলো আমার দাদার ইচ্ছে পূরণ করা। আমার দাদাকে আমাদের গ্রামের একজন ধনি ব্যক্তি হজ্বে নিয়ে গিয়েছিলেন,কারন দাদাকে আমাদের নিজের টাকায় হজ্বে পাঠানোর মত সামর্থ্যে চিলো না।

মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের অবিশ্বাস।


মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ একটা বড় ধরনের শয়তানের নাম। কারণ তিনি নবীর সুন্নত দাড়ি টুপি মাথায় রেখে ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। এটা বুঝতে মুসলমানদের কষ্ট হওয়ার কথা নয়। কারণ তারা সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানী হযরত মোহাম্মদ সাঃ এর অনুসারী। তারা অগ্রিম অনেক কিছু বুঝতে পারে। এইরকম শয়তানের সংখ্যা বাংলাদেশে নিহাত কম নয়। যেমন আহসান হাবীব পেয়ারও আব্দুল্লাহ আল মাসুদের মত আরেকটা বড় শয়তান। কেননা ইসলামের নাম বিক্রি করে তিনি মানুষকে ধোকা দেওয়ার কাজ করেছেন, এবং তিনি এটাও বলছেন যে তিনি কখনো আল্লাহর রাস্তায় যাবোনা, আল্লাহ তাহার রাস্তায় আসবে নাউজুবিল্লা,কত বড় শয়তান।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
সাহাবউদ্দিন মাহমুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 5 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 8, 2017 - 12:09পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর