নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • মোগ্গালানা মাইকেল
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • দীব্বেন্দু দীপ

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

কালাম আজাদ এর ব্লগ

বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতা : আরাকান রাজসভার কবি কাজী শেখ মনসুর


সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগ (Mediaeval age) যুগান্তকারী এক অধ্যায়। আবহমানকাল থেকে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার (চকরিয়া, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, কক্সবাজার) অঞ্চলটি চট্টগ্রাম ও আরাকানের অন্তর্ভূক্ত ছিল । সাংবাদিক-সাহিত্যিক মোহাম্মদ আবদুর রশিদ সিদ্দিকী, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, ড. মুহম্মদ এনামুল হক, ড.আহমদ শরীফ, অধ্যাপক শাহেদ আলী, মুহাম্মদ সিদ্দিক খান, ড. রতন লাল চক্রবর্তী, মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম, আবদুল হক চৌধুরী, ড.

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আরাকানে বাঙালি শরণার্থীর আশ্রয়


১৯৭১ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পাক বাহিনী চট্টগ্রাম শহরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। এরপর একই সাথে উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় অগ্রসর হয়। দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান পথ হলো আরাকান সড়ক। এ সড়কে কর্ণফুলী নদীর উপর কালুরঘাট সেতু কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষাব্যূহ ছিল মুক্তিবাহিনীর অন্যতম প্রধান প্রতিরোধ কেন্দ্র। ১১ এপ্রিল পাক বাহিনীর নিকট কালুরঘাটের পতন হলে পশ্চাদপসরণ করা মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়ে উত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে। কালুরঘাট থেকে আরাকান সড়ক দিয়ে পাক বাহিনীর অগ্রযাত্রা প্রতিরোধ করার মতো

শহীদ সাবের : জীবন ও সাহিত্য


চিন্তাই কর্মের উদ্দেশ্য। যে চিন্তাকে কর্মের দিকে প্রেরণাা দেয় না, সে পণ্ডশ্রম প্রবঞ্চনা মাত্র। অতএব চিন্তার সেবক যদি আমরা হয়ে থাকি, তবে কর্মেরও সেবক আমাদের হাতে হবে”। উক্তিটি মার্কসবাদের বাস্তবায়নকারী ভ. ই.

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবিরোধী আন্দোলনে কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়


দেশের দক্ষিণের সীমান্ত জেলা হিসেবে কক্সবাজারের গুরুত্বও ছিলো অত্যাধিক। খেলাফত আন্দোলন ও বৃটিশবিরোধী যুব বিদ্রোহের আন্দোলনে কক্সবাজার জেলার একমাত্র ঐতিহ্যবাহী স্কুল হিসেবে কক্সবাজার মধ্য ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয় (বর্তমানে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়)’র অবদানও কম নয়।

রূপচাঁদা কঙ্কাল’ : অন্যরকম পাঠোদ্ধার


বাংলাদেশ কবি ও কবিতার দেশ। এ দেশের নান্দনিক নৈসর্গই কবি-লেখক হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। সাগর, পাহাড়, নদী, ঝর্না শোভিত কক্সবাজারের শেকড় সন্ধানী কবি সিরাজুল হক সিরাজের প্রথম কাব্য গ্রন্থ ‘‘রূপচাঁদা কঙ্কাল”। ২০০৯ সালের একুশে বই মেলায় চট্টগ্রামের বলাকা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়। সাগরপাড়ের এ কবি কাব্যগ্রন্থে অলংকার, কাব্যরীতি, আঞ্চলিক শব্দের প্রয়োগ,মাত্রা প্রভৃতি ব্যাকরণিক সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কবি সিরাজুল হক সিরাজ আশির দশকের শেষ ভাগ হতে কবিতা লিখে আসছেন। গ্রন্থিত হয়েছেন ২০০৯ সালের একুশে বই মেলায়। পেশায় কলেজ শিক্ষক এই কবি আজীবন একটি সুর বিভিন্ন ব্যাঞ্জনায় গাইতে চেয়েছেন বলে মনে হয়,কবি সিরাজ ম

নুরপাড়ার দেলোয়ার এবঙ জাল ভোট


বাকঁখালী নদীর উপর দেয়া ভেড়ী বাঁেধর দক্ষিণপ্রান্তের নুরপাড়ায় ভোটের ক্যাম্প পড়েছে। কোন পার্টির সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা একটা চমক। না খেয়ে থাকা মানুষগুলো একটু নুতনত্বের স্বাধ পাচ্ছে- ভোটের গান গুনছে। পোষ্টার লাইটিং, মাইকিং, হৈ-হুল্লোড়। বিশেষ করে ছেলে পিলেদের আনন্দের সীমা নেই। সারাদিন ঘরঘুর ঘুরঘুর করে ক্যাম্পটির আশেপাশে।এই পিচ্চী সিগ্রেট আন! ঐ পিচ্চী পানি আন! ঐ ছেমড়া চা লইয়া আয়!

যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি তারা আমাদের চেয়ে ভালো থাকতে দেখে অপমানবোধ করি


জহর লাল পাল চৌধুরী একাত্তরের সাহসী সৈনিক। বাবা রাজারকুলের বিখ্যাত জমিদার পবিরারের সন্তান যোগেন্দ্র পাল চৌধুরী ও মা প্রেম বালা পাল চৌধুরী। জন্ম রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের রাজারকুল এলাকায়। ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়নের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। একাত্তরের যুদ্ধের সময় জহর লাল পাল চৌধুরী ছিলেন একজন যুবক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কক্সবাজার পতনের পর নিরাপত্তার স্বার্থে পার্শ্ববর্তী দেশ বার্মার (মিয়ানমার) চার মাইল নামক স্থানে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেন। ওখানে কক্সবাজার থেকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেয়া মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও বেঙ্গল রেজিমেন্টে এবং ইপিআর থেকে আগত মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের সাথে পরামর্শ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার উদ্দেশ্যে সেপ্টেম্বরের দিকে ক্যাপ্টেন হারুনের পরামর্শ মতে ইপিআর হাবিলদার ইদ্রিস মোল্লার নেতৃত্বে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। অংশ নেন লামা থানা, আলীকদম থানা, সাতকানিয়া থানা, রাজঘাট ব্রীজ, চুনতি অপারেশনসহ বিভিন্ন অপারেশনে। পাকিস্তানি জল্লাদ সেনাবাহিনীর গাড়ীকে গতিরোধ করে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর ২২ সদস্যকে আত্মসমর্পন করতে বাধ্যকারী মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক জহর লাল পাল চৌধুরী একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেছেন কক্সবাজার বাণীকে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সময় তার বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি কক্সবাজার শহরের ঝাউতলা গাড়ীর মাঠস্থ ভাড়া বাসায় স্বপরিবারে বসবাস কালে ওই সাহসী সৈনিকের সাথে মুখোমুখী হয়েছেন কক্সবাজার বাণীর সহকারী সম্পাদক কালাম আজাদ। সম্প্রতি তিনি প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধোর চেতনা নিয়ে সে সব চেতনা বাজি চলছে তাদের স্বরুপ উম্নোচন করতেই এ সাক্ষাৎকারটি পুণঃমুদ্রণ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ স্বামীর স্বীকৃতি নিয়ে মরতে চান স্ত্রী আলমাছ খাতুন


আমার দিন এখন শেষ। কোনো সুযোগ সুবিধা পাবো এই আশাও ছেড়ে দিয়েছি অনেক আগেই। দেশ স্বাধীনের পর শেখ সাহেব কক্সবাজারে এসে আমারে ডেকে নিয়ে একটি সহানুভূতিপত্র ও দুই হাজার টাকার একটি চেক দিয়েছিলেন। এবং আমাদের সাথে প্রায় ঘণ্টাখানেক কথা বলে মৃত্যুর আগ ( শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর) পর্যন্ত দেখাশুনার কথাও দিয়েছিলেন। কিন্তু শেখ সাহেব মারা যাওয়ার পর আমাদেরকে কেউ খবর রাখেননি। শেখ সাহেবের মেয়ে হিসেবে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার দাবি- শহিদ স্বামীর স্বীকৃতি, শহিদের স্ত্রী হিসেবে একটি খাস জমি আম

কক্সবাজারের ইতিহাসের অনুসন্ধানে...


বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে জেলা কক্সবাজারের অবস্থান। কক্সবাজারের নাম দেশ-বিদেশে সুন্দর ভূপ্রকৃতি, লোনাজল প্রসূত অর্থ বিত্তের তেজস্ক্রিয়া, অধূনা মধ্য প্রাচ্যের পেট্টোডলারপ্রীতি, সর্বোপরি আন্তঃপ্রদেশিক সীমারেখা এর আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিত তৈরি হয়েছে। এর প্রশাসনিক ইতিহাস ও নাম-মহাত্ম্য প-িত ভাষায় অতি সাম্প্রতিক। জেলা হিসেবে এর অস্তিত্ব মাত্র দু’ যুগের চেয়ে একটু বেশী (১ মার্চ ১৯৮৪)। কিন্তু দুইশ বছর আগেও কক্সবাজার নামক কোনো শব্দ বা বাক্যের অস্তিত্ব বিশ্ব মানচিত্রে ছিলো না। তবে ভিন্ন নামে তার ভূ-রাজনৈতিক ইতিহাস সুপ্রাচীন, দুষ্পাপ্য ও মসৃণ। কালে কালে রাজা বাদশার হাত বদল, আরাকানী ও পর্তুগীজ মগ এবং বহ

‘তাজউদ্দীন : নিঃসঙ্গ এক মুক্তিনায়ক’


বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে নিয়ে ইমতিয়ার শামীমের লেখা একটি জীবনীগ্রন্থের নাম ‘তাজউদ্দীন : নিঃসঙ্গ এক মুক্তিনায়ক’। যে গ্রন্থে তাজউদ্দীন আহমদ-এর জীবন কাহিনি তুলে ধরতে গিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের অনেক অপ্রিয় সত্য কথনকে ইমতিয়ার শামীম অসীম সাহসের সাথে উন্মুক্ত করেছেন। দশক বিচারের দিক দিয়ে ইমতিয়ার শামীম আশির দশকেরই একজন। তিনি একাধারে গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, রাজনৈতিক কলাম দু’হাতে লিখেন। এ দিক বিবেচনায় সব্যসাচী লেখক বলা যায় তাকে। সব্যসাচী ওই লেখকের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ নাই। তবে আমি তার লেখার সাথে পরিচিত হই সেই কলেজ জীবনের শুরুর বছরেই। ২০০৪ সালের ৫ নভেম্বর দৈনিক ভো

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কালাম আজাদ
কালাম আজাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 5 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, আগস্ট 3, 2017 - 2:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর